bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Nehemiah 13
Nehemiah 13
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
1
সেদিন লোকদের কর্ণগোচরে মূসার কিতাব পাঠ করা হল; তার মধ্যে লেখা এই হুকুম পাওয়া গেল, অম্মোনীয় কিংবা মোয়াবীয় লোক কখনও আল্লাহ্র সমাজে প্রবেশ করতে পারবে না;
2
কেননা তারা খাদ্য ও পানি নিয়ে বনি-ইসরাইলদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নি, বরং তাদেরকে বদদোয়া দিতে তাদের প্রতিকূলে বালামকে ঘুষ দিয়েছিল; কিন্তু আমাদের আল্লাহ্ সেই বদদোয়া দোয়ায় পরিণত করলেন।
3
তখন তারা এই ব্যবস্থা শুনে সমস্ত বিদেশী বংশজাতদের ইসরাইল লোক থেকে পৃথক করলো।
4
এর আগে, আমাদের আল্লাহ্র গৃহের কুঠরীগুলোর নেতা ইমাম ইলিয়াশীব টোবিয়ের আত্মীয় হওয়াতে তার জন্য একটি বড় কুঠরী দিয়েছিল;
5
আগে লোকেরা সেই স্থানে নিবেদিত শস্য-উৎসর্গ, কুন্দুরু ও সমস্ত পাত্র এবং লেবীয়, গায়ক ও দ্বারপালদের জন্য হুকুম অনুযায়ী দেওয়া শস্য, আঙ্গুর-রস ও তেলের দশ ভাগের এক ভাগ এবং ইমামদের প্রাপ্য উত্তোলনীয় সমস্ত উপহার রাখত।
6
কিন্তু এসব ঘটনার সময়ে আমি জেরুশালেমে ছিলাম না, কেননা ব্যাবিলনের বাদশাহ্ আর্টা-জারেক্সেসের দ্বাত্রিংশ বছরে আমি বাদশাহ্র কাছে গিয়ে কিছু দিন পর বাদশাহ্র কাছ থেকে বিদায় নিলাম।
7
পরে আমি জেরুশালেমে এলাম, আর ইলিয়াশীব টোবিয়কে আল্লাহ্র গৃহের প্রাঙ্গণে একটি কুঠরী দিয়ে যে অপকর্ম করেছে, তা অবগত হলাম।
8
এতে আমার অতিশয় অসন্তোষ জন্মাল; তাই ঐ কুঠরী থেকে টোবিয়ের সমস্ত গৃহসামগ্রী বের করে ফেললাম।
9
আর আমি হুকুম দিয়ে সমস্ত কুঠরী পাক-পবিত্র করালাম এবং সেই স্থানে আল্লাহ্র গৃহের সমস্ত পাত্র, শস্য-উৎসর্গ ও কুন্দুরু পুনর্বার আনালাম।
10
আর আমি জানতে পারলাম, লেবীয়দের অংশ তাদেরকে দেওয়া হয় নি, সেজন্য কর্মকারী লেবীয় ও গায়কেরা পালিয়ে প্রত্যেকে যার যার ভূমিতে চলে গেছে।
11
তাতে আমি কর্মকর্তাদেরকে অনুযোগ করে বললাম আল্লাহ্র এবাদতখানা কেন পরিত্যক্ত হল? পরে ওদেরকে সংগ্রহ করে স্ব স্ব পদে স্থাপন করলাম।
12
আর সমস্ত এহুদা শস্যের, আঙ্গুর-রস ও তেলের দশ ভাগের এক ভাগ ভাণ্ডারে আনতে লাগল।
13
আর আমি শেলিমিয় ইমাম ও সাদোক আলেমকে এবং লেবীয়দের মধ্যে পদায়কে ও তাদের অধীনে মত্তনিয়ের পৌত্র সক্কুরের পুত্র হাননকে ভাণ্ডারগুলোর নেতা করলাম, কেননা তারা বিশ্বস্ত হিসেবে বিবেচিত ছিল, আর তাদের ভাইদেরকে অংশ বিতরণ করা তাদের কাজ হল।
14
হে আমার আল্লাহ্, এই বিষয়ে আমাকে স্মরণ কর; আমি আমার আল্লাহ্র গৃহের জন্য ও তাঁর সেবার জন্য যেসব সাধু কাজ করেছি, তা মুছে দিও না।
15
ঐ সময়ে আমি এহুদার মধ্যে কতগুলো লোককে বিশ্রামবারে আঙ্গুরযন্ত্র মাড়াই করতে, আটি আনতে ও গাধার উপরে চাপাতে এবং বিশ্রামবারে আঙ্গুর-রস, আঙ্গুর ফল ও ডুমুরাদি সকল দ্রব্যের বোঝা জেরুশালেমে আনতে দেখলাম; তাতে যেদিন তারা খাদ্যদ্রব্য বিক্রয় করছিল, সেদিন আমি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলাম।
16
আর টায়ারের কতগুলো লোক নগরে বাস করতো, তারা মাছ ও সমস্ত রকম বিক্রয়ের দ্রব্য এনে বিশ্রামবারে এহুদা-বংশের লোকদের কাছে ও জেরুশালেমে বিক্রি করতো।
17
তখন আমি এহুদার প্রধান লোকদেরকে অনুযোগ করে বললাম তোমরা বিশ্রামবার নাপাক করে এই কি কুকাজ করছো?
