bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
John 13
John 13
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 14 →
1
ঈদুল ফেসাখের আগে ঈসা এই দুনিয়া থেকে পিতার কাছে তাঁর প্রস্থান করার সময় উপস্থিত জেনে, দুনিয়াতে অবস্থিত তাঁর নিজস্ব যে লোকদেরকে মহব্বত করতেন, তাদেরকে শেষ পর্যন্ত মহব্বত করলেন।
2
আর রাত্রি কালে ভোজের সময়ে— শয়তান তাঁকে ধরিয়ে দেবার সংকল্প শিমোনের পুত্র ঈষ্করিয়োতীয় এহুদার অন্তরে স্থাপন করলে পর,
3
তিনি জানলেন যে, পিতা সমস্তই তাঁর হাতে দিয়েছেন ও তিনি আল্লাহ্র কাছ থেকে এসেছেন, আর আল্লাহ্র কাছে যাচ্ছেন;
4
জেনে তিনি ভোজ থেকে উঠলেন এবং উপরের কাপড় খুলে রাখলেন, আর একখানি গামছা নিয়ে কোমর বাঁধলেন।
5
পরে তিনি পাত্রে পানি ঢাললেন ও সাহাবীদের পা ধুয়ে দিতে লাগলেন এবং যে গামছা দ্বারা কোমর বেঁধেছিলেন তা দিয়ে মুছে দিতে লাগলেন।
6
এভাবে তিনি শিমোন পিতরের কাছে আসলেন। পিতর তাঁকে বললেন, প্রভু, আপনি কি আমার পা ধুয়ে দেবেন?
7
জবাবে ঈসা তাঁকে বললেন, আমি যা করছি, তা তুমি এখন জানতে পারছ না, কিন্তু এর পরে বুঝবে।
8
পিতর তাঁকে বললেন, আপনি কখনও আমার পা ধুয়ে দেবেন না। জবাবে ঈসা তাঁকে বললেন, যদি তোমাকে ধুয়ে না দিই তবে আমার সঙ্গে তোমার কোন অংশ নেই।
9
শিমোন পিতর বললেন, প্রভু, কেবল পা নয়, আমার হাত ও মাথাও ধুয়ে দিন।
10
ঈসা তাঁকে বললেন, যে গোসল করেছে, পা ধোয়া ছাড়া আর কিছুই তার প্রয়োজন নেই, সে তো সর্বাঙ্গে পাক-পবিত্র; আর তোমরা পাক-পবিত্র, কিন্তু সকলে নও।
11
কেননা যে ব্যক্তি তাঁকে ধরিয়ে দেবে, তাকে তিনি জানতেন; এজন্য বললেন, তোমরা সকলে পাক-পবিত্র নও।
12
যখন তিনি তাঁদের পা ধুয়ে দিলেন, আর তাঁর উপরের কাপড় পরে পুনর্বার বসলেন, তখন তাঁদেরকে বললেন, আমি তোমাদের প্রতি কি করলাম, জান?
13
তোমরা আমাকে হুজুর ও প্রভু বলে সম্বোধন করে থাক; আর তা ভালই বল, কেননা আমি তা-ই।
14
ভাল, আমি প্রভু ও হুজুর হয়ে যখন তোমাদের পা ধুয়ে দিলাম, তখন তোমাদেরও পরস্পরের পা ধোয়ানো উচিত?
15
কেননা আমি তোমাদেরকে দৃষ্টান্ত দেখালাম, যেন তোমাদের প্রতি আমি যেমন করেছি, তোমরাও তেমনি কর।
16
সত্যি, সত্যি, আমি তোমাদেরকে বলছি, গোলাম নিজের মালিক থেকে বড় নয় ও প্রেরিত নিজের প্রেরণকর্তা থেকে বড় নয়।
17
এসব যখন তোমরা জান, ধন্য তোমরা, যদি এসব পালন কর।
18
তোমাদের সকলের বিষয়ে আমি বলছি না; আমি কাকে কাকে মনোনীত করেছি, তা আমি জানি; কিন্তু পাক-কিতাবের এই কালাম পূর্ণ হওয়া চাই, “যে আমার রুটি খায়, সে আমার বিরুদ্ধে পাদমূল উঠিয়েছে।”
19
এখন থেকে, ঘটবার আগে, আমি তোমাদেরকে বলে রাখছি, যেন ঘটলে পর তোমরা বিশ্বাস কর যে, আমিই তিনি।
20
সত্যি, সত্যি, আমি তোমাদেরকে বলছি, আমি যে কোন ব্যক্তিকে প্রেরণ করি, তাকে যে গ্রহণ করে, সে আমাকেই গ্রহণ করে এবং আমাকে যে গ্রহণ করে, সে তাঁকে গ্রহণ করে, যিনি আমাকে প্রেরণ করেছেন।
21
এই কথা বলে ঈসা রূহে অস্থির হলেন, আর সাক্ষ্য দিয়ে বললেন, সত্যি, সত্যি, আমি তোমাদেরকে বলছি, তোমাদের মধ্যে এক জন আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবে।
22
সাহাবীরা এক জন অন্যের দিকে তাকাতে লাগলেন, স্থির করতে পারলেন না, তিনি কার বিষয় বললেন।
23
তখন ঈসার সাহাবীদের এক জন, যাঁকে ঈসা মহব্বত করতেন, তিনি তাঁর কোলে হেলান দিয়ে বসে ছিলেন।
24
তখন শিমোন পিতর তাঁকে ইঙ্গিত করলেন ও বললেন, বল, উনি যার বিষয় বলছেন, সে কে?
