bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Acts 10
Acts 10
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 11 →
1
সিজারিয়াতে কর্ণীলিয় নামে এক ব্যক্তি ছিলেন, তিনি ইতালীয় নামক সৈন্যদলের এক জন শতপতি।
2
তিনি আল্লাহ্-ভক্ত ছিলেন এবং সমস্ত পরিবারের সঙ্গে আল্লাহ্কে ভয় করতেন। তিনি লোকদেরকে অনেক দান-খয়রাত করতেন এবং সব সময় আল্লাহ্র কাছে মুনাজাত করতেন।
3
এক দিন অনুমান বিকাল তিন ঘটিকার সময়ে তিনি দর্শনে স্পষ্ট দেখলেন যে, আল্লাহ্র এক ফেরেশতা তার কাছে ভিতরে এসে বলছেন, কর্ণীলিয়।
4
তখন তিনি তাঁর প্রতি এক দৃষ্টে চেয়ে ভয় পেয়ে বললেন, প্রভু, কি চান? ফেরেশতা তাঁকে বললেন, তোমার মুনাজাত ও তোমার দানগুলো স্মরণীয় হিসেবে ঊর্ধ্বে আল্লাহ্র সম্মুখে উপস্থিত হয়েছে।
5
আর এখন তুমি যাফোতে লোক পাঠিয়ে শিমোন, যাকে পিতর বলে, তাকে ডেকে আন;
6
সে শিমোন নামে এক জন চর্মকারের বাড়িতে অবস্থিতি করছে, তার বাড়ি সমুদ্রের ধারে।
7
কর্ণীলিয়ের সঙ্গে যে ফেরেশতা কথা বললেন, তিনি চলে গেলে পর কর্ণীলিয় বাড়ির ভৃত্যদের মধ্যে দুই জনকে এবং যারা সব সময় তাঁর সেবা করতো, তাদের মধ্য থেকে এক জন আল্লাহ্-ভক্ত সেনাকে ডাকলেন,
8
আর তাদেরকে সমস্ত কথা বলে যাফোতে পাঠিয়ে দিলেন।
9
পরদিন তারা পথে যেতে যেতে যখন নগরের কাছে উপস্থিত হল, তখন পিতর অনুমান বেলা দুপুর সময় মুনাজাত করার জন্য ছাদের উপরে উঠলেন।
10
তখন তাঁর খুব খিদে পেয়েছিল, তাঁর আহার করার ইচ্ছা হল; কিন্তু লোকেরা খাদ্য প্রস্তুত করছে, এমন সময়ে তিনি তন্দ্রার মত অবস্থায় ছিলেন।
11
আর দেখলেন, আসমান খুলে গেছে এবং একখানা বড় চাদরের মত কোন পাত্র নেমে আসছে, তা চারকোণে ধরে দুনিয়াতে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে;
12
আর তার মধ্যে দুনিয়ার সব রকমের চতুস্পদ ও সরীসৃপ এবং আসমানের পাখি আছে।
13
পরে তাঁর প্রতি এই বাণী হল, উঠ, পিতর, মেরে ভোজন কর।
14
কিন্তু পিতর বললেন, প্রভু, এমন না হোক; আমি কখনও কোন নাপাক কিংবা নাপাক দ্রব্য ভোজন করি নি।
15
তখন দ্বিতীয় বার তাঁর প্রতি এই বাণী হল, আল্লাহ্ যা পাক-পবিত্র করেছেন, তুমি তা নাপাক বলো না।
16
এরকম তিনবার হল, পরে তৎক্ষণাৎ ঐ পাত্র আসমানে তুলে নেওয়া হল।
17
পিতর সেই যে দর্শন পেয়েছিলেন, তার কি অর্থ হতে পারে, এই বিষয়ে মনে মনে চিন্তা করছিলেন, ইতোমধ্যে দেখ, কর্ণীলিয়ের প্রেরিত লোকেরা শিমোনের বাড়ির খোঁজ করে ফটক দুয়ারে এসে দাঁড়াল,
18
আর ডেকে জিজ্ঞাসা করলো, শিমোন যাঁকে পিতর বলে, তিনি কি এখানে থাকেন?
