bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
John 7
John 7
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 8 →
1
এই সবের পরে যীশু গালীলের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে লাগলেন, কারণ যিহূদীরা তাঁকে মেরে ফেলবার চেষ্টা করেছিল বলে তিনি যিহূদিয়াতে যেতে চাইলেন না।
2
তখন যিহূদীদের কুটীরবাস (আশ্রয়) পর্ব্বের সময় প্রায় এসে গিয়েছিল।
3
অতএব তাঁর ভাইয়েরা তাঁকে বলল, এই জায়গা ছেড়ে যিহূদিয়াতে চলে যাও; যেন তুমি যে সব কাজ করছ তা তোমার শিষ্যেরাও দেখতে পায়।
4
কেউ গোপনে কাজ করে না যদি সে নিজেকে অপরের কাছে খোলাখুলি জানাতে চায় । যদি তুমি এই সব কাজ কর তবে নিজেকে পৃথিবীর মানুষের কাছে দেখাও।
5
কারণ এমনকি তাঁর ভাইয়েরাও তাঁকে বিশ্বাস করত না।
6
তখন যীশু তাদের বললেন, আমার সময় এখনও আসে নি, কিন্তু তোমাদের সময় সব সময় প্রস্তুত।
7
পৃথিবীর মানুষ তোমাদেরকে ঘৃণা করতে পারে না কিন্তু আমাকে ঘৃণা করে কারণ আমি তার সম্বন্ধে এই সাক্ষ্য দিই যে তার সব কাজ অসৎ।
8
তোমরাই তো উত্সবে যাও; আমি এখন এই উত্সবে যাব না, কারণ আমার সময় এখনও সম্পূর্ণ হয় নি।
9
তাদেরকে এই কথা বলার পর তিনি গালীলে থাকলেন।
10
যদিও তাঁর ভাইয়েরা উত্সবে যাবার পর তিনিও গেলেন, খোলাখুলি ভাবে নয় কিন্তু গোপনে গেলেন।
11
যিহূদিরা উত্সবের মধ্যে তাঁর খোঁজ করল এবং বলল, তিনি কোথায়?
12
ভিড়ের মধ্যে মানুষেরা তাঁর সম্পর্কে অনেক আলোচনা করতে লাগলো। অনেকে বলল, তিনি একজন ভাল লোক; আবার কেউ বলল, না, তিনি মানুষদেরকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে।
13
কিন্তু যিহূদিদের ভয়ে কেহ তাঁর সম্পর্কে খোলাখুলি কিছু বলল না।
14
যখন উত্সবের অর্ধেক সময় পার হয়ে গেল তখন যীশু উপাসনা ঘরে গিয়ে শিক্ষা দিতে লাগলেন।
15
যিহূদীরা আশ্চর্য্য হয়ে গেল এবং বলতে লাগলো, এই মানুষটি শিক্ষা না নিয়ে কিভাবে এই রকম শাস্ত্র জ্ঞানী হয়ে উঠলো?
16
যীশু তাদেরকে উত্তর দিয়ে বললেন, আমার শিক্ষা আমার নয় কিন্তু তাঁর যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন।
17
যদি কেউ তাঁর ইচ্ছা পালন করবে মনে করে, সে এই শিক্ষার কথা জানতে পারবে, এটা ঈশ্বর থেকে এসেছে কিনা, না আমি নিজের থেকে বলি।
18
যারা নিজের থেকে বলেতারা নিজেরই গৌরব খোঁজ করে কিন্তু যারা তাঁর গৌরব খোঁজ করে যিনি তাদের পাঠিয়েছেন তিনিই সত্য এবং তাঁতে কোন অধর্ম্ম নেই।
19
মোশি কি তোমাদেরকে কোনো নিয়ম কানুন দেন নি? যদিও তোমাদের মধ্যে কেউই এখনো সেই নিয়ম পালন করে না। কেন তোমরা আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছ?
20
সেই মানুষের দল উত্তর দিল, তোমাকে ভূতে ধরেছে, কে তোমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে?
21
যীশু উত্তর দিয়ে তাদেরকে বললেন, আমি একটা কাজ করেছি, আর সে জন্য তোমরা সকলে আশ্চর্য্য হচ্ছ।
22
মোশি তোমাদেরকে ত্বকছেদ করার নিয়ম দিয়েছেন- তা যে মোশি থেকে নয় কিন্তু পূর্বপুরুষদের থেকে হয়েছে - এবং তোমরা বিশ্রামবারে মানুষের ত্বকছেদ করে থাক।
23
মোশির নিয়ম যেন না ভাঙে সেই জন্য যদি বিশ্রামবারে মানুষের ত্বকছেদ করা হয়, তবে আমি বিশ্রামবারে একজন মানুষকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ করেছি বলে আমার উপরে কেন রাগ করছ?
24
বাইরের চেহারা দেখে বিচার করো না কিন্তু ন্যায় ভাবে বিচার কর।
25
যিরূশালেম- বসবাসকারীদের মধ্যে থেকে কয়েক জন বলল, এই কি সে নয় যাকে তারা মেরে ফেলার চেষ্টা করছিলো?
26
আর দেখ, সে তো খোলাখুলিভাবে কথা বলছে আর তারা ওনাকে কিছুই বলছে না। অধ্যক্ষগণ কি সত্যিই জানে না যে, এই সেই খ্রীষ্ট?
