bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Deuteronomy 11
Deuteronomy 11
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 12 →
1
অতএব তুমি তোমার আল্লাহ্ মাবুদকে মহব্বত করবে এবং তাঁর দেওয়া দায়িত্ব, তাঁর বিধি, তাঁর অনুশাসন ও তাঁর সমস্ত হুকুম সবসময় পালন করবে।
2
আর আজ তোমরা মনে রেখো যে, যেহেতু তোমাদের সন্তানদের বলছি না, কেননা তারা তোমাদের আল্লাহ্ মাবুদের কৃত শাস্তি জানে না ও দেখে নি; তাঁর মহত্ত্ব, তাঁর শক্তিশালী হাত, বাড়িয়ে দেওয়া বাহু
3
এবং তাঁর চিহ্ন-কাজগুলো ও মিসরের মধ্যে মিসরের বাদশাহ্ ফেরাউনের প্রতি ও তাঁর সমস্ত দেশের প্রতি তিনি যা যা করলেন, তাঁর সেসব কাজ তারা দেখে নি।
4
এছাড়া, মিসরীয় সৈন্যের, ঘোড়া ও রথের প্রতি মাবুদ যা করলেন, আর তারা তোমাদের পিছনে পিছনে তাড়া করে আসার পর মাবুদ যেভাবে লোহিত সাগরের পানি তাদের উপরে বইয়ে দিয়ে তাদেরকে বিনষ্ট করলেন, আজ তারা আর নেই— এসব কাজ তারা দেখে নি;
5
এবং এই স্থানে তোমাদের আগমন পর্যন্ত তোমাদের প্রতি মাবুদ মরুভূমিতে যা যা করেছেন;
6
আর তিনি রূবেণের পুত্র ইলীয়াবের সন্তান দাথন ও অবীরামের প্রতি যা যা করেছেন, ফলত দুনিয়া যেভাবে তার মুখ হা করে সমস্ত ইসরাইলের মধ্যে তাদের, তাদের পরিজনদের, তাদের তাঁবু ও তাদের অধিকৃত সমস্ত সম্পত্তি গ্রাস করলো, এসব তারা দেখে নি;
7
কিন্তু মাবুদের কৃত সমস্ত মহৎ কাজ তোমরা স্বচক্ষে দেখেছো।
8
অতএব আজ আমি তোমাদেরকে যেসব হুকুম দিচ্ছি, সেসব হুকুম পালন করো, যেন তোমরা বলবান হও এবং যে দেশ অধিকার করার জন্য পার হয়ে যাচ্ছ, সেই দেশে প্রবেশ করে তা অধিকার কর;
9
আর যেন মাবুদ তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে ও তাঁদের বংশকে যে দেশ দিতে কসম খেয়েছিলেন, সেই দুগ্ধ-মধু-প্রবাহী দেশে তোমরা দীর্ঘকাল বসবাস করতে পার।
10
কারণ তোমরা যে মিসর দেশ থেকে বের হয়ে এসেছো, সেই দেশে তুমি বীজ বুনে সবজী ক্ষেতের মত পা দিয়ে পানি সেচন করতে; কিন্তু তুমি যে দেশ অধিকার করতে যাচ্ছ, সেই দেশ সেকরম নয়।
11
তোমরা যে দেশ অধিকার করতে পার হয়ে যাচ্ছ, সেটি পর্বত ও উপত্যকা-বিশিষ্ট দেশ এবং আসমানের বৃষ্টির পানি পান করে;
12
সেই দেশের প্রতি তোমার আল্লাহ্ মাবুদের মনোযোগ আছে; বছরের আরম্ভ থেকে বছরের শেষ পর্যন্ত তার প্রতি সব সময় তোমার আল্লাহ্ মাবুদের দৃষ্টি থাকে।
13
আর আমি আজ তোমাদেরকে যেসব হুকুম দিচ্ছি, তোমরা যদি যত্নপূর্বক তা শুনে তোমাদের সমস্ত অন্তর ও প্রাণের সঙ্গে তোমাদের আল্লাহ্ মাবুদকে মহব্বত ও তাঁর সেবা কর,
14
তবে আমি যথা সময়ে অর্থাৎ প্রথম ও শেষ বর্ষায় তোমাদের দেশে বৃষ্টি দান করবো, তাতে তুমি তোমার শস্য, আঙ্গুর-রস ও তেল সংগ্রহ করতে পারবে।
15
আর আমি তোমার পশুদের জন্য তোমার ক্ষেতে ঘাস দেব এবং তুমি আহার করে তৃপ্ত হবে।
16
