bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Acts 8
Acts 8
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 7
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 9 →
1
শৌল সেখানে স্তিফানের খুনের পক্ষে সায় দিচ্ছিলেন। সেই দিন জেরুজালেমের ঈসায়ী জামাতের লোকদের উপর ভীষণ জুলুম শুরু হল। তাতে সাহাবীরা ছাড়া বাকী সব ঈমানদারেরা এহুদিয়া ও সামেরিয়া প্রদেশের সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ল।
2
কয়েকজন আল্লাহ্ভক্ত লোক স্তিফানকে দাফন করলেন এবং তাঁর জন্য খুব বিলাপ করলেন।
3
কিন্তু শৌল সেই জামাতকে ধ্বংস করবার চেষ্টায় ঘরে ঘরে গিয়ে সেই জামাতের পুরুষ ও স্ত্রীলোকদের টেনে এনে জেলে দিতে লাগলেন।
4
যে ঈমানদারেরা ছড়িয়ে পড়েছিল তারা চারদিকে গিয়ে মসীহের সুসংবাদের কথা তবলিগ করতে লাগল।
5
সেই সময় ফিলিপ সামেরিয়া প্রদেশের একটা শহরে গিয়ে মসীহের বিষয় তবলিগ করলেন।
6
লোকেরা তাঁর কথা শুনে এবং তিনি যে সব অলৌকিক চিহ্ন-কাজ করছিলেন তা দেখে তাঁর কথা মন দিয়ে শুনল।
7
অনেকের মধ্য থেকে ভূত চিৎকার করে বের হয়ে গেল এবং অনেক অবশ রোগী ও খোঁড়া সুস্থ হল।
8
তাতে সেই শহরের লোকেরা খুব আনন্দিত হল।
9
সেই শহরে শিমোন নামে একজন লোক অনেক দিন থেকেই জাদু দেখাচ্ছিল। তাতে সামেরিয়ার সব লোক আশ্চর্য হয়েছিল।
10
সে নিজেকে একজন বিশেষ লোক বলে দাবি করত, আর ধনী-গরীব সবাই তার কথায় কান দিত। লোকে বলত, “আল্লাহ্র যে কুদরতকে মহৎ কুদরত বলা হয় এই লোকটিই সেই কুদরত।”
11
লোকে তার কথামত চলত, কারণ অনেক দিন ধরেই সে তার জাদু দেখিয়ে তাদের আশ্চর্য করেছিল।
12
কিন্তু ফিলিপ যখন আল্লাহ্র রাজ্য ও ঈসা মসীহের বিষয়ে সুসংবাদ তবলিগ করলেন তখন লোকেরা তাঁর কথায় ঈমান আনল এবং পুরুষ ও স্ত্রীলোকেরা তরিকাবন্দী নিতে লাগল।
13
সেই শিমোনও ঈমান এনে তরিকাবন্দী নিল, আর সে ফিলিপের পিছনে পিছনে সব জায়গায় গেল এবং চিহ্ন-কাজ ও বড় বড় অলৌকিক কাজ দেখে অবাক হল।
14
জেরুজালেমের সাহাবীরা যখন শুনলেন যে, সামেরিয়ার লোকেরা আল্লাহ্র কালামের উপর ঈমান এনেছে তখন তাঁরা পিতর ও ইউহোন্নাকে সেই লোকদের কাছে পাঠালেন।
15
পিতর ও ইউহোন্না এসে তাদের জন্য মুনাজাত করলেন যেন তারা পাক-রূহ্ পায়,
16
কারণ তখনও তাদের উপর পাক-রূহ্ আসেন নি; কেবল হযরত ঈসার নামে তাদের তরিকাবন্দী হয়েছিল।
17
তখন পিতর ও ইউহোন্না তাদের উপর হাত রাখলেন, আর তারা পাক-রূহ্ পেল।
18
যখন শিমোন দেখল যে, সাহাবীদের হাত রাখবার মধ্য দিয়ে পাক-রূহ্কে দেওয়া হল তখন সে তাঁদের কাছে টাকা এনে বলল,
19
“আমাকেও এই শক্তি দিন যেন আমি কারও উপরে হাত রাখলে সে পাক-রূহ্ পায়।”
20
তখন পিতর তাকে বললেন, “তোমার টাকা তোমার সংগেই ধ্বংস হোক, কারণ তুমি মনে করেছ আল্লাহ্র দান টাকা দিয়ে কেনা যায়।
21
আমাদের এই কাজে তোমার কোন ভাগ বা অধিকার নেই, কারণ আল্লাহ্র চোখে তোমার দিল ঠিক নয়।
22
এই খারাপী থেকে তুমি তওবা কর ও মাবুদের কাছে মুনাজাত কর; তাহলে তোমার মনের এই খারাপ চিন্তা হয়তো তিনি মাফও করতে পারেন।
