bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
Ezekiel 16
Ezekiel 16
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 17 →
1
তখন প্রভুর বাক্য আমার কাছে এল| তিনি বললেন:
2
“মনুষ্যসন্তান, জেরুশালেমের লোকরা যে সমস্ত ঘৃণিত কাজ করেছে সে সম্বন্ধে তাদের বল|
3
তুমি অবশ্যই বলবে, ‘প্রভু আমার সদাপ্রভু জেরুশালেমকে এই সব কথা বলেন: তোমার দিকে দেখ| তুমি জন্মেছিলে কনানে| তোমার বাবা ছিলেন ইমোরীয়, তোমার মা হিত্তীয়া|
4
জেরুশালেম যে দিন তোমার জন্ম হয়, তোমার নাড়ি কাটার জন্য কোন জায়গা ছিল না| কেউ তোমার গায়ে লবণ ছড়িয়ে তোমাকে পরিষ্কার করার জন্য স্নান করায় নি| কেউ তোমায় কাপড়ে মোড়াযনি|
5
জেরুশালেম, তুমি সম্পূর্ণ একা ছিলে| কেউ তোমার জন্য দুঃখ বোধ করেনি, তোমার যত্নও নেয়নি| জেরুশালেম তোমার জন্মদিনে, তোমার পিতামাতা তোমাকে ক্ষেতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল| তারা এরকম করেছিল কারণ তারা তোমাকে ঘৃণা করত|
6
“‘তখন আমি (ঈশ্বর) সেখান দিয়ে যাচ্ছিলাম| আমি তোমায় রক্তের মধ্যে ছটফট করতে দেখলাম| তুমি রক্তে ঢাকা ছিলে কিন্তু আমি বললাম, “বাঁচ!” হ্যাঁ, তুমি রক্তে ঢাকা ছিলে কিন্তু আমি বললাম, “বাঁচ!”
7
আমি তোমাকে মাঠের গাছের মত বেড়ে উঠতে সাহায্য করলাম| তুমি বাড়লে, বেড়ে উঠে একজন যুবতী হলে: তোমার মাসিক হতে লাগল, স্তন দুটি বেড়ে উঠল, চুল বড় হল| কেউ তোমার প্রতি স্নেহভরে তাকিয়ে তোমার প্রতি মায়া করে তোমার কোন যত্ন নেয়নি| কিন্তু তবুও তুমি উলঙ্গ ও ব্বিস্ত্রা ছিলে|
8
আমি তোমার দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তোমাকে প্রেম করবার সময় হয়েছে| তাই আমি তোমার ওপর আমার কাপড় বিছালাম এবং তোমার উলঙ্গতা আবৃত করলাম| তোমাকে বিয়ে করার প্রতিজ্ঞাও করলাম| তোমার সঙ্গে বিয়ের চুক্তিও হল, আর তুমি আমার হলে|’” প্রভু আমার সদাপ্রভু এসব বলেছেন|
9
“‘আমি তোমায় জলে স্নান করালাম| তোমার রক্ত ধুলাম ও তোমার গায়ে তেল মালিশ করলাম|
10
তোমায় সুন্দর পোশাক ও পায়ে চামড়ার জুতো পরালাম| আমি তোমার মাথায় মসিনার পট্টি ও সিল্কের মাথা ঢাকা দিলাম|
11
তারপর তোমায় কিছু অলঙ্কার দিলাম, তোমার হাতে বালা ও গলায় হার দিলাম|
12
তোমার নাকে দিলাম নথ, কানে দুল, আর সুন্দর মুকুটও পরতে দিলাম|
13
তোমায় রূপো ও সোনার গহনায বেশ সুন্দর দেখাচ্ছিল; এমনকি তোমার মসিনা সিল্ক ও কাজ করা সজ্জায সাজলে| তুমি সব থেকে উত্তম খাবার খেতে| তুমি খুব সুন্দরী হয়ে উঠলে| তুমি রাণী হলে!
