bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Mark 1
Mark 1
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 2 →
1
ঈসা মসীহের সুসংবাদের আরম্ভ; তিনি আল্লাহ্র পুত্র।
2
ইশাইয়া নবীর কিতাবে যেমন লেখা আছে, “দেখ, আমি আমার সংবাদদাতাকে তোমার আগে প্রেরণ করবো; সে তোমার পথ প্রস্তুত করবে।
3
মরুভূমিতে একজনের কণ্ঠস্বর, সে ঘোষণা করছে, তোমরা প্রভুর পথ প্রস্তুত কর, তাঁর রাজপথ সকল সরল কর;”
4
সেই অনুসারে ইয়াহিয়া উপস্থিত হয়ে মরুভূমিতে বাপ্তিস্ম দিতে লাগলেন এবং গুনাহ্ মাফের জন্য মন পরিবর্তনের বাপ্তিস্ম তবলিগ করতে লাগলেন।
5
তাতে সমস্ত এহুদিয়া দেশ ও জেরুশালেম-নিবাসী সকলে বের হয়ে ইয়াহিয়ার কাছে যেতে লাগল। আর তারা নিজ নিজ গুনাহ্ স্বীকার করে জর্ডান নদীতে তাঁর দ্বারা বাপ্তিস্ম নিতে লাগল।
6
ইয়াহিয়া উটের লোমের কাপড় পরতেন এবং তাঁর কোমরে চামড়ার কোমরবন্ধনী ছিল। তিনি পঙ্গপাল ও বনমধু ভোজন করতেন।
7
তিনি তবলিগ করে বলতেন, যিনি আমার চেয়ে শক্তিমান তিনি আমার পরে আসছেন; আমি হেঁট হয়ে তাঁর জুতার ফিতা খুলবার যোগ্য নই।
8
আমি তোমাদেরকে পানিতে বাপ্তিস্ম দিলাম কিন্তু তিনি তোমাদেরকে পাক-রূহে বাপ্তিস্ম দেবেন।
9
সেই সময়ে ঈসা গালীল প্রদেশের নাসরত গ্রাম থেকে এসে ইয়াহিয়ার দ্বারা জর্ডান নদীতে বাপ্তিস্ম গ্রহণ করলেন।
10
আর তৎক্ষণাৎ পানির মধ্য থেকে উঠবার সময়ে তিনি দেখলেন, আসমান দু’ভাগ হয়ে গেল এবং পাক-রূহ্ কবুতরের মত তাঁর উপরে নেমে আসছেন।
11
আর বেহেশত থেকে এই বাণী হল, ‘তুমিই আমার প্রিয় পুত্র, তোমাতেই আমি প্রীত’।
12
আর তৎক্ষণাৎ পাক-রূহ্ ঈসাকে মরুভূমিতে পাঠিয়ে দিলেন।
13
সেই মরু-ভূমিতে তিনি চল্লিশ দিন ধরে শয়তানের দ্বারা পরীক্ষিত হলেন; আর তিনি বন্য পশুদের সঙ্গে রইলেন এবং বেহেশতের ফেরেশতারা তাঁর পরিচর্যা করতেন।
14
আর ইয়াহিয়াকে কারাগারে নেওয়ার পর ঈসা গালীলে এসে আল্লাহ্র সুসমাচার তবলিগ করে বলতে লাগলেন, ‘কাল সমপূর্ণ হল, আল্লাহ্র রাজ্য সন্নিকট হল;
15
তোমরা মন ফিরাও ও সুসংবাদে বিশ্বাস কর।’
16
পরে গালীল-সমুদ্রের তীর দিয়ে যেতে যেতে তিনি দেখলেন, শিমোন ও তাঁর ভাই আন্দ্রিয় সাগরে জাল ফেলছেন, কেননা তাঁরা জেলে ছিলেন।
17
ঈসা তাঁদেরকে বললেন, আমাকে অনুসরণ কর, আমি তোমাদেরকে মানুষ ধরা জেলে করবো।
18
আর তৎক্ষণাৎ তাঁরা জাল পরিত্যাগ করে তাঁর পিছনে চললেন।
19
পরে তিনি কিঞ্চিৎ আগে গিয়ে সিবদিয়ের পুত্র ইয়াকুব ও তাঁর ভাই ইউহোন্নাকে দেখতে পেলেন; তাঁরাও নৌকাতে জাল সারছিলেন।
20
তিনি তৎক্ষণাৎ তাঁদেরকে ডাকলেন, তাতে তাঁরা তাঁদের পিতা সিবদিয়কে কর্মচারীদের সঙ্গে নৌকায় রেখে তাঁর পিছনে চললেন।
21
পরে তাঁরা কফরনাহূমে প্রবেশ করলেন আর তৎক্ষণাৎ তিনি বিশ্রামবারে মজলিস-খানায় গিয়ে উপদেশ দিতে লাগলেন।
22
তাতে লোকে তাঁর উপদেশে চমৎকৃত হল, কারণ তিনি ক্ষমতাসম্পন্ন্ন ব্যক্তির মত তাদেরকে উপদেশ দিতেন, আলেমদের মত নয়।
23
তখন তাদের মজলিস-খানায় এক ব্যক্তি ছিল, যাকে নাপাক রূহে পেয়েছিল;
24
সে চেঁচিয়ে বললো, হে নাসরতীয় ঈসা, আপনার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কি? আপনি কি আমাদেরকে বিনাশ করতে আসলেন?
