bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Jeremiah 44
Jeremiah 44
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 43
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 45 →
1
মিসর দেশে বাসকারী যে সব ইহুদীরা মিগ্দোলে, তফন্হেষে, নোফে ও পথ্রোষ প্রদেশে ছিল তাদের বিষয়ে ইয়ারমিয়ার কাছে এই কালাম নাজেল হল,
2
বাহিনীগণের মাবুদ, ইসরাইলের আল্লাহ্, এই কথা বলেন, জেরুশালেমের উপরে ও এহুদার সমস্ত নগরের উপরে আমি যে সমস্ত অমঙ্গল উপস্থিত করেছি, তা তোমরা দেখেছ; দেখ, আজ সেসব উৎসন্ন স্থান আছে, সেখানে কেউ বাস করে না;
3
এর কারণ লোকদের নাফরমানী, যা আমাকে অসন্তুষ্ট করার জন্য তারা করতো; তাদের, তোমাদের ও তোমাদের পূর্বপুরুষদের অপরিচিত অন্য দেবতাদের সেবা করার জন্য তারা তাদের উদ্দেশে ধূপ জ্বালাতে যেত।
4
তবুও আমি আমার সমস্ত গোলাম নবীদেরকে তোমাদের কাছে পাঠাতাম, খুব ভোরে উঠে পাঠিয়ে বলতাম, আহা, তোমরা আমার ঘৃণিত এই জঘন্য কাজ করো না।
5
কিন্তু তারা মান্য করতো না এবং নিজ নিজ দুষ্কর্ম থেকে ফিরবার জন্য, অন্য দেবতাদের উদ্দেশে আর ধূপ না জ্বালাবার জন্য, কান দিত না।
6
এজন্য আমার গজব ও ক্রোধ বর্ষিত হল, এহুদার নগরে নগরে ও জেরুশালেমের পথে পথে জ্বলে উঠলো, তাতে সেগুলো আজ যেমন রয়েছে, তেমনি উৎসন্ন ও ধ্বংস হয়ে পড়ে রয়েছে।
7
অতএব এখন মাবুদ, বাহিনীগণের আল্লাহ্, ইসরাইলের আল্লাহ্, এই কথা বলেন, তোমরা কেন নিজ নিজ প্রাণের বিরুদ্ধে মহাগুনাহ্ করছো? এই কাজে তো নিজেদের সম্পর্কীয় পুরুষ, স্ত্রী, বালক ও স্তন্যপায়ী শিশুদেরকে এহুদার মধ্য থেকে উচ্ছিন্ন করবে, নিজেদের কাউকেও অবশিষ্ট রাখবে না।
8
তোমরা এই যে মিসর দেশে প্রবাস করার জন্য এসেছো, এখানে অন্য দেবতাদের উদ্দেশে ধূপ জ্বালিয়ে কেন নিজেদের হাতের কাজ দ্বারা আমাকে অসন্তুষ্ট করছো? তোমরা উচ্ছিন্ন হবে এবং দুনিয়ার সমস্ত জাতির মধ্যে বদদোয়া ও উপহাসের পাত্র হবে।
9
তোমাদের পূর্বপুরুষদের দুষ্কর্ম এহুদার বাদশাহ্দের দুষ্কর্ম, তাদের স্ত্রীদের দুষ্কর্ম, তোমাদের নিজেদের দুষ্কর্ম ও তোমাদের স্ত্রীদের দুষ্কর্ম, যা এহুদা দেশে ও জেরুশালেমের পথে পথে করা হত, সেসব কি ভুলে গেছ?
