bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Judges 19
Judges 19
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 18
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 20 →
1
সেই সময় ইসরাইলের মধ্যে কোন বাদশাহ্ ছিল না। আর পর্বতময় আফরাহীম প্রদেশের প্রান্তভাগে এক জন লেবীয় বাস করতো; সে বেথেলহেম-এহুদা থেকে এক জন উপপত্নী গ্রহণ করেছিল।
2
পরে সেই উপপত্নী তার বিরুদ্ধে জেনা করলো এবং তাকে ত্যাগ করে বেথেলহেম-এহুদায় তার পিতার বাড়িতে গিয়ে চার মাস সেই স্থানে অবস্থান করলো।
3
পরে তার স্বামী তার সঙ্গে তার ভৃত্য ও দু’টি গাধা নিয়ে তাকে খুশি করার মত কথা বলতে ও ফিরিয়ে আনতে তার কাছে গেল। তার উপপত্নী তাকে পিতার বাড়ির মধ্যে নিয়ে গেলে সেই যুবতীর পিতা তাকে দেখে আনন্দ সহকারে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলো;
4
তার শ্বশুর ঐ যুবতীর পিতা আগ্রহ করে তাকে রাখলে সে তার সঙ্গে তিন দিন বাস করলো; এবং তারা সেই স্থানে ভোজন পান ও রাত্রি যাপন করলো।
5
পরে চতুর্থ দিনে তারা খুব ভোরে ঘুম থেকে জেগে উঠেলো এবং যাবার জন্য উঠলো। তখন সেই যুবতীর পিতা জামাতাকে বললো, কিঞ্চিৎ আহার করে তোমার অন্তঃকরণ সুস্থির কর, পরে তোমার পথে যেয়ো।
6
তাতে তারা দু’জন একত্র বসে ভোজন পান করলো; পরে যুবতীর পিতা সেই ব্যক্তিকে বললো, আরজ করি, সম্মত হও, এই রাতটুকু অপেক্ষা কর, প্রফুল্লচিত্ত হও।
7
তবুও সেই ব্যক্তি যাবার জন্য উঠলো; কিন্তু তার শ্বশুর তাকে সাধ্যসাধনা করলে সে সেই রাত সেখানে থাকল।
8
পরে পঞ্চম দিনে সে যাবার জন্য খুব ভোরে উঠলো; আর যুবতীর পিতা তাকে বললো, আরজ করি, তোমার অন্তঃকরণ সুস্থির কর, বৈকাল পর্যন্ত তোমরা বিলম্ব কর; তাতে তারা উভয়ে আহার করলো।
9
পরে সেই ব্যক্তি, তার উপপত্নী ও ভৃত্য যাবার জন্য উঠলে তার শ্বশুর ঐ যুবতীর পিতা তাকে বললো, দেখ, প্রায় দিবাবসান হল, আরজ করি, তোমরা এই রাতটুকু বিলম্ব কর; দেখ, বেলা শেষ হয়েছে; তুমি এই স্থানে রাত্রিবাস কর, প্রফুল্লচিত্ত হও; আগামীকাল তোমরা প্রত্যুষে উঠলেই তুমি তোমার তাঁবুতে যেতে পারবে।
10
কিন্তু ঐ ব্যক্তি সেই রাত বিলম্ব করতে অসম্মত হল; সে উঠে যাত্রা করে যিবূষের অর্থাৎ জেরুশালেমের সম্মুখে এসে উপস্থিত হল; তার সঙ্গে দু’টি সজ্জিত গাধা ছিল; আর তার উপপত্নীও সঙ্গে ছিল।
11
যিবূষের কাছে উপস্থিত হলে দিবা প্রায় অবসান হল। তাতে ভৃত্যটি তার মালিককে বললো, আরজ করি, আসুন, আমরা যিবূষীয়দের এই নগরে প্রবেশ করে রাত্রি যাপন করি।
12
কিন্তু তার মালিক তাকে বললো, যারা ইসরাইল নয়, এমন বিজাতীয়দের নগরে আমরা প্রবেশ করবো না; আমরা বরং অগ্রসর হয়ে গিবিয়াতে যাব।
13
সেই ভৃত্যটিকে আরও বললো, এসো, আমরা এই অঞ্চলের কোন স্থানে যাই, গিবিয়াতে কিংবা রামাতে রাত যাপন করি।
14
এভাবে তারা অগ্রসর হয়ে চললো; পরে বিন্ইয়ামীনের অধিকৃত গিবিয়ার কাছে উপস্থিত হলে সূর্য অস্তগত হল।
15
তখন তারা গিবিয়াতে রাত্রিবাস করার জন্য পথ ছেড়ে সেই নগরে প্রবেশ করলো এবং নগরের চকে বসে রইলো, কিন্তু কোন ব্যক্তি তাদেরকে তার বাড়িতে রাত্রি-বাস করার জন্য গ্রহণ করলো না।
16
আর দেখ, এক জন বৃদ্ধ সন্ধ্যাবেলা কাজের শেষে ক্ষেত থেকে ফিরছিলেন। সেই ব্যক্তি পর্বতময় আফরাহীম দেশের লোক; আর তিনি গিবিয়াতে প্রবাস করছিলেন, কিন্তু নগরের লোকেরা ছিল বিন্ইয়ামীনীয়।
17
সেই ব্যক্তি চোখ তুলে নগরের চকে ঐ পথিককে দেখলেন; আর বৃদ্ধ জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ? কোথা থেকে আসছ?