নিজেদের বিষয়ে সাবধান, পাছে তোমাদের অন্তর ভ্রান্ত হয় এবং তোমরা পথ ছেড়ে অন্য দেবতাদের সেবা কর ও তাদের কাছে সেজ্দা কর;
17
করলে তোমাদের প্রতি মাবুদের ক্রোধ প্রজ্বলিত হবে ও তিনি আসমান রুদ্ধ করবেন, তাতে বৃষ্টি হবে না ও ভূমি নিজের ফল দেবে না এবং মাবুদ তোমাদেরকে যে দেশ দিচ্ছেন, সেই উত্তম দেশ থেকে তোমরা খুব শীঘ্রই উচ্ছিন্ন হবে।
18
অতএব তোমরা আমার এসব কালাম নিজ নিজ অন্তরে ও প্রাণে রেখো এবং চিহ্নরূপে নিজ নিজ হাতে বেঁধে রেখো এবং সেসব ভূষণরূপে তোমাদের দুই চোখের মধ্যে থাকবে।
19
আর তোমরা বাড়িতে উপবেশন ও পথে গমনকালে এবং শয়ন করার সময়ে ও বিছানা থেকে উঠবার সময়ে ঐ সমস্ত কথার প্রসঙ্গ করে নিজ নিজ সন্তানদেরকে শিক্ষা দিও।
20
আর তুমি তোমার বাড়ির দরজার চৌকাঠে ও তোমার দ্বারে তা লিখে রেখো।
21
তাতে মাবুদ তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে ভূমি দিতে কসম খেয়েছেন, সেই ভূমিতে তোমাদের আয়ু ও তোমাদের সন্তানদের আয়ু দুনিয়ার উপরে আসমানের আয়ুর মত বৃদ্ধি পাবে।
22
এই যে সমস্ত হুকুম আমি তোমাদেরকে দিচ্ছি, তোমরা যদি যত্নপূর্বক তা পালন করে তোমাদের আল্লাহ্ মাবুদকে মহব্বত কর, তাঁর পথগুলোতে চল ও তাঁতে আসক্ত থাক;
23
তবে মাবুদ তোমাদের সম্মুখ থেকে এসব জাতিকে অধিকারচ্যুত করবেন এবং তোমরা তোমাদের চেয়ে বড় ও বলবান জাতিদের উত্তরাধিকারী হবে।
24
তোমাদের পা যেসব স্থানে পড়বে, সে সমস্ত স্থান তোমাদের হবে; মরুভূমি ও লেবানন থেকে, নদী অর্থাৎ ফোরাত নদী থেকে পশ্চিম সমুদ্র পর্যন্ত তোমাদের সীমা হবে।
25
তোমাদের সম্মুখে কেউই দাঁড়াতে পারবে না; তোমরা যে দেশে পা রাখবে, সেই দেশের সর্বত্র তোমাদের আল্লাহ্ মাবুদ তাঁর কালাম অনুসারে তোমাদের থেকে লোকদের ভয় ও ত্রাস উপস্থিত করবেন।
26
দেখ, আজ আমি তোমাদের সম্মুখে দোয়া ও বদদোয়া রাখলাম।
27
আজ আমি তোমাদেরকে যেসব হুকুম দিলাম, তোমাদের আল্লাহ্ মাবুদের সেসব হুকুমে যদি মান্য কর, তবে দোয়া পাবে।
28
আর যদি তোমাদের আল্লাহ্ মাবুদের হুকুম মান্য না কর এবং আমি আজ তোমাদেরকে যে পথের বিষয়ে হুকুম করলাম, যদি সেই পথ ছেড়ে তোমাদের অজ্ঞাত অন্য দেবতাদের পিছনে গমন কর, তবে বদদোয়াগ্রস্ত হবে।
29
আর তুমি যে দেশ অধিকার করতে যাচ্ছ, সেই দেশে তোমার আল্লাহ্ মাবুদ যখন তোমাকে প্রবেশ করাবেন, তখন তুমি গরিষীম পর্বতে ঐ দোয়া এবং এবল পর্বতে ঐ বদদোয়া স্থাপন করবে।
30
সেই দু’টি পর্বত জর্ডানের ওপারে, সূর্যাস্তপথের ওদিকে, অরাবা উপত্যকা-নিবাসী কেনানীয়দের দেশে, গিল্গলের সম্মুখে, মোরির এলোন বনের কাছে কি নয়?
31
কেননা তোমাদের আল্লাহ্ মাবুদ তোমাদেরকে যে দেশ দিচ্ছেন, সেই দেশ অধিকার করার জন্য, তোমরা সেখানে প্রবেশ করার জন্য জর্ডান পার হয়ে যাবে, দেশ অধিকার করবে ও সেখানে বাস করবে।
32
আর আমি আজ তোমাদের সম্মুখে যেসব বিধি ও অনুশাসন রাখলাম সেসব যত্নপূর্বক পালন করবে।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34