bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
2 Samuel 12
2 Samuel 12
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 13 →
1
পরে মাবুদ দাউদের কাছে নাথনকে প্রেরণ করলেন। আর নাথন দাউদের কাছে এসে তাঁকে বললেন, একটি নগরে দু’টি লোক ছিল; তাদের মধ্যে এক জন ধনবান, আর এক জন দরিদ্র।
2
ধনবানের অতি বিস্তর ভেড়ার পাল ও গরুর পাল ছিল।
3
কিন্তু সেই দরিদ্র লোকটির আর কিছুই ছিল না, কেবল একটি ছোট ভেড়ীর বাচ্চা ছিল, সে তাকে কিনে লালন-পালন করছিল; আর সেটি তার ও তার সন্তানদের সঙ্গে থেকে বেড়ে উঠছিল; সে তারই খাদ্য খেত ও তারই পাত্রে পান করতো, আর তার বক্ষঃস্থলে শয়ন করতো ও তার কন্যার মত ছিল।
4
পরে ঐ ধনবানের বাড়িতে এক জন পথিক এল, তাতে বাড়িতে আগত মেহমানের জন্য রান্না করার জন্য সে তাঁর ভেড়ার পাল ও গরুর পাল থেকে কিছু নিতে কাতর হল, কিন্তু সেই দরিদ্র লোকটির ভেড়ীর বাচ্চাটি নিয়ে যে মেহমান এসেছিল তার জন্য তা-ই রান্না করলো।
5
তাতে দাউদ সেই ধনবানের প্রতি অতিশয় ক্রোধে প্রজ্বলিত হয়ে উঠলেন; তিনি নাথনকে বললেন, জীবন্ত মাবুদের কসম যে ব্যক্তি সেই কাজ করেছে, সে মৃত্যুর সন্তান;
6
সে একটুও রহম না করে এই কাজ করেছে, এজন্য সেই ভেড়ীর বাচ্চাটির চারগুণ ফিরিয়ে দেবে।
7
তখন নাথন দাউদকে বললেন, আপনিই সেই ব্যক্তি। ইসরাইলের আল্লাহ্ মাবুদ এই কথা বলেন, আমি তোমাকে ইসরাইলের উপরে বাদশাহ্র পদে অভিষেক করেছি এবং তালুতের হাত থেকে উদ্ধার করেছি;
8
আর তোমার মালিকের বাড়ি তোমাকে দিয়েছি ও তোমার মালিকের স্ত্রীদেরকে তোমার বক্ষঃস্থলে দিয়েছি এবং ইসরাইলের ও এহুদার কুল তোমাকে দিয়েছি; আর তা যদি অল্প হত তবে তোমাকে আরও অমুক অমুক বস্তু দিতাম।
9
তুমি কেন মাবুদের কালাম তুচ্ছ করে তাঁর দৃষ্টিতে যা মন্দ তা-ই করেছ? তুমি হিট্টিয় ঊরিয়কে তলোয়ার দ্বারা আঘাত করিয়েছ ও তার স্ত্রীকে নিয়ে নিজের স্ত্রী করেছ, অম্মোনীয়দের তলোয়ার দ্বারা ঊরিয়কে মেরে ফেলেছ।
10
অতএব তলোয়ার কখনও তোমার কুলকে ছেড়ে যাবে না; কেননা তুমি আমাকে তুচ্ছ করে হিট্টিয় ঊরিয়ের স্ত্রীকে নিয়ে নিজের স্ত্রী করেছ।
11
মাবুদ এই কথা বলেন, দেখ, আমি তোমার কুল থেকেই তোমার বিরুদ্ধে অমঙ্গল উৎপন্ন করবো এবং তোমার সাক্ষাতে তোমার স্ত্রীদেরকে নিয়ে তোমার আত্মীয়কে দেব; তাতে সে এই সূর্যের সাক্ষাতে তোমার স্ত্রীদের সঙ্গে শয়ন করবে।
12
বস্তুত তুমি গোপনে এই কাজ করেছ, কিন্তু আমি সমস্ত ইসরাইলের সাক্ষাতে ও দিনের আলোতে এই কাজ করবো।
13
তখন দাউদ নাথনকে বললেন, আমি মাবুদের বিরুদ্ধে গুনাহ্ করেছি। নাথন দাউদকে বললেন, মাবুদের আপনার গুনাহ্ দূর করলেন, আপনি মারা পড়বেন না।
14
কিন্তু এই কাজ দ্বারা আপনি মাবুদের দুশমনদের নিন্দা করার বড় সুযোগ দিয়েছেন, এজন্য আপনার নবজাত পুত্রটি অবশ্য মারা যাবে। পরে নাথন নিজের বাড়িতে প্রস্থান করলেন।
15
আর মাবুদ ঊরিয়ের স্ত্রীর গর্ভজাত দাউদের পুত্রটিকে আঘাত করলে সে ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লো।
16
পরে দাউদ ছেলেটির জন্য আল্লাহ্র কাছে ফরিয়াদ জানালেন; আর দাউদ রোজা রাখলেন, ভিতরে প্রবেশ করে সমস্ত রাত ভূমিতে পড়ে রইলেন।