27
কিন্তু আমরা জানি এই মানুষটি কোথা থেকে আসলো; কিন্তু খ্রীষ্ট যখন আসেন তখন তিনি কোথা থেকে আসেন তা কেউ জানে না।
28
যীশু উপাসনা ঘরে খুব চিত্কার করে উপদেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা আমাকে চেন এবং আমি কোথা থেকে এসেছি তাও জান। আমি নিজে থেকে আসিনি কিন্তু আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি সত্য যাকে তোমরা চেন না।
29
আমি তাঁকে জানি কারণ আমি তাঁর কাছ থেকে এসেছি এবং তিনিই আমাকে পাঠিয়েছেন।
30
তারা তাঁকে ধরার জন্য চেষ্টা করছিল কিন্তু কেউ তাঁর গায়ে হাত দিল না কারণ তখনও তাঁর সেই সময় আসে নি।
31
যদিও মানুষের দলের মধ্যে থেকে অনেকে তাঁতে বিশ্বাস করল এবং বলল, খ্রীষ্ট যখন আসবেন তখন এই মানুষটির করা কাজ থেকে কি তিনি বেশি আশ্চর্য কাজ করবেন?
32
ফরীশীরা তাঁর সম্পর্কে জনগনের মধ্যে এই সব কথা ফিস্-ফিস্ করে বলতে শুনল এবং প্রধান যাজকেরা ও ফরীশীরা তাঁকে ধরে আনবার জন্য কয়েক জন আধিকারিককে পাঠিয়ে দিল।
33
তখন যীশু বললেন, আমি এখন অল্প সময়ের জন্য তোমাদের সঙ্গে আছি এবং তার পর যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কাছে চলে যাব।
34
তোমরা আমাকে খোঁজ করবে কিন্তু আমাকে পাবে না; আমি যেখানে যাব সেখানে তোমরা আসতে পারবে না।
35
তখন যিহূদীরা একে অপরকে বলতে লাগল, এই মানুষটি কোথায় যাবে যে আমরা তাকে খুঁজে পাব না? তিনি কি গ্রীকদের মধ্যে ছিন্নভিন্ন মানুষের কাছে যাবে এবং গ্রীক মানুষদের শিক্ষা দেবে?
36
তিনি যে কথা বললেন, “আমার খোঁজ করবে কিন্তু আমাকে পাবেনা এবং আমি যেখানে যাই সেখানে তোমরা আসতে পারবে না” এটা কি কথা?
37
এখন শেষ দিন, উত্সবের মহান দিন, যীশু দাঁড়িয়ে চিত্কার করে বললেন, কারুর যদি পিপাসা পায় তবে আমার কাছে এসে পান করুক।
38
যে কেউ আমাতে বিশ্বাস করে, যেমন শাস্ত্রে বলা আছে, তার অন্তরের মধ্য থেকে জীবন জলের নদী বইবে।
39
কিন্তু তিনি পবিত্র আত্মার সমন্ধে এই কথা বললেন, যারা তাঁতে বিশ্বাস করত তারা সেই আত্মাকে পাবে, তখনও সেই আত্মা দেওয়া হয় নি কারণ সেই সময় পর্যন্ত যীশুকে মহিমান্বিত করা হয়নি।
40
যখন জনগনের মধ্য থেকে অনেকে এই কথা শুনল তখন তারা বলল ইনি সত্যিই সেই ভবিষৎ বক্তা।
41
অনেকে বলল, ইনি হলেন সেই খ্রীষ্ট। কিন্তু কেউ কেউ বলল, কেন? খ্রীষ্ট কি গালীল থেকে আসবেন?
42
শাস্ত্রের বাক্যে কি বলে নি, খ্রীষ্ট দায়ূদের বংশ থেকে এবং দায়ূদ যেখানে ছিলেন সেই বৈৎলেহম গ্রাম থেকে আসবেন?
43
এই ভাবে জনগনের মধ্যে তাঁকে নিয়ে মনের অমিল হলো।
44
তাদের মধ্যে কিছু লোক তাঁকে ধরবে বলে ঠিক করলো কিন্তু তার গায়ে হাত দিল না।
45
তখন আধিকারিকরা প্রধান যাজকদের ও ফরীশীদের কাছে ফিরে আসলে তাঁরা তাদের বললেন তাকে নিয়ে আসনি কেন?
46
আধিকারিকরা উত্তর দিয়ে বলল, এই মানুষটি যেভাবে কথা বলেন অন্য কোন মানুষ কখনও এই রকম কথা বলেন নি।
47
ফরীশীরা তাদেরকে উত্তর দিল, তোমরাও কি বিপথে চালিত হলে?
48
কোনো অধ্যক্ষ অথবা কোনো ফরীশী কি তাঁতে বিশ্বাস করেছেন?
49
কিন্তু এই যে মানুষের দল কোনো নিয়ম জানে না এরা অভিশাপ গ্রস্থ।
50
নীকদীম- ফরীশীদের মধ্যে এক জন, যিনি আগে যীশুর কাছে এসেছিলেন, তিনি তাদেরকে বললেন,
51
আগে কোনো মানুষের তার নিজের কথা না শুনে এবং সে কি করে তা না জেনে, আমাদের নিয়ম কানুন কি কাহারও বিচার করে?
52
তারা উত্তর দিয়ে তাঁকে বলল, তুমিও কি গালীল থেকে এসেছ? খোঁজ নিয়ে দেখ গালীল থেকে কোন ভাববাদী আসে না।
53
তখন প্রত্যেকে তাদের নিজের বাড়ীতে চলে গেলেন।
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 8 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21