bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Genesis 15
Genesis 15
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 16 →
1
এর পর মাবুদ ইব্রামকে দর্শনের মধ্য দিয়ে বললেন, “ইব্রাম, ভয় কোরো না। ঢালের মত করে আমিই তোমাকে রক্ষা করব, আর তোমার পুরস্কার হবে মহান।”
2
ইব্রাম বললেন, “হে মাবুদ, আমার মালিক, তুমি আমাকে কি দেবে? আমার তো কোন ছেলেমেয়ে নেই। আমার মৃত্যুর পরে দামেস্কের ইলীয়েষর আমার সম্পত্তির ওয়ারিশ হবে।
3
তুমি কি আমাকে কোন সন্তান দিয়েছ? কাজেই আমার বাড়ীর একজন গোলামই তো আমার পরে আমার বিষয়-সম্পত্তির ওয়ারিশ হবে।”
4
তখন মাবুদ ইব্রামকে বললেন, “না, ওয়ারিশ সে হবে না। তোমার নিজের সন্তানই তোমার সম্পত্তির ওয়ারিশ হবে।”
5
পরে মাবুদ ইব্রামকে বাইরে নিয়ে গিয়ে বললেন, “আসমানের দিকে তাকাও এবং যদি পার ঐ তারাগুলো গুণে শেষ কর। তোমার বংশের লোকেরা ঐ তারার মতই অসংখ্য হবে।”
6
ইব্রাম মাবুদের কথার উপর ঈমান আনলেন আর মাবুদ সেইজন্য তাঁকে ধার্মিক বলে গ্রহণ করলেন।
7
মাবুদ ইব্রামকে বললেন, “আমি মাবুদ। এই দেশের অধিকারী হবার জন্য আমিই তোমাকে ক্যালডীয়দের উর শহর থেকে বের করে এনেছি।”
8
তখন ইব্রাম বললেন, “হে মাবুদ, আমার মালিক, আমি কি করে জানব যে, এই দেশটা আমার অধিকারে আসবে?”
9
জবাবে মাবুদ বললেন, “তুমি আমার কাছে একটা বক্না বাছুর, একটা ছাগী আর একটা পুরুষ ভেড়া নিয়ে এস। সেগুলোর প্রত্যেকটার বয়স যেন তিন বছর হয়। সেই সংগে একটা ঘুঘু আর একটা কবুতরের বাচ্চাও নিয়ে এস।”
10
ইব্রাম তা-ই করলেন। তিনি সেগুলো এনে সমান দু’টুকরা করে প্রত্যেকটা টুকরা তার অন্য টুকরার উল্টাদিকে সাজিয়ে রাখলেন, কিন্তু পাখীগুলো তিনি টুকরা করলেন না।
11
তখন শকুন এসে মরা পশুগুলোর উপর পড়ল, কিন্তু ইব্রাম সেগুলো তাড়িয়ে দিলেন।
12
যখন সূর্য ডুবে যাচ্ছিল তখন ইব্রাম ঘুমিয়ে পড়লেন। গভীর ঘুমের মধ্যে একটা ভয়ংকর অন্ধকার তাঁর উপর নেমে আসল।
13
তখন মাবুদ তাঁকে বললেন, “তুমি এই কথা নিশ্চয় করে জেনো, তোমার বংশের লোকেরা এমন একটা দেশে গিয়ে বাস করবে যা তাদের নিজেদের নয়। সেখানে তারা অন্যদের গোলাম হয়ে চারশো বছর পর্যন্ত জুলুম ভোগ করবে।
14
কিন্তু যে জাতি তাদের গোলাম করে রাখবে সেই জাতির উপর আমি গজব নাজেল করব। পরে তারা অনেক ধন-দৌলত নিয়ে সেই দেশ থেকে বের হয়ে আসবে।
15
তবে তার আগেই তুমি অনেক বয়সে শান্তিতে মারা গিয়ে কবর পাবে এবং তোমার পূর্বপুরুষদের কাছে চলে যাবে।
16
কিন্তু তোমার বংশের চতুর্থ পুরুষের লোকেরা এখানে ফিরে আসবে, কারণ গুনাহ্ করতে করতে আমোরীয়রা এখনও এমন অবস্থায় গিয়ে পৌঁছায় নি যার জন্য আমাকে তাদের উপর গজব নাজেল করতে হবে।”
17
সূর্য ডুবে গিয়ে যখন একেবারে অন্ধকার হয়ে গেল তখন ধোঁয়ায় ভরা একটা জ্বলন্ত চুলা এবং একটা জ্বলন্ত মশাল দেখা দিল। সেগুলো সেই সাজিয়ে রাখা পশুর টুকরাগুলোর মধ্য দিয়ে চলে গেল।
18
মাবুদ সেই দিনই ইব্রামের জন্য এই বলে একটা ব্যবস্থা স্থাপন করলেন, “মিসরের নদী থেকে শুরু করে মহানদী ফোরাত পর্যন্ত সমস্ত দেশটা আমি তোমার বংশকে দিলাম।
19
এর মধ্যে থাকবে কেনীয়, কনিষীয়, কদ্মোনীয়,
20
হিট্টীয়, পরিষীয়, রফায়ীয়,
21
আমোরীয়, কেনানীয়, গির্গাশীয় ও যিবূষীয়দের দেশ।”
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 16 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50