bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
Jeremiah 17
Jeremiah 17
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 18 →
1
“যিহূদার লোকদের পাপ এক জায়গায় লেখা আছে যেখানে সেইগুলো মোছা যায় না| লোহার কলম দিয়ে এবং ডগায় হীরে দেওয়া কলম দিয়ে ঐ পাপগুলো পাথরের ওপর লেখা হয়েছে| এবং ঐ সব পাথরগুলি হল তাদের হৃদয়| ঐ সব পাপ লেখা হয়েছে তাদের উৎসর্গের বেদীর শৃঙ্গে|
2
তাদের সন্তানরা মনে রাখে সেই উৎসর্গের বেদীর কথা যা মূর্ত্তিসমূহকে উৎসর্গ করা হয়েছিল| তারা মনে রাখে সেই কাঠের খুঁটিগুলিকে যেগুলো উৎসর্গ করা হয়েছিল আশেরাকে| তারা সেই সব জিনিষ মনে রাখে পাহাড় চূড়ায় এবং গাছের নীচে|
3
তারা মনে করবে উন্মুক্ত প্রান্তরে পর্বতের ওপরে কি হয়েছিল| যিহূদার লোকদের প্রচুর ধনসম্পত্তি| আমি এই সব অন্য লোকদের বিলিয়ে দেব| সেই লোকরা তোমাদের দেশে মূর্ত্তিসমূহের সমস্ত উচ্চ স্থানগুলি ধ্বংস করে দেবে| তোমরা সেই সমস্ত জায়গায় পূজা করেছো| এবং সেটা একটা পাপ|
4
আমি তোমাদের যে দেশ দিয়েছিলাম তা তোমরা হারাবে| তোমাদের শত্রুদের আমি তোমাদের দেশ নিয়ে নিতে দেব এবং তোমাদের তাদের দাস হতে দেব এমন এক দেশে যেটা তোমরা জানো না| কারণ আমি ভীষণ রুদ্ধ| আমার রোধ হল গনগনে আগুনের মতো এবং তোমরা সেই আগুনের লেলিহান শিখায় চির দিনের জন্য পুড়ে ছাই হয়ে যাবে|”
5
প্রভু এগুলি বললেন, “যারা অন্যদের বিশ্বাস করে, তাদের জীবনে অমঙ্গল ঘটবে| অন্যদের শক্তির ওপর যারা ভরসা করে থাকে তাদের ক্ষেত্রেও অমঙ্গল ঘটবে| কারণ ঐ লোকরা প্রভুর প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছে|
6
ঐ সমস্ত লোকরা হল জনমানবহীন মরুভূমির কাঁটা ঝোপের মতো| তপ্ত, শুষ্ক এবং অনুর্বর মাটিতেও তারা জন্মায়| সেই সব ঝোপঝাড় জানে না ঈশ্বর কত ভাল জিনিস দিতে পারেন|
7
কিন্তু যে ব্যক্তি প্রভুতে বিশ্বাস রাখবে, সে প্রভুর আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হবে না| কারণ প্রভু তাকে দেখাবেন যে তাঁকে বিশ্বাস করা যায়|
8
এই ব্যক্তি জলের ধারে রোপণ করা গাছের মতো শক্তিশালী হয়ে উঠবে| যে গাছের লম্বা শিকড় জলের সন্ধান পাবে, গ্রীষ্মের সময় সেই গাছ ভীত হবে না| সেই গাছের পাতা সর্বদা সবুজ থাকবে| খরার বছরেও সে নিশ্চিন্ত থাকবে| ফলদান থেকে সে কখনও বিরত থাকবে না|
9
“মানুষের মন খুবই কৌশলপূর্ণ| তার অসুস্থ অবস্থার কোন চিকিৎসা নেই|
10
কিন্তু আমিই প্রভু এবং আমি মানুষের হৃদয়ও পরিষ্কার দেখতে পাই| আমি একজন মানুষের মনকে পরীক্ষা করতে পারি| আমি নির্ধারণ করতে পারি কার কি থাকা উচিৎ| আমি একজন মানুষের কর্মের ফল নির্ধারণ করতে পারি|
11
কখনো কখনো একটা পাখী অন্যের ডিমে তা দিয়ে তাকে ফোটায| ঠিক একই ভাবে একজন মানুষ ঠকায় এবং অন্যের টাকা আত্মসাত্ করে| সেই টাকা সে তার অর্ধেক জীবনে উড়িয়ে দেয়| জীবনের শেষ পর্যাযে সে বুঝতে পারে যে সে কত বড় নির্বোধ|”
12
একদম প্রথম থেকেই আমাদের উপাসনাগৃহে ছিল ঈশ্বরের মহিমান্বিত সিংহাসন| তা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ স্থান|
13
প্রভু আপনিই ইস্রায়েলের আশা| প্রভু আপনি জীবন্ত ঝর্ণার মত| যদি একজন মানুষ আপনার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার জীবন হয়ে যাবে খুবই ছোট|
14
প্রভু, আমাকে সারিয়ে তুলুন এবং আমি সত্যি সত্যিই সেরে উঠব| আমায় রক্ষা করুন, তাহলে আমি সত্যিই রক্ষা পাব| প্রভু, আমি আপনার প্রশংসা করি!
