bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Daniel 11
Daniel 11
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 12 →
1
আর মাদীয় দারিয়ুসের প্রথম বছরে আমিই তাঁকে সবল ও শক্তিমান করতে দাঁড়িয়েছিলাম।
2
যাহোক, এখন আমি তোমাকে সত্য কথা জানাবো। দেখ, পারস্যে আর তিন জন বাদশাহ্ উৎপন্ন হবে, আর চতুর্থ বাদশাহ্ সবচেয়ে বেশি ধনশালী হবে এবং আপন ধনে শক্তিমান হলে গ্রীস-রাজ্যের বিরুদ্ধে সকলকে উত্তেজিত করবে।
3
পরে শক্তিশালী এক জন বাদশাহ্ উৎপন্ন হবে, সে মহাকর্তৃত্ব-বিশিষ্ট কর্তা হবে ও স্বেচ্ছানুসারে কাজ করবে।
4
সে উৎপন্ন হলে তার রাজ্য ভেঙ্গে যাবে, আসমানের চার বায়ুর দিকে বিভক্ত হবে, কিন্তু তার বংশের জন্য নয়, আর সে যে কর্তৃত্ব করতো, সেই অনুসারে নয়; বস্তুত তার রাজ্য উৎপাটিত হয়ে তাদের নয়, কিন্তু অন্যদের হবে।
5
আর দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্ বলবান হবে, কিন্তু তার শাসনকর্তাদের মধ্যে এক জন তার চেয়েও বলবান হয়ে প্রভুত্ব পাবে, তার প্রভুত্ব মহাপ্রভুত্ব হবে।
6
আর, কয়েক বছর পরে তারা পরস্পর সম্বন্ধ স্থাপন করবে, আর বন্ধুত্বের জন্য দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্র কন্যা উত্তর দেশের বাদশাহ্র কাছে গমন করবে; কিন্তু সেই কন্যা নিজের বাহুবল রক্ষা করবে না এবং সেই বাদশাহ্ ও তার বাহু স্থায়ী হবে না; কিন্তু সেই মহিলাকে এবং তার রক্ষীদের, তার সন্তানদের ও সাহায্যকারী সকলকেই তুলে দেওয়া হবে।
7
তবুও তার মূলের একটি তরুশাখা থেকে এক জন তার পদে সৃষ্টি হবে, আর সৈন্যদের বিরুদ্ধে এসে উত্তর দেশের বাদশাহ্র দুর্গে প্রবেশ করবে এবং সেই সবের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে পরাক্রম দেখাবে।
8
আর সে তাদের ছাঁচে ঢালা মূর্তিগুলোর সাথে, তাদের রূপা ও সোনার নানা রমণীয় পাত্রের সাথে তাদের দেবতাদেরকে বন্দী করে মিসরে নিয়ে যাবে। পরে কয়েক বছর উত্তর দেশের বাদশাহ্কে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকবে।
9
আর সে দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্র রাজ্যে প্রবেশ করবে, কিন্তু নিজের দেশে ফিরে যাবে।
10
তার পুত্ররা যুদ্ধ করবে এবং বিপুল বলসমারোহ সংগ্রহ করবে; তারা আসবে, মহা বন্যার মত এগিয়ে গিয়ে যুদ্ধ করবে ও তাদের দুশমনদের দুর্গ পর্যন্ত যুদ্ধ করবে।
11
তাতে দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্ ভীষণ ক্রুদ্ধ হবে এবং যাত্রা করে তার সাথে, উত্তর দেশের বাদশাহ্র সাথে, যুদ্ধ করবে; সেও মহাসমারোহ একত্র করবে, কিন্তু সেই সমারোহ তার হাতে তুলে দেওয়া হবে।
12
ঐ সমারোহ নীত হবে ও সে উদ্ধতচিত্ত হবে, আর হাজার হাজার লোককে হত্যা করবে, তবুও শক্তিশালী থাকবে না।
13
উত্তর দেশের বাদশাহ্ ফিরে আসবে এবং প্রথম সমারোহের চেয়ে বড় সমারোহ একত্র করবে; আর কালপর্যায়ের শেষে, নির্দিষ্ট বছর শেষে, মহা সৈন্য ও প্রচুর সামগ্রী নিয়ে আসবে।
14
