bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Acts 2
Acts 2
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 3 →
1
এর কিছু দিন পরে পঞ্চাশত্তমী-ঈদের দিনে সাহাবীরা এক জায়গায় মিলিত হলেন।
2
তখন হঠাৎ আসমান থেকে জোর বাতাসের শব্দের মত একটা শব্দ আসল এবং যে ঘরে তাঁরা ছিলেন সেই শব্দে সেই ঘরটা পূর্ণ হয়ে গেল।
3
সাহাবীরা দেখলেন আগুনের জিভের মত কি যেন ছড়িয়ে গেল এবং সেগুলো তাঁদের প্রত্যেকের উপর এসে বসল।
4
তাতে তাঁরা সবাই পাক-রূহে পূর্ণ হলেন এবং সেই রূহ্ যাঁকে যেমন কথা বলবার শক্তি দিলেন সেই অনুসারে তাঁরা ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় কথা বলতে লাগলেন।
5
সেই সময় দুনিয়ার নানা দেশ থেকে আল্লাহ্ভক্ত ইহুদী লোকেরা এসে জেরুজালেমে বাস করছিল।
6
তারা সেই শব্দ শুনল এবং অনেকেই সেখানে জমায়েত হল। নিজের নিজের ভাষায় সাহাবীদের কথা বলতে শুনে সেই লোকেরা যেন বুদ্ধিহারা হয়ে গেল।
7
তারা খুব আশ্চর্য হয়ে বলল, “এই যে লোকেরা কথা বলছে, এরা কি সবাই গালীলের লোক নয়?
8
যদি তা-ই হয় তাহলে আমরা প্রত্যেকে কি করে নিজের নিজের মাতৃভাষা ওদের মুখে শুনছি?
9
পার্থীয়, মিডীয়, এলমীয় লোক এবং মেসোপটেমিয়ায় বাসকারী লোকেরা, এহুদিয়া ও কাপ্পাদকিয়া, পন্ত ও এশিয়া প্রদেশ,
10
ফরুগিয়া ও পাম্ফুলিয়া, মিসর ও কুরীণীর কাছাকাছি লিবিয়ার কয়েকটা জায়গার লোকেরা, রোম শহর থেকে যে ইহুদীরা ও ইহুদী ধর্মে ঈমানদার অ-ইহুদীরা এসেছে তারা,
11
ক্রীট দ্বীপের লোকেরা ও আরবীয়রা- আমরা সকলেই তো আমাদের নিজের নিজের ভাষায় আল্লাহ্র মহৎ কাজের কথা ওদের বলতে শুনছি।”
12
তাঁরা আশ্চর্য ও বুদ্ধিহারা হয়ে একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন, “এর মানে কি?”
13
আবার অন্যেরা সাহাবীদের ঠাট্টা করে বললেন, “ওরা মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে।”
14
তখন পিতর সেই এগারোজন সাহাবীদের সংগে দাঁড়িয়ে জোরে সেই সব লোকদের বললেন, “ইহুদী লোকেরা আর যাঁরা আপনারা জেরুজালেমে বাস করছেন, আপনারা জেনে রাখুন এবং মন দিয়ে আমার কথা শুনুন।
15
আপনারা মনে করেছেন এরা মাতাল হয়েছে, কিন্তু তা নয়; কারণ এখন তো মাত্র সকাল ন’টা।
16
এটা সেই ঘটনার মত যার কথা নবী যোয়েল বলেছিলেন যে, আল্লাহ্ বলছেন,
17
‘শেষকালে সব লোকের উপরে আমি আমার রূহ্ ঢেলে দেব; তাতে তোমাদের ছেলেরা ও মেয়েরা নবী হিসাবে আল্লাহ্র কালাম বলবে, তোমাদের যুবকেরা দর্শন পাবে, তোমাদের বুড়ো লোকেরা স্বপ্ন দেখবে।
18
এমন কি, সেই সময়ে আমার গোলাম ও বাঁদীদের উপরে আমি আমার রূহ্ ঢেলে দেব, আর তারা নবী হিসাবে আল্লাহ্র কালাম বলবে।
19
আমি উপরে আসমানে আশ্চর্য আশ্চর্য ঘটনা দেখাব, আর নীচে দুনিয়াতে নানা রকম চিহ্ন দেখাব, অর্থাৎ রক্ত, আগুন ও প্রচুর ধোঁয়া দেখাব।
20
মাবুদের সেই মহৎ ও মহিমাপূর্ণ দিন আসবার আগে সূর্য অন্ধকার হয়ে যাবে ও চাঁদ রক্তের মত হবে।
21
রক্ষা পাবার জন্য যে কেউ মাবুদকে ডাকবে সে রক্ষা পাবে।’
22
“বনি-ইসরাইলরা, এই কথা শুনুন। নাসরতের ঈসার মধ্য দিয়ে আল্লাহ্ আপনাদের মধ্যে মহৎ কাজ, চিহ্ন ও কুদরতি কাজ করে আপনাদের কাছে প্রমাণ করেছিলেন যে, তিনি ঈসাকে পাঠিয়েছিলেন; আর এই কথা তো আপনারা জানেন।
23
আল্লাহ্, যিনি আগেই সব জানেন, তিনি আগেই ঠিক করেছিলেন যে, ঈসাকে আপনাদের হাতে দেওয়া হবে। আর আপনারাও দুষ্ট লোকদের দ্বারা তাঁকে ক্রুশের উপরে হত্যা করেছিলেন।
24
