bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Genesis 18
Genesis 18
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 19 →
1
অব্রাহাম যখন মম্রির এলোন বনের কাছে বাস করছিলেন তখন সদাপ্রভু একদিন তাঁকে দেখা দিয়েছিলেন। অব্রাহাম সেই দিন দুপুরের রোদে তাঁর তাম্বুর দরজায় বসে ছিলেন।
2
এমন সময় তিনি চোখ তুলে দেখলেন, তাঁর সামনে কিছুটা দূরে তিনজন লোক দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁদের দেখামাত্র তিনি তাম্বুর দরজার কাছ থেকে দৌড়ে গিয়ে মাটিতে উবুড় হয়ে তাঁদের প্রণাম করে বললেন, “দেখুন, যদি অসুবিধা না হয় তবে দয়া করে আপনার এই দাসকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবেন না।
4
আমি একটু জল আনিয়ে দিচ্ছি, আপনারা পা ধুয়ে নিন। তারপর আপনারা এই গাছের তলায় একটুক্ষণ বিশ্রাম করুন।
5
আপনাদের এই দাসের এখানে যখন এসেছেন তখন আমি কিছু খাবার নিয়ে আসি, তাতে সতেজ হয়ে আপনারা আবার যাত্রা করতে পারবেন।” উত্তরে তাঁরা বললেন, “বেশ ভাল, আপনি যা বললেন তা-ই করুন।”
6
অব্রাহাম তখনই তাম্বুর ভিতরে গিয়ে সারাকে বললেন, “তাড়াতাড়ি করে আঠারো কেজি ভাল ময়দা নিয়ে মেখে কিছু রুটি তৈরী করে দাও।”
7
অব্রাহাম তারপর দৌড়ে গিয়ে গরুর পাল থেকে ভাল দেখে একটা কচি বাছুর নিয়ে তাঁর দাসকে দিলেন। সেই দাসও তাড়াতাড়ি সেটা রান্না করতে নিয়ে গেল।
8
পরে অব্রাহাম দই, টাট্কা দুধ এবং রান্না করা মাংস নিয়ে তাঁদের পরিবেশন করলেন। তাঁরা যখন খাচ্ছিলেন তখন অব্রাহাম তাঁদের পাশে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।
9
তাঁরা অব্রাহামকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনার স্ত্রী সারা কোথায়?” তিনি বললেন, “তাম্বুর ভিতরে আছেন।”
10
তখন তাঁদের মধ্যে একজন বললেন, “সামনের বছর এই সময়ে আমি নিশ্চয়ই আপনার কাছে আবার আসব। তখন আপনার স্ত্রী সারার কোলে একটি ছেলে থাকবে।” সারা অব্রাহামের পিছনে তাম্বুর দরজার কাছ থেকে সব কথা শুনছিলেন।
11
তখন অব্রাহাম আর সারার অনেক বয়স হয়ে গিয়েছিল এবং সারার ছেলেমেয়ে হবার বয়স আর ছিল না।
12
তাই সারা মনে মনে হেসে বললেন, “আমার স্বামী এখন বুড়ো হয়ে গেছেন আর আমিও ক্ষয় হয়ে এসেছি; সহবাসের আনন্দ কি আবার আমার কাছে ফিরে আসবে?”
13
তখন সদাপ্রভু অব্রাহামকে বললেন, “সারা কেন এই কথা বলে হাসল যে, এই বুড়ো বয়সে সত্যিই কি তার সন্তান হবে?
14
সদাপ্রভুর কাছে অসম্ভব বলে কি কিছু আছে? সামনের বছর ঠিক এই সময়ে আমি আবার তোমার কাছে ফিরে আসব আর তখন সারার কোলে একটি ছেলে থাকবে।”
15
সারা তখন ভয় পেয়ে হাসবার কথা অস্বীকার করে বললেন, “না, আমি তো হাসি নি।” কিন্তু সদাপ্রভু বললেন, “তা সত্যি নয়; তুমি হেসেছ বৈকি!”
16
এর পরে সেই তিনজন সেখান থেকে উঠলেন এবং নীচে সদোমের দিকে চেয়ে দেখলেন। অব্রাহাম তাঁদের এগিয়ে দেবার জন্য তাঁদের সংগে কিছু দূর গেলেন।
17
পরে সদাপ্রভু বললেন, “আমি যা করতে যাচ্ছি তা কি অব্রাহামের কাছ থেকে লুকাব?