19
পিতর সেই দর্শনের বিষয়ে ভাবছেন, এমন সময়ে পাক-রূহ্ বললেন, দেখ, তিন জন লোক তোমার খোঁজ করছে।
20
কিন্তু তুমি উঠে নিচে যাও, তাদের সঙ্গে গমন কর, কিছুমাত্র সন্দেহ করো না, কারণ আমিই তাদেরকে প্রেরণ করেছি।
21
তখন পিতর সেই লোকদের কাছে নেমে গিয়ে বললেন, দেখ, তোমরা যার খোঁজ করছো, আমি সেই ব্যক্তি; তোমরা কি জন্য এসেছ?
22
তারা বললো, শতপতি কর্ণীলিয়, এক জন ধার্মিক লোক, যিনি আল্লাহ্কে ভয় করেন এবং সমস্ত ইহুদী জাতির মধ্যে যাঁর সুখ্যাতি আছে। তিনি পবিত্র ফেরেশতার দ্বারা হুকুম পেয়েছেন, যেন আপনাকে ডেকে নিজের বাড়িতে এনে আপনার নিজের মুখের কথা শুনেন।
23
তখন পিতর তাদেরকে ভিতরে ডেকে এনে নিয়ে তাদের মেহমানদারী করলেন। পরদিন উঠে তিনি তাদের সঙ্গে চললেন, আর যাফো-নিবাসী ভাইদের মধ্যে কয়েকজনও তাঁর সঙ্গে গমন করলেন।
24
পরদিন তাঁরা সিজারিয়াতে প্রবেশ করলেন; তখন কর্ণীলিয় তাঁর জ্ঞাতিদেরকে ও আত্মীয় বন্ধুদেরকে ডেকে একত্র করে তাঁদের অপেক্ষা করছিলেন।
25
পরে পিতর যখন প্রবেশ করলেন, তখন কর্ণীলিয় তাঁর সঙ্গে দেখা করে তাঁর পায়ে পড়ে সেজ্দা করলেন।
26
কিন্তু পিতর তাঁকে উঠালেন, বললেন, উঠুন; আমি নিজেও তো এক জন মানুষ।
27
পরে তিনি আলাপ করতে করতে প্রবেশ করে দেখলেন, অনেক লোক সমাগত হয়েছে।
28
তখন তিনি তাদেরকে বললেন, আপনারা তো জানেন, ইহুদী নয় এমন কোন লোকের সঙ্গে যোগ দেওয়া কিংবা তার কাছে আসা ইহুদী লোকের পক্ষে আইনসম্মত নয়; কিন্তু আমাকে আল্লাহ্ দেখিয়ে দিয়েছেন যে, কোন মানুষকে নাপাক কিংবা অপবিত্র বলা উচিত নয়।
29
এজন্য আমাকে ডেকে পাঠান হলে আমি কোন আপত্তি না করে এসেছি; এখন জিজ্ঞাসা করি, আপনারা কি কারণে আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন?
