bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
Jeremiah 49
Jeremiah 49
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 48
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 50 →
1
অম্মোনীয়দের বিষয়ে মাবুদ এই কথা বলছেন, “ইসরাইলের কি কোন ছেলে নেই? তার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তির অধিকারী কি কেউ নেই? তাহলে মিল্কম কেন গাদ-গোষ্ঠীর জায়গা অধিকার করেছে? কেন মিল্কমের পূজাকারীরা সেখানকার শহরগুলোতে বাস করছে?
2
দেখ, সময় আসছে যখন আমি অম্মোনীয়দের রব্বা শহরের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হাঁক দেব; তখন সেটা ধ্বংসের ঢিবি হবে, আর তার চারপাশের গ্রামগুলোতে আগুন লাগানো হবে। তখন যারা ইসরাইলকে তাড়িয়ে বের করে দিয়েছে ইসরাইল তাদেরই তাড়িয়ে বের করে দেবে। আমি মাবুদ এই কথা বলছি।
3
“হে হিশ্বোন, বিলাপ কর, কারণ অয় শহর ধ্বংস হয়ে গেছে। হে রব্বা শহরের বাসিন্দারা, কাঁদ; ছালার চট পরে শোক প্রকাশ কর। দেয়ালগুলোর মধ্যে দৌড়াদৌড়ি কর, কারণ তোমার দেবতা মিল্কম বন্দী হয়ে দূর দেশে যাবে, আর তার সংগে যাবে তার ইমাম ও উঁচু পদের কর্মচারীরা।
4
কেন তুমি তোমার উর্বর উপত্যকাগুলো নিয়ে গর্ব করছ? হে অবিশ্বস্ত কন্যা, তোমার ধন-সম্পদের উপর ভরসা করে তুমি বলছ, ‘কে আমাকে আক্রমণ করবে?’
5
আমি দীন-দুনিয়ার মালিক আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলছি যে, তোমার চারদিকের সকলের কাছ থেকে আমি তোমার উপর ভীষণ ভয় নিয়ে আসব। তোমাদের প্রত্যেককে তাড়িয়ে দেওয়া হবে; পালিয়ে যাওয়া লোকদের একত্র করবার জন্য কেউ থাকবে না।
6
কিন্তু পরে আমি অম্মোনীয়দের অবস্থা ফিরাব।”
7
ইদোমের বিষয়ে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলছেন, “তৈমনে কি জ্ঞান নেই? বুদ্ধিমানদের কাছ থেকে কি উপদেশ শেষ হয়ে গেছে? তাদের জ্ঞান কি ক্ষয় হয়ে গেছে?
8
হে দদানের বাসিন্দারা, তোমরা পিছন ফিরে পালিয়ে যাও, গোপন জায়গায় গিয়ে লুকাও, কারণ ইস্কে শাস্তি দেবার সময় আমি তার উপর বিপদ আনব।
9
যারা আংগুর তোলে তারা যদি তোমার কাছে আসে তবে কি তারা কিছু আংগুর বাকী রাখবে না? চোরেরা যদি রাতে আসে তবে তাদের যতটা দরকার ততটাই কেবল চুরি করবে।
10
কিন্তু আমি ইসের জায়গাটা জনশূন্য করে ফেলব। সে যাতে লুকাতে না পারে সেইজন্য আমি তার লুকাবার জায়গাগুলো প্রকাশ করে দেব। তার বংশের লোকেরা, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা ধ্বংস হয়ে যাবে আর সে-ও থাকবে না।
11
তোমার এতিম ছেলেমেয়েদের রেখে যাও; আমি তাদের জীবন রক্ষা করব। তোমার বিধবারাও আমার উপর ভরসা করুক।”
12
মাবুদ বলছেন, “যারা শাস্তি পাবার উপযুক্ত নয়, তাদের যদি শাস্তির পেয়ালায় খেতেই হয় তবে তুমি কেন শাস্তি না পেয়ে থাকবে? তোমাকে সেই পেয়ালায় খেয়ে শাস্তি পেতেই হবে।
