bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
Jeremiah 15
Jeremiah 15
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 16 →
1
প্রভু আমাকে বলেছিলেন, “এমন কি যদি মোশি এবং শমূয়েল আমার কাছে যিহূদার লোকদের হয়ে প্রার্থনা করে তাহলেও আমি তাদের প্রতি করুণা করব না, যিরমিয়| যিহূদার লোকদের আমার কাছে আসতে দিও না| ওদের চলে যেতে বলো|
2
ওরা হয়তো তোমাকে জিজ্ঞেস করবে, ‘আমরা কোথায় যাব?’ তুমি ওদের একথা বলো: প্রভু যা বললেন, “‘আমি কিছু লোককে মৃত্যুর জন্য মনোনীত করেছি| তারা মরবে| আমি তরবারি দিয়ে নিহত হবার জন্য কিছু মানুষকে নির্বাচন করেছি| তারা তরবারির আঘাতেই মারা যাবে| আমি কিছু লোককে নির্বাচন করেছি অনাহারে মৃত্যুর জন্য| তারা অনাহারেই মারা যাবে| আমি কিছু লোককে বন্দী করে বিদেশে পাঠাবার জন্য নির্বাচন করেছি, তারা বিদেশে কয়েদীদের মতো বন্দী থাকবে|
3
আমি তাদের বিরুদ্ধে চার ধরণের ধ্বংসকারককে পাঠাব|’ এই হল প্রভুর বার্তা| ‘আমি তরবারি হাতে শত্রুকে পাঠাব তাদের মারতে| আমি সেই মৃতদেহগুলি টেনে নিয়ে যেতে কুকুর পাঠাব| আমি চিল, শকুন এবং বন্য জন্তুদের পাঠাব তাদের মাংস খাওয়ার জন্য|
4
আমি যিহূদার লোকদের ভয়ঙ্কর এক উদাহরণ হিসেবে সারা বিশ্বের সামনে খাড়া করব| যেহেতু যিহূদার রাজা হিষ্কিয়ের পুত্র মনঃশি জেরুশালেমে কুকর্ম করেছিল তাই আমিও যিহূদার সঙ্গে সেই একই জিনিষ করব|’
5
“জেরুশালেম শহর কেউ তোমার জন্য দুঃখ অনুভব করবে না| কেউ দুঃখে তোমার জন্য কেঁদে উঠবে না| এমন কি তুমি কেমন আছো এ কথা জিজ্ঞাসা করবার দায় কারো থাকবে না|
6
জেরুশালেম, তুমি আমায় ছেড়ে চলে গিয়েছিলে|” এই হল প্রভুর বার্তা| “বারবার তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছো| তাই আমি তোমাকে শাস্তি দেব এবং ধ্বংস করব| তোমার শাস্তি পিছোতে পিছোতে আমি ক্লান্ত|
7
যিহূদার লোকদের আমি আমার কাঁটায়ুক্ত দণ্ড দিয়ে তুলে আলাদা করে দেব| শহরের ফটকের সামনে থেকেই তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেব| আমার লোকরা বদলায় নি| তাই আমি তাদের ধ্বংস করব| আমি তাদের ছেলেমেয়েদের সরিয়ে নিয়ে যাব|
8
অনেক স্ত্রী তাদের স্বামীকে হারাবে| সমুদ্রে যত বালি আছে তার থেকেও বেশী সংখ্যার বিধবা সেখানে বাস করবে| আমি দুপুরে বয়ে আনব এক ধ্বংসকর্তাকে| সেই ধ্বংসকর্তা যিহূদার যুবকদের মাকে হত্যা করবে, যিহূদার লোকদের জন্য আমি শুধু ভয় আর যন্ত্রণা বয়ে আনবো| খুব শীঘ্রই আমি এটি ঘটাবো|
9
তাদের শত্রু তরবারি হাতে আক্রমণ করে হত্যা করবে| যিহূদার জীবিত সমস্ত লোককে তারা হত্যা করবে| একজন মায়ের হয়ত সাত জন পুত্র থাকবে, কিন্তু তার সব পুত্রই মারা যাবে| সেই মহিলা শুধু কাঁদতেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়| সে মানসিক ভাবে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে| তার উজ্জ্বল দিনগুলি দুঃখের অন্ধকার গ্রাস করে নেবে|”
10
মা, আমি (যিরমিয়) দুঃখিত যে তুমি আমায় জন্ম দিয়েছো| আমিই হচ্ছি সেই ব্যক্তি যাকে পুরো দেশটিকে অভিযুক্ত ও সমালোচনা করতে হবে| আমি ধারদাতাও নই, ধারগ্রাহকও নই| তবু আমাকে প্রত্যেকে অভিশাপ দিচ্ছে|