30
তখন কর্ণীলিয় বললেন, আজ চার দিন হল, আমি এই সময়ে বিকাল তিনটার সময়ে নিজের বাড়িতে মুনাজাত করছিলাম, এমন সময়ে, দেখুন, উজ্জ্বল পোশাক পরা এক জন পুরুষ আমার সম্মুখে দাঁড়ালেন;
31
তিনি বললেন, ‘কর্ণীলিয়, তোমার মুনাজাত গ্রাহ্য হয়েছে এবং তোমার দানগুলো আল্লাহ্র সাক্ষাতে স্মরণ করা হয়েছে।
32
অতএব যাফোতে লোক পাঠিয়ে শিমোন, যাকে পিতর বলে, তাকে ডেকে আন; সে সমুদ্রের ধারে শিমোন চর্মকারের বাড়িতে আছেন।’
33
এজন্য আমি অবিলম্বে আপনার কাছে লোক পাঠিয়ে দিলাম; আপনি এসেছেন, ভালই করেছেন। অতএব এখন আমরা সকলে আল্লাহ্র সাক্ষাতে উপস্থিত আছি; প্রভু আপনাকে যেসব হুকুম করেছেন তা সবই শুনব।
34
তখন পিতর মুখ খুলে বললেন, আমি সত্যিই বুঝলাম, আল্লাহ্ মুখাপেক্ষা করেন না;
35
কিন্তু প্রত্যেক জাতির মধ্যে যে কেউ তাঁকে ভক্তিপূর্ণ ভয় করে ও সঠিক কাজ করে, সে তাঁর গ্রাহ্য হয়।
36
আপনারা তো জানেন যে, তিনি বনি-ইসরাইলদের কাছে একটি খবর প্রেরণ করেছেন; ঈসা মসীহ্ দ্বারা শান্তি তবলিগ করেছেন; তিনিই সকলের প্রভু।
37
ইয়াহিয়া কর্তৃক তবলিগকৃত বাপ্তিস্মর পর গালীল থেকে আরম্ভ হয়ে সেই খবর সমুদয় এহুদিয়াতে ছড়িয়ে গেল।
38
আপনারা তো এও জানেন যে, আল্লাহ্ নাসরতীয় ঈসাকে কিভাবে পাক-রূহে ও পরাক্রমে অভিষেক করেছিলেন; তিনি ভাল কাজ করে বেড়াতেন এবং শয়তানের দ্বারা কষ্ট পাওয়া সমস্ত লোককে সুস্থ করতেন; কারণ আল্লাহ্ তাঁর সহবর্তী ছিলেন।
39
আর তিনি ইহুদীদের জনপদে ও জেরুশালেমে যা যা করেছেন, আমরা সেই সবের সাক্ষী। লোকেরা তাঁকে ক্রুশে টাঙ্গিয়ে হত্যা করেছিল।
40
কিন্তু আল্লাহ্ তাঁকে তৃতীয় দিনে উঠালেন এবং প্রত্যক্ষ হতে দিলেন;
41
সমস্ত লোকের প্রত্যক্ষ, এমন নয়, কিন্তু আগে আল্লাহ্ কর্তৃক নিযুক্ত সাক্ষীদের, অর্থাৎ আমাদের প্রত্যক্ষ হতে দিলেন, আর আমরা মৃতদের মধ্য থেকে তাঁর পুনরুত্থান হলে পর তাঁর সঙ্গে ভোজন পান করেছি।
42
আর তিনি হুকুম করলেন, যেন আমরা লোকদের কাছে তবলিগ করি ও সাক্ষ্য দিই যে, তাঁকেই আল্লাহ্ জীবিত ও মৃত লোকদের বিচারকর্তা নিযুক্ত করেছেন।
43
তাঁর পক্ষে নবীরা সকলে এই সাক্ষ্য দিয়েছেন, যে কেউ তাঁতে ঈমান আনে, সে তাঁর নামের গুণে গুনাহের মাফ পায়।
44
পিতর এই কথা বলছেন, এমন সময়ে যত লোক কালাম শুনছিল, সকলের উপরে পাক-রূহ্ নেমে আসলেন।
45
তখন পিতরের সঙ্গে আগত খৎনাপ্রাপ্ত ঈমানদার লোকেরা আশ্চর্য হয়ে গেলেন, কারণ অ-ইহুদীদের উপরেও পাক-রূহ্রূপ দানের সেচন হল;
46
কেননা তাঁরা ওদেরকে নানা ভাষায় কথা বলতে ও আল্লাহ্র মহিমা ঘোষণা করতে শুনলেন।
47
তখন পিতর জবাবে বললেন, এই যে লোকেরা আমাদেরই মত পাক-রূহ্ পেয়েছেন, পানিতে বাপ্তিস্ম গ্রহণ করতে কি কোন লোক এঁদের বাধা দিতে পারে?
48
পরে তিনি ঈসা মসীহের নামে তাঁদেরকে বাপ্তিস্ম দেবার হুকুম দিলেন। তখন তারা কয়েক দিন থাকতে তাঁকে ফরিয়াদ জানালেন।
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 11 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
Recommended Reading
Commentary
Acts Commentaries
→
Devotional
Acts Devotional Guide
→
Get This Bible
BACIB Study Bible
→