bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
1 Corinthians 14
1 Corinthians 14
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 15 →
1
এই ভালবাসার জন্য তোমরা বিশেষভাবে চেষ্টা কর, আর পবিত্র আত্মার দেওয়া দান, বিশেষভাবে নবী হিসাবে কথা বলবার ক্ষমতা পাবার জন্য তোমাদের আগ্রহ থাকুক।
2
অন্য কোন ভাষায় যে লোক কথা বলে সে মানুষের কাছে কথা বলে না কিন্তু ঈশ্বরের কাছে কথা বলে, কারণ কেউ তা বুঝতে পারে না। সে আত্মা দিয়ে গুপ্ত সত্যের কথা বলে।
3
কিন্তু নবী হিসাবে যে কথা বলে সে মানুষের কাছে এমন কথা বলে যা তাদের গড়ে তোলে এবং উৎসাহ ও সান্ত্বনা দেয়।
4
অন্য কোন ভাষায় যে লোক কথা বলে সে নিজেকেই গড়ে তোলে, কিন্তু নবী হিসাবে যে কথা বলে সে মণ্ডলীর লোকদের গড়ে তোলে।
5
আমি চাই যেন তোমরা সকলেই বিভিন্ন ভাষায় কথা বলতে পার, কিন্তু আরও বেশী করে চাই যেন তোমরা নবী হিসাবে কথা বলতে পার। অন্য কোন ভাষায় যে লোক কথা বলে, মণ্ডলীর লোকদের গড়ে তুলবার জন্য যদি সে তার কথার মানে বুঝিয়ে না দেয়, তবে তার চেয়ে নবী হিসাবে যে কথা বলে সে-ই বরং বড়।
6
সেইজন্য ভাইয়েরা, আমি যদি তোমাদের কাছে এসে কেবল অন্য ভাষায় কথা বলি, কিন্তু তার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সত্য প্রকাশের কথা বা জ্ঞানের কথা বা নবী হিসাবে ঈশ্বরের দেওয়া কথা বা শিক্ষার কথা না বলি, তবে আমি তোমাদের কি উপকার করতে পারব?
7
এমন কি, বাঁশী বা বীণার মত প্রাণহীন বাজনা যদি পরিষ্কার আলাদা আলাদা সুরে না বাজে, তবে বাঁশী বা বীণাতে কি সুর বাজছে তা কেমন করে জানা যাবে?
8
যুদ্ধের তূরী যদি পরিষ্কার ভাবে না বাজে তবে কে যুদ্ধে যাবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবে?
9
ঠিক সেইভাবে যে ভাষা লোকেরা বোঝে না তোমরা যদি সেই ভাষায় কথা বল তবে তোমরা যা বল তা কেমন করে বুঝা যাবে? কারণ তখন যে কথা তোমরা বল তা তো বাতাসের কাছেই বল।
10
এই জগতে অনেক রকমের ভাষা আছে; সেগুলোর মধ্যে কোনটাই অর্থহীন নয়।
11
এইজন্য আমি যদি কোন ভাষার মানে না বুঝি তবে যে লোক কথা বলছে তার কাছে তো আমি অজানা বিদেশীর মত হব, আর সেও আমার কাছে তা-ই হবে।
12
তোমাদের বেলায়ও এই কথা খাটে। তোমরা যখন পবিত্র আত্মার দেওয়া দান পাবার জন্য বিশেষভাবে আগ্রহী হচ্ছ তখন যে যে দানের দ্বারা মণ্ডলীকে গড়ে তোলা যায় সেগুলোই বেশী করে পাবার চেষ্টা কর।
13
এইজন্য অন্য কোন ভাষায় যে লোক কথা বলে সে প্রার্থনা করুক যেন তার মানে সে বুঝিয়ে দিতে পারে।
14
আমি যদি অন্য কোন ভাষায় প্রার্থনা করি তবে আমার আত্মাই প্রার্থনা করে কিন্তু আমার মন কোন কাজ করে না।
15
তাহলে আমার কি করা উচিত? আমি আত্মা দিয়ে প্রার্থনা করব, বুদ্ধি দিয়েও প্রার্থনা করব; আমি আত্মা দিয়ে প্রশংসা-গান করব, বুদ্ধি দিয়েও প্রশংসা-গান করব।
16
তা না হলে যদি তুমি আত্মাতে ধন্যবাদ দাও তবে সেই ভাষা বুঝতে পারে না এমন কোন লোক যদি সেখানে উপস্থিত থাকে, তবে সে কেমন করে তোমার ধন্যবাদে আমেন বলে সায় দেবে? সে তো জানে না তুমি কি বলছ।
17
তুমি হয়তো ঠিকভাবেই ধন্যবাদ দিচ্ছ, কিন্তু তাতে সেই অন্য লোকটিকে তো গড়ে তোলা হচ্ছে না।
18
আমি তোমাদের সকলের চেয়ে বিভিন্ন ভাষায় কথা বলতে বেশী পারি বলে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিই।
19
তবে মণ্ডলীর মধ্যে বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার কথা বলবার বদলে অন্যদের শিক্ষা দেবার জন্য আমি বুদ্ধি দিয়ে বরং মাত্র পাঁচটা কথা বলব।
20
ভাইয়েরা, ছেলে মানুষের মত আর চিন্তা কোরো না। মন্দ বিষয়ে তোমাদের মন শিশুর মত সরল হোক, কিন্তু চিন্তাতে তোমরা বয়স্ক লোকের মত হও।
21
মোশির আইন-কানুনে প্রভু বলেন, “অন্য ভাষার লোকদের দিয়ে ও অন্যদের মুখ দিয়ে আমি এই জাতির কাছে কথা বলব, কিন্তু তবুও তারা আমার কথা শুনবে না।”
22
তাহলে দেখা যায়, বিশ্বাসীদের জন্য বিভিন্ন ভাষায় কথা বলা কোন চিহ্ন নয়, বরং অবিশ্বাসীদের জন্য ওটা একটা চিহ্ন; কিন্তু অবিশ্বাসীদের জন্য নবী হিসাবে কথা বলা কোন চিহ্ন নয়, বরং বিশ্বাসীদের জন্য ওটা একটা চিহ্ন।
23
মণ্ডলীর সমস্ত লোক এক জায়গায় মিলিত হলে পর যদি সবাই বিভিন্ন ভাষায় কথা বলতে থাকে আর তখন সেই মণ্ডলীর বাইরের লোকেরা এবং অবিশ্বাসীরা ভিতরে আসে, তবে কি তারা তোমাদের পাগল বলবে না?