18
অব্রাহাম আর তার বংশের লোকদের মধ্য থেকেই তো একটা মহান শক্তিশালী জাতির সৃষ্টি হবে এবং তারই মধ্য দিয়ে পৃথিবীর সমস্ত জাতি আশীর্বাদ পাবে।
19
আমি সদাপ্রভু এই উদ্দেশ্যেই তাকে বেছে নিয়েছি যেন সে তার সন্তান আর বাড়ীর অন্য সবাইকে সৎ এবং ন্যায় কাজ করে আমার ইচ্ছা মেনে চলবার উপদেশ দেয়। যদি তারা অব্রাহামের কথা শুনে সেইভাবে চলে, তবে আমি সদাপ্রভু অব্রাহাম সম্বন্ধে যা বলেছি তা সবই করব।”
20
তারপর সদাপ্রভু বললেন, “সদোম ও ঘমোরার বিরুদ্ধে ভীষণ হৈ চৈ চলছে, আর তাদের পাপও জঘন্য রকমের।
21
সেইজন্য আমি এখন নীচে গিয়ে দেখতে চাই যে, তারা যা করেছে বলে আমি শুনছি তা সত্যিই অতটা মন্দ কি না। আর যদি তা না হয় তাও আমি জানতে পারব।”
22
তখন অন্য দু’জন ঘুরে সদোমের দিকে চলতে লাগলেন আর অব্রাহাম সদাপ্রভুর সামনে দাঁড়িয়ে রইলেন।
23
পরে অব্রাহাম সদাপ্রভুর দিকে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে বললেন, “কিন্তু আপনি কি খারাপ লোকদের সংগে সৎ লোকদেরও মুছে ফেলবেন?
24
শহরের মধ্যে যদি পঞ্চাশজন সৎ লোক থাকে তবে সেই পঞ্চাশজনের দরুন গোটা শহরটাকে রেহাই না দিয়ে কি সত্যিই আপনি তা ধ্বংস করে ফেলবেন?
25
এটা আপনার পক্ষে অসম্ভব। সৎ আর খারাপের প্রতি একই রকম ব্যবহার করে তাদের একসংগে মেরে ফেলা যে আপনার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। সমস্ত দুনিয়ার যিনি বিচারকর্তা তিনি কি ন্যায়বিচার না করে পারেন?”
26
তখন সদাপ্রভু বললেন, “যদি সদোম শহরে পঞ্চাশজনও সৎ লোক পাওয়া যায়, তবে তাদের দরুন গোটা শহরটাকেই আমি রেহাই দেব।”
27
অব্রাহাম বললেন, “দেখুন, আমি ধুলা ও ছাই ছাড়া আর কিছুই নই, তবুও আমি সাহস করে আমার প্রভুর সংগে কথা বলছি।
28
ধরুন, যদি পঞ্চাশজন সৎ লোক না হয়ে পাঁচজন কম হয় তাহলে কি সেই পাঁচজন কম হওয়ার জন্য আপনি গোটা শহরটা ধ্বংস করে ফেলবেন?” তিনি বললেন, “আমি যদি সেখানে পঁয়তাল্লিশজনকেও পাই তবে আমি তা ধ্বংস করব না।”
29
অব্রাহাম তাঁকে আবার বললেন, “ধরুন, যদি সেখানে মাত্র চল্লিশজন সৎ লোক পাওয়া যায়?” তিনি বললেন, “সেই চল্লিশজনের জন্যই আমি তা ধ্বংস করব না।”
30
অব্রাহাম বললেন, “আমার প্রভু যেন আমার কথায় অসন্তুষ্ট না হন। আচ্ছা, যদি সেখানে ত্রিশজনকে পাওয়া যায়?” তিনি বললেন, “যদি আমি ত্রিশজনকেও সেখানে পাই তবে আমি তা ধ্বংস করব না।”
31
অব্রাহাম বললেন, “আমি যখন সাহস করে প্রভুর সংগে কথা বলছি তখন আরও বলছি, যদি সেখানে বিশজনকে পাওয়া যায়?” তিনি বললেন, “সেই বিশজনের জন্যই আমি তা ধ্বংস করব না।”
32
তখন অব্রাহাম বললেন, “আমার প্রভু যেন অসন্তুষ্ট না হন, আমি আর একবার মাত্র বলছি, যদি সেখানে দশজনকে পাওয়া যায়?” তিনি বললেন, “সেই দশজনের জন্যই আমি তা ধ্বংস করব না।”
33
অব্রাহামের সংগে কথা বলা শেষ করে সদাপ্রভু সেখান থেকে চলে গেলেন আর অব্রাহামও তাঁর বাড়ীতে ফিরে গেলেন।
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50