কিন্তু আল্লাহ্ মৃত্যুর যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করে তাঁকে জীবিত করে তুলেছেন, কারণ তাঁকে ধরে রাখবার সাধ্য মৃত্যুর ছিল না।
25
নবী দাউদ তাঁর বিষয়ে বলেছেন, ‘আমার চোখ সব সময় মাবুদের দিকে আছে; তিনি আমার ডান পাশে আছেন বলে আমি স্থির থাকব।
26
এইজন্য আমার মন খুশীতে ভরা, আমার জিভ্ আনন্দের কথা বলে, আমার শরীরও আশা নিয়ে বাঁচবে;
27
কারণ তুমি আমাকে কবরে ফেলে রাখবে না, তোমার ভক্তের শরীরকে তুমি নষ্ট হতে দেবে না।
28
জীবনের পথ তুমি আমাকে জানিয়েছ; তোমার কাছে থাকায় আছে পরিপূর্ণ আনন্দ।’
29
“ভাইয়েরা, এই কথা আমি নিশ্চয় করে বলতে পারি যে, রাজবংশের পিতা দাউদ মারা গেছেন, তাঁকে দাফন করা হয়েছে আর তাঁর কবর আজও এখানে রয়েছে।
30
তিনি একজন নবী ছিলেন এবং তিনি জানতেন আল্লাহ্ কসম খেয়ে এই ওয়াদা করেছেন যে, তাঁর সিংহাসনে তাঁরই একজন বংশধরকে তিনি বসাবেন।
31
পরে কি হবে তা দাউদ দেখতে পেয়েছিলেন বলে মৃত্যু থেকে মসীহের আবার জীবিত হয়ে ওঠা সম্বন্ধে বলেছিলেন যে, কবরে মসীহ্কে ফেলে রাখা হয় নি এবং তাঁর শরীরও নষ্ট হয় নি।
32
আল্লাহ্ সেই ঈসাকেই জীবিত করে তুলেছেন, আর আমরা সবাই তার সাক্ষী।
33
আল্লাহ্র ডান দিকে বসবার গৌরব তাঁকেই দান করা হয়েছে এবং ওয়াদা করা পাক-রূহ্কে তিনিই পিতার কাছ থেকে পেয়েছেন; আর এখন আপনারা যা দেখছেন ও শুনতে পাচ্ছেন তা ঈসাই দিয়েছেন।
34
দাউদ নিজে বেহেশতে যান নি, কিন্তু তিনি বলেছেন, ‘মাবুদ আমার প্রভুকে বললেন, যতক্ষণ না আমি তোমার শত্রুদের তোমার পায়ের তলায় রাখি ততক্ষণ তুমি আমার ডান দিকে বস।’
36
“এইজন্য সমস্ত ইসরাইল জাতি এই কথা নিশ্চিত ভাবে জানুন যে, যাঁকে আপনারা ক্রুশের উপরে হত্যা করেছিলেন আল্লাহ্ সেই ঈসাকেই প্রভু এবং মসীহ্- এই দুই পদেই নিযুক্ত করেছেন।”
37
এই কথা শুনে লোকেরা মনে আঘাত পেল। তারা পিতর ও অন্য সাহাবীদের জিজ্ঞাসা করল, “ভাইয়েরা, আমরা কি করব?”
38
জবাবে পিতর বললেন, “আপনারা প্রত্যেকে গুনাহের মাফ পাবার জন্য তওবা করুন এবং ঈসা মসীহের নামে তরিকাবন্দী গ্রহণ করুন। আপনারা দান হিসাবে পাক-রূহ্কে পাবেন।
39
আপনাদের জন্য, আপনাদের ছেলেমেয়েদের জন্য এবং যারা দূরে আছে, এক কথায় আমাদের মাবুদ আল্লাহ্ তাঁর নিজের বান্দা হবার জন্য যাদের ডাকবেন, তাদের সকলের জন্য এই ওয়াদা করা হয়েছে।”
40
এছাড়া আরও অনেক কথা বলে পিতর সাক্ষ্য দিতে লাগলেন। তিনি তাদের এই বলে বুঝাতে চেষ্টা করলেন, “এই যুগের বিবেকহীন লোকদের থেকে নিজেদের রক্ষা করুন।”
41
যারা তাঁর কথায় ঈমান আনল তারা তরিকাবন্দী নিল এবং সাহাবীদের দলের সংগে সেই দিন আল্লাহ্ কমবেশ তিন হাজার লোককে যুক্ত করলেন।
42
সেই লোকেরা সাহাবীদের শিক্ষা শুনত, তাঁদের সংগে এক হয়ে মসীহের মেজবানী গ্রহণ করত এবং মুনাজাত করে সময় কাটাত।
43
সবাই ভয়ে পূর্ণ হল, আর সাহাবীরা অনেক অলৌকিক কাজ ও চিহ্ন-কাজ করতে লাগলেন।
44
সব ঈমানদারই একসংগে থাকত ও সব কিছু যার যার দরকার মত ব্যবহার করত।
45
তারা নিজেদের বিষয়-সম্পত্তি বিক্রি করে যার যেমন দরকার সেইভাবে তাকে দিত।
46
তারা প্রত্যেক দিন বায়তুল-মোকাদ্দসে একসংগে মিলিত হত, আর ভিন্ন ভিন্ন বাড়ীতে আনন্দের সংগে ও সরল মনে একসংগে খাওয়া-দাওয়া করত।
47
তারা সব সময় আল্লাহ্র প্রশংসা করত এবং সব লোক তাদের সম্মান করত। যারা নাজাত পাচ্ছিল প্রভু ঈমানদার দলের সংগে প্রত্যেক দিনই তাদের যোগ করতে লাগলেন।
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 3 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28