bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BSI) 2016 O.V. Bible, পবিএ বাইবেল O.V
/
Ezekiel 37
Ezekiel 37
Bengali (BSI) 2016 O.V. Bible, পবিএ বাইবেল O.V
← Chapter 36
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 38 →
1
সদাপ্রভুর হস্ত আমার উপরে অর্পিত হইল, এবং তিনি সদাপ্রভুর আত্মায় আমাকে বাহিরে লইয়া গিয়া সমস্থলীর মধ্যে রাখিলেন; তাহা অস্থিতে পরিপূর্ণ ছিল।
2
পরে তিনি চারিদিকে তাহাদের নিকট দিয়া আমাকে গমন করাইলেন; আর দেখ, সেই সমস্থলীর পৃষ্ঠে বিস্তর অস্থি ছিল; এবং দেখ, সে সকল অতিশয় শুষ্ক।
3
পরে তিনি আমাকে কহিলেন, হে মনুষ্য-সন্তান, এই সকল অস্থি কি জীবিত হইবে? আমি কহিলাম, হে প্রভু সদাপ্রভু, আপনি জানেন।
4
তখন তিনি আমাকে কহিলেন, তুমি এই সকল অস্থির উদ্দেশে ভাববাণী বল, তাহাদিগকে বল, হে শুষ্ক অস্থি সকল, সদাপ্রভুর বাক্য শুন।
5
প্রভু সদাপ্রভু এই সকল অস্থিকে এই কথা কহেন, দেখ, আমি তোমাদের মধ্যে আত্মা প্রবেশ করাইব, তাহাতে তোমরা জীবিত হইবে।
6
আর আমি তোমাদের উপরে শিরা দিব, তোমাদের উপরে মাংস উৎপন্ন করিব, চর্ম্ম দ্বারা তোমাদিগকে আচ্ছাদন করিব, ও তোমাদের মধ্যে আত্মা দিব, তাহাতে তোমরা জীবিত হইবে, আর তোমরা জানিবে যে, আমিই সদাপ্রভু।
7
তখন আমি যেমন আজ্ঞা পাইলাম, তদনুসারে ভাববাণী বলিলাম; আর আমার ভাববাণী বলিবার সময়ে শব্দ হইল, আর দেখ, মড়মড়ধ্বনি হইল, এবং সেই সকল অস্থির মধ্যে প্রত্যেক অস্থি আপন আপন অস্থির সহিত সংযুক্ত হইল।
8
পরে আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, তাহাদের উপরে শিরা হইল, ও মাংস উৎপন্ন হইল, এবং চর্ম্ম তাহাদিগকে আচ্ছাদন করিল, কিন্তু তাহাদের মধ্যে আত্মা ছিল না।
9
পরে তিনি আমাকে কহিলেন, আত্মার উদ্দেশে ভাববাণী বল, হে মনুষ্য-সন্তান, ভাববাণী বল, এবং আত্মাকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, হে আত্মন্; চারি বায়ু হইতে আইস, এবং এই নিহত লোকদের উপরে বহ, যেন তাহারা জীবিত হয়।
10
তখন, তিনি আমাকে যে আজ্ঞা দিলেন, তদনুসারে আমি ভাববাণী বলিলাম; তাহাতে আত্মা তাহাদের মধ্যে প্রবেশ করিল, এবং তাহারা জীবিত হইল, ও আপন আপন পায়ে ভর দিয়া দাঁড়াইল; সে অতিশয় মহতী বাহিনী।
11
পরে তিনি আমাকে কহিলেন, হে মনুষ্য-সন্তান, এই সকল অস্থি সমস্ত ইস্রায়েল-কুল; দেখ, তাহারা বলিতেছে, আমাদের অস্থি সকল শুষ্ক হইয়া গিয়াছে, এবং আমাদের আশ্বাস নষ্ট হইয়াছে; আমরা একেবারে উচ্ছিন্ন হইলাম।
12
এই জন্য তুমি ভাববাণী বল, তাহাদিগকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি তোমাদের কবর সকল খুলিয়া দিব, হে আমার প্রজা সকল, তোমাদের কবর হইতে তোমাদিগকে উত্থাপন করিব, এবং তোমাদিগকে ইস্রায়েল দেশে লইয়া যাইব।
13
তখন তোমরা জানিবে যে, আমিই সদাপ্রভু, কেননা আমি তোমাদের কবর সকল খুলিয়া দিব, এবং হে আমার প্রজা সকল, তোমাদের কবর হইতে তোমাদিগকে উত্থাপন করিব।
14
আর আমি তোমাদের মধ্যে আপন আত্মা দিব, তাহাতে তোমরা জীবিত হইবে; এবং আমি তোমাদের দেশে তোমাদিগকে বসাইব, তাহাতে তোমরা জানিবে যে, আমি সদাপ্রভু ইহা বলিয়াছি, এবং ইহা সিদ্ধ করিয়াছি; সদাপ্রভু এই কথা বলেন।
15
পরে সদাপ্রভুর এই বাক্য আমার নিকটে উপস্থিত হইল,
16
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি আপনার জন্য একখানি কাষ্ঠ লইয়া তাহার উপরে এই কথা লিখ, ‘যিহূদার জন্য, এবং তাহার সখা ইস্রায়েল-সন্তানদের জন্য।’ পরে আর একখানি কাষ্ঠ লইয়া তাহার উপরে লিখ, ‘যোষেফের জন্য, ইহা ইফ্রয়িমের ও তাহার সখা সমস্ত ইস্রায়েল-কুলের কাষ্ঠ।’
17
পরে সেই দুইখানি কাষ্ঠ পরস্পর যোড়া দিয়া তোমার জন্য একটি কাষ্ঠ কর, দুইখানি তোমার হস্তে একীভূত হউক।
18
আর যখন তোমার জাতির সন্তানেরা তোমাকে বলিবে, ‘ইহাতে আপনার অভিপ্রায় কি, তাহা কি আমাদিগকে জানাইবেন না?’
