bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Matthew 9
Matthew 9
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
1
পরে তিনি নৌকায় উঠে পার হলেন এবং নিজের নগরে আসলেন। আর দেখ, কয়েক জন লোক তাঁর কাছে এক জন পক্ষাঘাতগ্রস্তকে আনলো, সে খাটের উপরে শোয়ানো ছিল।
2
ঈসা তাদের ঈমান দেখে সেই পক্ষাঘাতগ্রস্তকে বললেন, বৎস, সাহস কর, তোমার গুনাহ্ মাফ হল।
3
আর দেখ, কয়েক জন আলেম মনে মনে বললো, এই ব্যক্তি কুফরী করছে।
4
তখন ঈসা তাদের চিন্তা বুঝতে পেরে বললেন, তোমরা কেন মনে মনে কুচিন্তা করছো?
5
কারণ, কোনটা বলা সহজ, ‘তোমার গুনাহ্ মাফ হল’, না ‘তুমি উঠে হেঁটে বেড়াও’?
6
কিন্তু দুনিয়াতে গুনাহ্ মাফ করার ক্ষমতা ইবনুল-ইনসানের আছে, এই কথা যেন তোমরা জানতে পার, এজন্য— তিনি সেই পক্ষাঘাতগ্রস্তকে বললেন— উঠ, তোমার বিছানা তুলে নেও এবং তোমার বাড়িতে চলে যাও।
7
তখন সে উঠে তার বাড়িতে চলে গেল।
8
তা দেখে লোকেরা ভয় পেল, আর আল্লাহ্ মানুষকে এমন ক্ষমতা দিয়েছেন বলে তারা আল্লাহ্র গৌরব করলো।
9
আর সেই স্থান থেকে যেতে যেতে ঈসা দেখলেন, মথি নামক এক ব্যক্তি করগ্রহণ-স্থানে বসে আছে; তিনি তাকে বললেন, আমাকে অনুসরণ কর। তাতে সে উঠে তাঁর পিছনে পিছনে চলতে লাগল।
10
পরে তিনি বাড়ির মধ্যে ভোজন করতে বসেছেন, আর দেখ, অনেক কর-আদায়কারী ও গুনাহ্গার এসে ঈসার এবং তাঁর সাহাবীদের সঙ্গে ভোজনে বসলো।
11
তা দেখে ফরীশীরা তাঁর সাহাবীদেরকে বললো, তোমাদের হুজুর কি জন্য কর-আদায়কারী ও গুনাহ্গারদের সঙ্গে ভোজন করেন?
12
তা শুনে তিনি বললেন, সুস্থ লোকদের চিকিৎসকের প্রয়োজন নেই, বরং অসুস্থদেরই প্রয়োজন আছে।
13
কিন্তু তোমরা গিয়ে শিক্ষা কর, এই কালামের মর্ম কি, “আমি করুণাই চাই, কোরবানী নয়”; কেননা আমি ধার্মিকদেরকে নয়, কিন্তু গুনাহ্গারদেরকে ডাকতে এসেছি।
14
তখন ইয়াহিয়ার সাহাবীরা তাঁর কাছে এসে বললো, ফরীশীরা ও আমরা অনেক বার রোজা রাখি, কিন্তু আপনার সাহাবীরা রোজা রাখে না, এর কারণ কি?