14
তোমার রূপের জন্য তুমি হলে বিখ্যাত কারণ আমিই তোমায় সুন্দরী করেছিলাম|’” প্রভু আমার সদাপ্রভু এই সব কথা বলেছিলেন|
15
ঈশ্বর বললেন, “কিন্তু তুমি তোমার সৌন্দর্যের ওপর নির্ভর করতে শুরু করলে| তোমার সুনাম ব্যবহার করতে শুরু করলে ও আমার প্রতি অবিশ্বস্ত হলে| যেই যায় তার সঙ্গে তুমি বেশ্যার মত ব্যবহার করলে| তুমি তাদের সকলের কাছে নিজেকে বিকিযে দিলে!
16
তুমি সেই সুন্দর কাপড় নিয়ে তোমার পূজার স্থান সাজালে| আর সেসব জায়গায় বেশ্যার মত আচরণ করলে| এরকম একটা ব্যাপার আগে কখনও হয়নি, পরেও আর কখনও হবে না|
17
তারপর আমি তোমায় যে সুন্দর অলঙ্কার দিয়েছিলাম তা তুমি নিলে| তারপর সেই রূপো ও সোনা ব্যবহার করে পুরুষ মানুষের মূর্ত্তি তৈরী করলে| তারপর তাদের সঙ্গেও যৌন কাজ করলে!
18
তারপর তুমি সেই সুন্দর কাপড় নিয়ে ঐসব মূর্ত্তির জন্য কাপড় বানালে| আমি তোমায় যে সব সুগন্ধি ও ধূনো দিয়েছিলাম তা তুমি ঐসব মূর্ত্তির সামনে রাখলে|
19
আমি তোমায় রুটি, মধু ও তেল দিয়েছিলাম, কিন্তু তুমি ওগুলো ঐসব মূর্ত্তিদের নিবেদন করলে| তুমি সেসব তোমার মূর্ত্তিদের সন্তুষ্ট করবার জন্য উৎসর্গ করলে| হ্যাঁ, তুমি তাই করেছিলে|” প্রভু আমার সদাপ্রভু এই সব কথা বলেছেন|
20
ঈশ্বর বলেছেন, “তোমার এবং আমার সন্তান ছিল| কিন্তু তুমি আমার সন্তানদের নিয়ে গেলে| এমনকি তুমি তাদের হত্যা করলে এবং তাদের ঐসব মূর্ত্তিদের দিলে| ঐ সব মূর্ত্তিদের কাছে যাওয়া এবং তাদের সঙ্গে বেশ্যার মত আচরণ করবার চেয়েও এটা নিকৃষ্ট কাজ ছিল|
21
তুমি আমার সন্তানদের বলি দিতে তাদের এই মূর্ত্তিদের উদ্দেশ্যে আগুনের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করালে|
22
তুমি আমায় পরিত্যাগ করেছিলে এবং ঐসব ভয়ঙ্কর কাজ করেছিলে| তুমি কখনও তোমার যৌবনকাল স্মরণ করনি| স্মরণ করনি যে তোমাকে যখন আমি খুঁজে পেয়েছিলাম তখন তুমি রক্ত জড়ানো অবস্থায় উলঙ্গ হয়ে পড়েছিলে এবং শূণ্যে পা ছুঁড়ছিলে|
23
“ঐসব মন্দ কাজের পর, হায় জেরুশালেম, এ তোমার পক্ষে ভীষণ অমঙ্গলদায়ক হবে!” প্রভু আমার সদাপ্রভু এইসব কথা বলেছেন|
24
“ঐসব করার পর তুমি ঐ ঢিবি তৈরী করলে মূর্ত্তি পূজা করার জন্য| প্রতি রাস্তার কোণে ঐসব মূর্ত্তির উপাসনার স্থান তৈরী করলে|