সেই সময় দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্র বিরুদ্ধে অনেক লোক উঠবে; এবং এই দর্শন যাতে সফল হয়, সেই জন্য তোমার জাতির মধ্যে দুর্দান্ত লোকেরা নিজেদের উঁচু করবে, কিন্তু তারা সফল হবে না।
15
এইভাবে উত্তর দেশের বাদশাহ্ আসবে, জাঙ্গাল বাঁধবে এবং সুদৃঢ় নগর হস্তগত করবে; তাতে দক্ষিণ দেশের সৈন্য ও তার মনোনীত লোকেরা স্থির থাকবে না, স্থির থাকার শক্তি তাদের হবে না।
16
কিন্তু যে তার বিরুদ্ধে আসবে, সে স্বেচ্ছানুসারে কাজ করবে, তার সাক্ষাতে কেউ দাঁড়াতে পারবে না; আর সে সুন্দর দেশে দণ্ডায়মান হবে ও তার হাতে বিনাশ থাকবে।
17
পরে সে তার সমস্ত রাজ্যের পরাক্রম সঙ্গে করে আনবার জন্য উন্মুখ হবে ও তার সাথে শান্তির নিয়ম স্থাপন করবে; এবং বিনাশ করার উদ্দেশে তাকে নারীদের কন্যা দেবে, কিন্তু এটা স্থির থাকবে না ও তার হবে না।
18
পরে সে উপকূলগুলোর বিরুদ্ধে গিয়ে অনেককে হস্তগত করবে; কিন্তু এক জন সেনাপতি তার কৃত উপহাস নিবৃত্ত করবে, এমন কি, সে তার উপহাস তাকেই ফিরিয়ে দেবে।
19
তখন সে নিজের দেশের দুর্গগুলোর প্রতি মুখ ফিরাবে; কিন্তু হোঁচট খেয়ে পড়বে, তার উদ্দেশ আর পাওয়া যাবে না।
20
পরে এমন এক জন তার পদ পাবে, যে রাজ্যের শোভাস্থানে কর্মকর্তাকে প্রেরণ করবে, কিন্তু সে অল্প দিনের মধ্যে বিনষ্ট হবে, ক্রোধেও নয়, যুদ্ধেও নয়।
21
পরে এক জন তুচ্ছ ব্যক্তি তার পদ পাবে। তাকে রাজ্যের মহিমা দেওয়া হয় নি, কিন্তু সে নিশ্চিন্ততার সময়ে এসে চাটুবাদ দ্বারা রাজ্য লাভ করবে;
22
তার সম্মুখ থেকে বিশাল সৈন্য বাহিনী বের হয়ে সমূলে ধ্বংস হবে এবং নিয়মের নায়কও ধ্বংস হবে।
23
তার সাথে মিত্রতার চুক্তি স্থির করার দিন থেকে সে ছলনা করবে, কারণ সে এসে অল্প লোক দ্বারা পরাক্রমী হবে।
24
সে নিশ্চিন্ততার সময়ে প্রদেশের অতি উত্তম উত্তম স্থানে প্রবেশ করবে এবং তার পূর্বপুরুষেরা এবং পূর্বপুরুষদের পূর্বপুরুষেরাও যা করে নি, তা করবে; সে লোকদের মধ্যে লুটদ্রব্য, কেড়ে নেওয়া জিনিসপত্র এবং সম্পত্তি বিতরণ করবে, দৃঢ় দুর্গগুলোর বিরুদ্ধে কৌশল কল্পনা করবে, কিছু কাল এটা করবে।
25
আর সে অনেক সৈন্য সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্র বিরুদ্ধে তার বল ও অন্তর উত্তেজিত করবে; তাতে দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্ এক বিশাল শক্তিশালী সৈন্য সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধ করবে, কিন্তু স্থির থাকবে না, কেননা তারা তার বিরুদ্ধে নানা কৌশল কল্পনা করবে।
26
যারা তার খাবারের ভাগী, তারাই তাকে বিনষ্ট করবে ও তাদের সৈন্য সমূলে ধ্বংস হবে; এবং অনেকে নিহত হবে।
27
আর এই দুই বাদশাহ্র অন্তর হিংসাপূর্ণ হবে এবং তারা একই টেবিলে বসে মিথ্যা কথা বলবে, কিন্তু তা সফল হবে না, কেননা তখনও শেষ নির্ধারিত কালের অপেক্ষা করবে।
28
আর সে অনেক সম্পত্তি নিয়ে আপন দেশে ফিরে যাবে ও তার অন্তঃকরণ পবিত্র নিয়মের বিপক্ষ হবে এবং সে কাজ করে তার নিজের দেশে ফিরে যাবে।
29
নির্ধারিত কালে সে ফিরে আসবে, দক্ষিণ দেশে প্রবেশ করবে, কিন্তু পূর্বকালে, যেমন ছিল উত্তরকালে তেমন হবে না।
30
