bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BCV) (বাংলা সমকালীন সংস্করণ)
/
Jeremiah 2
Jeremiah 2
Bengali (BCV) (বাংলা সমকালীন সংস্করণ)
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 3 →
1
সদাপ্রভুর এই বাক্য আমার কাছে উপস্থিত হল,
2
“যাও এবং জেরুশালেমের কর্ণগোচরে গিয়ে এই কথা ঘোষণা করো: “সদাপ্রভু এই কথা বলেন: “ ‘আমার মনে পড়ে, তোমার যৌবনকালের ভক্তি, তখন কীভাবে বিবাহের কনেরূপে তুমি আমাকে ভালোবেসেছিলে, এবং প্রান্তরে আমার পশ্চাতে গিয়েছিলে, এমন দেশে যেখানে বীজবপন করা হয়নি।
3
ইস্রায়েল ছিল সদাপ্রভুর কাছে পবিত্র, তাঁর শস্যের অগ্রিমাংশ; যারা তার অনিষ্ট সাধন করেছিল তারা অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছিল, এবং তাদের উপরে নেমে এসেছিল বিপর্যয়,’ ” সদাপ্রভু এই কথা বলেন।
4
যাকোব কুলের লোকেরা, ইস্রায়েলের সমস্ত গোষ্ঠী, তোমরা সদাপ্রভুর কথা শোনো!
5
সদাপ্রভু এই কথা বলেন: “তোমাদের পূর্বপুরুষেরা আমার মধ্যে কী এমন অন্যায় খুঁজে পেয়েছিল, যে তারা আমার কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছিল? তারা অসার সব প্রতিমার অনুসারী হয়েছিল ফলে নিজেরাই অসার প্রতিপন্ন হয়েছিল।
6
তারা জিজ্ঞাসা করেনি, ‘কোথায় সেই সদাপ্রভু, যিনি মিশর দেশ থেকে আমাদের মুক্ত করে এনেছিলেন, এবং অনুর্বর প্রান্তরের মধ্য দিয়ে আমাদের চালিত করেছিলেন, সেই দেশ মরুভূমিতে ও গর্তে পূর্ণ, খরা ও গাঢ় অন্ধকারে সেই দেশ, যে দেশে কেউ যায় না এবং কেউ বাস করে না?’
7
আমি তোমাদের এক উর্বর দেশে নিয়ে এলাম, যাতে তোমরা তার ফল ও উৎকৃষ্ট সামগ্রী ভোজন করতে পারো। কিন্তু তোমরা সেখানে এসে আমার ভূমিকে কলুষিত করলে, এবং আমার অধিকারকে করে তুললে ঘৃণাস্পদ।
8
যাজকেরা জিজ্ঞাসা করে না, ‘সদাপ্রভু কোথায়?’ যারা আমার বিধান শিক্ষা দেয়, তারা আমাকে জানে না; শাসকেরা আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়েছে, ভাববাদীরা বায়াল-দেবতার নামে ভাববাণী বলেছে, তারা অসার দেবদেবীর অনুসারী হয়েছে।
9
“সুতরাং আমি তোমাদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করব,” সদাপ্রভু এই কথা বলেন। “এবং তোমাদের সন্তানদের ও তাদের সন্তানদের বিপক্ষেও অভিযোগ দায়ের করব,
10
তোমরা পার হয়ে সাইপ্রাসের উপকূলগুলিতে যাও এবং চেয়ে দেখো, কেদরে লোক পাঠাও এবং ভালো করে খোঁজখবর করো; দেখো তো সেখানে কোনোদিন এমন কিছু হয়েছে কি না:
11
কোনও দেশ কি তাদের দেবদেবীদের পরিবর্তন করেছে? (যদিও তারা আদৌ কোনও দেবতাই নয়।) কিন্তু আমার প্রজারা তাদের ঈশ্বরের গৌরব অসার সব প্রতিমার সঙ্গে পরিবর্তন করেছে।
12
হে আকাশমণ্ডল, এই ঘটনায় স্তম্ভিত হও এবং প্রচণ্ড আতঙ্কে শিহরিত হও,” সদাপ্রভু এই কথা বলেন।
13
“কারণ আমার প্রজারা দুটি পাপ করেছে: আমি যে জীবন্ত জলের উৎস, সেই আমাকে তারা পরিত্যাগ করেছে, আর নিজেদের জন্য খনন করেছে ভাঙা জলাধার, যা জল ধরে রাখতে পারে না!