18
তোমাদের পূর্বপুরুষেরা কি সেই একই কাজ করতো না? আর সেজন্য আমাদের আল্লাহ্ কি আমাদের উপরে ও এই নগরের উপরে এসব অমঙ্গল ঘটান নি? আবার তোমরাও বিশ্রামবার নাপাক করে ইসরাইলের উপরে আরও ক্রোধ বর্তাচ্ছ।
19
পরে বিশ্রামবারের আগে জেরুশালেমের দ্বারগুলোর উপর সন্ধ্যার ছায়া পড়লে আমি কবাট বন্ধ করতে হুকুম করলাম; আরও বললাম, বিশ্রামবার অতীত না হলে এই দ্বার খুলবে না; আর বিশ্রামবারে যেন কোন বোঝা ভিতরে আনা না হয়, এজন্য আমি আমার কয়েক জন যুবককে দ্বারে নিযুক্ত করলাম।
20
তাতে বণিকেরা ও সমস্ত রকম দ্রব্যের বিক্রেতারা দুই এক বার জেরুশালেমের বাইরে রাত যাপন করলো।
21
তখন আমি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে তাদেরকে বললাম তোমরা কেন প্রাচীরের সম্মুখে রাত যাপন কর? যদি আবার এমন কর, তবে আমি তোমাদের উপরে হাত উঠাবো।
22
সেই সময় থেকে তারা বিশ্রামবারে আর এল না। পরে বিশ্রামবার পবিত্র করার জন্য আমি লেবীয়দেরকে পাক-পবিত্র হতে এবং সমস্ত দ্বার রক্ষা করার জন্য আসতে হুকুম করলাম। হে আমার আল্লাহ্, এই বিষয়েও আমাকে স্মরণ কর এবং তোমার অটল মহব্বতের মাহাত্ম্য অনুসারে আমার প্রতি করুণা কর।
23
আবার সেই সময়ে আমি দেখলাম, ইহুদীদের কেউ কেউ অস্দোদীয়া, অম্মোনীয়া ও মোয়াবীয়া স্ত্রী গ্রহণ করেছে;
24
এবং তাদের সন্তানেরা অর্ধেক অস্দোদীয় ভাষায় কথা বলছে, ইহুদীদের ভাষায় কথা বলতে জানে না, কিন্তু নিজের নিজের জাতির ভাষানুসারে কথা বলে।
25
তাতে আমি তাদের সঙ্গে ঝগড়া করলাম, তাদেরকে তিরস্কার করলাম এবং তাদের কোন কোন ব্যক্তিকে প্রহার ও তাদের চুল উৎপাটন করলাম এবং আল্লাহ্র নামে তাদেরকে এই বলে কসম করালাম, তোমরা ওদের পুত্রদের সঙ্গে নিজ নিজ কন্যাদের বিয়ে দেবে না ও নিজ নিজ পুত্রদের জন্য কিংবা নিজেদের জন্য ওদের কন্যাদেরকে গ্রহণ করবে না।
26
ইসরাইলের বাদশাহ্ সোলায়মান এসব কাজ করে কি অপরাধী হন নি? কিন্তু অনেক জাতির মধ্যে তার মত কোন বাদশাহ্ ছিল না; আর তিনি তার আল্লাহ্র প্রিয় পাত্র ছিলেন এবং আল্লাহ্ তাঁকে সমস্ত ইসরাইলের উপরে বাদশাহ্ করেছিলেন; তবুও বিজাতীয় স্ত্রীরা তাঁকেও গুনাহ্ করিয়েছিল।
27
অতএব আমরা কি তোমাদের এই কথায় কান দেব যে, তোমরা বিজাতীয় কন্যাদেরকে বিয়ে করে আমাদের আল্লাহ্র বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গ করার জন্য এ সব মহাগুনাহ্ করবে?
28
ইলিয়াশীব মহা-ইমামের পুত্র যিহোয়াদার এক পুত্র হোরুনীয় সন্বল্লটের জামাতা ছিল, এজন্য আমি আমার কাছ থেকে তাকে তাড়িয়ে দিলাম।
29
হে আমার আল্লাহ্, তাদেরকে স্মরণ কর, কেননা তারা ইমামের পদ এবং ইমামের পদের ও লেবীয়দের নিয়ম কলঙ্কিত করেছে।
30
এভাবে আমি বিজাতীয় সকলের থেকে তাদেরকে পরিষ্কার করলাম এবং প্রত্যেকের কাজ অনুসারে ইমাম ও লেবীয়দের কর্তব্য স্থির করলাম;
31
আর নিরূপিত সময়ে কাঠ দানের জন্য ও অগ্রিমাংশগুলোর জন্য লোক নিযুক্ত করলাম। হে আমার আল্লাহ্, মঙ্গলার্থে আমাকে স্মরণ কর।
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13