bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Jeremiah 31
Jeremiah 31
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 32 →
1
মাবুদ বলেন, সেই সময়ে আমি ইসরাইলের সমস্ত গোষ্ঠীর আল্লাহ্ হব এবং তারা আমার লোক হবে।
2
মাবুদ এই কথা বলেন, তলোয়ার থেকে রক্ষা পাওয়া লোকেরা মরুভূমিতে রহমত লাভ করলো; সে ইসরাইল, আমি তাকে বিশ্রাম দিতে গমন করলাম।
3
মাবুদ দূর থেকে আমাকে দর্শন দিয়ে বললেন, আমি তো চিরন্তন প্রেমে তোমাকে মহব্বত করে আসছি, এজন্য আমি তোমার প্রতি চিরকাল বিশ্বস্ত থাকব।
4
হে কুমারি ইসরাইল, আমি তোমাকে পুনর্বার গেঁথে তুলব, তুমি নির্মিত হবে, তুমি পুনর্বার তোমার তবল তুলে নেবে এবং আনন্দকারীদের শ্রেণীতে নৃত্য করতে করতে গমন করবে।
5
তুমি সামেরিয়ার পর্বতমালায় পুনর্বার আঙ্গুরক্ষেত প্রস্তুত করবে; রোপনকারীরা আঙ্গুরলতা রোপণ করবে ও তার ফল ভোগ করবে।
6
কেননা এমন দিন উপস্থিত হবে, যেদিন প্রহরীরা পর্বতময় আফরাহীম প্রদেশে ঘোষণা করে বলবে, উঠ, চল, আমরা সিয়োনে আমাদের আল্লাহ্ মাবুদের কাছে গমন করি।
7
অতএব মাবুদ এই কথা বলেন, তোমরা ইয়াকুবের জন্য আনন্দরব কর, জাতিদের পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে উচ্চধ্বনি কর, ঘোষণা কর, প্রশংসা কর, আর বল, হে মাবুদ, তোমার লোকদেরকে, ইসরাইলের অবশিষ্টাংশকে, উদ্ধার কর।
8
দেখ, আমি তাদের উত্তর দেশ থেকে আনবো, দুনিয়ার প্রান্তভাগ থেকে সংগ্রহ করবো; তারা অন্ধ, খঞ্জ, গর্ভবতী ও প্রসূতিসুদ্ধ মহাসমাজ হয়ে এই স্থানে ফিরে আসবে।
9
তারা কাঁদতে কাঁদতে আসবে এবং বিনয় সহকারে আমা দ্বারা চালিত হবে; আমি তাদের পানির স্রোতের কাছ দিয়ে সরল পথে গমন করাব, সেই পথে তারা হোঁচট খাবে না, যেহেতু আমি ইসরাইলের পিতা এবং আফরাহীম আমার প্রথমজাত পুত্র।
10
হে জাতিবৃন্দ, তোমরা মাবুদের কালাম শোন এবং দূরস্থ উপকূলগুলোতে তা প্রচার কর; আর বল, যিনি ইসরাইলকে ছড়িয়ে দিয়েছেন, তিনিই তাকে সংগ্রহ করবেন, আর রক্ষক যেমন নিজের পালকে রক্ষা করে, তেমনি রক্ষা করবেন।
11
কারণ মাবুদ ইয়াকুবকে উদ্ধার করেছেন, তার চেয়েও বেশি বলবানের হাত থেকে তাকে মুক্ত করেছেন।
12
তারা এসে উঁচু সিয়োনে আনন্দগান করবে এবং স্রোতের মত প্রবাহিত হয়ে মাবুদের মঙ্গলদানের কাছে, গম, আঙ্গুর-রস, তেল, ভেড়ার বাচ্চাগুলোর ও বাছুরগুলোর জন্য আসবে এবং তাদের প্রাণ সুসিক্ত বাগানের মত হবে;
13
তারা আর অবসন্ন হবে না। তখন কন্যারা নেচে আনন্দ করবে এবং যুবকেরা ও বৃদ্ধেরা একত্র হয়ে আনন্দ করবে; কারণ আমি তাদের শোক উল্লাসে পরিণত করবো; তাদের সান্ত্বনা দেব ও দুঃখ ঘুচিয়ে আহ্লাদিত করবো।
