bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
Job 34
Job 34
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 33
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 35 →
1
তখন ইলীহূ কথা বলে যেতে লাগলো| সে বলল:
2
“হে প্রাজ্ঞ ব্যক্তি, আমি যা বলি তা শুনুন| হে বুদ্ধিমান ব্যক্তিগন, আমার প্রতি মনোযোগ দিন|
3
কারণ জিভ যেমন খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করে তেমনি কান কথাকে পরীক্ষা করে|
4
অতএব, আমাদেরই ঠিক করতে দিন কোনটা সঠিক| আসুন, আমরা সবাই মিলে স্থির করি কোনটা সত্যিই ভালো|
5
ইয়োব বললেন, ‘আমি নিষ্পাপ| ঈশ্বর আমার প্রতি সুবিচার করেন নি|
6
আমি নিষ্পাপ, কিন্তু আমার বিরুদ্ধে গৃহীত বিচার বলছে আমি একজন মিথ্যাবাদী| আমি নিষ্পাপ, কিন্তু আমি খুব বিশ্রী ভাবে আহত হয়েছি|’
7
“ইয়োবের মত আর কোন লোক আছে কি? ঈশ্বরকে অভিযুক্ত করা তাঁর কাছে জলের মত সোজা|
8
এমনকি শত্রুদের সঙ্গেও ইয়োব বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করেন| ইয়োব মন্দ লোকদের সঙ্গে থাকতে ভালোবাসেন|
9
কেন আমি একথা বলছি? কেন না ইয়োব বলেন, ‘যদি কেউ ঈশ্বরকে খুশী করতে চায় সে লোক কিছুই পাবে না|’
10
“আপনারা বুঝতে পারেন; তাই আমার কথা শুনুন| ঈশ্বর কখনই মন্দ কাজ করবেন না| ঈশ্বর সর্বশক্তিমান কখনও ভুল করবেন না|
11
যে যা করে তার জন্য ঈশ্বর তাকে পুরস্কৃত করেন| ঈশ্বর মানুষকে তার প্রাপ্য মিটিয়ে দেন|
12
এটা সম্পূর্ণরূপে সত্য: ঈশ্বর মন্দ কাজ করেন না| যা সঠিক তাকে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর কখনো মুচড়ে বিকৃত করবেন না|
13
কোন মানুষ ঈশ্বরকে পৃথিবীর দায়িত্ব দিয়ে নির্বাচন করেনি| কেউই ঈশ্বরকে পৃথিবীর দায়িত্ব দেয় নি| তিনিই সব কিছুর সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন|
14
ঈশ্বর যদি মনস্থ করেন যে তিনি তাঁর আত্মাকে এবং তাঁর নিঃশ্বাসকে পৃথিবী থেকে নিয়ে নেবেন,
15
তাহলে পৃথিবীর প্রত্যেকটি প্রাণী মারা পড়বে এবং মনুষ্য জাতি পরিণত হবে ধূলায়|
16
“আপনারা যদি জ্ঞানবান হন তাহলে আমি যা বলি তা শুনুন|
17
ঈশ্বর কি করে ন্যায় ও নিয়মকে ঘৃণা করতে পারেন? তাহলে আপনি কি করে ধার্মিক ও শক্তিশালী ঈশ্বরকে ভুল বলে অভিযুক্ত করতে পারেন?
18
ঈশ্বরই একমাত্র সত্তা যিনি রাজাকে বলেন, ‘তুমি অপদার্থ!’ ঈশ্বর নেতৃতৃর্গকে বলেন, ‘তোমরা মন্দ লোক!’