25
প্রত্যেক রাস্তার মাথায় মাথায় ঐ ঢিবি তৈরী করলে| এই ভাবে তোমার সৌন্দর্য নষ্ট করলে| পথিককে ধরার জন্য তুমি তা ব্যবহার করলে| তুমি তোমার কাপড়ের নীচের ভাগ ওঠালে যাতে তোমার পা দেখা যায়; তারপর তুমি ঐসব লোকদের সঙ্গে বেশ্যার মত ব্যবহার করলে|
26
তারপর তুমি তোমার প্রতিবেশী মিশরে গেলে যার যৌনাঙ্গ বড় বড়| তারপর আমাকে রুদ্ধ করতে বহুবার তার সঙ্গে যৌন ক্রিয়া সম্পন্ন করলে|
27
তাই আমি তোমায় শাস্তি দিলাম! তোমার জমির অধিকারের অংশ নিয়ে নিলাম| আর তোমার শত্রু পলেষ্টীয়দের কন্যাদের শহর তোমাদের প্রতি তাদের যা ইচ্ছা তাই করতে দিলাম| এমনকি তারাও তোমাদের মন্দ কাজ শুনে চমকে উঠেছিল|
28
তারপর তুমি অশূরীয়দের সঙ্গে যৌন ক্রিয়া করতে গেলে| তোমার তৃপ্তি কিছুতেই হল না|
29
তাই তুমি কনানের দিকে ফিরলে, তারপর বাবিলের দিকে| তবু তোমার মন ভরল না|
30
তোমাকে দিয়ে ওসব কাজ করাবার জন্য তোমার হৃদয়কে অবশ্য দুর্বল হতে হবে| তুমি একজন দাপটমযী বেশ্যার মত আচরণ করলে|” প্রভু আমার সদাপ্রভুই ঐসব কথা বলেছিলেন|
31
ঈশ্বর বলেছিলেন, “কিন্তু তুমি ঠিক একেবারে বেশ্যার মত ছিলে না| তুমি প্রত্যেক বড় রাস্তার মাথায় ও প্রত্যেক গলির কোণে উপাসনার জন্য ঢিবি তৈরী করেছিলে| ঐসব লোকের সাথে যৌনক্রিয়া করেছিলে কিন্তু বেশ্যার মত তাদের কাছ থেকে বেতন নাও নি|
32
তুমি ব্যভিচারী নারী| তোমার স্বামীর সাথে নয় কিন্তু আগন্তুকদের সঙ্গেই শুতে তুমি ভালোবাসো|
33
বেশীর ভাগ বেশ্যাই পুরুষদের বেতন দিতে বাধ্য করে; কিন্তু তুমি তোমার প্রেমিকদের অর্থ দিলে| তুমি চারধারের সমস্ত লোকেদের বেতন দিলে তোমার সঙ্গে যৌন কাজের জন্য|
34
বেশীর ভাগ বেশ্যার বিপরীত তুমি| অধিকাংশ বেশ্যা পুরুষদের বেতন দিতে বাধ্য করে কিন্তু যে পুরুষেরা তোমার সঙ্গে যৌন ক্রিয়া করে তাদের তুমি বেতন দাও|”
35
বেশ্যা, প্রভুর বার্তা শোন|
36
প্রভু আমার সদাপ্রভু এই সব কথা বলেন: “তুমি তোমার টাকা খরচ করে তোমার প্রেমিকদের ও নোংরা দেবতাদের তোমার উলঙ্গতা দেখিয়েছ এবং তাদের সঙ্গে যৌন কাজ করেছ এবং তাদের তোমার ছেলে-মেয়েদের রক্ত দিয়েছ|”
37