14
আর আমি পুষ্টিকর দ্রব্য দ্বারা ইমামদের প্রাণ আপ্যায়িত করবো এবং আমার মঙ্গলদান দ্বারা আমার লোকেরা তৃপ্ত হবে, মাবুদ এই কথা বলেন।
15
মাবুদ এই কথা বলেন, রামায় আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, হাহাকার ও ভীষণ কান্নাকাটি হচ্ছে! রাহেলা তার সন্তানদের জন্য কাঁদছে, সে তার সন্তানদের বিষয়ে প্রবোধ কথা মানে না, কেননা তারা নেই।
16
মাবুদ এই কথা বলেন, তোমার কান্নার আওয়াজ ও চোখের পানি মুছে ফেল; কেননা তোমার কাজের পুরস্কার দেওয়া হবে, মাবুদ এই কথা বলেন, আর তারা দুশমনের দেশ থেকে ফিরে আসবে।
17
তোমার শেষকালের বিষয়ে প্রত্যাশা আছে, মাবুদ এই কথা বলেন; হ্যাঁ, তোমার সন্তানেরা নিজেদের অঞ্চলে ফিরে আসবে।
18
আমি আফরাহীমের স্বর স্পষ্ট শুনতে পেয়েছি; সে খেদোক্তি করে বলেছে, ‘যাকে বশ করা হয় নি এমন বাছুরটির মত তুমি আমাকে শাস্তি দিয়েছ, আমি শাস্তি ভোগ করেছি; আমাকে ফিরাও, তাতে আমি ফিরব, কেননা তুমিই আমার আল্লাহ্ মাবুদ।
19
আমি ফিরার পর অনুতাপ করলাম ও শিক্ষা পাবার পর ঊরুদেশে আঘাত করলাম; আমি লজ্জিত ও নিতান্ত বিষণ্ন হলাম, কেননা নিজের যৌবনকালের অপযশ বহন করলাম।’
20
আফরাহীম কি আমার প্রিয় পুত্র? সে কি আনন্দদায়ী বালক? হ্যাঁ, যতবার আমি তার বিরুদ্ধে কথা বলি, ততবার পুনরায় তাকে সাগ্রহে স্মরণ করি; এই কারণে তার জন্য আমার অন্তর ব্যাকুল হয়; অবশ্য আমি তার প্রতি করুণা করবো, মাবুদ এই কথা বলেন।
21
তুমি স্থানে স্থানে নিজের জন্য পথের চিহ্ন রাখ, স্তম্ভ স্থাপন কর, যে পথে গমন করেছিলে, সেই রাজপথে মনোনিবেশ কর; হে ইসরাইল-কুমারী, ফিরে এসো; তোমার এসব নগরে ফিরে এসো।
22
অয়ি বিপথগামিনী কন্যে, কতকাল ভ্রমণ করবে? মাবুদ তো দুনিয়াতে একটি নতুন নিয়ম সৃষ্টি করলেন; নারী পুরুষকে বেষ্টন করবে।
23
বাহিনীগণের মাবুদ, ইসরাইলের আল্লাহ্, এই কথা বলেন, আমি যখন এই লোকদের বন্দীদশা ফিরাব, তখন তারা এহুদা দেশে ও সেখানকার সকল নগরে পুনর্বার এই কথা বলবে, ‘হে ধর্মময় নিবাস, হে পবিত্র-পর্বত, মাবুদ তোমাকে দোয়া করুন।’
24
এহুদা ও তার সমস্ত নগর এবং কৃষকরা ও যারা পালের সঙ্গে ইতস্তত ভ্রমণ করে, তারা সেখানে একত্রে বাস করবে।
25
কারণ আমি আপ্যায়িত করেছি ক্লান্ত প্রাণকে এবং প্রত্যেক অবসন্ন প্রাণকে তৃপ্ত করেছি।
26
তখন আমি ঘুম থেকে জেগে দৃষ্টিপাত করলাম, আর আমার ঘুম আমার সুখদায়ক ছিল।
27
মাবুদ বলেন, দেখ, এমন সময় আসছে, যে সময়ে আমি ইসরাইল-কুল ও এহুদা-কুলরূপ ক্ষেতে মানুষকে ও পশুকে বীজের মত বপন করবো;
28
