bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Matthew 16
Matthew 16
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 17 →
1
পরে কয়েকজন ফরীশী ও সদ্দূকী ঈসাকে পরীক্ষা করবার জন্য তাঁর কাছে আসলেন এবং বেহেশত থেকে কোন চিহ্ন দেখাতে বললেন।
2
ঈসা জবাবে তাঁদের বললেন, “সন্ধ্যা হলে আপনারা বলে থাকেন, ‘দিনটা পরিষ্কার হবে কারণ আকাশ লাল হয়েছে।’
3
আর সকালবেলায় বলেন, ‘আজ ঝড় হবে কারণ আকাশ লাল ও অন্ধকার হয়েছে।’ আকাশের অবস্থা আপনারা ঠিক ভাবেই বিচার করতে জানেন, অথচ সময়ের চিহ্ন বুঝতে পারেন না।
4
এই কালের দুষ্ট ও বেঈমান লোকেরা চিহ্নের খোঁজ করে, কিন্তু ইউনুস নবীর চিহ্ন ছাড়া আর কোন চিহ্নই তাদের দেখানো হবে না।” এর পরে ঈসা তাঁদের ছেড়ে চলে গেলেন।
5
সাগরের অন্য পারে যাবার সময় সাহাবীরা রুটি নিতে ভুলে গেলেন।
6
ঈসা তাঁদের বললেন, “তোমরা সতর্ক থাক, ফরীশী ও সদ্দূকীদের খামি থেকে সাবধান হও।”
7
এতে সাহাবীরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলেন, “আমরা রুটি আনি নি বলে উনি এই কথা বলছেন।”
8
এই কথা বুঝতে পেরে ঈসা বললেন, “অল্প বিশ্বাসীরা, তোমরা নিজেদের মধ্যে কেন বলাবলি করছ যে, তোমাদের রুটি নেই?
9
তোমরা কি এখনও বোঝ না বা মনেও কি পড়ে না, সেই পাঁচ হাজার লোকের জন্য পাঁচখানা রুটির কথা, আর তার পরে কত টুকরি তোমরা তুলে নিয়েছিলে?
10
কিংবা সেই চার হাজার লোকের জন্য সাতখানা রুটির কথা, আর কত টুকরি তোমরা তুলে নিয়েছিলে?
11
আমি যে তোমাদের কাছে রুটির কথা বলি নি তা তোমরা কেন বোঝ না? ফরীশী ও সদ্দূকীদের খামি থেকে তোমরা সাবধান হও।”
12
তখন সাহাবীরা বুঝতে পারলেন যে, তিনি রুটির খামি থেকে তাঁদের সাবধান হতে বলেন নি, কিন্তু ফরীশী ও সদ্দূকীদের শিক্ষা থেকে সাবধান হতে বলেছেন।
13
পরে ঈসা যখন সিজারিয়া-ফিলিপি এলাকায় গেলেন তখন সাহাবীদের জিজ্ঞাসা করলেন, “ইব্ন্তেআদম কে, এই বিষয়ে লোকে কি বলে?”
14
তাঁরা বললেন, “কেউ কেউ বলে আপনি তরিকাবন্দীদাতা ইয়াহিয়া; কেউ কেউ বলে ইলিয়াস নবী; আবার কেউ কেউ বলে ইয়ারমিয়া নবী বা নবীদের মধ্যে একজন।”
15
তখন তিনি তাঁদের বললেন, “কিন্তু তোমরা কি বল, আমি কে?”
16
শিমোন্তপিতর বললেন, “আপনি সেই মসীহ্, জীবন্ত আল্লাহ্র পুত্র।”
17
জবাবে ঈসা তাঁকে বললেন, “শিমোন ইব্নে ইউনুস, ধন্য তুমি, কারণ কোন মানুষ তোমার কাছে এটা প্রকাশ করে নি; আমার বেহেশতী পিতাই প্রকাশ করেছেন।
18
আমি তোমাকে বলছি, তুমি পিতর, আর এই পাথরের উপরেই আমি আমার জামাত গড়ে তুলব। দোজখের কোন শক্তিই তার উপর জয়লাভ করতে পারবে না।
19
আমি তোমাকে বেহেশতী রাজ্যের চাবিগুলো দেব, আর তুমি এই দুনিয়াতে যা বাঁধবে তা বেহেশতেও বেঁধে রাখা হবে এবং যা খুলবে তা বেহেশতেও খুলে দেওয়া হবে।”
20
এর পরে তিনি তাঁর সাহাবীদের সাবধান করে দিলেন যেন তাঁরা কাউকে না বলেন যে, তিনিই মসীহ্।
21
সেই সময় থেকে ঈসা তাঁর সাহাবীদের জানাতে লাগলেন যে, তাঁকে জেরুজালেমে যেতে হবে এবং বৃদ্ধ নেতাদের, প্রধান ইমামদের ও আলেমদের হাতে অনেক দুঃখভোগ করতে হবে। পরে তাঁকে হত্যা করা হবে এবং তৃতীয় দিনে মৃত্যু থেকে জীবিত হয়ে উঠতে হবে।
22
তখন পিতর তাঁকে একপাশে নিয়ে গিয়ে অনুযোগ করে বললেন, “হুজুর, এ দূর হোক। আপনার উপর কখনও এমন হবে না।”
23
ঈসা ফিরে পিতরকে বললেন, “আমার কাছ থেকে দূর হও, শয়তান। তুমি আমার পথের বাধা। যা আল্লাহ্র তা তুমি ভাবছ না কিন্তু যা মানুষের তা-ই ভাবছ।”
24
এর পরে ঈসা তাঁর সাহাবীদের বললেন, “যদি কেউ আমার পথে আসতে চায় তবে সে নিজের ইচ্ছামত না চলুক; নিজের ক্রুশ বয়ে নিয়ে সে আমার পিছনে আসুক।
25
যে কেউ তাঁর নিজের জন্য বেঁচে থাকতে চায় সে তার সত্যিকারের জীবন হারাবে; কিন্তু যে কেউ আমার জন্য তার প্রাণ হারায় সে তার সত্যিকারের জীবন রক্ষা করবে।
26
যদি কেউ সমস্ত দুনিয়া লাভ করে তার বিনিময়ে তার সত্যিকারের জীবন হারায় তবে তার কি লাভ হল? সত্যিকারের জীবন ফিরে পাবার জন্য তার দেবার মত কি আছে?
27
ইব্ন্তেআদম তাঁর ফেরেশতাদের সংগে নিয়ে তাঁর পিতার মহিমায় আসছেন। তখন তিনি প্রত্যেক লোককে তার কাজ অনুসারে ফল দেবেন।
28
আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, এখানে এমন কয়েকজন আছে যাদের কাছে ইব্ন্তেআদম বাদশাহ্ হিসাবে দেখা না দেওয়া পর্যন্ত তারা কোনমতেই মারা যাবে না।”
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 17 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28