তাই আমি তোমার সব প্রেমিকদের জড়ো করব| তুমি যাদের ভালোবেসেছিলে ও যাদের ঘৃণা করেছিলে সেই সমস্ত লোকদের আমি জড়ো করব আর তোমার উলঙ্গতা দেখাব| তারা তোমাকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ দেখবে|
38
তারপর আমি তোমায় শাস্তি দেব| আমি তোমায় নরঘাতকের ও ব্যভিচারিনীর উপযুক্ত যৌন পাপের শাস্তি দেব| তুমি এক রোধন্বত ও ঈর্ষান্বিত স্বামীর দ্বারা শাস্তি পাবে|
39
ঐ সমস্ত প্রেমিকদের হাতে তোমাকে দেব| তারা তোমার ঢিবিগুলো ধ্বংস করবে| তোমার পূজার স্থানগুলো জ্বালিয়ে দেবে| তারা তোমার কাপড় ছিঁড়ে ফেলে তোমার সুন্দর অলঙ্কার নিয়ে নেবে| তারা তোমায় নিঃস্ব ও উলঙ্গ করে ছেড়ে যাবে সেই অবস্থায় যে অবস্থায় আমি তোমায় পেয়েছিলাম|
40
তারা জনতার ভিড় জড়ো করে পাথর ছুঁড়ে তোমায় মেরে ফেলবে| তারপর তাদের তরবারি দ্বারা তোমাকে টুকরো টুকরো করে কাটবে|
41
তারা তোমার গৃহ (মন্দির) জ্বালিয়ে দেবে| তোমায় শাস্তি দেবে যাতে অন্য মহিলারা তা দেখে| আমি তোমার বেশ্যার মত জীবনযাপন বন্ধ করব| তোমার প্রেমিকদের বেতন দেওয়া বন্ধ করব|
42
তারপর আমার রোধ ও ঈর্ষা নিবৃত্ত করব| আমি শান্ত হব| আর রোধ করব না|
43
কেন এই সব ঘটবে? কারণ তোমার যৌবনকালে কি ঘটেছিল তুমি তা মনে রাখোনি| তুমি ঐসব মন্দ কাজের দ্বারা আমাকে রুদ্ধ করেছিলে| তাই তোমার এই সব মন্দ কাজের জন্য আমাকে তোমায় শাস্তি দিতে হল| কিন্তু তুমি আরও ভয়াবহ বিষয়ের পরিকল্পনা করলে|” প্রভু আমার সদাপ্রভু এই সব কথা বলেছেন|
44
“তোমার বিষয়ে যেসব লোকে কথা বলে তাদের আরেকটা কথা বলার থাকবে| তারা বলবে, ‘মা যেমন, মেয়ে তেমন|’
45
তুমি তোমার মায়ের মেয়ে| তুমি তোমার স্বামী এবং সন্তানদের জন্য কোন চিন্তা করো না| তুমি তোমার বোনের মতোই| তোমরা দুজনেই তোমাদের স্বামী ও সন্তানদের ঘৃণা করতে| তোমরা তোমাদের মা বাবার মতোই| তোমার মা ছিলেন একজন হিত্তীয়া আর বাবা ছিলেন একজন ইমোরীয়|
46
তোমার বড় বোন শমরিয়া তার কন্যাদের নিয়ে তোমার উত্তর দিকে থাকত| আর তোমার ছোট বোন সদোম তার কন্যাদের নিয়ে তোমার দক্ষিণে থাকত|
47
তারা যেসব ভয়ঙ্কর কাজ করেছিল তার সবগুলোই তোমরা করেছিলে| এমনকি তাদের থেকেও খারাপ কাজ করেছিলে!
