bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Luke 21
Luke 21
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 22 →
1
পরে তিনি চোখ তুলে দেখলেন, ধনবানেরা ভাণ্ডারে নিজ নিজ দান রাখছে।
2
আর তিনি দেখলেন, এক জন দীনহীন বিধবা সেই স্থানে দু’টি সিকি পয়সা রাখছে।
3
তখন তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে সত্যি বলছি, এই দরিদ্র বিধবা সকলের চেয়ে বেশি রাখল;
4
কেননা এরা সকলে নিজ নিজ অতিরিক্ত ধন থেকে কিছু কিছু দানের মধ্যে রাখল, কিন্তু এ নিজের অনটন সত্ত্বেও এর বেঁচে থাকবার জন্য যা কিছু ছিল, সমস্তই রাখল।
5
আর যখন কেউ কেউ বায়তুল-মোকাদ্দসের বিষয় বলছিল, সেটি কেমন সুন্দর সুন্দর পাথরে ও উপহারের জিনিসে সুশোভিত,
6
তখন তিনি বললেন, তোমরা তো এই সব দেখছো, কিন্তু এমন সময় আসছে, যখন এর একখানি পাথর অন্য পাথরের উপরে থাকবে না, সমস্তই ভূমিসাৎ হবে।
7
তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, হুজুর, তবে এসব ঘটনা কখন হবে? আর যখন এসব সফল হবার সময় হবে, তখন তার চিহ্নই বা কি?
8
তিনি বললেন, দেখো, ভ্রান্ত হয়ো না; কেননা অনেকে আমার নাম ধরে আসবে, বলবে, ‘আমিই তিনি’ ও সময় সন্নিকট; তোমরা তাদের পিছনে যেও না।
9
আর যখন তোমরা যুদ্ধের ও গণ্ডগোলের কথা শুনবে, ভয় পেও না, কেননা প্রথমে এসব ঘটবেই ঘটবে, কিন্তু তখনই শেষ নয়।
10
পরে তিনি তাঁদেরকে বললেন, জাতির বিপক্ষে জাতি ও রাজ্যের বিপক্ষে রাজ্য উঠবে।
11
বড় বড় ভূমিকমপ এবং স্থানে স্থানে দুর্ভিক্ষ ও মহামারী হবে, আর আসমানে ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর লক্ষণ ও মহৎ মহৎ চিহ্ন-কাজ হবে;
12
কিন্তু এসব ঘটনার আগে লোকেরা তোমাদের উপরে হস্তক্ষেপ করবে, তোমাদেরকে নির্যাতন করবে, মজলিস-খানায় নিয়ে যাবে ও কারাগারে তুলে দেবে; আমার নামের জন্য তোমাদেরকে বাদশাহ্দের ও শাসনকর্তাদের সম্মুখে নিয়ে যাওয়া হবে।
13
সাক্ষ্যের জন্য এসব তোমাদের প্রতি ঘটবে।
14
অতএব মনে মনে স্থির করো যে, কি উত্তর দিতে হবে, তার জন্য আগে চিন্তা করবে না।
15
কেননা আমি তোমাদেরকে এমন মুখ ও বিজ্ঞতা দেব যে, তোমাদের বিপক্ষেরা কেউ প্রতিরোধ করতে বা উত্তর দিতে পারবে না।
16
আর তোমাদের পিতা-মাতা, ভাইয়েরা, জ্ঞাতি ও বন্ধুরা তোমাদের ধরিয়ে দেবে এবং তোমাদের কোন কোন ব্যক্তিকে তারা খুন করাবে।
17
আর আমার নামের দরুন সকলে তোমাদের ঘৃণা করবে।
18
কিন্তু তোমাদের মাথার একগাছি কেশও নষ্ট হবে না।
19
তোমরা নিজ নিজ ধৈর্যে নিজ নিজ প্রাণ লাভ করবে।
20
আর যখন তোমরা জেরুশালেমকে সৈন্যসামন্ত দ্বারা ঘেরাও হতে দেখবে, তখন জানবে যে, তার ধ্বংস সন্নিকট।