15
ঈসা তাঁদেরকে বললেন, বর সঙ্গে থাকতে কি বাসর ঘরের লোকেরা মাতম করতে পারে? কিন্তু এমন সময় আসবে, যখন তাদের কাছ থেকে বরকে নিয়ে যাওয়া হবে; তখন তারা রোজা রাখবে।
16
পুরানো কোর্তায় কেউ নতুন কাপড়ের তালি দেয় না, কেননা তার তালিতে কাপড় ছিঁড়ে যায় এবং ছিদ্র আরও বড় হয়।
17
আর লোকে পুরানো চামড়ার থলিতে নতুন আঙ্গুর-রস রাখে না; রাখলে থলিগুলো ফেটে যায়, তাতে আঙ্গুর-রস পড়ে যায়, থলিগুলোও নষ্ট হয়; কিন্তু লোকে নতুন চামড়ার থলিতেই টাট্কা আঙ্গুর-রস রাখে, তাতে উভয়েরই রক্ষা হয়।
18
তিনি তাদেরকে এসব কথা বলছেন, আর দেখ, মজলিস-খানার এক জন নেতা এসে তাঁর সম্মুখে উবুড় হয়ে বললেন, আমার কন্যাটি হয়তো এতক্ষণ মারা গেছে; কিন্তু আপনি এসে তার উপরে হাত রাখুন, তাতে সে বাঁচবে।
19
তখন ঈসা উঠে তাঁর সঙ্গে গমন করলেন, তাঁর সাহাবীরাও চললেন।
20
আর দেখ, বারো বছর থেকে প্রদর রোগগ্রস্ত এক জন স্ত্রীলোক তাঁর পিছনের দিকে এসে তাঁর চাদরের থোপ স্পর্শ করলো;
21
কারণ সে মনে মনে বলছিল, তাঁর চাদরটা স্পর্শ করতে পারলেই আমি সুস্থ হবো।
22
তখন ঈসা মুখ ফিরিয়ে তাকে দেখে বললেন, বৎসে সাহস কর, তোমার ঈমান তোমাকে সুস্থ করলো। সেই মুহূর্ত থেকে স্ত্রীলোকটি সুস্থ হল।
23
পরে ঈসা সেই নেতার বাড়িতে এসে যখন দেখলেন যারা বাঁশী বাজায় তারা রয়েছে ও লোকেরা কোলাহল করছে,
24
তখন বললেন, সরে যাও, কন্যাটি তো মারা যায় নি, ঘুমিয়ে রয়েছে। তখন তারা তাঁকে উপহাস করলো।
25
কিন্তু লোকদেরকে বের করে দেওয়া হলে তিনি ভিতরে গিয়ে কন্যাটির হাত ধরলেন, তাতে সে উঠে বসলো।
26
আর এই ঘটনার কথা সেই দেশজুড়ে রটে গেল।
27
পরে ঈসা সেই স্থান থেকে প্রস্থান করলে, দু’জন অন্ধ তাঁর পিছনে পিছনে চলতে লাগল; তারা চেঁচিয়ে বলতে লাগল, হে দাউদ-সন্তান, আমাদের প্রতি করুণা করুন।
28
তিনি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করলে পর সেই অন্ধেরা তাঁর কাছে আসল; তখন ঈসা তাদেরকে বললেন, তোমরা কি বিশ্বাস কর যে, আমি এই কাজ করতে পারি? তারা তাঁকে বললো, হ্যাঁ, প্রভু।
29
তখন তিনি তাদের চোখ স্পর্শ করলেন, আর বললেন, তোমাদের বিশ্বাস অনুসারে তোমাদের প্রতি হোক।
30
তখন তাদের চোখ খুলে গেল। আর ঈসা তাদেরকে দৃঢ়ভাবে নিষেধ করে দিলেন, বললেন, দেখো, যেন কেউ এই বিষয় জানতে না পারে।
31
কিন্তু তারা বাইরে গিয়ে সেই অঞ্চলের সমস্ত জায়গায় তাঁর কীর্তি প্রকাশ করলো।
32
তারা বাইরে যাচ্ছে, এমন সময়ে লোকেরা একটি বদ-রূহে পাওয়া বোবা লোককে তাঁর কাছে আনলো।
33
বদ-রূহ্ ছাড়ানো হলে সেই বোবা কথা বলতে লাগল; তখন লোকেরা আশ্চর্য জ্ঞান করে বললো, ইসরাইলের মধ্যে এমন কখনও দেখা যায় নি।
34
কিন্তু ফরীশীরা বলতে লাগল, বদ-রূহ্দের অধিপতি দ্বারা সে বদ-রূহ্ ছাড়ায়।
35
আর ঈসা সমস্ত নগরে ও গ্রামে ভ্রমণ করতে লাগলেন; তিনি লোকদের মজলিস-খানায় উপদেশ দিলেন ও বেহেশতী-রাজ্যের সুসমাচার তবলিগ করলেন এবং সমস্ত রকম রোগ ও সমস্ত রকম অসুস্থতা থেকে সুস্থতা দান করলেন।
36
কিন্তু অনেক লোক দেখে তিনি তাদের প্রতি করুণাবিষ্ট হলেন, কেননা তারা ব্যাকুল ও পরিশ্রান্ত ছিল, যেন রাখালবিহীন ভোড়ার পাল।
37
তখন তিনি তাঁর সাহাবীদেরকে বললেন, শস্য প্রচুর বটে, কিন্তু কার্যকারী লোক অল্প;
38
অতএব শস্য-ক্ষেতের মালিকের কাছে মুনাজাত কর, যেন তিনি নিজের শস্য-ক্ষেতে কার্যকারী লোক পাঠিয়ে দেন।
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28