19
তখন তুমি তাহাদিগকে বলিও, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, ইফ্রয়িমের হস্তে যোষেফের যে কাষ্ঠ আছে, আমি তাহা গ্রহণ করিব, ও তাহার সখা ইস্রায়েলের বংশদিগকে গ্রহণ করিব, তাহাদিগকে উহার অর্থাৎ যিহূদার কাষ্ঠের সহিত যোড়া দিব, এবং তাহাদিগকে একটি কাষ্ঠ করিব, তাহাতে সে সকল আমার হস্তে একীভূত হইবে।
20
আর তুমি সেই যে দুই কাষ্ঠে লিখিবে, তাহা তাহাদের সাক্ষাতে তোমার হস্তে থাকিবে।
21
আর তুমি তাহাদিগকে বলিও, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, ইস্রায়েল-সন্তানেরা যেখানে যেখানে গমন করিয়াছে, আমি তথাকার জাতিগণের মধ্য হইতে তাহাদিগকে গ্রহণ করিব, এবং চারিদিক্ হইতে তাহাদিগকে একত্র করিয়া তাহাদের দেশে লইয়া যাইব।
22
আর আমি সেই দেশে, ইস্রায়েলের পর্ব্বতসমূহে, তাহাদিগকে একই জাতি করিব, ও একই রাজা তাহাদের সকলের রাজা হইবেন; তাহারা আর দুই জাতি হইবে না, আর কখনও দুই রাজ্যে বিভক্ত হইবে না।
23
আর তাহারা আপনাদের পুত্তলি ও জঘন্য বস্তু দ্বারা এবং আপনাদের কোন অধর্ম্ম দ্বারা আপনাদিগকে আর অশুচি করিবে না; হাঁ, যে সকল স্থানে তাহারা পাপ করিয়াছে, তাহাদের সেই সকল বাসস্থান হইতে আমি তাহাদিগকে নিস্তার করিব, এবং তাহাদিগকে শুচি করিব; তাহাতে তাহারা আমার প্রজা হইবে, এবং আমি তাহাদের ঈশ্বর হইব।
24
আর আমার দাস দায়ূদ তাহাদের উপরে রাজা হইবেন; তাহাদের সকলের এক পালক হইবে, এবং তাহারা আমার শাসনপথে চলিবে, আর আমার বিধিকলাপ রক্ষা করিয়া তদনুযায়ী আচরণ করিবে।
25
আর আমি আপন দাস যাকোবকে যে দেশ দিয়াছি, যাহার মধ্যে তোমাদের পিতৃপুরুষেরা বাস করিত, সেই দেশে তাহারা বাস করিবে, তাহারা ও তাহাদের পুত্রপৌত্রগণ চিরকাল বাস করিবে এবং আমার দাস দায়ূদ চিরকালের জন্য তাহাদের অধ্যক্ষ হইবেন।
26
আর আমি তাহাদের জন্য শান্তির এক নিয়ম স্থির করিব; তাহাদের সহিত তাহা চিরস্থায়ী নিয়ম হইবে; আমি তাহাদিগকে বসাইব ও বাড়াইব, এবং আপন ধর্ম্মধাম চিরকালের জন্য তাহাদের মধ্যে স্থাপন করিব।
27
আর আমার আবাস তাহাদের উপরে অবস্থিতি করিবে, এবং আমি তাহাদের ঈশ্বর হইব, ও তাহারা আমার প্রজা হইবে।
28
তখন আমি যে ইস্রায়েলের পবিত্রকারী সদাপ্রভু, তাহা জাতিগণ জানিবে, কেননা তখন আমার ধর্ম্মধাম তাহাদের মধ্যে চিরকাল থাকিবে।
← Chapter 36
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 38 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48