15
যিহূদার লোকরা আমাকে প্রশ্ন করেই চলেছে| তারা বলছে, “যিরমিয়, প্রভুর বার্তার কি হল? আমাদের দেখতে হবে ঐ বার্তা সত্যি হবে|”
16
প্রভু, আমি আপনার কাছ থেকে দৌড়ে পালাই নি বরং আমি আপনাকেই অনুসরণ করে চলেছি| আমি আপনারই ইচ্ছে মতো মেষপালক হয়েছি| আমি কখনোই চাইনি ভয়ঙ্কর দিন আসুক| প্রভু আমি যা বলেছিলাম, তা সব আপনি জানেন| যা ঘটেছে তার সব কিছুই আপনি নিজের চোখে দেখেছেন|
17
প্রভু আমাকে ধ্বংস করবেন না| আমি অশান্তির সময়গুলোতে আপনার ওপরে নির্ভর করে থাকি|
18
লোকরা আমাকে নির্যাতন করছে| ওদের লজ্জিত করুন| কিন্তু আমাকে নিরাশ করবেন না| ঐ মানুষদের ভয় পেতে দিন| কিন্তু আমাকে ভীত করে তুলবেন না| প্রলয়ের সেই ভয়ঙ্কর দিনগুলো আমার শত্রুদের জীবনে আসুক| তাদের চূর্ণ করুন| বারবার তাদের চূর্ণ করুন|
19
প্রভু, আমাকে এই কথাগুলি বললেন: “যিরমিয়, যাও লোকদের ফটকের কাছে গিয়ে দাঁড়াও যেটার মধ্যে দিয়ে যিহূদার রাজা ভেতরে ঢোকে এবং বাইরে যায়| লোকদের আমার বার্তা শোনাও এবং তারপর জেরুশালেমের প্রত্যেকটি ফটকে গিয়ে একই কাজ করো|”
20
ঐ লোকদের বলো: “প্রভুর বার্তা শোন| শোন যিহূদার রাজা এবং যিহূদার সাধারণ মানুষ| এই ফটক দিয়ে জেরুশালেমে যাতায়াত করা প্রত্যেকটি মানুষ আমার কথা শোন!
21
প্রভু এই কথাগুলি বলেছেন: ‘সতর্ক থেকো, তোমরা বিশ্রামের দিনে জেরুশালেমের ফটক দিয়ে কোন মালপত্র নিয়ে যাতায়াত করতে পারবে না|
22
বিশ্রামের দিনে ঘরের মালপত্রও নিয়ে যাতায়াত করতে পারবে না| সেদিন কাজেও যেতে পারবে না| বিশ্রামের দিন তোমরা পবিত্র দিন হিসেবে যাপন করবে| আমি তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও এই আদেশ দিয়েছিলাম|
23
কিন্তু তারা আমার কথা শোনেনি| তোমাদের পূর্বপুরুষরা আমাকে অমান্য করেছিল| তোমাদের পূর্বপুরুষরা ছিল একগুঁয়ে ও জেদী| আমি তাদের শাস্তি দিয়েছিলাম কিন্তু তাতে কোন ফল হয়নি| তারা আমার কোন কথা শোনেনি|
24
কিন্তু তোমরা মন দিয়ে আমার কথা শোন| আমাকে মান্য করো| এই হল প্রভুর বার্তা: বিশ্রামের দিন জেরুশালেমের ফটক দিয়ে কোন মালপত্র বয়ে এনো না| বিশ্রামের দিন কাজ করা বন্ধ রেখো এবং ঐ দিনটি পবিত্র ভাবে কাটাও|
25
“‘যদি তোমরা আমার আদেশ মান্য করো, তাহলে দায়ুদের সিংহাসনে উপবিষ্ট রাজগণ জেরুশালেমের ফটক দিয়ে প্রবেশ করবে| রথে চড়ে, ঘোড়ায় চড়ে বিভিন্ন রাজারা আসবে| যিহূদা এবং জেরুশালেমের নেতারা হবে সেই রাজা এবং জেরুশালেম চিরকালের জন্য বসবাসকারী লোক পাবে|
26
যিহূদা শহর থেকে লোকরা আসবে জেরুশালেমে| জেরুশালেমের আশপাশের ছোট্ট গ্রাম থেকে, বিন্যামীন পরিবারগোষ্ঠীর দেশ থেকে, পশ্চিম পাহাড়ের পাদদেশ থেকে এবং নেগেভ থেকে লোকরা আসবে জেরুশালেমে| ওরা সবাই সঙ্গে নিয়ে আসবে ধুপধূনা, হোমবলি, শস্য নৈবেদ্য| তারা সেই সমস্ত উপহার এবং নৈবেদ্য আনবে প্রভুর উপাসনা গৃহের জন্য|
27
“‘কিন্তু যদি তোমরা আমাকে অমান্য করো এবং আমার কথা না শোন তাহলে অমঙ্গল ঘনিয়ে আসবে| যদি তোমরা বিশ্রামের দিন জেরুশালেমের ফটক দিয়ে বোঝা বহন করো এবং তাকে অপবিত্র করো, তাহলে আমি জেরুশালেমের ফটকগুলোতে আগুন জ্বালিয়ে দেব, সেই আগুন যা নেভানো যায় না| সেই আগুন জেরুশালেমের ফটক থেকে শুরু করে সব কিছু পুড়িয়ে ছাই করে ফেলবে|’”
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 18 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52