bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Acts 5
Acts 5
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 6 →
1
তখন অননিয় নামে একজন লোক ও তার স্ত্রী সাফীরা একটা সম্পত্তি বিক্রি করল।
2
তার স্ত্রীর জানামতেই বিক্রির টাকার কিছু অংশ সে নিজের জন্য রেখে বাকী টাকা সাহাবীদের দিল।
3
তখন পিতর বললেন, “অননিয়, কি করে শয়তান তোমার মন এমনভাবে অধিকার করল যে, তুমি পাক-রূহের কাছে মিথ্যা কথা বললে এবং জমি বিক্রির টাকা থেকে কিছু টাকা নিজের জন্য রেখে দিলে?
4
বিক্রির আগে জমিটা কি তোমারই ছিল না? আর বিক্রির পরেও কি টাকাগুলো তোমার হাতেই ছিল না? তবে তুমি কেন এমন কাজ করবে বলে ঠিক করলে? তুমি মানুষের কাছে মিথ্যা বল নি, কিন্তু আল্লাহ্র কাছে মিথ্যা কথা বলেছ।”
5
এই কথা শোনামাত্র অননিয় মাটিতে পড়ে মারা গেল। এই ঘটনার কথা যারা শুনল তারা সবাই ভীষণ ভয় পেল।
6
পরে যুবকেরা উঠে তার গায়ে কাফন দিয়ে জড়াল এবং বাইরে নিয়ে গিয়ে তাকে দাফন করল।
7
এর প্রায় তিন ঘণ্টা পরে অননিয়ের স্ত্রী সেখানে আসল, কিন্তু কি ঘটেছে তা সে জানত না।
8
তখন পিতর তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “বল দেখি, তুমি আর অননিয় সেই জমিটা কি এত টাকাতে বিক্রি করেছিলে?” সে বলল, “জ্বী, এত টাকাতেই।”
9
তখন পিতর তাকে বললেন, “মাবুদের রূহ্কে পরীক্ষা করবার জন্য কেন তোমরা একমত হলে? দেখ, যে লোকেরা তোমার স্বামীকে দাফন করেছে তারা দরজার কাছে এসে পৌঁছেছে, আর তারা তোমাকেও বাইরে নিয়ে যাবে।”
10
সাফীরা তখনই পিতরের পায়ের কাছে পড়ে মারা গেল। আর ঐ যুবকেরা ভিতরে এসে তাকে মৃত অবস্থায় দেখল এবং তাকে বাইরে নিয়ে গিয়ে তার স্বামীর পাশে দাফন করল।
11
তখন জামাতের সব লোক এবং অন্য যারা সেই কথা শুনল সবাই ভীষণ ভয় পেল।
12
সাহাবীরা লোকদের মধ্যে অনেক কুদরতি ও চিহ্ন-কাজ কাজ করতেন; আর ঈমানদারেরা সবাই বায়তুল-মোকাদ্দসের সোলায়মানের বারান্দায় একসংগে মিলিত হত।
13
যদিও লোকেরা তাদের খুব সম্মান করত তবুও আর কেউ তাদের সংগে যোগ দিতে সাহস করল না।
14
তাহলেও অনেক পুরুষ ও স্ত্রীলোক প্রভুর উপর ঈমান আনল এবং ঈমানদার দলের সংগে যুক্ত হল।
15
সাহাবীরা যা করছিলেন তা দেখে লোকেরা খাটের উপরে ও মাদুরের উপরে করে রোগীদের এনে রাস্তায় রাস্তায় রাখতে লাগল, যেন রাস্তা দিয়ে যাবার সময় পিতরের ছায়াটুকু অন্ততঃ তাদের কারও কারও উপরে পড়ে।
16
জেরুজালেমের আশেপাশের গ্রামগুলো থেকে অনেক লোক তাদের রোগীদের এবং ভূতের হাতে কষ্ট-পাওয়া লোকদের এনে ভিড় করতে লাগল, আর তারা সবাই সুস্থ হল।
17
তখন মহা-ইমাম ও তাঁর সংগের সদ্দূকী দলের লোকেরা হিংসায় জ্বলে উঠলেন।
18
তাঁরা সাহাবীদের ধরে সরকারী জেলে দিলেন।
19
কিন্তু রাতের বেলায় মাবুদের একজন ফেরেশতা জেলের দরজাগুলো খুলে তাঁদের বাইরে এনে বললেন,
20
“যাও, বায়তুল-মোকাদ্দসে দাঁড়িয়ে লোকদের কাছে অনন্ত জীবন সম্বন্ধে সমস্ত কথা বল।”
21
তাঁরা সেই কথামত খুব ভোরে বায়তুল-মোকাদ্দসে ঢুকে লোকদের শিক্ষা দিতে লাগলেন। এদিকে মহা-ইমাম ও তাঁর সংগের সদ্দূকীরা মহাসভা ডাকলেন, অর্থাৎ ইসরাইলীয় বৃদ্ধ নেতাদের গোটা দলটিকে ডাকলেন। তারপর তাঁরা সাহাবীদের নিয়ে আসবার জন্য কয়েকজন কর্মচারী পাঠালেন,
22
কিন্তু সেই কর্মচারীরা জেলখানায় গিয়ে সেখানে তাঁদের পেল না।
23
তখন তারা ফিরে গিয়ে এই খবর দিল, “আমরা দেখলাম জেলের দরজায় শক্ত করেই তালা দেওয়া আছে এবং দরজায় দরজায় পাহারাদার দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দরজা খুলে কাউকেই ভিতরে দেখতে পেলাম না।”