25
আমি জানি, আপনি কে; আল্লাহ্র সেই পবিত্র ব্যক্তি। তখন ঈসা তাকে ধমক্ দিয়ে বললেন, চুপ কর, ওর মধ্য থেকে বের হও।
26
তাতে সেই নাপাক রূহ্ তাকে মুচ্ড়ে ধরে ভীষণ চিৎকার করে তার মধ্য থেকে বের হয়ে গেল।
27
এতে সকলে চমৎকৃত হল, এমন কি তারা পরস্পর বিতর্ক করে বললো, এটা কি? এটা কেমন নতুন উপদেশ! উনি ক্ষমতা সহকারে বদ-রূহ্দেরকেও হুকুম করেন আর তারা তাঁর হুকুম মানে।
28
তখন তাঁর কথা তৎক্ষণাৎ সমুদয় গালীল প্রদেশের চারদিকে ছড়িয়ে পড়লো।
29
পরে মজলিস-খানা থেকে বের হয়ে তৎক্ষণাৎ তাঁরা ইয়াকুব ও ইউহোন্নার সঙ্গে শিমোন ও আন্দ্রিয়ের বাড়িতে প্রবেশ করলেন।
30
তখন শিমোনের শাশুড়ির জ্বর হয়েছিল বলে তিনি শুয়ে ছিলেন; আর তাঁরা তৎক্ষণাৎ তাঁর কথা ঈসাকে বললেন,
31
তাতে তিনি কাছে গিয়ে তাঁর হাত ধরে তাঁকে উঠালেন। তখন তাঁর জ্বর ছেড়ে গেল আর তিনি তাঁদের পরিচর্যা করতে লাগলেন।
32
পরে সন্ধ্যাবেলা, সূর্য অস্ত গেলে লোকেরা সমস্ত অসুস্থ লোককে এবং বদ-রূহে পাওয়া লোকদেরকে তাঁর কাছে আনলো।
33
আর নগরের সকল লোক সেই বাড়ির দরজায় একত্র হল।
34
তাতে তিনি নানা রকম রোগে অসুস্থ অনেক লোককে সুস্থ করলেন এবং অনেক বদ-রূহ্ ছাড়ালেন, আর তিনি বদ-রূহ্দেরকে কথা বলতে দিলেন না, কারণ তারা তাঁকে চিনতো।
35
পরে খুব ভোরে, রাত পোহাবার অনেকক্ষণ আগে তিনি উঠে বাইরে গেলেন এবং নির্জন স্থানে গিয়ে সেখানে মুনাজাত করলেন।
36
আর শিমোন ও তাঁর সঙ্গীরা তাঁর খোঁজ করতে লাগলেন,
37
এবং তাঁকে পেয়ে বললেন, সমস্ত লোক আপনার খোঁজ করছে।
38
তিনি তাঁদেরকে বললেন, চল, আমরা অন্যন্য নিকটবর্তী গ্রামগুলোতে যাই, আমি সেসব স্থানেও তবলিগ করবো, কেননা সেজন্যই বের হয়েছি।
39
পরে তিনি সমস্ত গালীল দেশে লোকদের মজলিস-খানায় গিয়ে তবলিগ করতে ও বদ-রূহ্ ছাড়াতে লাগলেন।
40
একদিন এক জন কুষ্ঠ রোগী এসে তাঁর সম্মুখে ফরিয়াদ করে ও জানু পেতে বললো, যদি আপনার ইচ্ছা হয়, তবে আপনি আমাকে পাক-পবিত্র করতে পারেন।
41
তিনি করুণাবিষ্ট হয়ে হাত বাড়িয়ে তাঁকে স্পর্শ করলেন, বললেন, আমার ইচ্ছা, তুমি পাক-পবিত্র হও।
42
তৎক্ষণাৎ কুষ্ঠরোগ তাকে ছেড়ে গেল, সে পাক-পবিত্র হল।
43
তখন তিনি তাকে দৃঢ় ভাবে হুকুম দিয়ে বিদায় করলেন, বললেন,
44
দেখো, কাউকেও কিছু বলো না; কিন্তু ইমামের কাছে গিয়ে নিজেকে দেখাও এবং লোকদের কাছে সাক্ষ্য দেবার ও তোমার পাক-পবিত্রতার জন্য মূসার নিরূপিত উপহার কোরবানী কর।
45
কিন্তু সে বাইরে গিয়ে সেই কথা এমন বেশি প্রচার করতে ও চারদিকে বলতে লাগল যে, ঈসা আর প্রকাশ্যরূপে কোন নগরে প্রবেশ করতে পারলেন না, কিন্তু বাইরে নির্জন স্থানে থাকলেন; আর লোকেরা সকল দিক থেকে তাঁর কাছে আসতে লাগল।
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 2 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16