17
তখন তাঁর বাড়ির প্রধান ব্যক্তিরা তাঁকে ভূমি থেকে তুলবার জন্য তাঁর কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন, কিন্তু তিনি সম্মত হলেন না এবং তাঁদের সঙ্গে ভোজনও করলেন না।
18
পরে সপ্তম দিনে ছেলেটির মারা গেল; তাতে ছেলেটি মারা গেছে, এই কথা দাউদকে বলতে তাঁর গোলামেরা ভয় পেল, কেননা তারা বললো, দেখ, ছেলেটি জীবিত থাকতে আমরা তাঁকে বললেও তিনি আমাদের কথা কানে তোলেন নি; এখন ছেলেটি মারা গেছে, এই কথা কেমন করে তাঁকে বলবো? বললে তিনি নিজের কোন অনিষ্ট করে বসবেন।
19
কিন্তু গোলামেরা কানাকানি করছে দেখে দাউদ বুঝলেন, ছেলেটি মারা গেছে; দাউদ নিজেই গোলামদের জিজ্ঞাসা করলেন, ছেলেটির কি মৃত্যু হয়েছে? তারা বললো, হয়েছে।
20
তখন দাউদ ভূমি থেকে উঠে গোসল করলেন, তেল মাখলেন ও পোশাক পরিবর্তন করলেন এবং মাবুদের গৃহে প্রবেশ করে সেজ্দা করলেন; পরে নিজের বাড়িতে এসে হুকুম করলে তারা তাঁর সম্মুখে খাদ্যদ্রব্য রাখল; আর তিনি ভোজন করলেন।
21
তখন তাঁর গোলামেরা তাঁকে বললো, আপনি এটা কেমন কাজ করলেন? ছেলেটি জীবিত থাকতে আপনি তার জন্য রোজা রেখেছিলেন ও কান্নাকাটি করছিলেন, কিন্তু ছেলেটির মৃত্যু হলেই উঠে ভোজন করলেন।
22
তিনি বললেন, ছেলেটি জীবিত থাকতে আমি রোজা ও কান্নাকাটি করছিলাম; কারণ ভেবেছিলাম, কি জানি, মাবুদ আমার প্রতি রহম করলে ছেলেটি বাঁচতে পারে।
23
কিন্তু এখন সে মারা গেছে, তবে আমি কি জন্য রোজা রাখব? আমি কি তাকে ফিরিয়ে আনতে পারি? আমি তার কাছে যাব, কিন্তু সে আমার কাছ ফিরে আসবে না।
24
পরে দাউদ তাঁর স্ত্রী বৎশেবাকে সান্ত্বনা দিলেন ও তার কাছে গমন করে তার সঙ্গে শয়ন করলেন; এবং সে পুত্র প্রসব করলে দাউদ তার নাম সোলায়মান রাখলেন; আর মাবুদ তাঁকে মহব্বত করলেন।
25
আর তিনি নাথন নবীকে প্রেরণ করলেন, আর তিনি মাবুদের জন্য তাঁর নাম যেদীদীয় (মাবুদের প্রিয়) রাখলেন।
26
ইতোমধ্যে যোয়াব অম্মোনীয়দের রব্বা নগরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে রাজধানী হস্তগত করলেন।
27
তখন যোয়াব দাউদের কাছে দূতদের প্রেরণ করে বললেন, আমি রব্বার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানির সরবরাহ অধিকার করেছি।
28
এখন আপনি অবশিষ্ট লোকদের একত্র করে নগরের কাছে শিবির স্থাপন করুন, তা হস্তগত করুন, নতুবা কি জানি, আমি ঐ নগর অধিকার করলে তার উপরে আমারই নাম কীর্তিত হবে।
29
তখন দাউদ সমস্ত লোককে একত্র করলেন ও রাব্বাতে গিয়ে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তা অধিকার করলেন।
30
আর তিনি সেখানকার বাদশাহ্র মাথা থেকে তাঁর মুকুটটি খুলে নিলেন; তাতে এক তালন্ত পরিমাণ সোনা ও মণি ছিল; আর তা দাউদের মাথায় অর্পিত হল; এবং তিনি ঐ নগর থেকে অতি প্রচুর লুণ্ঠিত দ্রব্য বের করে আনলেন।
31
আর দাউদ সেখানকার লোকদের বের করে এনে করাত, লোহার মই ও লোহার কুড়াল দ্বারা কাজ করালেন এবং ইট তৈরির কাজ করালেন। তিনি অম্মোনীয়দের সমস্ত নগরের প্রতি এরকম করলেন। পরে দাউদ ও সমস্ত লোক জেরুশালেমে ফিরে গেলেন।
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24