bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
Ezekiel 21
Ezekiel 21
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 22 →
1
প্রভুর বাক্য আবার আমার কাছে এল| তিনি বললেন,
2
“হে মনুষ্যসন্তান, জেরুশালেমের দিকে তাকাও ও তার পবিত্র স্থানগুলির বিরুদ্ধে এই কথা বল| আমার হয়ে ইস্রায়েল দেশের বিরুদ্ধে কথা বল|
3
ইস্রায়েল দেশের প্রতি বল, ‘প্রভু এই সব কথা বলেন: আমি তোমার বিরুদ্ধে! আমি খাপ থেকে তরবারি খুলে ভাল ও মন্দ সব লোককেই তোমার কাছ থেকে দূর করব!
4
আমি যখন ভাল ও মন্দ উভয় প্রকার লোককেই তোমা হতে উচ্ছেদ করি তখন খাপ থেকে তরবারি বের করে তা দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করব|
5
তখন সমস্ত লোক জানবে যে আমিই প্রভু| আর এও জানবে যে আমিই খাপ থেকে তরবারি বের করেছি| আমার তরবারি কাজ শেষ না করা পর্যন্ত তার খাপে ফিরে যাবে না|’”
6
ঈশ্বর বলেন, “হে মনুষ্যসন্তান, মন ভেঙ্গে গেছে এমন মানুষ যেভাবে শোক করে, লোকদের সামনে সেই ভাবে শোক কর|”
7
তখন তারা তোমায় জিজ্ঞেস করবে, ‘কেন তুমি এই সব আওয়াজ করছ?’ তখন তুমি বলবে, ‘শোকের সংবাদ আসছে বলে| ভয়ে প্রত্যেকের আত্মা দুর্বল হয়ে যাবে, সমস্ত হাত দুর্বল হয়ে পড়বে, প্রত্যেক আত্মাও দুর্বল হবে এবং সবার হাঁটু জলের মত হয়ে পড়বে|’ দেখ সেই খারাপ সংবাদ আসছে| এসব ঘটনাও ঘটবে|” প্রভু আমার সদাপ্রভু এই সব বলেন|
8
প্রভুর বাক্য আমার কাছে এল| তিনি বললেন,
9
“মনুষ্যসন্তান লোকদের কাছে আমার হয়ে এই কথা বল, ‘প্রভু আমার সদাপ্রভু বলেন: “‘এই দেখ, একটি তরবারি এবং তরবারিটিতে শান দেওয়া হয়েছে ও পালিশ করা হয়েছে|
10
হত্যার জন্য সেই তরবারি ধারালো করা হয়েছে| তাতে ধার দেওয়া হয়েছে এমনভাবে যেন তা চমকায়| হে মনুষ্যসন্তান আমার শাস্তি দেবার লাঠির কাছ থেকে তোমরা দৌড়ে পালিয়েছ| বেতের আঘাত খেতে তোমরা অস্বীকার করেছ|
11
তাই তরবারিটিকে ঘসা-মাজা করা হয়েছে এবং ধার দেওয়া হয়েছে, এখন তা ব্যবহার করা যাবে| তরবারি ঘসে মেজে ধার দেওয়া হয়েছিল| আর এখন তা ঘাতকের হাতে দেওয়া যাবে|
12
“‘হে মনুষ্যসন্তান, চিৎকার কর| তীক্ষ্ণ শব্দে চিৎকার কর! কারণ আমার প্রজাদের ও ইস্রায়েলের শাসকদের বিরুদ্ধে সেই তরবারি ব্যবহার করা হবে| ঐ শাসকরা যুদ্ধ চাইত, তাই তরবারি এলে তারা আমার প্রজাদের সঙ্গে থাকবে| দুঃখ প্রকাশ করবার জন্য তোমার জাঙ্গে চড় মেরে আঘাত কর| আর তোমার শোক প্রকাশ করতে উচ্চ শব্দ কর!
13
এটা কেবল পরীক্ষা নয়| তোমরা ছড়ির দ্বারা শাসন অগ্রাহ্য করেছিলে তাই তোমাদের শাস্তি দিতে আমি আর কি ব্যবহার করতাম? তরবারি|’” প্রভু আমার সদাপ্রভু এই সব কথা বলেন|
14
ঈশ্বর বলেন, “মনুষ্যসন্তান, হাততালি দাও, আমার হয়ে লোকদের কাছে বল| “হ্যাঁ, তরবারিকে দুবার, এমনকি তিন বার আসতে দাও| এই তরবারি মানুষ হত্যার জন্য, তা মহাহত্যার জন্য| এই তরবারি তাদের টুকরো টুকরো করে ফেলবে!
15
তাদের হৃদয় ভয়ে গলে যাবে আর বহু লোক পতিত হবে| নগরের দরজার কাছে খড়্গ দ্বারা বহুলোক হত হবে| হ্যাঁ, খড়্গ বজ্রের মত চমকাবে, হত্যার জন্যই তাতে শান দেওয়া হয়েছে!
16
তরবারি শাণিত হও! ডানদিকে ছেদ কর| সোজাসুজি কেটে চল, বাম দিকে ছেদ কর| তোমার তরবারি যে দিকে চায় যাক!