24
কিন্তু যদি সবাই নবী হিসাবে কথা বলে আর তখন কোন অবিশ্বাসী বা মণ্ডলীর বাইরের লোক ভিতরে আসে, তবে সেই লোক সকলের কথার মধ্য দিয়ে নিজের পাপ সম্বন্ধে চেতনা পাবে এবং সেই সব কথার দ্বারাই তার অন্তরের বিচার হবে।
25
তাতে তার অন্তরের গুপ্ত বিষয়গুলো বের হয়ে পড়বে, আর সে তখন মাটিতে উবুড় হয়ে পড়ে ঈশ্বরের গৌরব করে বলবে, “সত্যিই, ঈশ্বর আপনাদের মধ্যে আছেন।”
26
ভাইয়েরা, তবে কি বলব? তোমরা যখন মণ্ডলীতে এক জায়গায় মিলিত হও তখন তোমাদের মধ্যে কেউ প্রশংসা-গান করে, কেউ শিক্ষা দেয়, কেউ ঈশ্বরের সত্য প্রকাশ করে, কেউ অন্য ভাষায় কথা বলে, আবার কেউ তার মানে বুঝিয়ে দেয়। যে যা-ই করুক না কেন সমস্তই যেন মণ্ডলীকে গড়ে তুলবার জন্য করা হয়।
27
যদি কেউ অন্য ভাষায় কথা বলে তবে দু’জন বা বেশী হলে তিনজন এক একজন করে কথা বলুক, আর অন্য একজন তার মানে বুঝিয়ে দিক।
28
যদি মানে বুঝাবার কেউ না থাকে তবে তারা মণ্ডলীতে কথা না বলুক; তারা একা একা নিজের সংগে আর ঈশ্বরের সংগে কথা বলুক।
29
যারা নবী হিসাবে কথা বলে তারা দুইজন বা তিনজন কথা বলুক আর অন্যেরা তার বিচার করে দেখুক।
30
যে বসে আছে তার কাছে যদি ঈশ্বরের সত্য প্রকাশিত হয় তবে যে কথা বলছে সে কথা বলা বন্ধ করুক,
31
কারণ তোমরা সবাই এক এক করে নবী হিসাবে কথা বলতে পার যেন সবাই শিক্ষা এবং উৎসাহ পায়।
32
নবীদের আত্মা তাদের নিজেদের অধীনে থাকে।
33
ঈশ্বর বিশৃঙ্খলার ঈশ্বর নন, তিনি শান্তির ঈশ্বর। ঈশ্বরের লোকদের সব মণ্ডলীতে যেমন হয়ে থাকে,
34
সেইভাবে স্ত্রীলোকেরা মণ্ডলীতে চুপ করে থাকুক, কারণ কথা বলবার অনুমতি তাদের দেওয়া হয় নি। মোশির আইন-কানুন যেমন বলে তেমনি তারা বরং বাধ্য হয়ে থাকুক।
35
যদি তারা কিছু জানতে চায় তবে বাড়ীতে তাদের স্বামীকে জিজ্ঞাসা করুক, কারণ মণ্ডলীতে কথা বলা একজন স্ত্রীলোকের পক্ষে লজ্জার বিষয়।
36
ঈশ্বরের বাক্য কি তোমাদের মধ্য থেকেই বের হয়েছিল কিম্বা তা কি কেবল তোমাদেরই কাছে এসেছে?
37
যদি কেউ নিজেকে নবী বলে বা আত্মিক লোক বলে মনে করে তবে সে স্বীকার করুক যে, আমি তোমাদের কাছে যা কিছু লিখলাম তা সবই প্রভুর আদেশ।
38
যদি কেউ তা অগ্রাহ্য করে তবে তাকেও অগ্রাহ্য করা হবে।
39
সেইজন্যই আমার ভাইয়েরা, নবী হিসাবে কথা বলবার জন্য বিশেষভাবে আগ্রহী হও এবং বিভিন্ন ভাষায় কথা বলতে বাধা দিয়ো না।
40
সব কিছুই যেন উপযুক্তভাবে আর শৃঙ্খলার সংগে করা হয়।
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 15 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16