bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Luke 21
Luke 21
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 22 →
1
এর পরে ঈসা চেয়ে দেখলেন, ধনী লোকেরা বায়তুল-মোকাদ্দসের দানের বাক্সে তাদের দান রাখছে।
2
তিনি দেখলেন, একজন গরীব বিধবা এসে দু’টা পয়সা রাখল।
3
তখন ঈসা তাঁর সাহাবীদের বললেন, “আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, এই গরীব বিধবা অন্য সকলের চেয়ে অনেক বেশী রাখল,
4
কারণ অন্যেরা সবাই তাদের প্রচুর ধন থেকে দান করেছে, কিন্তু এই স্ত্রীলোকটির অভাব থাকলেও বেঁচে থাকবার জন্য তার যা ছিল সমস্তই দিয়ে দিল।”
5
সাহাবীদের মধ্যে কয়েকজন বায়তুল-মোকাদ্দসের বিষয়ে আলোচনা করছিলেন। তাঁরা বলছিলেন, সুন্দর সুন্দর পাথর ও দানের জিনিস দিয়ে দালানটা কেমন সাজানো হয়েছে। তখন ঈসা বললেন,
6
“তোমরা তো এই সব দেখছ, কিন্তু এমন দিন আসবে যখন এর একটা পাথরের উপরে আর একটা পাথর থাকবে না; সমস্তই ভেংগে ফেলা হবে।”
7
সাহাবীরা ঈসাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হুজুর, কখন এই সব হবে এবং কোন্ চিহ্ন দেখে আমরা বুঝতে পারব যে, এই সব ঘটবার সময় এসেছে?”
8
জবাবে ঈসা বললেন, “দেখো, কেউ যেন তোমাদের না ঠকায়, কারণ অনেকে আমার নাম নিয়ে এসে বলবে, ‘আমিই মসীহ্’ এবং ‘সময় কাছে এসেছে।’ তাদের পিছনে যেয়ো না।
9
তোমরা যখন যুদ্ধের ও বিদ্রোহের খবর শুনবে তখন ভয় পেয়ো না, কারণ প্রথমে এই সব হবেই; কিন্তু তখনই যে শেষ সময় আসবে তা নয়।”
10
তারপর ঈসা তাঁদের বললেন, “এক জাতি আর এক জাতির বিরুদ্ধে এবং এক রাজ্য অন্য রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।
11
ভীষণ ভূমিকমপ হবে এবং ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় দুর্ভিক্ষ ও মহামারী হবে। এছাড়া আসমানে এমন সব ঘটনা ঘটবে ও চিহ্ন দেখা যাবে যা ভীষণ ও ভয়ংকর।
12
“এই সব হবার আগে লোকেরা তোমাদের ধরবে এবং তোমাদের উপর জুলুম করবে। বিচারের জন্য তারা তোমাদের মজলিস-খানায় নিয়ে যাবে এবং জেলে দেবে। আমার জন্য বাদশাহ্দের ও শাসনকর্তাদের সামনে তোমাদের নেওয়া হবে,
13
আর তাতে আমার সম্বন্ধে সাক্ষ্য দেবার জন্য তোমাদের সুযোগ হবে।
14
তোমরা এখনই মনে মনে ঠিক করে ফেল, তখন নিজের পক্ষে কথা বলবার জন্য তোমরা আগে থেকে তৈরী হবে না,
15
কারণ আমি তোমাদের এমন কথা ও এমন জ্ঞান যুগিয়ে দেব যার জবাবে তোমাদের শত্রুরা কিছু বলতেও পারবে না এবং তা অস্বীকারও করতে পারবে না।
16
তোমাদের মা-বাবা, ভাই-বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনেরা তোমাদের ধরিয়ে দেবে। তারা তোমাদের কাউকে কাউকে হত্যাও করবে।
17
আমার জন্য সবাই তোমাদের ঘৃণা করবে,
18
কিন্তু কোনমতেই তোমাদের একটা চুলও ধ্বংস হবে না।
19
তোমরা স্থির থাকলে তোমাদের সত্যিকারের জীবন পূর্ণতা লাভ করবে।
