bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Ephesians 4
Ephesians 4
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 3
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 5 →
1
তাই প্রভুর জন্য বন্দী অবস্থায় আমি তোমাদের কাছে এই অনুরোধ করছি, আল্লাহ্ যে জন্য তোমাদের ডেকেছেন তার উপযুক্ত হয়ে চল।
2
তোমাদের স্বভাব যেন সম্পূর্ণভাবে নম্র ও নরম হয়। ধৈর্য ধর এবং মহব্বতের মনোভাব নিয়ে একে অন্যকে সহ্য কর।
3
যে শান্তি আমাদের একসংগে যুক্ত করেছে সেই শান্তির মধ্য দিয়ে পাক-রূহের দেওয়া একতা রক্ষা করতে বিশেষভাবে চেষ্টা কর।
4
আল্লাহ্ তোমাদের ডেকেছেন বলে তোমাদের মধ্যে কেবল একটাই আশা আছে, মাত্র একটিই শরীর আছে, একজনই পাক-রূহ্ আছেন,
5
একজনই প্রভু আছেন, একই ঈমান আছে, একই তরিকাবন্দী আছে,
6
আর সকলের আল্লাহ্ ও পিতা মাত্র একজনই আছেন। তিনিই সকলের উপরে; তিনিই সকলের মধ্যে ও সকলের দিলে আছেন।
7
কিন্তু মসীহ্ যেভাবে ঠিক করে রেখেছেন সেই পরিমাণ অনুসারে আমরা প্রত্যেকেই বিশেষ রহমত পেয়েছি।
8
পাক-কিতাবে এইজন্য লেখা আছে, তিনি যখন বেহেশতে উঠলেন, তখন বন্দীদের চালিয়ে নিয়ে গেলেন, আর তিনি লোকদের অনেক দানও দিলেন।
9
“তিনি উঠলেন,” এই কথা থেকে কি এটাই বুঝা যায় না যে, মসীহ্ দুনিয়ার গভীরে নেমেছিলেন?
10
যিনি নেমেছিলেন তিনিই সব কিছু পূর্ণ করবার জন্য আবার আসমান থেকেও অনেক উপরে উঠেছেন।
11
তিনিই কিছু লোককে সাহাবী, কিছু লোককে নবী, কিছু লোককে সুসংবাদ তবলিগকারী এবং কিছু লোককে জামাতের ইমাম ও ওস্তাদ হিসাবে নিযুক্ত করেছেন।
12
তিনি এঁদের নিযুক্ত করেছেন যেন আল্লাহ্র সব বান্দারা তাঁরই সেবা-কাজ করবার জন্য প্রস্তুত হয় এবং এইভাবে মসীহের শরীর গড়ে ওঠে।
13
এর উদ্দেশ্য হল, আমরা যেন সবাই ইব্নুল্লাহ্র উপর ঈমান এনে এবং তাঁকে ভাল করে জানতে পেরে এক হই; আর মসীহ্ যেমন সমস্ত গুণে পূর্ণ, আমরাও যেন তেমনি সমস্ত গুণে পূর্ণ হয়ে পরিপূর্ণ হই। তখন আমরা আর শিশুর মত থাকব না।
14
লোকে দুষ্ট বুদ্ধি খাটিয়ে অন্যদের ভুল পথে নিয়ে যাবার জন্য যে ভুল শিক্ষা দেয়, সেই ভুল শিক্ষার মধ্যে আমরা বাতাসে দুলে ওঠা ঢেউয়ের মত এদিকে সেদিকে দুলতে থাকব না।
15
আমরা বরং মহব্বতের মনোভাব নিয়ে মসীহের বিষয়ে সত্য কথা বলব এবং সব কিছুতে বেড়ে উঠে মসীহের মত হব। তিনিই তো শরীরের মাথা।
16
গোটা শরীরটা এমন ভাবে বাঁধা আছে যে, প্রত্যেকটি অংশ যার যার জায়গায় থেকে শরীরের সংগে যুক্ত থাকে। প্রত্যেকটি অংশ যখন ঠিকভাবে কাজ করে তখন গোটা শরীরটাই মাথার পরিচালনায় বেড়ে ওঠে এবং মহব্বতের মধ্য দিয়ে নিজেকে গড়ে তোলে।