14
ইস্রায়েল কি একজন দাস, সে কি জন্ম থেকেই একজন ক্রীতদাস? তাহলে কেন সে আজ লুন্ঠিত বস্তুতে পরিণত হয়েছে?
15
সিংহেরা গর্জন করেছে; তারা হুঙ্কার করেছে তার বিরুদ্ধে। তার দেশে তারা ধ্বংস করেছে; তার নগরগুলি হয়েছে ভস্মীভূত ও জনশূন্য।
16
এছাড়াও, মেম্ফিস ও তহপ্নেষ নগরের লোকেরা তোমার মাথা মুড়িয়েছে।
17
তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুকে পরিত্যাগ করার ফলে তোমরা নিজেরাই কি নিজেদের উপরে এইসব কিছু ডেকে আনোনি, যখন কি না তিনি অগ্রগামী হয়ে তোমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন?
18
এখন কেন মিশরে যাচ্ছ নীলনদের জলপান করার জন্য? এবং কেন আসিরিয়াতে যাচ্ছ ইউফ্রেটিস নদীর জলপান করার জন্য?
19
তোমাদের দুষ্টতাই তোমাদের শাস্তি দেবে; তোমাদের বিপথগামিতার জন্য তোমাদের তিরস্কার করবে। তখন দেখবে ও উপলব্ধি করবে যে, তোমাদের পক্ষে এটি কতখানি মন্দ ও তিক্ত বিষয় যখন তোমরা তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুকে পরিত্যাগ করো এবং আমার প্রতি তোমাদের সম্ভ্রম থাকে না,” প্রভু, বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা বলেন।
20
“বহুপূর্বে তোমরা তোমাদের জোয়াল ভেঙেছিলে এবং তোমাদের বন্ধন ছিঁড়ে ফেলেছিলে। তোমরা বলেছিলে, ‘আমরা তোমার সেবা করব না!’ বাস্তবিকই, প্রত্যেকটি উঁচু পাহাড়-চূড়ায় ও প্রত্যেকটি সবুজ গাছের তলায়, তোমরা বেশ্যাদের মতো মাটিতে প্রণত হয়েছ।
21
আমি তোমাকে উৎকৃষ্ট দ্রাক্ষালতারূপে রোপণ করেছিলাম, সর্বোত্তম প্রজাতি নির্বাচন করার মতো করে। তোমরা কীভাবে আমার বিরুদ্ধে এক বিকৃত, বন্য দ্রাক্ষালতা হয়ে বেড়ে উঠলে?
22
তুমি যতই পরিষ্কারক দিয়ে নিজেকে ধৌত করো এবং প্রচুর পরিমাণে সোডা ব্যবহার করো, তোমার অপরাধের কলঙ্ক এখনও আমার সামনে রয়েছে,” সার্বভৌম সদাপ্রভু এই কথা বলেন।
23
“কীভাবে তুমি বলো যে, ‘আমি অশুচি নই; আমি বায়াল-দেবতার পিছনে দৌড়াইনি’? উপত্যকায় যেসব আচরণ করেছ, সেগুলি মনে করো। তুমি এক চঞ্চল মাদি উট, যে যেখানে সেখানে দৌড়ে বেড়ায়,
24
যেন মরুভূমিতে চরে বেড়ানো এক বন্য গর্দভী, যে তার বাসনা পূরণের জন্য বাতাস শুঁকে বেড়ায়, তার তীব্র কামনাকে কে রোধ করতে পারে? যে গাধাগুলি তার খোঁজ করে, তাদের আর হন্যে হয়ে তাকে খুঁজে বেড়াতে হবে না, মিলনঋতুতে ওরা ঠিক ওই গর্দভীকে খুঁজে নেবে।
25
তোমার পা জুতো-বিহীন এবং গলা শুকনো না হওয়া পর্যন্ত দৌড়িয়ো না। কিন্তু তুমি বললে, ‘ওসব কথা বলে কোনো লাভ নেই! আমি বিজাতীয় দেবদেবীদের ভালোবাসি, এবং আমি অবশ্যই তাদের অনুগামী হব।’
26
“চোর ধরা পড়লে যেমন অপমানিত বোধ করে ঠিক তেমনি ইস্রায়েল জাতিও অপমানিত হবে, তারা, তাদের রাজারা, তাদের রাজকর্মচারিবৃন্দ, তাদের যাজকেরা ও তাদের ভাববাদীরা।
27
তারা কাঠের টুকরোকে বলে, ‘তুমি আমার বাবা,’ এবং পাথরের খণ্ডকে বলে, ‘তুমি আমার জন্মদাত্রী।’ তারা আমার দিকে তাদের মুখ নয়, তাদের পিঠ ফিরিয়েছে; কিন্তু সংকট-সমস্যার সময় তারা বলে, ‘তুমি এসে আমাদের বাঁচাও!’