20
“যখন তোমরা দেখবে জেরুজালেমকে সৈন্যেরা ঘেরাও করেছে তখন বুঝবে যে, জেরুজালেমের ধ্বংস হবার সময় কাছে এসেছে।
21
সেই সময় যারা এহুদিয়াতে থাকবে তারা পাহাড়ী এলাকায় পালিয়ে যাক। যারা শহরের মধ্যে থাকবে তারা শহরের বাইরে চলে যাক। যারা গ্রামের দিকে থাকবে তারা কোনমতেই শহরে না আসুক,
22
কারণ এই দিনগুলো হবে গজবের দিন, আর এতে পাক-কিতাবে যা লেখা আছে তা পূর্ণ হবে।
23
তখন যারা গর্ভবতী আর যারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ায় তাদের অবস্থা কি ভীষণই না হবে! দেশে ভীষণ কষ্ট উপস্থিত হবে এবং ইহুদী লোকদের উপরে আল্লাহ্র গজব নেমে আসবে।
24
তলোয়ার দিয়ে তাদের হত্যা করা হবে এবং সমস্ত জাতির মধ্যে তারা বন্দী হিসাবে ছড়িয়ে থাকবে। যতদিন না অ-ইহুদীদের সময় পূর্ণ হয় ততদিন পর্যন্ত অ-ইহুদীরা জেরুজালেমকে তাদের পায়ের নীচে মাড়াতে থাকবে।
25
“তখন সূর্য, চাঁদ ও তারাগুলোর মধ্যে অনেক চিহ্ন দেখা যাবে। দুনিয়াতে সমস্ত জাতি কষ্ট পাবে এবং সমুদ্রের গর্জন ও ঢেউয়ের জন্য তারা ভীষণ অস্থির হয়ে উঠবে।
26
দুনিয়াতে কি আসছে ভেবে ভয়ে লোকে অজ্ঞান হয়ে পড়বে, কারণ চাঁদ-সূর্য-তারা ইত্যাদি আর স্থির থাকবে না।
27
সেই সময় মহাশক্তি ও মহিমার সংগে ইব্ন্তেআদমকে তারা মেঘের মধ্যে আসতে দেখবে।
28
এই সব ঘটনা ঘটতে শুরু করলে পর তোমরা উঠে দাঁড়ায়ো এবং মুখ তুলো, কারণ তোমাদের মুক্তির সময় কাছে এসেছে।”
29
এর পরে ঈসা তাঁর সাহাবীদের শিক্ষা দেবার জন্য এই কথা বললেন, “ডুমুর গাছ ও অন্যান্য গাছগুলোকে লক্ষ্য কর।
30
পাতা বের হতে দেখলে পর তোমরা বুঝতে পার যে, গরমকাল কাছে এসেছে।
31
সেইভাবে যখন তোমরা এই সব ঘটতে দেখবে তখন বুঝতে পারবে যে, আল্লাহ্র রাজ্য কাছে এসে গেছে।
32
আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, যখন এই সব হবে তখনও এই কালের কিছু লোক বেঁচে থাকবে।
33
আসমান ও জমীনের শেষ হবে, কিন্তু আমার কথা চিরদিন থাকবে।
34
“তোমরা সাবধান থেকো যেন তোমাদের দিল উ"ছৃংখলতায়, মাতলামিতে ও সংসারের চিন্তার ভারে নুয়ে না পড়ে। তা না হলে ফাঁদ যেমন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় তেমনি হঠাৎ সেই দিনটা তোমাদের উপরে, এমন কি, দুনিয়ার সব লোকের উপরে এসে পড়বে।
36
সজাগ থেকো এবং সব সময় মুনাজাত কোরো যেন যা কিছু ঘটবে তা পার হয়ে যেতে এবং ইব্ন্তেআদমের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে তোমরা শক্তি পাও।”
37
সেই সময় ঈসা প্রত্যেক দিনই বায়তুল-মোকাদ্দসে শিক্ষা দিতেন, কিন্তু রাতের বেলা বাইরে গিয়ে জৈতুন পাহাড়ে থাকতেন।
38
সমস্ত লোক তাঁর কথা শুনবার জন্য খুব সকালেই বায়তুল-মোকাদ্দসে উপস্থিত হত।
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 22 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24