bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
James 2
James 2
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 3 →
1
বন্ধুগণ, আমাদের প্রভু মহিমান্বিত যীশু খ্রীষ্টের উপর তোমরা বিশ্বাস করেছ বলে তোমাদের আচরণ হোক পক্ষপাতশূন্য।
2
মনে কর, তোমাদের উপাসনা-সভায় একজন সোনার আঙটি ও জমকালো পোষাক পরে এসেছে এবং আর একজন গরীব ময়লা কাপড় পরে এসেছে।
3
তোমরা যদি দামী পোষাক পরা লোকটিকে বিশেষ সম্মান দেখিয়ে বল, আসুন, দয়া করে এখানে বসুন এবং সেই গরীব লোকটিকে বল, ওখানে দাঁড়াও, কিম্বা এখানে আমার পায়ের কাছে বস,
4
তাহলে কি তোমরা নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে অবিচার করছ না?
5
প্রিয় বন্ধুগণ, শোন, এ সংসারে যারা গরীব, ঈশ্বর কি তাদের মনোনীত করেননি? বিশ্বাসের ঐশ্বর্যে তারা ঐশরাজ্যের অধিকারী হবে। —যারা তাঁকে ভালবাসে তাদের তিনি এই অধিকার দিয়েছেন।
6
কিন্তু তোমরা সেই দরিদ্রের অবমাননা করেছ। ধনীরাই কি তোমাদের উৎপীড়ন করে না? তারাই কি তোমাদের আদালতে টেনে নিয়ে যায় না?
7
যাঁর বরেণ্য নামে তোমরা দীক্ষিত হয়েছ তারা কি তোমাদের আদালতে টেনে নিয়ে যায় না?
8
যাঁর বরেণ্য নামে তোমরা দীক্ষিত হয়েছ তারা কি তাঁরই কুৎসা করে না?
9
‘প্রতিবেশীকে নিজের মত ভালবেস’, শাস্ত্রের এই শ্রেষ্ঠ বিধান যদি তোমরা যথার্থই পালন করে থাক তাহলে ভালই। 9 কিন্তু যদি তোমরা পক্ষপাতিত্ব করে থাক তাহলে পাপ করেছ এবং বিধান অনুযায়ী তোমরা দোষী।
10
কারণ যে ব্যক্তি সমস্ত বিধান পালন করেও কেবলমাত্র একটি পালনে ব্যর্থ হয় তাহলে সে সমগ্র বিশ্বাস লঙ্ঘনের দায়ে দোষী।
11
কারণ ‘ব্যভিচার করো না’ —এই নির্দেশ যিনি দিয়েছেন, তিনিই আবার আদেশ দিয়েছেন, ‘নরহত্যা করো না’। তুমি যদি ব্যভিচার না করে নরহত্যা কর তাহলেও তোমার বিধান অমান্য করা হবে।
12
যে বিধান মুক্তি আনে সেই জীবনের বিধান অনুযায়ী তোমাদের বিচার হবে, এই কথা মনে রেখে তোমরা কথা বলো ও কাজ করো,
13
কারণ যে দয়া করেনি, বিচারে সে দয়া পাবে না। বিচারকালে দয়াধর্ম অগ্রাধিকার পাবে।
14
বন্ধুগণ, কেউ যদি বলে যে তার বিশ্বাস আছে, কিন্তু তার কর্মে যদি তা প্রকাশ না পায় তাহলে কি লাভ? সেই বিশ্বাস কি তাকে উদ্ধার করতে পারে?
15
কোন ভ্রাতা কি ভগ্নীর যদি অন্নবস্ত্রের সংস্থান না হয়
16
এবং তোমাদের মধ্যে যদি কেউ তাদের বলে, ‘তোমরা কুশলে থাক, তোমাদের অন্নবস্ত্রের অভাব না হোক’ —কিন্তু তাদের অভাব মিটানোর জন্য কিছুই না করে তবে তাতে কি লাভ?
17
বিশ্বাস যদি কর্মে রূপায়িত না হয় তবে তা নিরর্থক।
18
কেউ হয়তো বলবে, তোমার বিশ্বাস আছে, আর আমার আছে কর্ম। বেশ, তাহলে আমি বলব, কর্ম ছাড়া তোমার বিশ্বাসের প্রমাণ আমাকে দাও, আর আমি কর্মের মধ্য দিয়ে আমার বিশ্বাসের প্রমাণ তোমাকে দেব।
19
তুমি কি বিশ্বাস কর ঈশ্বর এক, তাহলে ভালই কর। ভূতেরাও একথা বিশ্বাস করে এবং ভয়ে কাঁপে।
20
ওরে নির্বোধ, কর্মবিহীন বিশ্বাস যে নিষ্ফল তার প্রমাণ কি তুমি চাও?
21
আমাদের পিতৃপুরুষ অব্রাহাম তাঁর পুত্র ইসহাককে বেদীর উপরে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর সেই কাজের দ্বারাই কি তিনি ধার্মিক বলে গণ্য হননি?
22
সুতরাং দেখতে পাচ্ছ, তাঁর বিশ্বাস তাঁর কর্মের মধ্যেই সক্রিয় ছিল এবং কর্মের মধ্যে দিয়েই তাঁর বিশ্বাস পূর্ণতা লাভ করেছিল।
23
শাস্ত্রের এই বাণী পূর্ণ হল, ‘অব্রাহাম ঈশ্বরকে বিশ্বাস করলেন এবং তা-ই তাঁর দার্মিকতা বলে গণ্য হল এবং ‘ঈশ্বরের বন্ধু’ বলেল তিনি খ্যাত হলেন।’
24
সুতরাং বুঝতে পারছ যে কর্মের দ্বারাই মানুষ ধার্মিক বলে গণ্য হয়, শুধু বিশ্বাসের দ্বারা নয়।
25
একইভাবে বারাঙ্গনা রাহাবও কি তার কর্মের দ্বারাই ধার্মিক বলে গণ্য হয়নি? সে গুপ্তচরদের আশ্রয় দিয়েছিল এবং অন্য পথ দিয়ে তাদের বার হয়ে যেতে সাহায্য করেছিল।
26
আত্মাবিহীন* দেহ যেমন মৃত, কর্মবিহীন বিশ্বাসও তেমনি মৃত।
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 3 →
All chapters:
1
2
3
4
5