10
এই লোকেরা আজ পর্যন্ত নিজেদের অন্তর ভেঙ্গে চুরমার করে নি, ভয়ও করে নি এবং আমি আমার যে ব্যবস্থা ও বিধিকলাপ তোমাদের ও তোমাদের পূর্বপুরুষদের সম্মুখে রেখেছি এরা সেই অনুসারে আচরণ করে নি।
11
এজন্য বাহিনীগণের মাবুদ, ইসরাইলের আল্লাহ্, এই কথা বলেন, দেখ, আমি তোমাদের অমঙ্গল করতে ও সমস্ত এহুদাকে উচ্ছিন্ন করতে উন্মুখ হলাম।
12
আর আমি এহুদার অবশিষ্টাংশকে, অর্থাৎ যারা মিসর দেশে প্রবাস করতে যাবার জন্য উন্মুখ হয়েছে, তাদেরকে ধরবো; তারা সকলে বিনষ্ট হবে, মিসর দেশেই ধ্বংস হবে; তারা তলোয়ার ও দুর্ভিক্ষ দ্বারা বিনষ্ট হবে; ক্ষুদ্র ও মহান সকলে তলোয়ারে ও দুর্ভিক্ষে মারা পড়বে এবং অভিসম্পাত, বিস্ময়, বদদোয়া ও উপহাসের পাত্র হবে।
13
আমি যেমন তলোয়ার, দুর্ভিক্ষ ও মহামারী দ্বারা জেরুশালেমকে দণ্ড দিয়েছি, তেমনি মিসর দেশ-নিবাসীদেরকে দণ্ড দেব;
14
তাতে এহুদার যে অবশিষ্ট লোক মিসরে প্রবাস করতে এসেছে, তাদের মধ্যে কেউ উদ্ধার বা রক্ষা পাবে না; সেই এহুদা দেশে ফিরে যেতে পারবে না, যেখানে বাস করার জন্য ফিরে যেতে মনস্থ করছে; কতগুলো পলাতক লোক ছাড়া আর কেউ ফিরে যাবে না।
15
তখন যেসব পুরুষ জানত যে, তাদের স্ত্রীরা অন্য দেবতাদের উদ্দেশে ধূপ জ্বালায়, তারা এবং কাছে দণ্ডায়মান সমস্ত স্ত্রীলোক, এক মহাসমাজ, অর্থাৎ মিসরের পথ্রোষ প্রদেশে বাসকারী সমস্ত লোক ইয়ারমিয়াকে জবাবে বললো,
16
তুমি মাবুদের নামে আমাদেরকে যে কথা বলেছ, তোমার সেই কথা আমরা শুনব না;
17
কিন্তু আমাদেরই যা বলেছি সেই সমস্ত কথা অনুসারে কাজ করবোই করবো, আকাশ-রাণীর উদ্দেশে ধূপ জ্বালাবো ও পেয় উৎসর্গ ঢালব; আমরা ও আমাদের পূর্বপুরুষেরা, আমাদের বাদশাহ্রা ও আমাদের কর্মকর্তারা এহুদার নগরে নগরে ও জেরুশালেমের পথে পথে তা-ই করতাম, আর সেখানে আমরা খাদ্যদ্রব্যে তৃপ্ত হতাম এবং সুখে ছিলাম, কোন অমঙ্গল দেখতাম না।
18
কিন্তু যে সময় থেকে আমরা আকাশ-রাণীর উদ্দেশে ধূপ জ্বালানো ও পেয় উৎসর্গ ঢালা ছেড়ে দিয়েছি, সে সময় থেকে আমাদের সমস্ত বস্তুর অভাব হচ্ছে এবং আমরা তলোয়ার ও দুর্ভিক্ষ দ্বারা বিনষ্ট হচ্ছি।
19
আর আমরা যখন আকাশ-রাণীর উদ্দেশে ধূপ জ্বালাতাম ও পেয় উৎসর্গ ঢালতাম, তখন কি নিজ নিজ স্বামীকে না জানিয়ে তাঁর পূজার জন্য পিঠা প্রস্তুত করতাম ও তাঁর উদ্দেশে পেয় উৎসর্গ ঢালতাম?
20
পরে ইয়ারমিয়া সমস্ত লোককে, পুরুষ, কি স্ত্রী যত লোক সেই জবাব দিয়েছিল, সেসব লোককে এই কথা বললেন,
21
এহুদার নগরে নগরে ও জেরুশালেমের পথে পথে তোমরা ও তোমাদের পূর্ব-পুরুষেরা, তোমাদের বাদশাহ্রা ও কর্মকর্তারা এবং জনপদস্থ লোকেরা যে ধূপ জ্বালাত, মাবুদ কি সেই ধূপ জ্বালানো স্মরণ করেন নি, তা কি তাঁর মনে পড়ে নি?