25
তাতে তিনি সেরকম ভাবে বসে থাকাতে ঈসার বুকের দিকে মাথা কাত করে বললেন, প্রভু, সে কে?
26
জবাবে ঈসা বললেন, যার জন্য আমি রুটিখণ্ড ডুবাবো ও যাকে দেব, সেই। পরে তিনি রুটিখণ্ড ডুবিয়ে নিয়ে ঈষ্কোরিয়োতীয় শিমোনের পুত্র এহুদাকে দিলেন।
27
আর সেই রুটিখণ্ড দেওয়ার পরেই শয়তান তার মধ্যে প্রবেশ করলো। তখন ঈসা তাকে বললেন, যা করছো, শীঘ্র কর।
28
কিন্তু তিনি কিভাবে তাকে এই কথা বললেন, যাঁরা ভোজনে বসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কেউ তা বুঝলেন না;
29
এহুদার কাছে টাকার থলি থাকাতে কেউ কেউ মনে করলেন, ঈসা তাকে বললেন, ঈদের জন্য যা যা আবশ্যক কিনে আন, কিংবা সে যেন দরিদ্রদেরকে কিছু দেয়।
30
রুটিখণ্ড গ্রহণ করে সে তৎক্ষণাৎ বাইরে গেল; আর তখন রাত হয়েছে।
31
সে বাইরে গেলে পর ঈসা বললেন, এখন ইবনুল-ইনসান মহিমান্বিত হলেন এবং আল্লাহ্ তাঁর মধ্যে মহিমান্বিত হলেন।
32
আল্লাহ্ যখন তাঁর মধ্যে মহিমান্বিত হলেন, তখন আল্লাহ্ও তাঁকে তাঁর নিজের মধ্যে মহিমান্বিত করবেন, আর শীঘ্রই তাঁকে মহিমান্বিত করবেন।
33
সন্তানেরা, এখনও অল্পকাল আমি তোমাদের সঙ্গে আছি; তোমরা আমার খোঁজ করবে, আর আমি যেমন ইহুদীদেরকে বলেছিলাম। ‘আমি যেখানে যাচ্ছি, সেখানে তোমরা যেতে পার না,’ তেমনি তোমাদেরকেও এখন তা-ই বলছি।
34
একটি নতুন হুকুম আমি তোমাদেরকে দিচ্ছি, তোমরা পরস্পর মহব্বত কর; আমি যেমন তোমাদেরকে মহব্বত করেছি, তোমরাও তেমনি পরস্পর মহব্বত কর।
35
তোমরা যদি নিজেদের মধ্যে পরস্পর মহব্বত রাখ, তবে তাতেই সকলে জানবে যে, তোমরা আমার সাহাবী।
36
শিমোন পিতর তাঁকে বললেন, প্রভু আপনি কোথায় যাচ্ছেন? জবাবে ঈসা বললেন, আমি যেখানে যাচ্ছি, সেখানে তুমি এখন আমার পিছনে যেতে পার না; কিন্তু পরে যেতে পারবে।
37
পিতর তাঁকে বললেন, প্রভু, কি জন্য এখন আপনার পিছনে যেতে পারি না? আপনার জন্য আমি আমার প্রাণ দেব।
38
জবাবে ঈসা বললেন, আমার জন্য তুমি কি তোমার প্রাণ দেবে? সত্যি, সত্যি, আমি তোমাকে বলছি, যতক্ষণ তুমি তিন বার আমাকে অস্বীকার না কর, ততক্ষণ মোরগ ডাকবে না।
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21