18
সে তাঁকে বললো, আমরা বেথেলহেম-এহুদা থেকে পর্বতময় আফরাহীম প্রদেশের প্রান্তভাগে যাচ্ছি; আমি সেই স্থানের লোক; বেথেলহেম-এহুদা পর্যন্ত গিয়েছিলাম। আমি মাবুদের গৃহে যাচ্ছি, আর আমাকে কোন ব্যক্তি নিজের বাড়িতে গ্রহণ করে না।
19
আমাদের সঙ্গে গাধাদের জন্য পোয়াল ও কলাই এবং আমার জন্য, আপনার এই বাঁদীর জন্য এবং আপনার গোলাম-বাঁদীর সঙ্গী এই যুবকের জন্য রুটি ও আঙ্গুর-রস আছে, কোন দ্রব্যের অভাব নেই।
20
বৃদ্ধ বললেন, তোমার শান্তি হোক, তোমার যা কিছু প্রয়োজনীয়, তার ভার আমার উপরে থাকুক; তুমি কোনভাবেই এই চকে রাত্রি যাপন করো না।
21
পরে বৃদ্ধ তাকে তাঁর বাড়িতে এনে গাধাগুলোকে খাবার দিলেন এবং তারা পা ধুয়ে ভোজন পান করলো।
22
তারা এভাবে নিজেদের আপ্যায়ন করছে, এমন সময়ে, দেখ, নগরের কতগুলো পাষণ্ড লোক সেই বাড়ির চারদিক ঘিরে দরজায় আঘাত করতে লাগল। তারা বাড়ির কর্তা ঐ বৃদ্ধকে বললো, তোমার বাড়িতে যে ব্যক্তি এসেছে, তাকে বের করে আন; আমরা তার সঙ্গে জেনা করব।”
23
তাতে সেই ব্যক্তি অর্থাৎ, বাড়ির কর্তা, বের হয়ে তাদের কাছে গিয়ে বললেন, হে আমার ভাইয়েরা, না, না; আরজ করি, এমন দুষ্কর্ম করো না; ঐ ব্যক্তি আমার বাড়িতে এসেছে, অতএব এমন মূঢ়তার কাজ করো না।
24
দেখ, আমার অনূঢ়া কন্যা এবং তার উপপত্নী এখানে রয়েছে; এদেরকে বের করে আনি; তোমরা তাদের মানভ্রষ্ট কর ও তাদের প্রতি তোমাদের যা ভাল মনে হয় তা-ই কর; কিন্তু সেই ব্যক্তির প্রতি এমন মূঢ়তার কাজ করো না।
25
তবুও তারা তাঁর কথা শুনল না; তখন ঐ ব্যক্তি তার উপপত্নীকে ধরে তাদের কাছে বের করে আনলো; আর তারা তার মানভ্রষ্ট করলো এবং প্রভাত পর্যন্ত সমস্ত রাত তার প্রতি অত্যাচার করলো; পরে আলো হয়ে আসলে তাকে ছেড়ে দিল।
26
তখন রাত পোহালে ঐ স্ত্রী তার স্বামী যে বাড়িতে ছিল বৃদ্ধের সেই বাড়ির দরজার কাছে এসে সূর্যোদয় পর্যন্ত পড়ে রইলো।
27
সকাল হলে তার স্বামী উঠে পথে যাবার জন্য বাড়ির দরজা খুলে বের হল, আর দেখ, সেই স্ত্রীলোক, তার উপপত্নী, বাড়ির দরজার কাছে গোবরাটের উপরে হাত রেখে পড়ে রয়েছে;
28
তাতে সে তাকে বললো, উঠ, চল, আমরা যাই; কিন্তু সে কোন জবাব দিল না। পরে ঐ ব্যক্তি গাধার উপরে তাকে তুলে নিল এবং উঠে স্বস্থানে প্রস্থান করলো।
29
পরে সে নিজের বাড়িতে এসে একখানা ছুরি নিয়ে তার উপপত্নীকে ধরে অস্থি অনুসারে বারোটি খণ্ড করে ইসরাইলের সমস্ত অঞ্চলে পাঠিয়ে দিল।
30
যারা তা দেখলো সকলে বললো, বনি-ইসরাইলদের মিসর দেশ থেকে বের হয়ে আসার দিন থেকে আজ পর্যন্ত এমন কাজ কখনও হয় নি, দেখাও যায় নি; এই বিষয়ে বিবেচনা কর, মন্ত্রণা কর, কি কর্তব্য বল।
← Chapter 18
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 20 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21