22
মাবুদ তোমাদের দুষ্ট আচরণ ও তোমাদের কৃত ঘৃণার কাজের দরুন আর সহ্য করতে পারলেন না, এজন্য তোমাদের দেশ আজ যেমন রয়েছে, তেমনি উৎসন্ন, বিস্ময়জনক, বদদোয়াগ্রস্ত ও জনশূন্য হল।
23
তোমরা ধূপ জ্বালিয়েছ, মাবুদের বিরুদ্ধে গুনাহ্ করেছ, মাবুদের কথা মান্য কর নি এবং তাঁর শরীয়ত, বিধি ও নির্দেশ অনুসারে চল নি, সেজন্যই আজ যেমন রয়েছে, তেমনি তোমাদের প্রতি এই অমঙ্গল ঘটেছে।
24
ইয়ারমিয়া সমস্ত পুরুষলোক এবং সমস্ত স্ত্রীলোককে আরও বললেন, হে মিসর দেশস্থ সমস্ত ইহুদী, তোমরা মাবুদের কালাম শোন;
25
বাহিনীগণের মাবুদ, ইসরাইলের আল্লাহ্, এই কথা বলেন, তোমরা ও তোমাদের স্ত্রীরা মুখে যা বলেছ, হাত দিয়ে তা সম্পন্ন করেছ, তোমরা বলেছ, ‘আমরা আকাশ-রাণীর উদ্দেশে ধূপ জ্বালাবার ও পেয় উৎসর্গ ঢালবার যে মানত করেছি, তা অবশ্য সিদ্ধ করবো;’ ভাল, তোমাদের মানত অটল কর, তোমাদের মানত সিদ্ধ কর।
26
অতএব, হে মিসর দেশে বাসকারী সমস্ত ইহুদী, মাবুদের কালাম শোন; মাবুদ বলেন, দেখ, আমি আমার মহানামে শপথ করেছি, ‘জীবন্ত সার্বভৌম মাবুদের কসম,’ এই কথা বলে মিসর দেশস্থ কোন ইহুদী আমার নাম আর মুখে আনবে না।
27
দেখ, আমি তাদের অমঙ্গলের জন্য জাগরিত, মঙ্গলের জন্য নয়; তাতে মিসর দেশস্থ সমস্ত এহুদার লোক তলোয়ার, দুর্ভিক্ষ ও মহামারী দ্বারা নিঃশেষে বিনষ্ট হবে।
28
তলোয়ার থেকে রক্ষা পাওয়া অতি অল্প লোক মিসর দেশ থেকে এহুদা দেশে ফিরে যাবে; এতে এহুদার অবশিষ্ট সমস্ত লোক, যারা মিসর দেশে প্রবাস করার জন্য এখানে এসেছে, তারা জানতে পারবে যে, কার কথা স্থির থাকবে, আমার বা তাদের।
29
মাবুদ বলেন, তোমাদের কাছে এ-ই চিহ্ন হবে যে, আমি এই স্থানে তোমাদের প্রতিফল দেব, যেন তোমরা জানতে পার যে, তোমাদের বিরুদ্ধে আমার কালাম অবশ্য অটল থাকবে, অমঙ্গলের জন্য।
30
মাবুদ এই কথা বলেন, দেখ, আমি যেমন এহুদার বাদশাহ্ সিদিকিয়কে তার প্রাণনাশে সচেষ্ট দুশমন ব্যাবিলনের বাদশাহ্ বখতে-নাসারের হাতে তুলে দিয়েছি, তেমনি মিসরের বাদশাহ্ ফেরাউন হফ্রাকেও তার দুশমনদের হাতে, যারা তার প্রাণনাশে সচেষ্ট, তাদের হাতে তুলে দেব।
← Chapter 43
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 45 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52