23
আমি দেখতে পাচ্ছি, তোমার মন লোভে ভরা এবং তুমি গুনাহের কাছে বন্দী হয়ে আছ।”
24
তখন শিমোন বলল, “আপনারাই মাবুদের কাছে আমার জন্য দোয়া করুন যেন আপনারা যা বললেন তা আমার উপর না ঘটে।”
25
এর পরে পিতর ও ইউহোন্না প্রভুর বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়ে ও তাঁর কালাম তবলিগ করে জেরুজালেমে ফিরে গেলেন। যাবার পথে তাঁরা সামেরীয়দের অনেক গ্রামে সুসংবাদ তবলিগ করলেন।
26
একদিন মাবুদের একজন ফেরেশতা ফিলিপকে বললেন, “ওঠো, দক্ষিণ দিকের যে পথ জেরুজালেম থেকে গাজা শহরের দিকে গেছে সেই পথে যাও।” পথটা ছিল মরুভূমির মধ্যে।
27
তখন ফিলিপ সেই দিকে গেলেন। পথে ইথিওপিয়া দেশের একজন বিশেষ রাজকর্মচারীর সংগে তাঁর দেখা হল। সেই কর্মচারী ছিলেন খোজা। ইথিওপিয়ার কান্দাকী রাণীর ধনরত্নের দেখাশোনা করবার ভার ছিল এই লোকটির উপর। আল্লাহ্র এবাদত করবার জন্য সেই কর্মচারী জেরুজালেমে গিয়েছিলেন।
28
বাড়ী ফিরবার পথে তিনি রথে বসে নবী ইশাইয়ার কিতাবখানা তেলাওয়াত করছিলেন।
29
তখন পাক-রূহ্ ফিলিপকে বললেন, “ঐ রথের কাছে যাও এবং তার সংগে সংগে চল।”
30
এতে ফিলিপ দৌড়ে সেই রথের কাছে গেলেন এবং শুনতে পেলেন লোকটি নবী ইশাইয়ার কিতাবখানা তেলাওয়াত করছেন। ফিলিপ তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনি যা তেলাওয়াত করছেন তা বুঝতে পারছেন কি?”
31
সেই কর্মচারী বললেন, “কেউ বুঝিয়ে না দিলে কেমন করে বুঝতে পারব?” তিনি ফিলিপকে রথে উঠে তাঁর কাছে বসতে অনুরোধ করলেন।
32
সেই কর্মচারী পাক-কিতাবের যে অংশটুকু তেলাওয়াত করছিলেন তা এই: জবাই করবার জন্য যেমন ভেড়া নেওয়া হয়, তেমনি তাঁকে নেওয়া হল। লোম ছাঁটাইকারীর সামনে ভেড়ার বাচ্চা যেমন চুপ করে থাকে, তেমনি তিনি মুখ খুললেন না।
33
তিনি অপমানিত হলেন, তাঁর উপর ন্যায়বিচার করা হয় নি। তাঁর বংশের কথা বলা সম্ভব নয়, কারণ তাঁর জীবন এই দুনিয়া থেকে নিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
34
সেই কর্মচারী ফিলিপকে বললেন, “বলুন না, নবী কার বিষয়ে এই কথা বলেছেন? নিজের বিষয়ে, না অন্য কারও বিষয়ে?”
35
তখন ফিলিপ পাক-কিতাবের সেই অংশ থেকে শুরু করে তাঁর কাছে ঈসার বিষয়ে সুসংবাদ তবলিগ করলেন।
36
পথে যেতে যেতে তাঁরা এমন এক জায়গায় আসলেন যেখানে পানি ছিল। তখন সেই কর্মচারীটি বললেন, “এই দেখুন, এখানে পানি আছে; আমার তরিকাবন্দী নেবার বাধা কি আছে?”
38
তিনি রথ থামাতে বললেন। তার পরে ফিলিপ এবং সেই কর্মচারী পানির মধ্যে নামলেন ও ফিলিপ তাঁকে তরিকাবন্দী দিলেন।
39
যখন তাঁরা পানি থেকে উঠে আসলেন তখন মাবুদের রূহ্ হঠাৎ ফিলিপকে নিয়ে গেলেন। সেই কর্মচারী আর তাঁকে দেখতে পেলেন না। তখন তিনি আনন্দ করতে করতে বাড়ীর পথে চললেন।
40
ফিলিপকে কিন্তু অস্দোদ শহরে দেখতে পাওয়া গেল। তিনি গ্রামে গ্রামে সুসংবাদ তবলিগ করতে করতে শেষে সিজারিয়াতে গেলেন।
← Chapter 7
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 9 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28