bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
/
Ezekiel 7
Ezekiel 7
Bengali ERV 2001 (পবিত্র বাইবেল)
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 8 →
1
তারপর প্রভুর বাক্য আমার কাছে এল|
2
তিনি বললেন, “এখন, মনুষ্যসন্তান, প্রভু আমার সদাপ্রভুর কাছ থেকে এই বার্তা এসেছে| এই বার্তাটি ইস্রায়েল দেশের জন্য| শেষ কাল, শেষ সময় আসছে, সমস্ত দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে|
3
তোমার শেষ দশা এবার আসছে! আমি দেখাব যে আমি তোমার ওপর কত রুদ্ধ| তুমি যেসব মন্দ কাজ করেছ তার জন্য আমি তোমায় শাস্তি দেব| তুমি যে সব জঘন্য কাজ করেছ তার জন্য আমি তোমায় তার মূল্য দিতে বাধ্য করব|
4
আমি তোমার প্রতি কোন দয়া দেখাব না| আমি তোমার জন্য দুঃখ অনুভব করব না| তুমি যেসব মন্দ কাজ করেছ তার জন্য আমি তোমাকে শাস্তি দিচ্ছি| তুমি এমন জঘন্য কাজগুলি করেছ| এখন, তুমি জানবে যে আমিই প্রভু|”
5
প্রভু আমার সদাপ্রভু ঐ কথাগুলি বলেছিলেন| “একের পর এক অমঙ্গল ঘটবে!
6
শেষ কাল আসছে আর তা খুব শীঘ্রই আসবে!
7
তোমরা যারা ইস্রায়েলে বাস করছ তোমাদের অন্তিমকাল আসছে| শাস্তির সেই দিন খুব শীঘ্রই ঘনিয়ে আসছে| পর্বতের ওপর কোলাহল ক্রমে ক্রমে বেড়েই চলেছে|
8
এখন খুব শীঘ্রই আমি দেখাব যে আমি কত রুদ্ধ| আমি তোমাদের বিরুদ্ধে আমার সমস্ত রোধ প্রকাশ করব| তোমাদের সমস্ত মন্দ কাজের জন্য আমি তোমাদের শাস্তি দেব| তোমরা যে সমস্ত ঘৃণিত কাজ করেছিলে তার জন্য তোমাদের আমি শাস্তি দেব|
9
আমি তোমাদের প্রতি কোন দয়া দেখাব না| তোমাদের জন্য দুঃখিত হব না| তোমরা যেসব মন্দ কাজ করেছ তার জন্য আমি তোমাদের শাস্তি দিচ্ছি| তোমরা এমন সমস্ত ঘৃণিত কাজ করেছ| এখন, জানবে যে আমিই প্রভু|
10
“শাস্তির ঐ সময়, যেমন করে উদ্ভিদের অঙ্কুরোদ্গম, মুকুলাযন ও কুসুম প্রস্ফুটিত হয়, সেই রকম ভাবে এসেছে| ঈশ্বর সঙ্কেত দিয়েছেন, শত্রু তৈরী, গর্বিত রাজা নবূখদনিৎসর প্রস্তুত|
11
সেই লোক ঐসব মন্দ লোকদের শাস্তি দেবার জন্য তৈরী| ইস্রায়েলে অনেক লোকই রয়েছে কিন্তু সে তাদের একজনও নয়| সে ঐ জনতার ভীড়ের কেউ নয়| সে ঐ লোকদের কোন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও নয়|
12
“শাস্তির সেই সময় এসেছে| সেই দিন এখানে লোকে যারা জিনিস কেনাকাটা করে তারা আনন্দিত হবে না, আর যারা জিনিস বেচে তারাও বেচতে খারাপ বোধ করবে না| কারণ সেই ভয়ানক শাস্তি সবার প্রতিই ঘটবে|
13
লোকে যারা তাদের সম্পত্তি বিক্রি করেছিল তারা আর তার কাছে ফিরে যাবে না| এমনকি যদি কেউ জীবিত ও পালিয়ে যায় তাও সে নিজের সম্পত্তির কাছে ফিরে যাবে না| কারণ এই দর্শন সমস্ত জনতার জন্য| তাই যদি কোন ব্যক্তি জীবিত পালায়় তাতে অন্যেরা ভাল বোধ করবে না|
14
“তারা লোকদের সাবধান করতে শিঙা বাজাবে| লোকরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হবে| কিন্তু তারা যুদ্ধ করতে যাবে না| কারণ আমি সমস্ত জনতাকে দেখাব আমি কত রুদ্ধ|
