bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
/
Revelation 2
Revelation 2
Bengali (BACIB) 2013 (কিতাবুল মোকাদ্দস)
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 3 →
1
ইফিষে অবস্থিত মণ্ডলীর ফেরেশতাকে এই কথা লিখ— যিনি নিজের ডান হাতে সেই সাতটি তারা ধারণ করেন, যিনি সেই সাতটি সোনার প্রদীপ-আসনের মধ্যে যাতায়াত করেন, তিনি এই কথা বলেন;
2
আমি জানি তোমার কাজগুলো এবং তোমার পরিশ্রম ও ধৈর্য; আরও আমি জানি যে, তুমি দুর্বৃত্তকে সহ্য করতে পার না এবং নিজেদের প্রেরিত বললেও যারা প্রেরিত নয়, তাদেরকে পরীক্ষা করেছ ও মিথ্যাবাদী বলে জেনেছ।
3
আমি আরও জানি যে, তোমার ধৈর্য আছে, আর তুমি আমার নামের জন্য ভার বহন করেছ, ক্লান্ত হও নি।
4
তবুও তোমার বিরুদ্ধে আমার কথা আছে, তুমি তোমার প্রথম মহব্বত পরিত্যাগ করেছ।
5
অতএব স্মরণ কর, কোথা থেকে পড়ে গেছ; মন ফিরাও ও প্রথমে যে সব কাজ করতে সেসব কাজ কর। যদি মন না ফিরাও, তবে আমি তোমার কাছে আসবো ও তোমার প্রদীপ-আসন স্বস্থান থেকে দূর করে দেব।
6
কিন্তু একটি গুণ তোমার আছে; আমি যে নীকলায়তীয়দের কাজ ঘৃণা করি, তা তুমিও ঘৃণা কর।
7
যার কান আছে, সে শুনুক, পাক-রূহ্ মণ্ডলীগুলোকে কি বলছেন। যে জয় করে, তাকে আমি আল্লাহ্র “পরমদেশস্থ জীবন-বৃক্ষের” ফল ভোজন করতে দেব।
8
আর স্মুর্ণায় অবস্থিত মণ্ডলীর ফেরেশতাকে এই কথা লিখ— যিনি প্রথম ও শেষ, যিনি মরেছিলেন, আর জীবিত হলেন, তিনি এই কথা বলেন।
9
আমি জানি তোমার দুঃখ-কষ্ট ও দীনতা, তবুও তুমি ধনবান; এবং নিজেদের ইহুদী বললেও যারা ইহুদী নয়, কিন্তু শয়তানের সমাজ, তাদের ধর্ম-নিন্দাও আমি জানি।
10
তোমাকে যেসব দুঃখ ভোগ করতে হবে, তাতে ভয় করো না। দেখ, তোমাদের পরীক্ষার জন্য শয়তান তোমাদের কাউকে কাউকেও কারাগারে নিক্ষেপ করতে উদ্যত আছে, তাতে দশ দিন পর্যন্ত তোমরা কষ্ট ভোগ করবে। তুমি মরণ পর্যন্ত বিশ্বস্ত থাক, তাতে আমি তোমাকে জীবন-মুকুট দেব।
11
যার কান আছে, সে শুনুক, রূহ্ মণ্ডলীগুলোকে কি বলছেন। যে জয় করে, দ্বিতীয় মৃত্যু তার অনিষ্ট করবে না।
12
আর পর্গামে অবস্থিত মণ্ডলীর ফেরেশতাকে এই কথা লিখ— যিনি ধারালো দ্বিধার তলোয়ার ধারণ করেন, তিনি এই কথা বলেন;
13
আমি জানি, তুমি কোথায় বাস করছো, সেখানে শয়তানের সিংহাসন রয়েছে। আর তুমি আমার নাম দৃঢ়ভাবে ধারণ করছো, আমাতে তোমার ঈমান অস্বীকার কর নি; আমার সেই সাক্ষী, আমার সেই বিশ্বস্ত লোক আন্তিপা যখন তোমাদের মধ্যে সেখানে নিহত হয়েছিল, যেখানে শয়তান বাস করে, তখনও ঈমান অস্বীকার কর নি।
14
