bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Hebrews 10
Hebrews 10
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 11 →
1
কারণ শরীয়ত আগামী উত্তম উত্তম বিষয়ের ছায়াবিশিষ্ট, তা সেই সমস্ত বিষয়ের অবিকল মূর্তি নয়; সুতরাং একই রকমভাবে যেসব বার্ষিক কোরবানী নিয়ত কোরবানী করা যায়, তার মধ্য দিয়ে যারা কাছে উপস্থিত হয়, তাদেরকে শরীয়ত কখনও সিদ্ধ করতে পারে না।
2
যদি পারতো, তবে ঐ কোরবানী কি শেষ হত না? কেননা এবাদতকারীরা একবার পাক-পবিত্র হলে তাদের কোন গুনাহ্-বিবেক আর থাকতো না।
3
কিন্তু ঐ সমস্ত কোরবানী দ্বারা প্রতি বছর পুনর্বার গুনাহ্ স্মরণ করা হয়।
4
কারণ ষাঁড়ের বা ছাগলের রক্ত যে গুনাহ্ দূর করে দেবে তা হতেই পারে না।
5
এই কারণ মসীহ্ দুনিয়াতে আসবার সময়ে বলেন, “তুমি কোরবানী ও নৈবেদ্য চাও নি, কিন্তু আমার জন্য একটি দেহ প্রস্তুত করেছ;
6
পোড়ানো কোরবানী ও গুনাহ্- কোরবানীতে তুমি প্রীত হও নি।
7
তখন আমি বললাম, দেখ, আমি এসেছি, পাক-কিতাবে আমার বিষয় লেখা আছে— হে আল্লাহ্, যেন তোমার ইচ্ছা পালন করি।”
8
উপরে তিনি বলেন, “কোরবানী, নৈবেদ্য, পোড়ানো-কোরবানী ও গুনাহ্-কোরবানী তুমি চাও নি এবং তাতে প্রীতও হও নি”—
9
এসব শরীয়ত অনুসারে কোরবানী করা হয়— তারপর তিনি বললেন, “দেখ, তোমার ইচ্ছা পালন করার জন্য এসেছি।” তিনি প্রথম বিষয় লোপ করছেন, যেন দ্বিতীয় বিষয় স্থির করেন।
10
সেই ইচ্ছাক্রমে, ঈসা মসীহের দেহ একবার কোরবানী করার মধ্য দিয়ে আমাদের পবিত্র করা হয়েছে।
11
আর প্রত্যেক ইমাম প্রতিদিন সেবাকর্ম করার এবং একই রকম নানা কোরবানী বার বার দেবার জন্য দাঁড়ায়; সেসব কোরবানী কখনও গুনাহ্ দূর করতে পারে না।
12
কিন্তু ইনি গুনাহ্র জন্য একই কোরবানী চিরকালের জন্য কোরবানী করে আল্লাহ্র ডানে উপবিষ্ট হলেন,
13
যে পর্যন্ত তাঁর দুশমনদেরকে তাঁর পায়ের তলায় রাখা না হয়, সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন।
14
কারণ যারা পবিত্রীকৃত হয়, তাদেরকে তিনি একই নৈবেদ্য দ্বারা চিরকালের জন্য সিদ্ধ করেছেন।
15
আর পবিত্র রূহ্ও আমাদের কাছে সাক্ষ্য দিচ্ছেন, কারণ আগে তিনি বলেন, “সেই কালের পর, প্রভু বলেন,
16
আমি তাদের সঙ্গে এই নিয়ম স্থির করবো, আমি তাদের অন্তরে আমার শরীয়ত দেব, আর তাদের হৃদয়ে তা লিখব,”
17
তারপর তিনি বলেন, “এবং তাদের গুনাহ্ ও অধর্মগুলো আর কখনও স্মরণে আনবো না।”
18
তাই, যে স্থলে এই সকল মাফ করা হয়, সেই স্থলে গুনাহ্র জন্য নৈবেদ্য বলে আর কিছু নেই।
19
অতএব, হে ভাইয়েরা, ঈসা আমাদের জন্য যে ‘পর্দা’ দিয়ে অর্থাৎ আপন দেহের মধ্য দিয়ে, যে জীবন্ত পথ খুলে দিয়েছেন,
20
আমরা সেই নতুন ও জীবন্ত পথে, ঈসার রক্তের গুণে পবিত্র স্থানে প্রবেশ করতে সাহস পেয়েছি;
21
এবং আল্লাহ্র গৃহের উপরে নিযুক্ত মহান এক ইমামও আমাদের আছেন;
22