11
প্রভু, আমি সত্যিই আপনাকে ভাল ভাবে সেবা করেছি| আমার শত্রুরা যখন আমায় বিপদে ফেলেছিল তখন আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করেছি|
12
“যিরমিয় তুমি জানো যে কেউ লোহাকে চূর্ণ করতে পারে না| এমন কি পিতলকেও নয়| আমি উত্তরের় লোহার কথা বলছি|
13
যিহূদার লোকদের প্রচুর ধনসম্পত্তি আছে| আমি সেই সব সম্পত্তি অন্যদের মধ্যে বিলিয়ে দেব| ঐ লোকদের ঐ সব সম্পত্তি কিনতে হবে না| কেন? কারণ যিহূদার লোকরা অনেক অনেক পাপ করেছে| তারা যিহূদার সর্বত্র পাপ করেছে|
14
যিহূদার লোকরা, তোমাদের আমি তোমাদের শত্রুর কাছে দাস করে রাখবে| অচেনা এক দেশে তোমরা দাসত্ব করবে| আমি প্রচণ্ড রুদ্ধ| আমার রোধ হল তপ্ত আগুনের মতোই এবং তোমরা তাতে পুড়ে মরবে|”
15
প্রভু, আপনি আমাকে বুঝতে পেরেছেন| আমাকে মনে রেখে আমাকে রক্ষা করুন| লোকরা আমাকে আঘাত করে চলেছে| ওদের যোগ্য শাস্তি দিন| ওদের প্রতি আপনি যে ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন তাতে আমি যেন ধ্বংস হয়ে না যাই| আমার সম্বন্ধে ভাবুন| আপনার জন্য যে কষ্ট ও যন্ত্রণা আমি ভোগ করছি সে ব্যাপারে একটু ভাবুন প্রভু|
16
আপনার বার্তা আমার কাছে পৌঁছেছিল| আপনার কথাগুলো আমার কাছে এসেছিল এবং সেগুলি আমি হজম করে ফেললাম| আপনার বার্তা আমাকে খুশী করেছিল| আমাকে আপনার নামে ডাকতে পারবার জন্য আমি খুশী হয়েছিলাম| আপনার নাম হল: “প্রভু সর্বশক্তিমান|”
17
আমি কখনও জনতার সঙ্গে বসিনি| যেহেতু তারা আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছিল| আমি নিজেকে নিয়ে বসেছিলাম, কারণ আপনার প্রভাব আমার ওপর রয়েছে| আমার চারপাশে অসততার জন্যই আপনি আমাকে ক্রোধ দিয়ে ভরে দিয়েছিলেন|
18
আমি বুঝতে পারি না কেন এখনও আমি ব্যাথা বোধ করি| আমি বুঝতে পারি না কেন আমার ক্ষত সেরে ওঠে না| প্রভু, আমার মনে হয় আপনি বদলে গিয়েছেন| আপনি হলেন শুকিয়ে যাওয়া ঝর্ণা| কিংবা হঠাৎ জলের প্রবাহ থেমে যাওয়া একটি ঝর্ণা|
19
তখন প্রভু বলেছিলেন, “যিরমিয়, তুমি নিজেকে বদলিয়ে আমার কাছে ফিরে এসো তাহলে তোমাকে শাস্তি দেব না| তুমি যদি নিজেকে পরিবর্তন করে আমার কাছে ফিরে আস তাহলেই তুমি আমার সেবা করতে পারবে| ঐসব মূল্যহীন কথা না বলে যদি তুমি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে পারো তবেই তুমি আমার হয়ে কথা বলতে পারবে| যিহূদার লোকদের নিজেদের বদলে ফেলে তোমার কাছে ফিরে আসতে হবে যিরমিয়| কিন্তু তুমি নিজেকে তাদের মতো করে বদলিও না|
20
আমি তোমাকে এমন শক্তিশালী করে তুলব যে লোকে ভাববে তুমি পিতলের দেওয়ালের মতো কঠিন| যিহূদার লোকেরা তোমার সঙ্গে যুদ্ধ করলেও তোমাকে ওরা পরাজিত করতে পারবে না| কারণ আমি তোমার সঙ্গে আছি| আমি তোমাকে সাহায্য করব| আমিই তোমাকে রক্ষা করব|” এই হল প্রভুর বার্তা|
21
“আমি তোমাকে ঐসব দুষ্ট লোকদের হাত থেকে রক্ষা করব| ওরা তোমাকে ভয় দেখাবে| কিন্তু আমি তোমাকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করবো|”
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 16 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52