তবুও তোমার বিরুদ্ধে আমার কয়েকটি কথা আছে, কেননা সেই স্থানে তোমার কাছে বালামের শিক্ষাবলম্বী কয়েকজন লোক আছে; সেই বালাম বনি-ইসরাইলদের সম্মুখে বাধাজনক পাথর ফেলে রাখতে বালাককে শিক্ষা দিয়েছিল, যেন তারা মূর্তির কাছে উৎসর্গ-করা খাবার ভোজন ও পতিতা-গমন করে।
15
সেরকমভাবে নীকলায়তীয়দের শিক্ষা অনুসারে যারা চলে এমন কয়েকজনও তোমার কাছে আছে।
16
অতএব মন ফিরাও, নতুবা আমি শীঘ্রই তোমার কাছে আসবো এবং আমার মুখের তরবারি দ্বারা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবো।
17
যার কান আছে, সে শুনুক, রূহ্ মণ্ডলীগুলোকে কি বলছেন। যে জয় করে তাকে আমি গুপ্ত “মান্না” এবং একখানি শ্বেত পাথর দেব, সেই পাথরের উপরে “নতুন একটি নাম” লেখা আছে; আর কেউই সেই নাম জানে না, কেবল যে তা গ্রহণ করে, সেই জানে।
18
আর থুয়াতীরায় অবস্থিত মণ্ডলীর ফেরেশতাকে এই কথা লিখ— যিনি আল্লাহ্র পুত্র, যাঁর চোখ আগুনের শিখার মত ও যাঁর পা উজ্জ্বল ব্রোঞ্জের মত, তিনি এই কথা বলেন;
19
আমি জানি তোমার কাজগুলো ও তোমার মহব্বত ও ঈমান ও পরিচর্যা ও ধৈর্য, আর তোমার প্রথম কাজের চেয়ে শেষ কাজ যে বেশি তাও আমি জানি।
20
তবুও তোমার বিরুদ্ধে আমার কথা আছে; ঈষেবল নাম্নী যে নারী নিজেকে মহিলা-নবী বলে, তুমি তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছ এবং সে আমারই গোলামদেরকে পতিতাগমন ও মূর্তির কাছে উৎসর্গ-করা খাবার ভোজন করতে শিক্ষা দিয়ে ভুলাচ্ছে।
21
আমি তাকে মন ফিরাবার জন্য সময় দিয়েছিলাম, কিন্তু সে নিজের জেনা থেকে মন ফিরাতে চায় না।
22
দেখ, আমি তাকে বিছানায় ফেলে রাখব এবং যারা তার সঙ্গে জেনা করে, তারা যদি তার কাজ থেকে মন না ফিরায়, তবে তাদেরকে ভীষণ কষ্টের মধ্যে ফেলে দেব;
23
আর আমি তার সন্তানদেরকে আঘাত করে হত্যা করবো; তাতে সমস্ত মণ্ডলী জানতে পারবে, “আমি মর্মের ও হৃদয়ের অনুসন্ধানকারী, আর আমি তোমাদের প্রত্যেককে তাদের কাজ অনুসারে ফল দিব”।
24
কিন্তু থুয়াতীরাতে অবশিষ্ট তোমাদের যত জন সেই শিক্ষা গ্রহণ করে নি, লোকে যাকে গভীরতত্ত্ব বলে, শয়তানের সেই গভীরতত্ত্বগুলো যারা জানে নি— তাদের বলছি, তোমাদের উপরে আমি অন্য কোন ভার অর্পণ করি না;
25
কেবল যা তোমাদের আছে, তা আমার আগমন পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে ধারণ কর।
26
আর যে জয় করে ও শেষ পর্যন্ত আমার হুকুম করা কাজগুলো পালন করে, তাকে আমি নিজে পিতা থেকে যেমন পেয়েছি, তেমনি জাতিদের উপরে কর্তৃত্ব দেব;
27
তাতে সে লোহার দণ্ড দ্বারা তাদের এমনি শাসন করবে যে, কুমারের মাটির পাত্রের মত চুরমার করে ফেলবে।
28
আর আমি প্রভাতী তারা তাকে দেব।
29
যার কান আছে, সে শুনুক, পাক-রূহ্ মণ্ডলীগুলোকে কি বলছেন।
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 3 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22