bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Luke 17
Luke 17
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 18 →
1
ঈসা তাঁর সাহাবীদের বললেন, “গুনাহের পথে নিয়ে যাবার জন্য উসকানি আসবেই আসবে, কিন্তু ঘৃণ্য সেই লোক, যার মধ্য দিয়ে সেই উসকানি আসে!
2
এই ছোটদের মধ্যে একজনকে যদি কেউ গুনাহের পথে নিয়ে যায়, তবে তার গলায় বড় পাথর বেঁধে তাকে সাগরে ফেলে দেওয়া বরং তার পক্ষে ভাল।
3
“তোমরা সাবধান হও। যদি তোমার ভাই তোমার বিরুদ্ধে অন্যায় করে তাকে বকুনি দাও। যদি সে সেই অন্যায় থেকে মন ফিরায় তবে তাকে মাফ কর।
4
যদি দিনের মধ্যে সাতবার তোমার বিরুদ্ধে সে অন্যায় করে এবং সাতবারই এসে বলে, ‘আমি এই অন্যায় থেকে মন ফিরিয়েছি,’ তাহলে তাকে মাফ করতে হবে।”
5
সেই বারোজন সাহাবী হযরত ঈসাকে বললেন, “আমাদের বিশ্বাস বাড়িয়ে দিন।”
6
ঈসা বললেন, “একটা সরিষা-দানার মতও যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে তবে তোমরা এই তুঁত গাছটাকে বলতে পারবে, ‘শিকড়সুদ্ধ উঠে গিয়ে নিজেকে সাগরে পুঁতে রাখ’; তাতে সেই গাছটি তোমাদের কথা শুনবে।
7
“মনে কর, তোমাদের একজনের গোলাম হাল বাইছে বা ভেড়া চরাচ্ছে। যখন সেই গোলাম মাঠ থেকে আসবে তখন কি তার মালিক তাকে বলবেন, ‘তাড়াতাড়ি গিয়ে খেতে বস’?
8
না, তা বলবেন না, বরং বলবেন, ‘আমার খাওয়ার আয়োজন কর, আর আমি যতক্ষণ খাওয়া-দাওয়া করি ততক্ষণ কোমরে কাপড় জড়িয়ে আমার সেবা-যত্ন কর। তারপর তুমি খাওয়া-দাওয়া করবে।’
9
সেই গোলাম তাঁর হুকুম মত কাজ করেছে বলে কি তিনি তাকে শুকরিয়া জানাবেন?
10
সেইভাবে আল্লাহ্র হুকুম মত সমস্ত কাজ করবার পরে তোমরা বোলো, ‘আমরা অপদার্থ গোলাম; যা করা উচিত আমরা কেবল তা-ই করেছি।’ ”
11
জেরুজালেমে যাবার পথে ঈসা সামেরিয়া ও গালীলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন একটা গ্রামে ঢুকবার সময় তিনি দশজন চর্মরোগীকে দেখতে পেলেন। তারা দূরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলল, “ঈসা, হুজুর, আমাদের দয়া করুন।”
14
সেই রোগীদের দেখে ঈসা বললেন, “ইমামদের কাছে গিয়ে নিজেদের দেখাও।” তারা পথে যেতে যেতেই সুস্থ হয়ে গেল।
15
তাদের মধ্যে একজন যখন দেখল সে ভাল হয়ে গেছে তখন সে চিৎকার করে আল্লাহ্র প্রশংসা করতে করতে ফিরে আসল এবং ঈসার পায়ের কাছে উবুড় হয়ে পড়ে তাঁকে শুকরিয়া জানাল। সে ছিল সামেরিয়া প্রদেশের লোক।
17
তখন ঈসা বললেন, “দশজনকে কি সুস্থ করা হয় নি? তবে বাকী ন’জন কোথায়?
18
আল্লাহ্র প্রশংসা করবার জন্য এই বিদেশী লোকটি ছাড়া আর কেউ কি ফিরে আসল না?”
