bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
Jeremiah 13
Jeremiah 13
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 14 →
1
প্রভু আমাকে যা বলেছেন তা হল: “যিরমিয়, যাও একটি ক্ষৌম কটি বস্ত্র কিনে আনো এবং ওটি তোমার কটিদেশের চারপাশে শক্ত করে জড়াও| ওটিকে ভিজতে দিও না|”
2
সুতরাং আমি একটি কটি বস্ত্র কিনে আনলাম| প্রভুর কথা মতো কোমরে জড়িয়ে নিলাম|
3
দ্বিতীয়বার প্রভুর বার্তা আমার কাছে এলো|
4
এই ছিল বার্তা: “যিরমিয়, কিনে আনা কটিটি পরে তুমি ফরাৎ নদীর কাছে যাও| সেখানে কটিটি একটি পাথরের ফাঁকে লুকিয়ে রাখো|”
5
সুতরাং আমি প্রভুর কথা মতো ফসু নদীর কাছে গিয়ে কটিটি লুকিয়ে রাখলাম|
6
অনেকদিন পরে প্রভু আমাকে বললেন, “যিরমিয়, এখন তুমি আবার ফরাৎ নদীর কাছে গিয়ে লুকোনো কটিটি নিয়ে এসো|”
7
তখন আমি আবার ফরাতের কাছে গিয়ে পাথরের ফাঁক থেকে কটিটি বের করার পর দেখলাম যে ওটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে| আর কোন মতেই ওটা পরার মতো অবস্থায় নেই|
8
তখন আবার প্রভুর বার্তা আমার কাছে এলো|
9
প্রভু যা বলেছিলেন, “যেমন ঐ কটিটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে ঠিক তেমনি আমি যিহূদা এবং জেরুশালেমের অহঙ্কারী মানুষদের ধ্বংস করে দেব| তাদের দর্প চূর্ণ করব|
10
আমি যিহূদার সমস্ত দুষ্ট ও অহঙ্কারী লোকদের ধ্বংস করে দেব| তারা আমার বার্তাসমূহ শুনতে অস্বীকার করেছিল| তারা একগুঁয়ে, জেদী| তারা নিজের মতো করে চলেছে| তারা অন্য দেবতাদের পূজা করেছে| যিহূদার লোকদের অবস্থা হবে ঐ কটির মতো| তারা ধ্বংস হবেই|
11
একজন ব্যক্তি যেমন করে কোমরে কটি বস্ত্র জড়ায ঠিক তেমন করে আমি ইস্রায়েল এবং যিহূদার সমস্ত লোককে আমার কোমরের চারপাশে জড়িয়ে নিলাম| এটি হল প্রভুর বার্তা| “আমি ঐ সব মানুষদের নিজের লোকে পরিণত করার জন্যই এটা করেছিলাম| ওরা আমার নিজস্ব লোকে পরিণত হলে আমি মান সম্মান খ্যাতি সব কিছু পেতাম| কিন্তু ওরা আমার কথা শুনল না|”
12
“যিরমিয়, যিহূদার লোকদের বলো: ‘প্রভু, ইস্রায়েলের ঈশ্বর যা বললেন তা হল: চামড়ার তৈরী প্রত্যেকটি দ্রাক্ষারস রাখার থলি দ্রাক্ষারসে ভরে থাকা উচিৎ|’ ওরা তোমাকে মৃদু হেসে বলবে, ‘আমরা কি জানি না যে প্রতিটি চামড়ার তৈরী দ্রাক্ষারস রাখার থলি দ্রাক্ষারসে পূর্ণ থাকা উচিৎ|’
13
তখন তুমি তাদের বলবে, ‘প্রভু যা বলেছেন তা হল: আমি এই দেশের সমস্ত লোককে অর্থাৎ দায়ুদের সিংহাসনে উপবিষ্ট রাজাদের, যাজকদের, ভাববাদীদের এবং জেরুশালেমের সমস্ত লোকদের মৎততায পূর্ণ করব|
14
যিহূদার লোকরা আমার কারণে হোঁচট খাবে এবং পরস্পরের ঘাড়ে পড়বে| পিতাপুত্র মিলেও পা জড়াজড়ি করবে আর হোঁচট খেয়ে আছড়ে পড়বে|’ এই হল প্রভুর বার্তা| ‘আমার সমবেদনাকে আমি যিহূদার লোকদের ধ্বংস করা থেকে বিরত করতে দেব না| যিহূদার লোকদের ধ্বংস করার ক্ষেত্রে আমি বিন্দুমাত্র বিচলিত হব না|’”
15
মনোযোগ দিয়ে শোন| প্রভু তোমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন| তোমরা গর্ব করো না|
16
