bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Judges 16
Judges 16
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 17 →
1
শিম্শোন একদিন গাজাতে গিয়ে একটা বেশ্যাকে দেখলেন এবং তার কাছে গেলেন।
2
শিম্শোন সেখানে গেছেন শুনে ঘসার লোকেরা জায়গাটা ঘেরাও করে রাখল এবং সারা রাত শহরের ফটকের কাছে তাঁর জন্য ওৎ পেতে বসে রইল। রাতের বেলা তারা চুপচাপ রইল আর বলল, “সকাল হলে পর আমরা তাকে মেরে ফেলব।”
3
কিন্তু শিম্শোন সেখানে কেবল মাঝরাত পর্যন্ত শুয়ে ছিলেন। তারপর উঠে তিনি হুড়কা সুদ্ধ শহরের ফটকের দু’টা খুঁটি ও দরজা উপ্ড়ে ফেললেন। সেগুলো তিনি তাঁর কাঁধের উপর তুলে নিয়ে হিব্রোণের সামনের পাহাড়ের উপরে গেলেন।
4
পরে সোরেক উপত্যকার একটি স্ত্রীলোকের উপর শিম্শোনের মন পড়ল। তার নাম ছিল দলীলা।
5
পলেষ্টীয়দের শাসনকর্তারা সেই স্ত্রীলোকের কাছে গিয়ে বললেন, “তুমি শিম্শোনের এই মহাশক্তির গোপন কথাটা আর কিভাবে আমরা তাকে ধরে এনে বেঁধে কষ্ট দিতে পারি তা তার কাছ থেকে ফুসলিয়ে জেনে নাও। তাতে আমরা প্রত্যেকে তোমাকে তেরো কেজি দু’শো গ্রাম করে রূপা দেব।
6
এই কথা শুনে দলীলা শিম্শোনকে বলল, “তোমার এই মহাশক্তির গোপন কথাটা কি, আর কি দিয়ে তোমাকে বেঁধে কষ্ট দেওয়া যায় তা আমাকে বল।”
7
উত্তরে শিম্শোন তাকে বললেন, “ধনুকের না-শুকানো সাতটা নতুন ছিলা দিয়ে যদি কেউ আমাকে বাঁধে তবে আমি অন্য যে কোন লোকের মতই দুর্বল হয়ে পড়ব।”
8
পলেষ্টীয়দের শাসনকর্তারা তখন দলীলাকে সেই রকম সাতটা নতুন ছিলা দিলেন। সে তা দিয়ে শিম্শোনকে বাঁধল।
9
তখন কতগুলো লোক ওৎ পেতে তার ভিতরের ঘরে ছিল। দলীলা শিম্শোনকে ডেকে বলল, “শিম্শোন, পলেষ্টীয়েরা তোমাকে ধরতে এসেছে।” আগুনের ছোঁওয়ায় শনের দড়ি যেমন করে ছিঁড়ে যায় তেমনি করেই শিম্শোন ঐ ছিলাগুলো ছিঁড়ে ফেললেন। এইভাবে তাঁর শক্তির গোপন কথাটা গোপনই রয়ে গেল।
10
তখন দলীলা শিম্শোনকে বলল, “তুমি আমাকে বোকা বানিয়েছ, আমার কাছে মিথ্যা কথা বলেছ। এবার তুমি আমাকে ঠিক করে বল কি দিয়ে তোমাকে বাঁধা যায়।”
11
শিম্শোন বললেন, “কখনও ব্যবহার করা হয় নি এমন কয়েকটা নতুন দড়ি দিয়ে যদি আমাকে বাঁধা হয় তবে আমি অন্য যে কোন লোকের মতই দুর্বল হয়ে পড়ব।”
12
দলীলা তখন কয়েকটা নতুন দড়ি দিয়ে শিম্শোনকে বাঁধল। তার ভিতরের ঘরে কতগুলো লোক ওৎ পেতে ছিল। দলীলা বলল, “শিম্শোন, পলেষ্টীয়েরা তোমাকে ধরতে এসেছে।” কিন্তু শিম্শোন সুতার মত করে তাঁর হাত থেকে দড়িগুলো ছিঁড়ে ফেললেন।