15
শত্রু তার তরবারি নিয়ে শহরের বাইরে রয়েছে| রোগ ও ক্ষুধা শহরের মধ্যে| যদি কোন লোক থেকে যায় তবে এক শত্রুসেনা তাকে হত্যা করবে| যদি সে শহরে থাকে তবে ক্ষুধা ও রোগ তাকে ধ্বংস করবে|
16
“কিন্তু কিছু লোক পালাবে| ঐ অবশিষ্টরা পাহাড়ে দৌড়ে যাবে| কিন্তু তারা সুখী হবে না তাদের পাপের জন্য দুঃখ বোধ করবে| তারা ঘুঘুর মত গোঙাবে|
17
লোকে তাদের হাত তুলতে ক্লান্ত ও দুঃখ বোধ করবে| তাদের পা জলের মত শিথিল মনে হবে|
18
তারা শোকবস্ত্র পরবে এবং ভয়ে আচ্ছন্ন হবে| তুমি তাদের মুখে লজ্জা দেখতে পাবে| তারা তাদের শোক ব্যক্ত করতে মাথা কামাবে|
19
তারা তাদের রূপো রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলবে| তাদের সোনাগুলিকে নোংরা বস্তার মত জ্ঞান করবে| কারণ প্রভু রোধন্বত হলে ঐসব জিনিস তাদের রক্ষা করতে পারবে না| ঐসব জিনিস আর কিছুই না কেবল লোককে পাপে ফেলার ফাঁদ| ঐসব জিনিস লোকদের প্রাণ তৃপ্ত করবে না অথবা তাদের পেটও ভরাতে পারবে না|
20
“ঐ লোকরা তাদের সুন্দর অলঙ্কার ব্যবহার করে প্রতিমা গড়েছিল| তারা ঐ প্রতিমার বিষয়ে গর্ব করেছিল| তারা তাদের ভয়ঙ্কর প্রতিমা গড়েছিল, ঐসব নোংরা জিনিস বানিয়েছিল| তাই আমি (ঈশ্বর) তাদের নোংরা বস্তার মত ছুঁড়ে ফেলব|
21
আমি আগন্তুক লোকদেরও তাদের ধনসম্পদ নিয়ে যেতে দেব| ঐ আগন্তুকরা তাদের নিয়ে ঠাট্টা করবে| ঐ দুষ্ট লোকরা তাদের সোনা ও রূপো নিয়ে চলে যাবে|
22
আমি তাদের থেকে আমার মুখ ফিরিয়ে নেব, তাদের দিকে তাকাব না| ঐ আগন্তুকরা আমার মন্দির ধ্বংস করবে, তারা পবিত্র গৃহের গোগনস্থানে ঢুকে তা অশুচি করবে|
23
“বন্দীদের জন্য শেকল তৈরী কর! কারণ হত্যা করার জন্য এবং অন্যায়ের অপরাধে বহু লোককে শাস্তি দেওয়া হবে|
24
এই কারণে আমি অন্য জাতির মন্দ লোকেদের নিয়ে আসব| আর ঐ মন্দ লোকরা ইস্রায়েলীয়দের সমস্ত বাড়িঘর অধিকার করবে| আমি বলবান সমস্ত লোকদের গর্ব চূর্ণ করব| অন্য জাতির ঐ লোকরা তোমাদের পূজার সমস্ত স্থান অধিকার করবে|
25
“তোমরা ভয়ে কাঁপবে| তোমরা শান্তির অন্বেষণ করবে কিন্তু শান্তি পাবে না|
26
তোমরা একটার পর একটা দুঃখের ঘটনা শুনবে| তোমরা দুঃসংবাদ ছাড়া আর কিছুই শুনতে পাবে না| তোমরা ভাববাদীর খোঁজ করবে এবং তার কাছে দর্শন চাইবে, কিন্তু পাবে না| যাজকরা তোমাদের শিক্ষা দেবার জন্য কিছুই খুঁজে পাবে না| প্রবীণেরাও শিক্ষা দেবার জন্য কোন ভাল উপদেশ খুঁজে পাবে না|
27
তোমাদের রাজা মৃত লোকদের জন্য কাঁদবে| নেতারা শোকবস্ত্র পরবে| সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হবে| কেন? কারণ তারা যা করেছে তার জন্য তাদের পরিশোধ করতে আমি বাধ্য করব| তাদের শাস্তি আমি ঠিক করব| আর আমি তাদের শাস্তি দেব| তাহলে ঐ লোকরা জানবে যে আমিই প্রভু|”
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 8 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48