bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
1 Samuel 18
1 Samuel 18
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 19 →
1
শৌলের সঙ্গে দায়ূদের কথাবার্তার পর শৌল দায়ূদের বেশ অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন| তিনি নিজেকে যতটা ভালবাসতেন, দায়ুদকেও ততটা ভালবেসেছিলেন| সে দিন থেকে, শৌল দায়ুদকে তাঁর কাছে রেখে দিলেন| তিনি দায়ুদকে তাঁর পিতার কাছে ফিরে যেতে দিলেন না|
3
যোনাথন দায়ুদকে খুব ভালবাসত| সে দায়ুদের সঙ্গে একটা চুক্তি করল|
4
যোনাথন নিজের গা থেকে কোট খুলে দায়ুদকে দিল| তার পোশাকও সে দায়ুদকে দিয়ে দিল| এমন কি সে তার ধনুক, তরবারি ও কোমরবন্ধও ওঁকে দিয়ে দিল|
5
শৌল দায়ুদকে নানা জায়গায় যুদ্ধ করতে পাঠালেন| প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দায়ুদ ভালভাবেই সফল হলেন| তারপর শৌল তাঁকে সৈন্যদের অধিনায়ক করে দিলেন| এতে সকলেই খুশী হল, এমনকি শৌলের সৈন্যবাহিনীর পদস্থ কর্মীরাও|
6
দায়ুদ পলেষ্টীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন| যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে ইস্রায়েলের প্রতিটি শহর থেকে মেয়েরা তাঁকে দেখবার জন্য বেরিয়ে এল| তারা তবলা ও বীণা বাজিয়ে আনন্দ উল্লাস করল এবং নাচল| তারা এসব শৌলের সামনেই করল|
7
স্ত্রীলোকরা গাইল, “শৌল বধিলেন শত্রু হাজারে হাজারে, আর দায়ুদ বধিলেন অযুতে অযুতে|”
8
তাদের এই গান শুনে শৌলের মন খারাপ হয়ে গেল| তিনি খুব রেগে গেলেন| তিনি ভাবলেন, “স্ত্রীলোকরা ভাবছে যে দায়ুদ লাখে লাখে শত্রু বধ করছে আর আমি মেরেছি কেবল হাজারে হাজারে| রাজত্ব ছাড়া আর কি সে পেতে পারে?”
9
এরপর সেই দিন থেকে শৌল দায়ুদকে খুব সতর্কভাবে লক্ষ্য করতে লাগলেন|
10
ঈশ্বরের কাছ থেকে এক দুষ্ট আত্মা এসে পরদিন শৌলের ওপর ভর করল| শৌল বাড়িতে প্রলাপ বকতে লাগলেন| দায়ুদ রোজকার মত বীণা বাজালেন|
11
কিন্তু শৌলের হাতে বর্শা ছিল| তিনি মনে মনে ভাবলেন, “আমি দায়ুদকে দেওয়ালের সঙ্গে গেঁথে দেব|” তিনি দু-দুবার দায়ূদের দিকে বর্শা ছুঁড়েও দিলেন| কিন্তু দুবারই দায়ুদ নিজেকে বাঁচিয়েছিলেন|
12
প্রভু দায়ূদের সহায় ছিলেন| তিনি শৌলকে ত্যাগ করেছিলেন| শৌল তাই দায়ুদকে ভয় করতেন|
13
তিনি দায়ুদকে তাঁর কাছ থেকে দূর করে দিলেন| শৌল তাঁকে 1000 সৈন্যের অধিনায়ক করেছিলেন| দায়ুদ যুদ্ধে তাঁদের নেতৃত্ব দিলেন|
14
প্রভু ছিলেন দায়ুদের সহায়| তাই দায়ুদ সব কাজেই সফল হতেন|
15
শৌল দায়ূদের সাফল্য দেখতে দেখতে দায়ুদকে আরও বেশী ভয় করতে লাগলেন|
16
কিন্তু ইস্রায়েল ও যিহূদার সমস্ত লোক দায়ুদকে ভালোবাসত| কারণ দায়ুদ তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে যেতেন এবং তাদের হয়ে যুদ্ধ করতেন|
17