তোমাদের প্রভু ঈশ্বরকে সম্মান করো| তাঁর প্রশংসা করো, না হলে তিনি অন্ধকার বয়ে আনবেন| যেখানে তোমরা আলোর জন্য অপেক্ষা করছ এবং আশা করছ, সেই অন্ধকার পাহাড়গুলিতে হোঁচট খাবার আগে এবং পড়বার আগে প্রভুর প্রশংসা কর, নাহলে তিনি সেটাকে ভয়াবহ অন্ধকারে পরিণত করবেন| তিনি আলোটিকে গাঢ় অন্ধকারে পরিবর্তিত করবেন|
17
যদি তোমরা প্রভুর কথা না শোন, তোমাদের অহঙ্কার আমাকে ভীষণ দুঃখ দেবে| আমি মুখ লুকিয়ে চিৎকার করে কাঁদব| আমার চোখ দিয়ে অঝোরে অশ্রু-ধারা বইতে থাকবে| কারণ প্রভুর পালকে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হবে|
18
রাজা এবং তাঁর স্ত্রীকে বলো, “সিংহাসন থেকে নেমে এসো| তোমাদের চোখ ধাঁধানো রাজমুকুট মাথা থেকে খসে পড়ছে|”
19
নেগেভের মরু শহরগুলিতে তালা লাগানো হয়েছে এবং কোন ব্যক্তি তা খুলতে পারবে না| যিহূদার সমস্ত মানুষকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে| তাদের জেলের কয়েদীদের মতো বয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে|
20
জেরুশালেম দেখ! উত্তর দিক থেকে শত্রুরা আসছে| তোমার মেষের পাল কোথায়? ঈশ্বর তোমাদের ঐ চমৎকার মেষের পালটি দিয়েছিলেন| তোমাদের ওটার দেখাশোনা করবার কথা ছিল|
21
প্রভু যখন তোমার কাছে তোমার মেষের পালের হিসেব দিতে বলবেন, তখন তুমি কি বলবে? কথা ছিল তুমি তোমার লোকদের ঈশ্বর সম্বন্ধে শিক্ষা দেবে| তোমার নেতাদের তাদের নেতৃত্ব দেবার কথা ছিল| কিন্তু তারা তাদের কাজ করেনি| তাই তোমাকে বেশী দুঃখ যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে| সে যন্ত্রণা হবে একজন মহিলার প্রসব যন্ত্রণার মতো|
22
তুমি হয়তো নিজেকে জিজ্ঞেস করবে, “আমার ক্ষেত্রে এইসব খারাপ ব্যাপারগুলো কেন ঘটল?” তোমার অনেক পাপের জন্য ঐ সব ঘটেছে| তোমার পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং তোমার জুতোকেই নিয়ে চলে গেছে| তারা তোমাকে বিব্রত, বিরক্ত করার জন্যই ওগুলো করেছে|
23
একজন কালো চামড়ার মানুষ কখনও তার গায়ের রক্ত পালটাতে পারে না| এবং চিতাও তার গায়ের দাগ পালটাতে পারে না| সেই রকম ভাবে জেরুশালেম তুমি কোনদিন পালটাবে না এবং ভাল কাজ করতে পারবে না| তুমি সর্বদাই খারাপ কাজ করবে|
24
“আমি তোমাকে জোর করে ঘর ছাড়া করবো| তুমি দিকবিদিক ছোটাছুটি করবে| তুমি ভূষির মতো মরু ঝড়ে উড়ে যাবে|
25
এসবই তোমাদের ভাগ্য়ে ঘটবে| তোমাদের ব্যাপারে আমার এটাই পরিকল্পনা|” এই হল প্রভুর বার্তা| “কেন এটা ঘটবে? কারণ তুমি আমায় ভুলে গিয়েছিলে| তুমি মূর্ত্তিদের বিশ্বাস করেছিলে|
26
জেরুশালেম আমি তোমাকে উলঙ্গ করে ছাড়ব| সবাই তোমাকে দেখবে| তুমি লজ্জিত হবে|
27
তোমার ভয়াবহ কাজ আমি দেখেছি| আমি তোমাকে একজন ব্যাভিচারিণীর মত হাসিমুখে তোমার প্রেমিকদের সঙ্গে যৌনসহবাস করতে দেখেছি| আমি তোমাকে মাঠে-ঘাটে এবং পাহাড় চূড়ায় বেশ্যার মত ব্যবহার করতে দেখেছি| জেরুশালেম! এর জন্য তোমার জীবনে চরম দুর্দিন ঘনিয়ে আসবে| আমি অবাক হয়ে ভাবছি আর কতদিন তুমি এইসব নোংরা পাপ কাজ করে যাবে|”
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52