bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Matthew 5
Matthew 5
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 6 →
1
যীশু অনেক লোক দেখে পাহাড়ের উপর উঠলেন। তিনি বসলে পর তাঁর শিষ্যেরা তাঁর কাছে আসলেন।
2
তখন তিনি শিষ্যদের এই বলে শিক্ষা দিতে লাগলেন:
3
“অন্তরে যারা নিজেদের গরীব মনে করে তারা ধন্য, কারণ স্বর্গ-রাজ্য তাদেরই।
4
যারা দুঃখ করে তারা ধন্য, কারণ তারা সান্ত্বনা পাবে।
5
যাদের স্বভাব নম্র তারা ধন্য, কারণ পৃথিবী তাদেরই হবে।
6
যারা মনে-প্রাণে ঈশ্বরের ইচ্ছামত চলতে চায় তারা ধন্য, কারণ তাদের সেই ইচ্ছা পূর্ণ হবে।
7
দয়ালু যারা তারা ধন্য, কারণ তারা দয়া পাবে।
8
যাদের অন্তর খাঁটি তারা ধন্য, কারণ তারা ঈশ্বরকে দেখতে পাবে।
9
লোকদের জীবনে শান্তি আনবার জন্য যারা পরিশ্রম করে তারা ধন্য, কারণ ঈশ্বর তাদের নিজের সন্তান বলে ডাকবেন।
10
ঈশ্বরের ইচ্ছামত চলতে গিয়ে যারা অত্যাচার সহ্য করে তারা ধন্য, কারণ স্বর্গ-রাজ্য তাদেরই।
11
“তোমরা ধন্য, যখন লোকে আমার জন্য তোমাদের অপমান করে ও অত্যাচার করে এবং মিথ্যা করে তোমাদের নামে সব রকম মন্দ কথা বলে।
12
তোমরা আনন্দ কোরো ও খুশী হোয়ো, কারণ স্বর্গে তোমাদের জন্য মহা পুরস্কার আছে। তোমাদের আগে যে নবীরা ছিলেন লোকে তাঁদেরও এইভাবে অত্যাচার করত।
13
“তোমরা পৃথিবীর লবণ, কিন্তু যদি লবণের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায় তবে কেমন করে তা আবার নোন্তা করা যাবে? সেই লবণ আর কোন কাজে লাগে না। তা কেবল বাইরে ফেলে দেবার ও লোকের পায়ে মাড়াবার উপযুক্ত হয়।
14
“তোমরা জগতের আলো। পাহাড়ের উপরের শহর লুকানো থাকতে পারে না।
15
কেউ বাতি জ্বেলে ঝুড়ির নীচে রাখে না কিন্তু বাতিদানের উপরেই রাখে। এতে ঘরের সমস্ত লোকই আলো পায়।
16
সেইভাবে তোমাদের আলো লোকদের সামনে জ্বলুক, যেন তারা তোমাদের ভাল কাজ দেখে তোমাদের স্বর্গস্থ পিতার গৌরব করে।
17
“এই কথা মনে কোরো না, আমি মোশির আইন-কানুন আর নবীদের লেখা বাতিল করতে এসেছি। আমি সেগুলো বাতিল করতে আসি নি বরং পূর্ণ করতে এসেছি।
18
আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, আকাশ ও পৃথিবী শেষ না হওয়া পর্যন্ত, যতদিন না আইন-কানুনের সমস্ত কথা সফল হয় ততদিন সেই আইন-কানুনের এক বিন্দু কি এক মাত্রা মুছে যাবে না।
19
তাই আদেশগুলোর মধ্যে ছোট একটা আদেশও যে কেউ অমান্য করে এবং লোককে তা অমান্য করতে শিক্ষা দেয় তাকে স্বর্গ-রাজ্যে সবচেয়ে ছোট বলা হবে। কিন্তু যে কেউ সেই আদেশগুলো পালন করে ও শিক্ষা দেয় তাকে স্বর্গ-রাজ্যে বড় বলা হবে।
20
আমি তোমাদের বলছি, ধর্ম-শিক্ষক ও ফরীশীদের ধার্মিকতার চেয়ে তোমাদের যদি বেশী কিছু না থাকে তবে তোমরা কোনমতেই স্বর্গ-রাজ্যে ঢুকতে পারবে না।
21
“তোমরা শুনেছ, আগেকার লোকদের কাছে এই কথা বলা হয়েছে, ‘খুন কোরো না; যে খুন করে সে বিচারের দায়ে পড়বে।’
22
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, যে কেউ তার ভাইয়ের উপর রাগ করে সে বিচারের দায়ে পড়বে। যে কেউ তার ভাইকে বলে, ‘তুমি অপদার্থ,’ সে মহাসভার বিচারের দায়ে পড়বে। আর যে তার ভাইকে বলে, ‘তুমি বিবেকহীন,’ সে নরকের আগুনের দায়ে পড়বে।
23
“সেইজন্য ঈশ্বরের উদ্দেশে বেদীর উপরে তোমার দান উৎসর্গ করবার সময় যদি মনে পড়ে যে, তোমার বিরুদ্ধে তোমার ভাইয়ের কিছু বলবার আছে,
24
তবে তোমার দান সেই বেদীর সামনে রেখে চলে যাও। আগে তোমার ভাইয়ের সংগে আবার মিলিত হও এবং পরে এসে তোমার দান উৎসর্গ কর।
25