19
তারপর ঈসা লোকটিকে বললেন, “উঠে চলে যাও। বিশ্বাস করেছ বলে তুমি ভাল হয়েছ।”
20
কয়েকজন ফরীশী ঈসাকে জিজ্ঞাসা করলেন কবে আল্লাহ্র রাজ্য আসবে। জবাবে ঈসা বললেন, “আল্লাহ্র রাজ্য আসবার সময় কোন চিহ্ন দেখা যায় না।
21
কেউই বলবে না, “দেখ, আল্লাহ্র রাজ্য এখানে,’ বা ‘দেখ, আল্লাহ্র রাজ্য ওখানে,’ কারণ আপনাদের মধ্যেই তো আল্লাহ্র রাজ্য আছে।”
22
এর পরে তিনি তাঁর সাহাবীদের বললেন, “এমন দিন আসছে যখন তোমরা চাইবে যেন ইব্ন্তেআদমের সময়কার একটা দিন তোমরা দেখতে পাও, কিন্তু তা দেখতে পাবে না।
23
লোকে তোমাদের বলবে, ‘ওখানে দেখ,’ বা ‘এখানে দেখ।’ বাইরে যেয়ো না বা তাদের পিছনে দৌড়িও না।
24
বিদ্যুৎ চমকালে যেমন আকাশের একদিক থেকে অন্যদিক পর্যন্ত আলো হয়ে যায়, ইব্ন্তেআদমের আসা সেইভাবে হবে।
25
কিন্তু প্রথমে তাঁকে অনেক দুঃখ-কষ্ট ভোগ করতে হবে। তা ছাড়া এই কালের লোকেরা তাঁকে অগ্রাহ্য করবে।
26
“নূহের সময়ে যেমন হয়েছিল ইব্ন্তেআদমের সময়েও তেমনি হবে।
27
যে পর্যন্ত না নূহ্ জাহাজে উঠলেন এবং বন্যা এসে লোকদের সবাইকে ধ্বংস করল সেই পর্যন্ত লোকেরা খাওয়া-দাওয়া করছিল, বিয়ে করছিল ও বিয়ে দিচ্ছিল।
28
আবার লুতের সময়ে যেমন হয়েছিল তেমনি হবে। সেই সময়ে লোকে খাওয়া-দাওয়া, বেচা-কেনা, চাষ-বাস এবং ঘর-বাড়ী তৈরী করছিল।
29
কিন্তু যেদিন লুত সাদুম ছেড়ে আসলেন সেই দিন আসমান থেকে আগুন ও গন্ধকের বৃষ্টি পড়ে লোকদের সবাইকে ধ্বংস করল।
30
যেদিন ইব্ন্তেআদম প্রকাশিত হবেন সেই দিন এই রকমই হবে।
31
“সেই দিন ছাদের উপরে যে থাকবে সে ঘর থেকে জিনিসপত্র নেবার জন্য নীচে না নামুক। তেমনি করে ক্ষেতের মধ্যে যে থাকবে সে ফিরে না আসুক।
32
লুতের স্ত্রীর কথা মনে করে দেখ।
33
যে কেউ তার জীবন রক্ষা করতে চেষ্টা করে সে তার সত্যিকারের জীবন হারাবে, আর যে কেউ তার প্রাণ হারায় সে তার সত্যিকারের জীবন রক্ষা করবে।
34
আমি তোমাদের বলছি, সেই রাতে এক বিছানায় দু’জন থাকবে; একজনকে নেওয়া হবে আর অন্যজনকে ফেলে যাওয়া হবে।
35
তখন দু’জন স্ত্রীলোক একসংগে জাঁতা ঘুরাবে; একজনকে নেওয়া হবে আর অন্যজনকে ফেলে যাওয়া হবে।”
37
সাহাবীরা বললেন, “হুজুর, কোথায়?” জবাবে ঈসা বললেন, “লাশ যেখানে থাকে সেখানেই তো শকুন এসে জড়ো হয়।”
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 18 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24