bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Jeremiah 15
Jeremiah 15
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 16 →
1
তখন মাবুদ আমাকে বললেন, “মূসা ও শামুয়েলও যদি আমার সামনে এসে দাঁড়ায় তবুও আমার দিল এই লোকদের জন্য নরম হবে না। আমার সামনে থেকে তুমি এদের বিদায় কর; তারা চলে যাক।
2
আর যদি তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, ‘আমাদের কি হবে?’ তবে তাদের বলবে, ‘মাবুদ এই কথা বলছেন যে, মৃত্যুর জন্য যারা নির্দিষ্ট হয়ে আছে তাদের মৃত্যু হবে; তলোয়ারের জন্য যারা নির্দিষ্ট হয়ে আছে তারা যুদ্ধে মারা যাবে; দুর্ভিক্ষের জন্য যারা নির্দিষ্ট হয়ে আছে তারা দুর্ভিক্ষে মারা যাবে; আর বন্দী হবার জন্য যারা নির্দিষ্ট হয়ে আছে তারা বন্দী হবে।’ ”
3
মাবুদ বলছেন, “আমি তাদের বিরুদ্ধে চার রকম ধ্বংসকারীকে পাঠিয়ে দেব। সেগুলো হল, হত্যা করবার জন্য তলোয়ার, টেনে নিয়ে যাবার জন্য কুকুর, খেয়ে ফেলবার ও ধ্বংস করবার জন্য আকাশের পাখী ও বনের পশু।
4
এহুদার বাদশাহ্ হিষ্কিয়ের ছেলে মানশা জেরুজালেমে যা করেছে তার জন্য আমি যে শাস্তি দেব তা দেখে দুনিয়ার সব রাজ্যের লোকেরা ভয় পাবে।
5
“হে জেরুজালেম, কে তোমার উপর দয়া করবে? কে তোমার জন্য শোক করবে? তুমি কেমন আছ তা জিজ্ঞাসা করবার জন্য কে আসবে?
6
আমি মাবুদ বলছি যে, তুমি আমাকে ত্যাগ করেছ, তুমি উল্টা পথে গিয়েছ। সেইজন্য আমি তোমার দিকে হাত বাড়িয়ে তোমাকে ধ্বংস করব; আমি আর মমতা করতে পারি না।
7
দেশের শহর-দরজার কাছে আমি কুলায় করে তোমার লোকদের ঝাড়ব। আমার বান্দাদের উপর আমি সন্তানের মৃত্যুর শোক আনব ও তাদের ধ্বংস করব, কারণ নিজেদের পথ থেকে তারা ফেরে নি।
8
তাদের বিধবাদের সংখ্যা আমি সমুদ্রের বালির চেয়েও বেশী করব। তুমি তো যোদ্ধাদের মা, তোমার লোকদের বিরুদ্ধে দুপুরবেলায় আমি একজন ধ্বংসকারীকে আনব; আমি তাদের উপর হঠাৎ যন্ত্রণা ও ভয় আনব।
9
সাত সন্তানের মা দুর্বল হয়ে লজ্জিত ও অপমানিত অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ফেলবে। সময় থাকতেই তার জীবনের সূর্য ডুবে যাবে। যারা বেঁচে থাকবে তাদেরও আমি শত্রুদের তলোয়ারের সামনে দেব। আমি মাবুদ এই কথা বলছি।”
10
হায়! হায়! মা আমার, তুমি কেন আমাকে জন্ম দিয়েছ, যার সংগে গোটা দেশটা ঝগড়া ও লড়াই করে? আমি ধার দিই নি কিংবা কেউ আমাকে ধারও দেয় নি, তবুও প্রত্যেকে আমাকে বদদোয়া দেয়।
11
মাবুদ বললেন, “একটা উপকারের উদ্দেশ্যে আমি নিশ্চয় তোমাকে রেহাই দেব। আমি এমন অবস্থা সৃষ্টি করব যার ফলে বিপদ ও দুর্দশার সময়ে তোমার শত্রুরা অবশ্য তোমার কাছে এসে মিনতি করবে।
12
“কোন লোক কি উত্তর দেশের লোহা বা ব্রোঞ্জ ভেংগে ফেলতে পারে?
13
হে এহুদা, সারা দেশের মধ্যে তোমার সমস্ত গুনাহের দরুন আমি তোমার ধন ও ধনভাণ্ডারের জিনিসপত্র বিনামূল্যে লুটের মাল হিসাবে দেব।
14
যে দেশের কথা তুমি জান না সেই দেশে আমি তোমাকে তোমার শত্রুদের গোলাম করব, কারণ আমার গজবের আগুন জ্বলে উঠে তোমার উপর জ্বলতে থাকবে।”
15
হে মাবুদ, তুমি তো সবই বুঝতে পার; কাজেই আমার কথা স্মরণ কর ও আমার প্রতি মনোযোগ দাও। আমার জুলুমবাজদের উপর তুমিই প্রতিশোধ নাও। তুমি তো তাদের উপর অনেক ধৈর্য ধরে থাক, কিন্তু তাই বলে তাদের হাতে তুমি আমাকে ধ্বংস হতে দিয়ো না; মনে করে দেখ, আমি তোমার জন্য কেমন টিট্কারি সহ্য করছি।
16
তোমার কালাম প্রকাশিত হলে পর আমি তা অন্তরে গ্রহণ করলাম; সেই কালাম ছিল আমার আনন্দ ও আমার দিলের সুখ, কারণ হে মাবুদ আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন, আমি তো তোমারই।
17
যারা হৈ হুল্লোড় করে মদ খায় আমি কখনও তাদের দলে বসি নি, তাদের সংগে কখনও আনন্দ করি নি; তোমার হাত আমার উপরে ছিল বলে আমি একাই বসে থাকতাম আর তুমি আমাকে রাগে পরিপূর্ণ করেছ।
18
কেন আমার ব্যথার শেষ নেই, কেন আমার ঘা ভাল হয় না, কেন তা সারানো যায় না? তুমি কি আমার কাছে মিথ্যা স্রোত ও অস্থায়ী ঝর্ণার পানির মত হবে?
19
তখন মাবুদ বললেন, “তুমি যদি মন ফিরাও তবে আমি তোমাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনব যাতে তুমি আমার এবাদত করতে পার; যদি তুমি বাজে কথা না বলে মূল্যবান কথা বল তবে তুমি আমার মুখ হয়ে কথা বলবে। এই লোকেরা তোমার দিকে ফিরুক, কিন্তু তুমি তাদের দিকে ফিরবে না।
20
এই লোকদের কাছে আমি তোমাকে ব্রোঞ্জের একটা শক্তিশালী দেয়ালের মত করব; তারা তোমার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে কিন্তু তোমাকে হারিয়ে দিতে পারবে না, কারণ আমি মাবুদ বলছি যে, তোমাকে উদ্ধার করতে ও বাঁচাতে আমি তোমার সংগে সংগে থাকব।
21
আমি তোমাকে দুষ্টদের হাত থেকে রক্ষা করব এবং নিষ্ঠুরদের মুঠি থেকে মুক্ত করব।”
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 16 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52