এজন্য এসো, আমরা খাঁটি অন্তরে বিশ্বাসের পূর্ণ নিশ্চয়তায় আল্লাহ্র কাছে উপস্থিত হই; আমাদের অন্তরকে তো রক্ত ছিটিয়ে মন্দ থেকে মুক্ত করা হয়েছে এবং পরিষ্কার পানি দিয়ে আমাদের শরীরকে ধোয়া হয়েছে;
23
এসো, আমাদের প্রত্যাশার অঙ্গীকার অটল করে ধরি, কেননা যিনি ওয়াদা করেছেন, তিনি বিশ্বস্ত;
24
এবং এসো, আমরা পরস্পরের প্রতি মনোযোগ করি, যেন মহব্বত ও সৎকর্মের সম্বন্ধে পরস্পরকে উদ্দীপিত করে তুলতে পারি;
25
এবং যেমন কারো কারো অভ্যাস আছে তেমনি নিজেরা সভায় এক সঙ্গে মিলিত হওয়া বাদ না দিই— বরং পরস্পরকে চেতনা দিই; আর তোমরা মসীহের দিন যত বেশি সন্নিকট হতে দেখছো, ততই যেন বেশি এই বিষয়ে তৎপর হই।
26
কারণ সত্যের তত্ত্বজ্ঞান পেলে পর যদি আমরা স্বেচ্ছাপূর্বক গুনাহ্ করি, তবে গুনাহ্র জন্য আর কোন কোরবানী অবশিষ্ট থাকে না,
27
কেবল থাকে বিচারের ভয়ঙ্কর প্রতীক্ষা এবং বিপক্ষদেরকে গ্রাস করতে উদ্যত আগুনের প্রচণ্ডতা।
28
কেউ মূসার শরীয়ত অমান্য করলে তাকে দুই বা তিন জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ফলে নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়;
29
ভেবে দেখ, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পুত্রকে পদতলে দলিত করেছে এবং নিয়মের যে রক্ত দ্বারা সে পবিত্র হয়েছিল, তা অপবিত্র জ্ঞান করেছে এবং রহমতের রূহের অপমান করেছে, সে কত না বেশি নিশ্চয় ঘোরতর দণ্ডের যোগ্য হবে!
30
কেননা এই কথা যিনি বলেছেন, তাঁকে আমরা জানি, “প্রতিশোধ দেওয়া আমারই কাজ, আমিই প্রতিফল দেব;” আবার, “প্রভু তাঁর লোকবৃন্দের বিচার করবেন।”
31
জীবন্ত আল্লাহ্র হাতে পড়া কি ভয়ানক বিষয়!
32
তোমরা বরং আগের সেই বিষয় স্মরণ কর, যখন তোমরা আলো পেয়ে নানা দুঃখভোগরূপ ভারী সংগ্রাম সহ্য করেছিলে,
33
একে তো তিরস্কারে ও কষ্ট ভোগে কৌতুকাস্পদ হয়েছিলে, তাতে আবার সেই রকম দুর্দশাপন্ন লোকদের সহভাগী হয়েছিলে।
34
কেননা তোমরা বন্দীদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছিলে এবং নিজ নিজ সম্পত্তির লুট হয়ে যাওয়াকে আনন্দের সঙ্গেই মেনে নিয়েছিলে, কারণ তোমরা জানতে, তোমাদের আরও উত্তম সম্পত্তি আছে, আর তা চিরস্থায়ী।
35
অতএব তোমাদের সেই সাহস ত্যাগ করো না, যা মহা পুরস্কারযুক্ত।
36
কেননা তোমাদের ধৈর্য ধরা প্রয়োজন আছে, যেন আল্লাহ্র ইচ্ছা পালন করে প্রতিজ্ঞার ফল লাভ কর।
37
কারণ “আর অতি অল্পকাল বাকি আছে, যিনি আসছেন, তিনি আসবেন, বিলম্ব করবেন না।
38
কিন্তু আমার ধার্মিক ব্যক্তি ঈমানের মধ্য দিয়েই বাঁচবে, আর যদি সরে পড়ে, তবে আমার প্রাণ তাতে প্রীত হবে না।”
39
কিন্তু আমরা বিনাশের জন্য সরে পড়বার লোক নই, বরং প্রাণ-রক্ষার জন্য ঈমানের লোক।
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 11 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13