48
আমিই প্রভু এবং সদাপ্রভু| আমার জীবনের দিব্য, তুমি ও তোমার কন্যারা যেসব মন্দ কাজ করেছে, তোমার বোন সদোম ও তার কন্যারাও তা করেনি|
49
ঈশ্বর বলেছিলেন, “তোমার বোন সদোম ও তার কন্যারা গর্বিত হয়েছিল, পেট ভরে খেতে পেয়েছিল এবং তাদের হাতে প্রচুর সময় থাকত| তারা গরীব, অসহায় লোকদের সাহায্য করত না|
50
সদোম ও তার কন্যারা খুবই গর্বিত হয়ে উঠেছিল এবং আমার সামনে এবং ভয়ঙ্কর সব কাজ করতে শুরু করেছিল| আর আমি তাদের তা করতে দেখে তাদের শাস্তি দিয়েছিলাম|”
51
ঈশ্বর বলেছেন, “আর তুমি যেসব মন্দ কাজ করেছ, শমরিয়া তার অর্ধেকও করেনি| তোমার ভয়ঙ্কর কাজগুলো শমরিয়ার কাজের চেয়ে অনেক বেশী খারাপ! তোমার মন্দ কাজগুলি আসলে তোমার বোন শমরিয়াকে ভালো হিসেবে দেখায়|
52
তাই তুমি তোমার লজ্জা বইবে| তুমি তোমার বোনকে তোমার চেয়ে উত্তম প্রমাণ করেছ| তুমি ভয়ানক কাজ করেছ তাই তোমাকে অবশ্যই লজ্জা পেতে হবে|”
53
ঈশ্বর বলেছিলেন, “আমি সদোম ও তার চারপাশের শহর ধ্বংস করেছিলাম| আর তার পাশের শমরিয়াও ধ্বংস করেছিলাম| আর জেরুশালেম আমি তোমায় ধ্বংস করব| কিন্তু ঐ শহরগুলি আবার নির্মাণ করব| আর জেরুশালেম তোমাকেও আমি আবার নির্মাণ করব|
54
আমি তোমায় সান্তনা দেব| তখন তুমি তোমার করা ভয়ানক কাজগুলো মনে করবে আর লজ্জিত হবে|
55
তাই তোমাকে ও তোমার বোনকে আবার নতুন ভাবে গড়া হবে| সদোম ও তার চারপাশের শহরগুলিকে এবং শমরিয়া ও তার চারপাশের শহরগুলিকে এবং তোমাকে ও তোমার চারপাশের শহরগুলিকে আবার গড়া হবে|
56
ঈশ্বর বলেছেন, “অতীতে তুমি গর্বিতমনা ছিলে ও তোমার বোন সদোমকে নিয়ে ঠাট্টা করতে কিন্তু তুমি আর তা করবে না|
57
শাস্তি পাবার আগে তুমি তা করেছিলে, তোমার প্রতিবেশীরা তোমাকে নিয়ে মজা করার আগে করেছিল| ইদোম ও পলেষ্টীয়ের কন্যারা, যারা তোমাকে ঘৃণা করে, তারা এখন তোমাকে নিয়ে ঠাট্টা করছে|
58
এখন তুমি অবশ্যই তোমার কৃত ভয়ঙ্কর কাজগুলির জন্য শাস্তি পাবে|” প্রভুই এই কথা বলেছেন|
59
প্রভু আমার সদাপ্রভু বলেন, “তুমি আমার সঙ্গে যেরূপ ব্যবহার করেছ আমিও তোমার সঙ্গে সেইরূপ ব্যবহার করব! তুমি তোমার বিবাহের প্রতিশ্রুতি ভেঙ্গেছ| তুমি সেই কৃত চুক্তির সম্মান করনি|
60
কিন্তু তোমার যৌবনের সময় যে চুক্তি হয়েছিল তা আমি স্মরণে রেখেছি| তোমার সঙ্গে আমি এক চিরকালীন চুক্তি করেছিলাম!
61
আমি তোমার বোনদের, ছোট ও বড় উভয়কেই তোমার কাছে আনব এবং তাদের তোমার কন্যা করব| এটা চুক্তিতে ছিল না কিন্তু আমি এটা তোমার জন্য করব| তখন তুমি তোমার ভয়ঙ্কর কাজগুলি স্মরণ করবে আর লজ্জিত হবে|
62
সুতরাং আমি তোমার সাথে আমার চুক্তি করব আর তুমি জানবে যে আমিই প্রভু|
63
আমি তোমার প্রতি সদয় হব সুতরাং তুমি আমায় মনে করবে, এবং তোমার মন্দ কাজের জন্য এত লজ্জিত হবে যে কিছুই বলতে পারবে না| কিন্তু আমি তোমাকে শুচি করব, তুমি আর কখনও লজ্জিত হবে না!” প্রভু আমার সদাপ্রভুই এই কথা বলেন|
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 17 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48