17
এইজন্য আমি বলছি, আর প্রভুর হয়ে বিশেষ জোর দিয়েই বলছি- অ-ইহুদীরা যেভাবে বাজে চিন্তার মধ্যে তাদের জীবন কাটায় তোমরা আর সেইভাবে জীবন কাটায়ো না।
18
তাদের মন অন্ধকারে পড়ে আছে। দিল কঠিন বলে তারা আল্লাহ্ সম্বন্ধে কিছু জানে না, আর সেইজন্য আল্লাহ্র দেওয়া জীবন থেকে তারা অনেক দূরে আছে।
19
তাদের বিবেক অসাড় হয়ে গেছে, তাই তৃপ্তিহীন আগ্রহ নিয়ে সব রকম নাপাক কাজ করবার জন্য তারা লাগামছাড়া কামনার হাতে নিজেদের ছেড়ে দিয়েছে।
20
কিন্তু তোমরা তো মসীহের বিষয়ে এইরকম শিক্ষা পাও নি।
21
তোমরা তাঁর বিষয় শুনেছিলে, আর তাঁর সংগে যুক্ত হয়ে তাঁর মধ্যে যে সত্য আছে সেই অনুসারে শিক্ষা পেয়েছিলে।
22
তোমরা এই শিক্ষা পেয়েছিলে যে, তোমাদের পুরানো জীবনের পুরানো “আমি”কে পুরানো কাপড়ের মতই বাদ দিতে হবে, কারণ ছলনার কামনা দ্বারা সেই পুরানো “আমি” নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
23
তার বদলে আল্লাহ্কে তোমাদের মনকে নতুন করে গড়ে তুলতে দাও,
24
আর আল্লাহ্র দেওয়া নতুন “আমি”কে নতুন কাপড়ের মতই পর। সত্যের ধার্মিকতা ও পবিত্রতা দিয়ে এই নতুন “আমি”কে আল্লাহ্র মত করে সৃষ্টি করা হয়েছে।
25
এইজন্য তোমরা মিথ্যা ছেড়ে দাও এবং একে অন্যের কাছে সত্যি কথা বল, কারণ আমরা সবাই একে অন্যের সংগে যুক্ত।
26
যদি রাগ কর তবে সেই রাগের দরুন গুনাহ্ কোরো না; সূর্য ডুববার আগেই তোমাদের রাগ ছেড়ে দিয়ো,
27
আর ইবলিসকে কোন সুযোগ দিয়ো না।
28
যে চুরি করে সে আর চুরি না করুক, বরং নিজের হাতে সৎভাবে পরিশ্রম করুক যেন অভাবী লোকদের দেবার জন্য তার কিছু থাকে।
29
তোমাদের মুখ থেকে কোন বাজে কথা বের না হোক, বরং দরকার মত অন্যকে গড়ে তুলবার জন্য যা ভাল তেমন কথাই বের হোক, যেন যারা তা শোনে তাতে তাদের উপকার হয়।
30
তোমরা আল্লাহ্র পাক-রূহ্কে দুঃখ দিয়ো না, যাঁকে দিয়ে আল্লাহ্ মুক্তি পাবার দিন পর্যন্ত তোমাদের সীলমোহর করে রেখেছেন।
31
সব রকম বিরক্তি প্রকাশ, মেজাজ দেখানো, রাগ, চিৎকার করে ঝগড়াঝাঁটি, গালাগালি, আর সব রকম হিংসা তোমাদের কাছ থেকে দূর কর।
32
তোমরা একে অন্যের প্রতি দয়ালু হও, অন্যের দুঃখে দুঃখী হও, আর আল্লাহ্ যেমন মসীহের মধ্য দিয়ে তোমাদের মাফ করেছেন তেমনি তোমরাও একে অন্যকে মাফ কর।
← Chapter 3
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 5 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6