24
এই কথা শুনে বায়তুল-মোকাদ্দসের প্রধান কর্মচারী ও প্রধান ইমামেরা বুদ্ধিহারা হয়ে ভাবতে লাগলেন এর ফল কি হবে।
25
তখন একজন লোক এসে বলল, “দেখুন, যে লোকদের আপনারা জেলে দিয়েছিলেন তারা বায়তুল-মোকাদ্দসে দাঁড়িয়ে লোকদের শিক্ষা দিচ্ছে।”
26
তখন প্রধান কর্মচারী তাঁর অধীন কর্মচারীদের নিয়ে গিয়ে সাহাবীদের ধরে আনলেন। কিন্তু লোকেরা সেই কর্মচারীদের পাথর মারতে পারে সেই ভয়ে তারা সাহাবীদের উপর কোন জবরদস্তি করে নি।
27
সাহাবীদের এনে তারা মহাসভার সামনে দাঁড় করাল। তখন মহা-ইমাম সাহাবীদের বললেন,
28
“ঐ লোকের বিষয় শিক্ষা না দেবার জন্য আমরা তোমাদের কড়া হুকুম দিয়েছিলাম, কিন্তু তোমরা তোমাদের শিক্ষায় জেরুজালেম পূর্ণ করেছ এবং সেই লোকের মৃত্যুর জন্য আমাদের দায়ী করতে চাইছ।”
29
তখন পিতর এবং অন্য সাহাবীরা জবাব দিলেন, “মানুষের হুকুম পালন করবার চেয়ে বরং আল্লাহ্র হুকুমই আমাদের পালন করা উচিত।
30
যাঁকে আপনারা ক্রুশে টাংগিয়ে হত্যা করেছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষদের আল্লাহ্ সেই ঈসাকেই মৃত্যু থেকে জীবিত করে তুলেছেন।
31
আল্লাহ্ তাঁকেই বাদশাহ্ ও নাজাতদাতা হিসাবে নিজের ডান পাশে বসবার গৌরব দান করেছেন, যাতে তিনি বনি-ইসরাইলদের তওবা করবার সুযোগ দিয়ে গুনাহের মাফ দান করতে পারেন।
32
আমরা এই সবের সাক্ষী এবং যারা আল্লাহ্র বাধ্য হয়, আল্লাহ্ তাদের যে পাক-রূহ্ দিয়েছেন সেই পাক-রূহ্ও তার সাক্ষী।”
33
এই কথা শুনে সেই নেতারা রেগে আগুন হয়ে গেলেন এবং সাহাবীদের হত্যা করতে চাইলেন,
34
কিন্তু গমলীয়েল নামে ফরীশী দলের একজন লোক মহাসভার মধ্যে উঠে দাঁড়ালেন। তিনি একজন আলেম ছিলেন এবং সবাই তাঁকে সম্মান করত। তিনি সাহাবীদের কিছুক্ষণের জন্য বাইরে রাখতে হুকুম দিলেন।
35
তার পরে তিনি মহাসভার লোকদের বললেন, “বনি-ইসরাইলরা, এই লোকদের উপরে তোমরা যা করতে যাচ্ছ সেই বিষয়ে সাবধান হও।
36
এই তো কিছু দিন আগে থুদা নামে একজন লোক এসে নিজেকে বিশেষ একজন বলে দাবি করেছিল, আর কমবেশ চারশো লোক তার সংগে যোগ দিয়েছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং তার সব সংগীরা ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তার সব কিছুই বিফল হয়েছে।
37
তারপর আদমশুমারীর সময়ে গালীলের এহুদা এসে এক দল লোককে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। সেও মারা গেছে, আর তার সংগীরাও সবাই ছড়িয়ে পড়েছে।
38
সেইজন্য এই অবস্থায় আমি তোমাদের বলছি, তোমরা এই লোকদের উপর কিছু কোরো না। এদের ছেড়ে দাও, কারণ এদের উদ্দেশ্য ও কাজকর্ম যদি মানুষ থেকে হয়ে থাকে তবে তা ধ্বংস হবে।
39
কিন্তু যদি আল্লাহ্ থেকে হয়ে থাকে তবে তোমরা এদের থামাতে পারবে না। হয়তো দেখবে তোমরা আল্লাহ্র বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করছ।”
40
তখন গমলীয়েলের কথায় নেতারা একমত হলেন। তাঁরা সাহাবীদের ভিতরে ডেকে এনে বেত মারতে হুকুম দিলেন। তার পরে তাঁরা তাঁদের ছেড়ে দিলেন এবং হুকুম দিলেন যেন তাঁরা ঈসার বিষয়ে কোন কথা না বলেন।
41
এতে ঈসার নামের জন্য সাহাবীরা যে অপমান ভোগ করবার যোগ্য হয়েছেন সেইজন্য আনন্দ করতে করতে তাঁরা মহাসভা ছেড়ে চলে গেলেন।
42
তাঁরা প্রত্যেক দিন বায়তুল-মোকাদ্দসে এবং বাড়ী বাড়ী গিয়ে শিক্ষা দিতে লাগলেন এবং ঈসাই যে মসীহ্ এই সুসংবাদ তবলিগ করতে থাকলেন।
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 6 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28