“কেউ তোমার বিরুদ্ধে মকদ্দমা করলে আদালতে যাবার আগেই তার সংগে তাড়াতাড়ি মীমাংসা করে ফেল। তা না হলে সে তোমাকে বিচারকের হাতে দেবে, আর বিচারক তোমাকে পুলিশের হাতে দেবে, আর পুলিশ তোমাকে জেলে দেবে।
26
আমি তোমাকে সত্যি বলছি, শেষ পয়সাটা না দেওয়া পর্যন্ত তুমি সেখান থেকে কিছুতেই ছাড়া পাবে না।
27
“তোমরা শুনেছ, এই কথা বলা হয়েছে, ‘ব্যভিচার কোরো না।’
28
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, যে কেউ কোন স্ত্রীলোকের দিকে কামনার চোখে তাকায় সে তখনই মনে মনে তার সংগে ব্যভিচার করল।”
29
“তোমার ডান চোখ যদি তোমাকে পাপের পথে টানে তবে তা উপ্ড়ে দূরে ফেলে দাও। তোমার সমস্ত দেহ নরকে পড়বার চেয়ে বরং তার একটা অংশ নষ্ট হওয়া তোমার পক্ষে ভাল।
30
যদি তোমার ডান হাত তোমাকে পাপের পথে টানে তবে তা কেটে ফেলে দাও। তোমার সমস্ত দেহ নরকে যাওয়ার চেয়ে বরং একটা অংশ নষ্ট হওয়া তোমার পক্ষে ভাল।
31
“আবার বলা হয়েছে, ‘যে কেউ তার স্ত্রীকে ছেড়ে দেয় সে তাকে ত্যাগ-পত্র দিক।’
32
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, যে কেউ ব্যভিচারের দোষ ছাড়া অন্য কোন কারণে স্ত্রীকে ছেড়ে দেয় সে তাকে ব্যভিচারিণী করে তোলে। আর যাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেই স্ত্রীকে যে বিয়ে করে সেও ব্যভিচার করে।
33
“আবার তোমরা শুনেছ, আগেকার লোকদের কাছে বলা হয়েছে, ‘মিথ্যা শপথ কোরো না, বরং প্রভুর উদ্দেশে তোমার সমস্ত শপথ পালন কোরো।’
34
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, একেবারেই শপথ কোরো না। স্বর্গের নামে কোরো না, কারণ তা ঈশ্বরের সিংহাসন।
35
পৃথিবীর নামে কোরো না, কারণ তা তাঁর পা রাখবার জায়গা। যিরূশালেমের নামে কোরো না, কারণ তা মহান রাজার শহর।
36
তোমার মাথার নামে কোরো না, কারণ তার একটা চুল সাদা কি কালো করবার ক্ষমতা তোমার নেই।
37
তোমাদের কথার ‘হ্যাঁ’ যেন ‘হ্যাঁ’ আর ‘না’ যেন ‘না’ হয়; এর বেশী যা, তা শয়তানের কাছ থেকে আসে।
38
“তোমরা শুনেছ, বলা হয়েছে, ‘চোখের বদলে চোখ এবং দাঁতের বদলে দাঁত।’
39
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, তোমাদের সংগে যে কেউ খারাপ ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে কিছুই কোরো না; বরং যে কেউ তোমার ডান গালে চড় মারে তাকে অন্য গালেও চড় মারতে দিয়ো।
40
যে কেউ তোমার জামা নেবার জন্য মামলা করতে চায় তাকে তোমার চাদরও নিতে দিয়ো।
41
যে কেউ তোমাকে তার বোঝা নিয়ে এক মাইল যেতে বাধ্য করে তার সংগে দুই মাইল যেয়ো।
42
যে তোমার কাছে কিছু চায় তাকে দিয়ো, আর যে তোমার কাছে ধার চায় তাকে দিতে অস্বীকার কোরো না।
43
“তোমরা শুনেছ, বলা হয়েছে, ‘তোমার প্রতিবেশীকে ভালবেসো এবং শত্রুকে ঘৃণা কোরো।’
44
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, তোমাদের শত্রুদেরও ভালবেসো। যারা তোমাদের অত্যাচার করে তাদের জন্য প্রার্থনা কোরো,
45
যেন লোকে দেখতে পায় তোমরা সত্যিই তোমাদের স্বর্গস্থ পিতার সন্তান। তিনি তো ভাল-মন্দ সকলের উপরে তাঁর সূর্য উঠান এবং সৎ ও অসৎ লোকদের উপরে বৃষ্টি দেন।
46
যারা তোমাদের ভালবাসে কেবল তাদেরই যদি তোমরা ভালবাস তবে তোমরা কি পুরস্কার পাবে? কর্- আদায়কারীরাও কি তা-ই করে না?
47
আর যদি তোমরা কেবল তোমাদের নিজেদের লোকদেরই শুভেচ্ছা জানাও তবে অন্যদের চেয়ে বেশী আর কি করছ? অযিহূদীরাও কি তা-ই করে না?
48
এইজন্য বলি, তোমাদের স্বর্গস্থ পিতা যেমন খাঁটি তোমরাও তেমনি খাঁটি হও।
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 6 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28