13
দলীলা তখন শিম্শোনকে বলল, “তুমি এই পর্যন্ত আমার কাছে মিথ্যা কথা বলে আমাকে বোকা বানিয়েছ। কি দিয়ে তোমাকে বাঁধা যায় তা আমাকে ঠিক করে বল।” উত্তরে শিম্শোন বললেন, “আমার মাথার সাত গোছা চুল যদি তুমি তাঁতে বোনো তবে তা সম্ভব হবে।”
14
তখন দলীলা তাঁর চুল তাঁতে বুনে গোঁজের সংগে আঁটকে রেখে তাঁকে বলল, “শিম্শোন, পলেষ্টীয়েরা তোমাকে ধরতে এসেছে।” তখন শিম্শোন ঘুম থেকে জেগে উঠে গোঁজ আর তাঁতটা উপ্ড়ে ফেললেন।
15
এতে দলীলা তাঁকে বলল, “কেমন করে তুমি আমাকে বলতে পার যে, তুমি আমাকে ভালবাস? তোমার মন তো আমার উপরে নেই। এই নিয়ে তৃতীয়বার তুমি আমাকে বোকা বানালে। তোমার এই মহাশক্তির গোপন কথাটা আমাকে জানালে না।”
16
এইভাবে দিনের পর দিন সে তার কথা দিয়ে তাঁকে এমনভাবে জ্বালাতে লাগল যে, তাঁর জীবনের উপর একটা বিরক্তি এসে গেল।
17
কাজেই তিনি তাকে সব কথা খুলে বললেন। তিনি বললেন, “আমার মাথায় কখনও ক্ষুর দেওয়া হয় নি। জন্ম থেকেই আমি ঈশ্বরের উদ্দেশে একজন নাসরীয়। আমার মাথা কামানো হলে আমার শক্তি আমাকে ছেড়ে যাবে। তাতে আমি অন্য যে কোন লোকের মতই দুর্বল হয়ে পড়ব।”
18
দলীলা যখন বুঝল যে, তিনি তাকে সব কথা খুলে বলেছেন তখন সে পলেষ্টীয় শাসনকর্তাদের কাছে এই বলে খবর পাঠাল, “আপনারা আর একবার আসুন। সে আমাকে সব কথা খুলে বলেছে।” কাজেই পলেষ্টীয়দের শাসনকর্তারা রূপা সংগে নিয়ে আসলেন।
19
দলীলা শিম্শোনকে তার কোলে ঘুম পাড়াল এবং তাঁর সাত গোছা চুল কামিয়ে ফেলবার জন্য একজন লোককে ডাকল। এইভাবে সে তাঁকে কষ্টের মধ্যে ফেলল এবং তাঁর শক্তিও তাঁকে ছেড়ে গেল।
20
তারপর দলীলা তাঁকে বলল, “শিম্শোন, পলেষ্টীয়েরা তোমাকে ধরতে এসেছে।” শিম্শোন ঘুম থেকে জেগে উঠে ভাবলেন যে, তিনি আগের মতই বাইরে যাবেন এবং ঝাড়া দিয়ে নিজেকে মুক্ত করে নেবেন। কিন্তু তিনি জানতেন না যে, সদাপ্রভু তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন।
21
তখন পলেষ্টীয়েরা তাঁকে ধরে তাঁর চোখ দু’টা তুলে ফেলল এবং তাঁকে গাজাতে নিয়ে গেল। তারা তাঁকে ব্রোঞ্জের শিকল দিয়ে বাঁধল এবং জেলখানার মধ্যে তাঁকে দিয়ে যাঁতা ঘুরাবার কাজ করাতে লাগল।
22
কিন্তু তাঁর মাথার চুল কামিয়ে ফেলবার পর আবার তা গজাতে লাগল।
23