আর যেমন আমি তাদের উন্মূলন, উৎপাটন, নিপাত, বিনাশ ও অমঙ্গল করতে জাগ্রত ছিলাম, তেমনি তাদেরকে গাঁথতে ও রোপণ করতেও জাগ্রত থাকব, মাবুদ এই কথা বলেন।
29
সেই সময়ে লোকে আর বলবে না, পিতারা আঙ্গুর ফল খেয়েছিলেন, তাই সন্তানদের দাঁত টকেছে।
30
কিন্তু প্রত্যেকে নিজ নিজ অপরাধের দরুন মরবে; যে ব্যক্তি আঙ্গুর ফল খাবে তারই দাঁত টকে যাবে।
31
মাবুদ বলেন, দেখ, এমন সময় আসছে, যে সময়ে আমি ইসরাইল-কুল ও এহুদা-কুলের সঙ্গে একটি নতুন নিয়ম স্থির করবো।
32
মিসর দেশ থেকে তাদের পূর্বপুরুষদেরকে হাত ধরে বের করে আনবার দিনে আমি তাদের সঙ্গে যে নিয়ম স্থির করেছিলাম, সেই নিয়মানুসারে নয়; আমি তাদের স্বামী হলেও তারা আমার সেই নিয়ম লঙ্ঘন করলো, মাবুদ এই কথা বলেন।
33
কিন্তু সেই সকল দিনের পর আমি ইসরাইল-কুলের সঙ্গে এই নিয়ম স্থির করবো, মাবুদ এই কথা বলেন, আমি তাদের অন্তরে আমার শরীয়ত দেব ও তাদের অন্তরে তা লিখব; এবং আমি তাদের আল্লাহ্ হব ও তারা আমার লোক হবে।
34
আর, ‘তোমরা মাবুদকে জান,’ এই কথা বলে তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ প্রতিবেশীকে ও আপন আপন ভাইকে আর শিক্ষা দেবে না; কারণ তারা ক্ষুদ্র ও মহান সকলেই আমাকে জানবে, মাবুদ এই কথা বলেন; কেননা আমি তাদের অপরাধ মাফ করবো এবং তাদের গুনাহ্ আর স্মরণে আনবো না।
35
যিনি দিনের বেলায় আলোর জন্য সূর্যকে এবং রাতের বেলায় আলোর জন্য চাঁদকে ও তারাগুলোকে নির্দিষ্ট নিয়ম দেন, যিনি সমুদ্রকে আলোড়ন করলে তার তরঙ্গ কল্লোল-ধ্বনি করে, সেই মাবুদ এই কথা বলেন;
36
‘বাহিনীগণের মাবুদ’ তাঁর নাম; যদি এসব নিয়ম আমার সম্মুখ থেকে অদৃশ্য হয়,— মাবুদ এই কথা বলেন,— তবে আমার সম্মুখে নিত্যস্থায়ী জাতি হিসেবে ইসরাইল-বংশের অবস্থিতিও শেষ হবে।
37
মাবুদ এই কথা বলেন, যদি উপরে আসমান পরিমাপ করা যায়, নিম্নে দুনিয়ার মূল যদি অনুসন্ধান করে পাওয়া যায়, তবে আমিও তাদের কৃত সমস্ত কাজের দরুন ইসরাইলের সমস্ত বংশকে দূর করবো, মাবুদ এই কথা বলেন।
38
মাবুদ বলেন, দেখ, এমন সময় আসছে, যে সময়ে হননেলের উচ্চগৃহ থেকে কোণের দ্বার পর্যন্ত নগরটি মাবুদের উদ্দেশে নির্মিত হবে;
39
এবং সেখান থেকে মানরজ্জু বরাবর সম্মুখপথে গারেব উপপর্বতের উপর দিয়ে টানা যাবে ও ঘুরে গোয়াতে উপস্থিত হবে।
40
আর লাশ ও ভস্মের সমস্ত উপত্যকা ও কিদ্রোণ স্রোত পর্যন্ত সকল ক্ষেত, পূর্বদিক্স্থ অশ্ব-দ্বারের কোণ পর্যন্ত, মাবুদের উদ্দেশে পবিত্র হবে; তা কোন কালেও আর উৎপাটিত বা নিপাতিত হবে না।
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 32 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52