13
আমি আমার নিজের নামেই কসম খাচ্ছি যে, বস্রা ধ্বংস হয়ে ঘৃণার পাত্র হবে। লোকেরা তার অবস্থা দেখে হতভম্ব হবে এবং তার নাম নিয়ে বদদোয়া দেবে। তার সব গ্রাম ও শহরগুলো চিরকালের জন্য ধ্বংস হয়ে থাকবে।”
14
আমি মাবুদের কাছ থেকে এই খবর শুনেছি যে, একজন দূতকে জাতিদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সে বলছে, “তোমরা ইদোমকে আক্রমণ করবার জন্য একত্র হও। যুদ্ধ করবার জন্য ওঠো।”
15
মাবুদ বলছেন, “এখন আমি জাতিদের মধ্যে তোমাকে সবচেয়ে ছোট করব এবং লোকদের মধ্যে ঘৃণার পাত্র করব।
16
হে পাথরের ফাটলে বাসকারী পাহাড়ের উঁচু উঁচু জায়গার অধিকারী, তুমি ভয়ংকর বলে তোমার দিলের যে গর্ব তা তোমাকে ছলনা করেছে। যদিও তুমি ঈগলের মত উঁচু জায়গায় তোমার বাসা তৈরী কর তবুও সেখান থেকে আমি তোমাকে নীচে নামিয়ে আনব।
17
“ইদোমের অবস্থা দেখে লোকেরা হতভম্ব হবে; যারা তার পাশ দিয়ে যাবে তারা সবাই ভীষণ ভয় পাবে এবং তার সব আঘাতের জন্য তাকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করবে।
18
আমি মাবুদ বলছি, আশেপাশের গ্রাম সুদ্ধ যেমন সাদুম ও আমুরাকে ধ্বংস করা হয়েছিল তেমনি ইদোমে কেউ বাস করবে না; তার মধ্যে কোন মানুষ থাকবে না।
19
“জর্ডানের জংগল থেকে সিংহ যেমন উঠে এসে ভাল চারণ ভূমিতে শিকার করতে যায় তেমনি করে আমি মুহূর্তের মধ্যে ইদোমকে তার দেশ থেকে তাড়া করব। আমি তার উপর আমার বাছাই করা বান্দাকে নিযুক্ত করব। কে আমার সমান? কে আমার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে? কোন্ পালক আমার বিরুদ্ধে টিকে থাকতে পারে?”
20
কাজেই ইদোমের বিরুদ্ধে মাবুদ কি পরিকল্পনা করেছেন, তৈমনের বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে তিনি কি ঠিক করেছেন তা শোন্তপালের বাচ্চাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে; তাদের কাজের দরুনই তাদের চারণ ভূমি তিনি একেবারে ধ্বংস করে দেবেন।
21
তাদের পতনের শব্দে দুনিয়া কাঁপবে; তাদের কান্না লোহিত সাগর পর্যন্ত শোনা যাবে।
22
দেখ, তাদের শত্রু ঈগলের মত করে উঁচুতে উড়বে আর বস্রার উপরে ডানা মেলে দিয়ে শোঁ করে নীচে নেমে আসবে। সেই দিন ইদোমের যোদ্ধাদের অন্তর প্রসব-যন্ত্রণা ভোগকারিণী স্ত্রীলোকের অন্তরের মত হবে।
23
দামেস্কের বিষয়ে মাবুদ বলছেন, “হামা আর অর্পদ ভয়ে ব্যাকুল হয়েছে, কারণ তারা খারাপ খবর শুনেছে। তারা হতাশ হয়েছে, অস্থির সাগরের মত অশান্ত হয়েছে।
24
দামেস্ক দুর্বল হয়েছে, সে পালাবার জন্য ফিরেছে এবং ভয় তাকে আঁকড়ে ধরেছে; প্রসব-যন্ত্রণা ভোগকারিণী স্ত্রীলোকের মত যন্ত্রণা ও ব্যথা তাকে ধরেছে।
25
সেই বিখ্যাত শহর, যে শহরকে নিয়ে আমি খুশী হতাম, কেন লোকেরা তা ত্যাগ করে চলে যায় নি?