এদিকে শৌল দায়ুদকে মারতে চান| তিনি একটা মতলব আঁটলেন| তিনি দায়ুদকে বললেন, “আমার বড় মেয়ের নাম মেরব| তুমি তাকে বিয়ে কর| তাহলে তুমি আরও শক্তিশালী সৈন্য হতে পারবে| তুমি আমার পুত্রের মতো হবে| প্রভুর জন্য সব যুদ্ধক্ষেত্রে তুমি যুদ্ধ করবে!” এসব ছিল শৌলের ছল চাতুরি| আসলে তিনি ভেবেছিলেন, “আমাকে আর দায়ুদকে মারতে হবে না| পলেষ্টীয়দেরই এগিয়ে দেব আমার হয়ে ওকে মারবার জন্য|”
18
দায়ুদ বললেন, “আমি খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবার থেকে আসি নি| আমি কোন গণ্যমান্য ব্যক্তি নই| আমি রাজকন্যাকে বিয়ে করার যোগ্য নই|”
19
তাই দায়ূদের সঙ্গে শৌলের কন্যা মেরবের বিয়ের সময় হলে শৌল মহোলা দেশের অদ্রীয়েলের সঙ্গে তার বিয়ে দিলেন|
20
শৌলের আরেকটি কন্যা মীখল দায়ুদকে ভালবাসত| লোকরা শৌলকে জানাল, মীখল দায়ুদকে ভালবাসে| শৌল শুনে খুশী হলেন|
21
শৌল চিন্তা করলেন, “আমি এবার মীখলকে ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করব| আমি দায়ুদের সঙ্গে ওর বিয়ে দেব| তারপর পলেষ্টীয়রা ওকে মেরে ফেলবে|” এই ভেবে তিনি দায়ুদকে দ্বিতীয় বার বললেন, “আমার কন্যাকে তুমি আজই বিয়ে করো|”
22
শৌল তাঁর পদস্থ কর্মচারীদের আদেশ দিলেন দায়ুদের সঙ্গে আলাদা করে গোপনভাবে কথা বলবে| তাকে বলবে, “রাজার তোমাকে খুব পছন্দ হয়েছে| তাঁর উচ্চপদস্থ কর্মচারীরাও তোমাকে পছন্দ করে| রাজার কন্যাকে তুমি বিয়ে করো|”
23
আধিকারিকরা দায়ুদকে সেইমত সব কিছু বলল| দায়ুদ বললেন, “তুমি কি মনে কর রাজার জামাতা হওয়া সোজা কথা? রাজকন্যার উপযুক্ত টাকাপয়সা খরচ করার সাধ্য আমার নেই| আমি নেহাত একজন সামান্য গরীব ছেলে|”
24
তারা শৌলকে দায়ূদের উত্তর জানাল|
25
শৌল তাদের বললেন, “তোমরা দায়ুদকে বলবে, ‘দায়ুদ, রাজকন্যার বিয়েতে কোন টাকপয়সা নেবেন না| শৌল তাঁর শত্রুদের শায়েস্তা করতে চান| তাই কনের দাম হবে 100 পলেষ্টীয়ের লিঙ্গত্বক,’” এটাই ছিল শৌলের গোপন মতলব| সে ভেবেছিল এর ফলে পলেষ্টীয়রা তাকে হত্যা করবে|
26
শৌলের আধিকারিকরা দায়ুদকে এ সম্বন্ধে জানাল| দায়ুদ রাজার জামাতা হবার সুযোগ পেয়ে খুশী হলেন| সেই জন্যই তিনি সঙ্গে সঙ্গে কিছু করতে চাইলেন|
27
দায়ুদ তাঁর লোকদের নিয়ে পলেষ্টীয়দের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গেলেন| তিনি 200 জন পলেষ্টীয়কে হত্যা করলেন| আর তাদের লিঙ্গত্বক শৌলকে উপহার দিলেন| তাঁকে রাজার জামাতা হবার জন্য, এই মূল্য দিতে হল| শৌলের কন্যা মীখলের সঙ্গে দায়ূদের বিয়ে হয়ে গেল|
28
শৌল বুঝতে পারলেন, প্রভু দায়ুদের সহায়| তিনি বুঝতে পারলেন মীখল দায়ুদকে ভালবাসে|
29
তাই শৌল দায়ুদকে আরও বেশী ভয় পেয়ে গেলেন এবং সারাজীবন তাঁর শত্রু হিসেবে রয়ে গেলেন|
30
পলেষ্টীয় সেনাপতিরা ইস্রায়েলীয়দের সঙ্গে যুদ্ধ করতেই থাকল| কিন্তু প্রতিবারই দায়ুদ তাদের যুদ্ধে হারিয়ে দিলেন| এই ভাবে তিনি শৌলের সবচেয়ে সেরা অধিকর্তা হয়ে উঠলেন| দায়ুদ বেশ বিখ্যাত হয়ে গেলেন|
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31