21
তখন যারা এহুদিয়ায় থাকে, তারা পাহাড়ী এলাকায় পালিয়ে যাক এবং যারা নগরের মধ্যে থাকে, তারা বাইরে যাক; আর যারা পল্লীগ্রামে থাকে, তারা নগরে প্রবেশ না করুক।
22
কেননা তখন প্রতিশোধের সময়, যে সমস্ত কথা লেখা আছে, সেসব পূর্ণ হবার সময়।
23
হায়, সেই সময়ে গর্ভবতী ও স্তন্যদাত্রী স্ত্রীদের সন্তাপ! কেননা দেশে বিষম দুর্গতি হবে এবং এই জাতির উপরে আল্লাহ্র গজব নেমে আসবে।
24
লোকেরা তলোয়ারের আঘাতে মারা পড়বে এবং বন্দী হয়ে সকল জাতির মধ্যে নীত হবে; আর জাতিদের সময় সমপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত জেরুশালেম জাতিদের দ্বারা পদ-দলিত হবে।
25
আর সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্রগুলোর মধ্যে নানা চিহ্ন প্রকাশ পাবে এবং দুনিয়াতে সমস্ত জাতি কষ্ট পাবে, তারা সমুদ্রের ও তরঙ্গের গর্জনে ভীষণ ভয় পাবে।
26
ভয়ে এবং ভূমণ্ডলে যা যা ঘটবে তার আশঙ্কায় মানুষের প্রাণ উড়ে যাবে; কেননা আসমানের পরাক্রমগুলো বিচলিত হবে।
27
আর সেই সময় তারা ইবনুল-ইনসানকে পরাক্রম ও মহামহিমা সহকারে মেঘযোগে আসতে দেখবে।
28
কিন্তু এসব ঘটনা আরম্ভ হলে তোমরা উঠে দাঁড়ায়ো, মাথা তুলো, কেননা তোমাদের মুক্তি সন্নিকট।
29
আর তিনি তাদেরকে একটি দৃষ্টান্ত বললেন, ডুমুর গাছ ও অন্যান্য গাছগুলোকে লক্ষ্য কর;
30
যখন সেগুলো পল্লবিত হয়, তখন তা দেখে তোমরা নিজেরাই বুঝতে পার যে, এখন গ্রীষ্মকাল সন্নিকট।
31
তেমনি তোমরাও যখন এসব ঘটছে দেখতে পাবে, তখন জানবে, আল্লাহ্র রাজ্য সন্নিকট।
32
আমি তোমাদেরকে সত্যি বলছি, যে পর্যন্ত সমস্ত সিদ্ধ না হবে, সেই পর্যন্ত এই কালের লোকদের লোপ হবে না।
33
আসমানের ও দুনিয়ার লোপ হবে, কিন্তু আমার কথার লোপ কখনও হবে না।
34
কিন্তু নিজেদের বিষয়ে সাবধান থেকো, পাছে উচ্ছৃঙ্খলতায়, মত্ততায় এবং জীবিকার চিন্তায় তোমাদের অন্তর ভারগ্রস্ত হয়, আর সেদিন হঠাৎ ফাঁদের মত তোমাদের উপরে এসে পড়ে;
35
কেননা সেদিন সমস্ত ভূতল-নিবাসী সকলের উপরে উপস্থিত হবে।
36
কিন্তু তোমরা সব সময় জেগে থেকো এবং মুনাজাত করো, যেন এই যেসব ঘটনা হবে তা এড়াতে এবং ইবনুল-ইনসানের সম্মুখে দাঁড়াতে শক্তিমান হও।
37
আর তিনি প্রতিদিন বায়তুল-মোকাদ্দসে উপদেশ দিতেন এবং প্রতি রাত্রে বাইরে গিয়ে জৈতুন নামক পর্বতে গিয়ে থাকতেন।
38
আর সমস্ত লোক তাঁর কথা শুনবার জন্য খুব ভোরে বায়তুল-মোকাদ্দসে তাঁর কাছে আসতো।
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 22 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24