26
আমি আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলছি যে, তার যুবকেরা নিশ্চয়ই শহরের খোলা জায়গায় মরে পড়ে থাকবে; সেই দিন তার সব সৈন্যদের শেষ করে দেওয়া হবে।
27
দামেস্কের দেয়ালগুলোতে আমি আগুন লাগিয়ে দেব; তা বিন্হদদের কেল্লাগুলো পুড়িয়ে ফেলবে।”
28
ব্যাবিলনের বাদশাহ্ বখতে-নাসার কায়দার ও হাৎসোরের যে রাজ্যগুলোকে হারিয়ে দিয়েছিলেন সেগুলোর বিষয়ে মাবুদ বলছেন, “ওঠো, কায়দার আক্রমণ কর এবং পূর্বদেশের লোকদের ধ্বংস কর।
29
লোকে তাদের সব তাম্বু ও পশুপাল নিয়ে যাবে আর তাদের সমস্ত জিনিস, তাম্বুর পর্দা ও উট নিয়ে যাবে। তারা চিৎকার করে তাদের বলবে, ‘চারদিকেই ভীষণ ভয়!’ ”
30
মাবুদ বলছেন, “হে হাৎসোরের বাসিন্দারা, তোমরা তাড়াতাড়ি পালিয়ে যাও। তোমরা গোপন স্থানে গিয়ে থাক। ব্যাবিলনের বাদশাহ্ বখতে-নাসার তোমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, তোমাদের বিরুদ্ধে একটা পরিকল্পনা করেছে।
31
হে ব্যাবিলনীয়রা, তোমরা ওঠো, সেই আরামে থাকা জাতি যে নিরাপদে বাস করে তাকে আক্রমণ কর। সেই জাতির দরজাও নেই, আগলও নেই; তারা একা বাস করে।
32
তাদের উটগুলো লুটের মাল হবে এবং তাদের মস্ত বড় পশুপাল লুটের জিনিস হবে। যারা মাথার দু’পাশের চুল কাটে তাদের আমি চারদিকে ছড়িয়ে দেব এবং সব দিক থেকেই তাদের উপর বিপদ আনব।
33
হাৎসোর হবে শিয়ালদের বাসস্থান ও চিরস্থায়ী জনশূন্য জায়গা। কেউ সেখানে বাস করবে না, তার মধ্যে কোন মানুষ থাকবে না।”
34
এহুদার বাদশাহ্ সিদিকিয়ের রাজত্বের প্রথম দিকে ইলাম সম্বন্ধে মাবুদের এই কালাম নবী ইয়ারমিয়ার উপর নাজেল হল,
35
“আমি আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলছি যে, আমি ইলামের ধনুক, তাদের শক্তির প্রধান খুঁটি ভেংগে ফেলব।
36
আমি আসমানের চারদিক থেকে চারটা বাতাস ইলামের বিরুদ্ধে আনব। সেই বাতাসে আমি তাদের চারদিকে ছড়িয়ে দেব; ইলামের দূর করে দেওয়া বন্দীরা সমস্ত জাতির কাছে যাবে।
37
যারা তাদের হত্যা করতে চায় সেই শত্রুদের সামনেই আমি ইলামীয়দের চুরমার করে দেব; আমার জ্বলন্ত রাগে আমি তাদের উপর বিপদ নিয়ে আসব। তাদের শেষ করে না ফেলা পর্যন্ত আমি তাদের বিরুদ্ধে তলোয়ার পাঠাব।
38
আমি ইলামে আমার সিংহাসন স্থাপন করব এবং তার বাদশাহ্ ও রাজকর্মচারীদের ধ্বংস করব,
39
কিন্তু ভবিষ্যতে আমি ইলামের অবস্থা ফিরাব। আমি মাবুদ এই কথা বলছি।”
← Chapter 48
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 50 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52