bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Romans 13
Romans 13
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 14 →
1
প্রত্যেকেই দেশের শাসনকর্তাদের মেনে চলুক, কারণ আল্লাহ্ যাঁকে শাসনকর্তা করেন তিনি ছাড়া আর কেউই শাসনকর্তা হতে পারেন না। আল্লাহ্ শাসনকর্তাদের নিযুক্ত করেছেন;
2
এইজন্য শাসনকর্তার বিরুদ্ধে যে দাঁড়ায় সে আল্লাহ্র শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেই দাঁড়ায়। যারা এই রকম করে তারা নিজেদের উপরে শাস্তি ডেকে আনে।
3
যারা ভাল কাজ করে শাসনকর্তাদের ভয় করবার কোন কারণ তাদের থাকে না, কিন্তু যারা অন্যায় করে তারাই ভয় করে। শাসনকর্তাকে ভয় না করে কি তোমরা চলতে চাও? তাহলে যা ভাল তা-ই করতে থাক। তাতে তোমরা তাঁর কাছ থেকে প্রশংসা পাবে।
4
তোমাদের ভালোর জন্যই তিনি আল্লাহ্র সেবাকারী হিসাবে কাজ করেন। তোমরা যদি অন্যায় কর তাহলে ভয় কর, কারণ অন্যায়কারীদের শাস্তি দেবার অধিকার তাঁর আছে। তিনি তো আল্লাহ্র সেবাকারী; যারা অন্যায় কাজ করে তাদের তিনি আল্লাহ্র হয়ে শাস্তি দেন।
5
এইজন্য তোমরা শাসনকর্তাদের অধীনতা স্বীকার করতে বাধ্য। আল্লাহ্র শাস্তির ভয়েই যে কেবল তাঁদের অধীনতা স্বীকার করবে তা নয়, তোমাদের বিবেক পরিষ্কার রাখবার জন্যও তা করবে।
6
আর সেইজন্যই তো তোমরা খাজনা দিয়ে থাক, কারণ খাজনা-আদায়কারীরা তাঁদের কাজের দ্বারা আল্লাহ্র সেবা করছেন।
7
যাঁর যা পাওনা তাঁকে তা দাও। যিনি খাজনা আদায় করেন তাঁকে খাজনা দাও; যিনি শুল্ক আদায় করেন তাঁকে শুল্ক দাও; যাঁকে শ্রদ্ধা করা উচিত তাঁকে শ্রদ্ধা কর; যাঁকে সম্মান করা উচিত তাঁকে সম্মান কর।
8
অন্যের কাছে এক মহব্বতের ঋণ ছাড়া আর অন্য কোন ঋণ যেন তোমাদের না থাকে। যারা অন্যকে মহব্বত করে তারা মূসার শরীয়ত মেনে চলেছে।
9
হুকুম আছে, “জেনা কোরো না, খুন কোরো না, চুরি কোরো না, লোভ কোরো না।” এই সব এবং এই রকম আরও অন্যান্য হুকুম মিলিয়ে এক কথায় বলা হয়েছে, “তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মত মহব্বত কোরো।”
10
মহব্বত করলে কেউ কারও ক্ষতি করে না। তাহলে দেখা যায়, মহব্বতের মধ্য দিয়েই সমস্ত শরীয়ত পালন করা হয়।
11
এতক্ষণ যা বললাম, এখনকার সময় বুঝে সেইভাবেই চল। ঘুম থেকে জাগবার সময় হয়েছে, কারণ যখন আমরা ঈমান এনেছিলাম তখনকার চেয়ে বরং এখনই নাজাত পাবার সময় কাছে এসে গেছে।
12
রাত প্রায় শেষ, ভোর হয়ে আসছে; এইজন্য এস, আমরা অন্ধকারের কাজ ছেড়ে দিয়ে নূরের অস্ত্রশস্ত্র তুলে নিই।
13
হৈ-হল্লা করে মদ খাওয়া এবং মাতলামিতে নয়, জেনা ও বিশৃঙ্খল জীবনে নয়, ঝগড়াঝাঁটি ও হিংসাতে নয়, কিন্তু যারা দিনের আলোয় চলাফেরা করে, এস, আমরা তাদের মত উপযুক্ত ভাবে জীবন কাটাই।
14
তোমরা কাপড়ের মত করে হযরত ঈসা মসীহ্কে দিয়ে নিজেদের ঢেকে ফেল; গুনাহ্-স্বভাবের ইচ্ছা পূর্ণ করবার দিকে মন দিয়ো না।
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16