17
“তখন আমিও আমার হাতে তালি দেব| আমার রোধ নিবৃত্ত করব| আমি প্রভুই একথা বলছি|”
18
প্রভুর বাক্য আমার কাছে এল, তিনি বললেন,
19
“হে মনুষ্যসন্তান, দুটি রাস্তা আঁক যা দিয়ে বাবিলের রাজার তরবারি ইস্রায়েলে আসতে পারে| দুটি রাস্তাই ঐ একই নগরী বাবিল থেকে এসেছে| তারপর রাস্তার মাথা থেকে শহর পর্যন্ত একটা চিহ্ন আঁক|
20
চিহ্নটা ব্যবহার কর তরবারি কোন রাস্তা ব্যবহার করবে তা বোঝাতে| একটা রাস্তা অম্মোনীয়দের শহর রব্বার দিকে গেছে| অন্য পথটি গেছে যিহূদার দিকের সুরক্ষিত শহর জেরুশালেমে!
21
যে জায়গায় দুই রাস্তা আলাদা হয়ে গেছে সেখানে বাবিলের রাজা এসেছে| বাবিলের রাজা ভবিষ্যৎ জানার জন্য যাদু চিহ্ন ব্যবহার করেছে| সে তীর নিয়ে নাড়াচাড়া করেছে, পারিবারিক দেবতার কাছে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছে এবং যকৃতের দিকে তাকিয়েছে|
22
“ঐ চিহ্নগুলি তাকে ডানদিকের পথ ধরতে বলেছে, যে পথ জেরুশালেমের দিকে যাচ্ছে! সে প্রাচীর-ভেদক যন্ত্র আনার পরিকল্পনা করছে| আজ্ঞা পেলেই তার সৈন্যরা হত্যা করতে শুরু করবে| তারা যুদ্ধের সিংহনাদ করবে এবং তারপর শহরের চারধারে মাটির প্রাচীর গড়বে| প্রাচীর পর্যন্ত যাবার একটা জাঙ্গাল তৈরী করবে| শহর আক্রমণের জন্য একটা কাঠের মিনারও তৈরী করবে|
23
ইস্রায়েলের লোকরা ঐসব যাদু চিহ্নের মানে বুঝবে না| তারা তাঁর কাছে একটা প্রতিশ্রুতি করেছিল, কিন্তু তিনি তাদের পাপ সম্বন্ধে স্মরণ করাবেন| তখন ইস্রায়েলীয়রা বন্দী হবে|”
24
প্রভু আমার সদাপ্রভু এই কথা বলেন, “তোমরা অনেক মন্দ কাজ করেছ| তোমাদের পাপগুলো পরিষ্কার ভাবেই দেখা যাচ্ছে| তোমরা আমাকে স্মরণ করতে বাধ্য করেছ যে তোমরা দোষী; তাই তোমরা শত্রুদের হাতে ধরা পড়বে|
25
আর ওহে ইস্রায়েলের দুষ্ট নেতারা, তোমরা হত হবে| তোমাদের শাস্তির সময় এসেছে, শেষ দশা ঘনিয়ে আসছে!”
26
প্রভু আমার সদাপ্রভু বলেন, “শিরস্ত্রান খুলে ফেল! মুকুট খুলে নাও! পরিবর্তনের সময় এসেছে| গণ্যমান্য নেতাদের নত করা হবে আর যারা সাধারণ তারা গণ্যমান্য নেতা হবে|
27
আমি শহরটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করব| এরকমটি আগে কখনও হয়নি, কিন্তু আমি এমন একজনকে শহরটি দেব যার এটি দাবী করবার অধিকার আছে|”
28
ঈশ্বর বললেন, “মনুষ্যসন্তান, লোকদের কাছে আমার হয়ে এই কথা বল, ‘প্রভু আমার সদাপ্রভু অম্মোনের অধিবাসী ও তাদের লজ্জাকর দেবতাদের উদ্দেশ্যে এই সব কথা বলেন: “‘তরবারি! একটি তরবারি! সেই তরবারিটি তার খাপের বাইরে আছে| তাকে পরিষ্কার করে ঘসা মাজা হয়েছে| তরবারিটি হত্যা করার জন্য প্রস্তুত! বিদ্যুৎ চমকের মত তাকে পালিশ করা হয়েছে!
29
“‘তোমার দর্শনগুলি কোন কাজের নয়| তোমার যাদু তোমায় কোন সাহায্য করবে না| তা কেবল মিথ্যার ঝুড়ি| খড়্গ এখন দুষ্ট লোকের গলায়| শীঘ্রই তারা মৃতদেহে পরিণত হবে| তাদের সময় ঘনিয়ে এসেছে| মন্দের শেষ হবার সময় হয়েছে|
30
“‘তরবারি (বাবিল) তুলে তা খাপে ফিরিয়ে রাখ| বাবিল তুমি যেখানে সৃষ্টি হয়েছিলে, যে দেশে তোমার জন্ম হয়েছিল, সেখানেই আমি তোমার বিচার করব|”
31
তোমার বিরুদ্ধে আমার রোধ ঢেলে দেব| গরম বাতাসের মত আমার রোধ তোমায় জ্বালিয়ে দেবে| আমি তোমাকে হিংস্র, হত্যায পটু এমন লোকদের হাতে তুলে দেব|
32
তোমরা জ্বালানীর মত হবে| তোমাদের রক্ত পৃথিবীর গভীরে বইবে; লোকে আর তোমাদের স্মরণ করবে না| আমিই প্রভু এই কথা বলেছি!’”
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 22 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48