19
ঈশ্বর অন্যান্য লোকদের চেয়ে নেতাদের বেশী ভালোবাসেন না| ঈশ্বর দরিদ্র লোকদের চেয়ে ধনীদের বেশী ভালোবাসেন না| কেন? কারণ ঈশ্বর প্রত্যেক মানুষকে সৃষ্টি করেছেন|
20
মধ্যরাত্রে লোকে হঠাৎ মারা যেতে পারে| অসুস্থ হয়ে লোকে মারা যেতে পারে| বিনা কোন আয়াসে ঈশ্বর ক্ষমতাবান লোককে সরিয়ে দেন|
21
“লোকরা কি করে ঈশ্বর তা লক্ষ্য করেন| ঈশ্বর একজন লোকের প্রতিটি পদক্ষেপ সম্পর্কে জানেন|
22
ঈশ্বরের কাছ থেকে লুকিয়ে থাকবার জন্য মন্দ লোকদের কাছে কোন অন্ধকার স্থান নেই|
23
একজন লোককে পরীক্ষা করবার জন্য ঈশ্বরের কোন সময় স্থির করবার প্রয়োজন হয় না| একটা লোককে বিচার করবার জন্য লোকটিকে ঈশ্বরের সামনে আনবার দরকার হয় না|
24
কোন বিচার ছাড়াই ঈশ্বর শক্তিশালী লোকদের ধ্বংস করেন এবং অন্যান্য লোকদের নেতা হিসেবে মনোনীত করেন|
25
তাই ঈশ্বর জানেন মানুষ কি করে| সেই জন্য মন্দ লোকদের ঈশ্বর এক রাতের মধ্যেই পরাজিত করে ধ্বংস করেন|
26
মন্দ লোকরা যে খারাপ কাজ করেছে তার জন্য ঈশ্বর ওদের শাস্তি দেবেন| ওই লোকগুলোকে ঈশ্বর এমন ভাবে শাস্তি দেবেন যাতে অন্য লোকে তা ঘটতে দেখতে পায়|
27
কেন? কারণ মন্দ লোকরা ঈশ্বরকে মান্য করা বন্ধ করে দিয়েছে| এবং ঈশ্বর যা চান, ওই মন্দ লোকরা তা করার ব্যাপারে কোন তোয়াক্কাই করে না|
28
ঐ মন্দ লোকরা দরিদ্রদের আঘাত করে ঈশ্বরের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য করে| ঈশ্বর সেই সাহায্য চাইবার আর্তি শোনেন|
29
কিন্তু ঈশ্বর যদি মনস্থ করেন ওদের সাহায্য করবেন না, তাহলে কেউই ঈশ্বরকে দোষী বলতে পারে না| ঈশ্বর যদি নিজেকে মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখেন কোন লোকই তাঁকে খুঁজে পাবে না|
30
একজন মন্দ ব্যক্তিকে লোকদের ওপর শাসন করবার থেকে ও লোকদের ধ্বংসের পথে এগিয়ে দেবার থেকে দূরে রাখবার জন্য ঈশ্বর মানুষ এবং দেশের ওপর শাসন করেন|
31
ইয়োব, আপনার ঈশ্বরকে বলা উচিৎ, ‘আমি অপরাধী| আমি আর কোন পাপ করবো না|
32
আমি যা দেখতে পাই না তা আমাকে শেখান| যদি আমি ভুল করে থাকি সে ভুল আমি আর করবো না|’
33
ইয়োব, আপনি চান ঈশ্বর আপনাকে পুরস্কার দিন, কিন্তু আপনি নিজেকে পরিবর্তিত করতে চান নি| ইয়োব, এটা আপনার সিদ্ধান্ত, আমার নয়| আপনি কি ভাবছেন তা আমায় বলুন|
34
একজন জ্ঞানী লোক আমার কথা শুনবে| একজন জ্ঞানী লোক বলবে,
35
‘ইয়োব জানে না সে কি বিষয়ে কথা বলছে| ইয়োব যা বলছে তা অর্থহীন!’
36
আমি আশা করি ইয়োবকে সম্পূর্ণরূপে পরীক্ষা করা হবে| কেন? কারণ ইয়োব আমাদের সেই ভাবেই উত্তর দিয়েছেন, যে ভাবে একজন মন্দ লোক উত্তর দেয়|
37
ইয়োব তাঁর অন্যান্য পাপের সঙ্গে বিদ্রোহ যুক্ত করেছে| ইয়োব আমাদের অপমান করেন এবং ঈশ্বরের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ বাড়ান|”
← Chapter 33
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 35 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42