28
তখন তোমাদের হাতে গড়া ওইসব দেবদেবী কোথায় থাকে? ওরা যদি তোমাদের রক্ষা করতে পারে, তবে তোমাদের সংকটকালে ওরা আসুক! কারণ হে যিহূদা, তোমার মধ্যে যতগুলি নগর আছে, তোমার দেবদেবীর সংখ্যাও ঠিক ততগুলি।
29
“তোমরা আমাকে দোষারোপ করছ? তোমরা সকলে আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছ,” সদাপ্রভু এই কথা বলেন।
30
“আমি বৃথাই তোমার প্রজাদের শাস্তি দিয়েছি; তারা আমার শাসনে কর্ণপাত করেনি। তোমাদের তরোয়াল তোমাদের ভাববাদীদের হত্যা করেছে যেভাবে বিনাশকারী সিংহ করে।
31
“হে বর্তমানকালের লোকসকল, তোমরা সদাপ্রভুর বাক্য বিবেচনা করো: “আমি কি ইস্রায়েলের কাছে মরুপ্রান্তর বা ভয়ংকর অন্ধকারময় এক দেশের মতো ছিলাম? তাহলে আমার প্রজারা কেন বলে, ‘আমরা এখন ইচ্ছামতো যত্রতত্র বিচরণ করব; তোমার কাছে আর আমরা আসব না’?
32
কোনো যুবতী কি তার অলংকারগুলিকে, কোনো কনে কি তার বিয়ের অলংকারকে ভুলে যেতে পারে? কিন্তু কত অসংখ্য বছর হয়ে গেল, আমার প্রজারা আমাকে ভুলে রয়েছে।
33
প্রেমের অনুসন্ধান করার জন্য, তুমি কত দক্ষতা অর্জন করেছ! এমনকি সবচেয়ে খারাপ মহিলাও তোমার পথ থেকে শিক্ষা নিতে পারে।
34
তোমার পোশাকে দেখা যাচ্ছে নির্দোষ দরিদ্রদের রক্তের দাগ, যদিও তোমার ঘরে তুমি তাদের সিঁধ কাটতে দেখনি। এত কিছু সত্ত্বেও
35
তুমি বলছ, ‘আমি নিরপরাধ; তিনি আমার উপরে রাগ করেননি।’ কিন্তু আমি তোমার বিরুদ্ধে দণ্ডাজ্ঞা ঘোষণা করব, কেননা তুমি বলেছ, ‘আমি কোনো পাপ করিনি।’
36
তুমি কেন এত দূরে দূরে চলে যাও, কেন বারবার তোমার পথ পরিবর্তন করো? কিন্তু তোমার মিশরীয় বন্ধুদের ব্যাপারে তোমার আশাভঙ্গ হবে, ঠিক যেভাবে আসিরিয়া তোমার আশাভঙ্গ করেছিল।
37
এছাড়া তোমাকে মাথার উপর দু-হাত তুলে সেই স্থান ছেড়ে চলে যেতে হবে কারণ যাদের উপর তুমি নির্ভর করেছিলে তাদের সদাপ্রভু অগ্রাহ্য করেছেন, তাদের কাছ থেকে কোনো সাহায্যই তুমি পাবে না।
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 3 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52