এর পর পলেষ্টীয়দের শাসনকর্তারা তাঁদের দেবতা দাগোনের কাছে একটা মস্ত বড় উৎসর্গের অনুষ্ঠান করে আনন্দ করবার জন্য এক জায়গায় জড়ো হলেন। তাঁরা বললেন, “আমাদের দেবতা আমাদের শত্রু শিম্শোনকে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন।”
24
লোকেরা শিম্শোনকে দেখে এই কথা বলে তাদের দেবতার প্রশংসা করতে লাগল, “আমাদের দেবতা আমাদের হাতে আমাদের শত্রুকে তুলে দিয়েছেন; সে আমাদের জমি নষ্ট করেছে আর আমাদের অনেক লোককে মেরে ফেলেছে।”
25
তারপর তারা আনন্দে মেতে উঠে এই বলে চিৎকার করল, “শিম্শোনকে বের করে আনা হোক; আমরা তামাশা দেখব।” কাজেই তারা জেলখানা থেকে শিম্শোনকে বের করে আনল আর শিম্শোন তাদের তামাশা দেখাতে লাগলেন। তারা শিম্শোনকে থামগুলোর মাঝখানে দাঁড় করাল।
26
যে ছেলেটি তাঁর হাত ধরে ছিল শিম্শোন তাকে বললেন, “যে থামগুলোর উপর মন্দিরটা দাঁড়িয়ে আছে সেগুলো আমাকে ছুঁতে দাও যাতে আমি সেখানে হেলান দিতে পারি।”
27
সেই মন্দিরে অনেক পুরুষ ও স্ত্রীলোক জমা হয়েছিল, আর পলেষ্টীয়দের সমস্ত শাসনকর্তারাও সেখানে ছিলেন। ছাদের উপর থেকে প্রায় তিন হাজার পুরুষ ও স্ত্রীলোক শিম্শোনের তামাশা দেখছিল।
28
তখন শিম্শোন সদাপ্রভুর কাছে প্রার্থনা করে বললেন, “হে প্রভু সদাপ্রভু, আমার কথা একবার মনে কর। হে ঈশ্বর, দয়া করে আর একটিবার মাত্র আমাকে শক্তি দাও যাতে আমার দু’টা চোখের জন্য একবারেই আমি পলেষ্টীয়দের উপর প্রতিশোধ নিতে পারি।”
29
মাঝখানে যে দু’টা থামের উপর মন্দিরটা দাঁড়িয়ে ছিল শিম্শোন সেই দু’টা আঁকড়ে ধরলেন। তিনি ডান হাতটা একটা থামের উপর এবং বাঁ হাতটা অন্য থামের উপরে রেখে নিজের ভার থামগুলোর উপর দিলেন।
30
তারপর তিনি চিৎকার করে বললেন, “পলেষ্টীয়দের সংগে আমারও মৃত্যু হোক!” এই বলে তিনি নীচু হয়ে সমস্ত শক্তি দিয়ে থাম দু’টা টান দিলেন। তাতে সব শাসনকর্তা ও ভিতরকার লোকদের উপর মন্দিরটা ভেংগে পড়ল। এইভাবে তিনি জীবিত থাকতে যত না লোক মেরে ফেলেছিলেন তার চেয়েও বেশী মারলেন তাঁর মৃত্যুর সময়ে।
31
শিম্শোনের ভাইয়েরা এবং তাঁর বাবার পরিবারের সবাই তাঁর দেহটা নিয়ে যাবার জন্য আসল। তারা তাঁকে নিয়ে গিয়ে সরা ও ইষ্টায়োলের মাঝখানে তাঁর বাবা মানোহের কবরের মধ্যে কবর দিল। শিম্শোন বিশ বছর ইস্রায়েলীয়দের শাসন করেছিলেন।
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 17 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21