কারণ সাইপ্রাসের জাহাজগুলো তার বিরুদ্ধে আসবে, এজন্য সে বিষণ্ন হয়ে ফিরে যাবে ও পবিত্র নিয়মের বিরুদ্ধে ক্রোধ করে কাজ করবে; সে ফিরে আসবে, যারা পবিত্র নিয়ম ত্যাগ করে, তাদের প্রতি মনোযোগ দেবে।
31
আর তার কাছ থেকে সৈন্যরা উঠে, বায়তুল-মোকাদ্দস অর্থাৎ দুর্গ নাপাক করবে, নিত্য নৈবেদ্য নিবৃত্ত করবে এবং সর্বনাশা ঘৃণার বস্তু স্থাপন করবে।
32
যারা সেই নিয়ম সম্বন্ধে দুষ্কর্ম করে, সে তাদের চাটুবাদ দ্বারা ভ্রষ্ট করবে, কিন্তু যে লোকেরা তোমার আল্লাহ্কে জানে, তারা বলবান হয়ে কাজ করবে।
33
আর লোকদের মধ্যে যারা বুদ্ধিমান, তারা অনেককে উপদেশ দেবে; তবুও কিছু দিন পর্যন্ত তারা তলোয়ারের আঘাতে ও আগুনের শিখায় মারা পড়বে এবং বন্দী করা ও লুট করা হবে।
34
যখন পড়বে, তখন তারা অল্প সাহায্য পাবে, আর অনেকে চাটুবাদ দ্বারা তাদের প্রতি আসক্ত হবে।
35
আর বুদ্ধিমানদের মধ্যে কারও কারও পতন হবে, যেন তারা পরীক্ষাসিদ্ধ, খাঁটি ও নিখুঁত করা হয়; শেষ পর্যন্ত তা হবে; কেননা তখনও নির্ধারিত কালের অপেক্ষা করা যাবে।
36
আর সেই বাদশাহ্ স্বেচ্ছানুযায়ী কাজ করবে ও সমস্ত দেবতার চেয়ে নিজেকে বড় করে দেখাবে ও অহংকার করবে এবং দেবতাদের আল্লাহ্র বিপরীতে অদ্ভুত কথা বলবে, আর ক্রোধ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সে সফল হবে; কেননা যা নির্ধারিত, তাই করা যাবে।
37
আর সে তার পূর্বপুরুষদের দেবতাদেরকে মানবে না এবং স্ত্রীলোকদের কামনাকে কিংবা কোন দেবতাকে মানবে না; কেননা সে নিজেকেই সবচেয়ে বড় করে দেখাবে।
38
কিন্তু সে স্বস্থানে দুর্গ-দেবতার সম্মান করবে এবং আপন পূর্বপুরুষদের অজ্ঞাত দেবকে সোনা, রূপা, মণি ও মনোরম্য বস্তু দিয়ে সম্মান করবে।
39
আর সে বিজাতীয় দেবতার সাহায্যে অতি দৃঢ় দুর্গগুলোর বিরুদ্ধে আক্রমণ রচনা করবে; যত লোক তাকে স্বীকার করবে, তাদেরকে সে অতি সম্মানিত করবে; তাদেরকে অনেকের উপরে কর্তৃত্বপদ দেবে ও পারিতোষিক হিসেবে ভূমি ভাগ করে দেবে।
40
পরে শেষকালে দক্ষিণ দেশের বাদশাহ্ তাকে আক্রমণ করবে; আর উত্তর দেশের বাদশাহ্ রথ, ঘোড়সওয়ার ও অনেক জাহাজের সাথে ঘূর্ণিবাতাসের মত তার বিরুদ্ধে আসবে; এবং নানা দেশের মধ্যে প্রবেশ করবে ও উথলে উঠে বাড়তে থাকবে।
41
সে সুন্দর দেশেও প্রবেশ করবে, তাতে অনেক দেশ পরাভূত হবে, কিন্তু ইদোম ও মোয়াব এবং অম্মোনীয়দের শ্রেষ্ঠাংশ তার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
42
আর সে নানা দেশের উপরে হাত বাড়িয়ে দেবে, আর মিসর দেশ রক্ষা পাবে না।
43
মিসরীয়দের সোনা ও রূপার ভাণ্ডারগুলো ও সমস্ত রত্ন তার হস্তগত হবে এবং লিবীয় ও ইথিওপীয়রা তার অনুচর হবে।
44
কিন্তু পূর্ব ও উত্তর দেশ থেকে আগত সংবাদ তাকে ভীষণ ভয় দেখাবে এবং সে অনেককে উচ্ছিন্ন ও নিঃশেষে বিনষ্ট করার জন্য মহাক্রোধে যাত্রা করবে।
45
আর সে সমুদ্রের ও পবিত্র সুুন্দর পাহাড়ের মধ্যে রাজকীয় শিবির স্থাপন করবে; তবুও তার শেষকাল উপস্থিত হবে, কেউ তার সাহায্য করবে না।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12