bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Revelation 13
Revelation 13
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 14 →
1
আর আমি দেখলাম, “সমুদ্রের মধ্য থেকে একটি পশু উঠছে; তার দশটি শিং” ও সাতটি মাথা; এবং তার শিংগুলোতে দশটি রাজমুকুট এবং তার মাথাগুলোতে আল্লাহ্-নিন্দার কতিপয় নাম।
2
সেই যে পশুকে আমি দেখলাম, সে “চিতাবাঘের মত, আর তার পা ভল্লুকের মত এবং মুখ সিংহমুখের মত”; আর সেই নাগ নিজের পরাক্রম ও নিজের সিংহাসন ও মহৎ কর্তৃত্ব তাকে দান করলো।
3
পরে দেখলাম, তার ঐ সমস্ত মাথার মধ্যে একটা মাথা যেন মৃত্যুজনিত আঘাতে আহত হয়েছিল, আর তার সেই আঘাতের প্রতিকার করা হল; আর সারা দুনিয়া চমৎকার জ্ঞান করে সেই পশুর পিছনে চলতে লাগলো।
4
আর তারা নাগকে সেজদা করলো, কেননা সে সেই পশুকে তার কর্তৃত্ব দিয়েছিল; আর তারা সেই পশুকে সেজদা করে বললো, এই পশুর মত কে আছে? এবং এর সঙ্গে কে যুদ্ধ করতে পারে?
5
আর এমন একটি মুখ তাকে দেওয়া হল, যা অহংকার ও কুফরী করে এবং তাকে বিয়াল্লিশ মাস পর্যন্ত কাজ করার ক্ষমতা দেওয়া হল।
6
তাতে সে আল্লাহ্র কুফরী করতে মুখ খুলল, তাঁর নাম ও তাঁর বাসস্থানের এবং বেহেশতবাসী সকলের নিন্দা করতে লাগল।
7
আর পবিত্র লোকদের সঙ্গে যুদ্ধ ও তাদেরকে জয় করার ক্ষমতা তাকে দেওয়া হল; এবং তাকে সমস্ত বংশ, লোকবৃন্দ, ভাষা ও জাতির উপরে কর্তৃত্ব দেওয়া হল।
8
তাতে দুনিয়া-নিবাসীদের সমস্ত লোক, যাদের নাম দুনিয়া সৃষ্টির সময় থেকে হত মেষশাবকের জীবন কিতাবে লেখা নেই, তারা তার এবাদত করবে।
9
যদি কারো কান থাকে, সে শুনুক।
10
যদি কেউ বন্দীত্বের পাত্র হয়, তবে সে বন্দীত্বে যাবে; যদি কেউ তলোয়ার দ্বারা হত হবার কথা থাকে, তবে তাকে তলোয়ার দ্বারা হত হতে হবে। এজন্য পবিত্র লোকদের ধৈর্য ও ঈমান থাকা প্রয়োজন।
11
পরে আমি আর একটি পশুকে দেখলাম, সে স্থল থেকে উঠলো এবং মেষ-শাবকের মত তার দু’টি শিং ছিল, আর সে নাগের মত কথা বলতো।
12
সে ঐ প্রথম পশুর পক্ষে তার সমস্ত কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে; এবং যে প্রথম পশুর মৃত্যুজনিত আঘাতের প্রতিকার করা হয়েছিল, দুনিয়া ও তার অধিবাসীদেরকে তার এবাদত করায়।
13
আর সে মহৎ মহৎ চিহ্ন-কাজ করে; এমন কি মানুষের সাক্ষাতে বেহেশত থেকে দুনিয়াতে আগুন নামিয়ে আনে।
14
এভাবে সেই পশুর সাক্ষাতে যেসব চিহ্ন-কাজ করার ক্ষমতা তাকে দেওয়া হয়েছে, তা দ্বারা সে দুনিয়া-নিবাসীদের ভুল পথে নিয়ে যায়; সে দুনিয়া-নিবাসীদেরকে বলে, ‘যে পশু তলোয়ার দ্বারা আহত হয়েও বেঁচেছিল, তার একটি মূর্তি তৈরি কর।’
15
আর তাকে এই ক্ষমতা দেওয়া হল যে, সে ঐ পশুর মূর্তির মধ্যে প্রাণ-বায়ু দেয়, যেন ঐ পশুর মূর্তি কথা বলতে পারে ও এমন করতে পারে যে, যারা সেই পশুর মূর্তির এবাদত করবে না, তাদেরকে হত্যা করতে পারে।
16
আর সে ক্ষুদ্র ও মহান, ধনী ও দরিদ্র, স্বাধীন ও গোলাম, সকলকেই ডান হাতে কিংবা ললাটে চিহ্ন ধারণ করায়;
17
আর ঐ পশুর চিহ্ন অর্থাৎ নাম কিংবা নামের সংখ্যা যে কেউ ধারণ না করে, তার ক্রয় বিক্রি করার অধিকার খর্ব করে।
18
এই সব বুঝতে জ্ঞান দরকার। যে বুদ্ধিমান, সে ঐ পশুর সংখ্যা গণনা করুক; কেননা তা এক জন মানুষের সংখ্যা এবং সেই সংখ্যা ছয় শত ছেষট্টি।
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22