bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Hebrews 11
Hebrews 11
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 12 →
1
আমরা যা পাব বলে আশা করে আছি তা যে আমরা পাবই এই নিশ্চয়তাই হল বিশ্বাস। আর সেই বিশ্বাসের দ্বারা আমরা নিশ্চিত ভাবে বুঝতে পারি যে, আমরা যা দেখতে পাচ্ছি না তা আসলে আছে।
2
বিশ্বাসের জন্যই আমাদের পূর্বপুরুষেরা ঈশ্বরের প্রশংসা পেয়েছিলেন।
3
বিশ্বাসের দ্বারাই আমরা বুঝতে পারি যে, ঈশ্বরের মুখের কথাতে এই জগৎ সৃষ্ট হয়েছিল। তাতে বুঝা যায়, যা আমরা দেখতে পাই তা কোন দেখা জিনিস থেকে সৃষ্ট হয় নি।
4
বিশ্বাসের জন্য কয়িনের চেয়ে হেবলের উৎসর্গ ঈশ্বরের চোখে আরও ভাল ছিল। তাঁর বিশ্বাসের জন্যই ঈশ্বর তাঁর উৎসর্গ গ্রহণ করে তাঁর বিষয়ে এই সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে, তিনি নির্দোষ। যদিও হেবল মারা গেছেন তবুও তাঁর বিশ্বাসের মধ্য দিয়েই তিনি এখনও কথা বলছেন।
5
বিশ্বাসের জন্যই হনোক মারা যান নি; তাঁকে স্বর্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল। ঈশ্বর তাঁকে নিয়ে গিয়েছিলেন বলে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায় নি। হনোককে নিয়ে যাবার আগে ঈশ্বর এই সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে, হনোক তাঁকে সন্তুষ্ট করেছেন।
6
বিশ্বাস ছাড়া ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করা অসম্ভব, কারণ ঈশ্বরের কাছে যে যায়, তাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, ঈশ্বর আছেন এবং যারা তাঁর ইচ্ছামত চলে তারা তাঁর হাত থেকে তাদের পাওনা পায়।
7
যা তখনও দেখা যায় নি সেই বিষয়ে ঈশ্বর নোহকে সাবধান করেছিলেন। নোহ ঈশ্বরভক্ত ছিলেন বলে ঈশ্বরের কথা বিশ্বাস করে একটা জাহাজ তৈরী করেছিলেন, যেন তাঁর পরিবার রক্ষা পায়। নোহ তাঁর বিশ্বাসের দ্বারাই জগৎকে দোষী বলে প্রমাণ করেছিলেন এবং ঈশ্বরের কাছে নির্দোষ বলে গ্রহণযোগ্য হবার অধিকার পেয়েছিলেন, যা কেবল বিশ্বাসের ফলেই পাওয়া যায়।
8
ঈশ্বর যখন অব্রাহামকে ডেকেছিলেন তখন বিশ্বাসের জন্যই তিনি ঈশ্বরের কথার বাধ্য হয়েছিলেন এবং সম্পত্তি হিসাবে যে জায়গাটা তাঁর পাবার কথা ছিল সেই জায়গায় তিনি গিয়েছিলেন। যদিও তখন বুঝতে পারেন নি তিনি কোথায় যাচ্ছেন তবুও তিনি রওনা হয়েছিলেন।
9
ঈশ্বর যে দেশ অব্রাহামকে দেবার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তিনি বিশ্বাসের জন্যই বিদেশী হিসাবে সেখানে বাস করেছিলেন। তাঁর সংগে যাঁরা সেই একই প্রতিজ্ঞার আশীর্বাদের ভাগী ছিলেন সেই ইস্হাক ও যাকোবের মত করে তিনিও তাম্বুতে তাম্বুতে বাস করতেন;
10
কারণ যে শহর চিরস্থায়ী তিনি সেই শহরের অপেক্ষায় ছিলেন। সেই শহরের নক্শা তৈরী ও গেঁথে তুলবার কাজ ঈশ্বরই করেছেন।
11
যদিও সারার সন্তান হবার বয়স পার হয়ে গিয়েছিল তবুও বিশ্বাসের জন্যই তিনি অব্রাহামের সন্তান গর্ভে ধরবার শক্তি পেয়েছিলেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, যিনি প্রতিজ্ঞা করেছেন তিনি বিশ্বাসযোগ্য।
12
এইজন্য বয়সের দরুন অকেজো দেহ নিয়েও অব্রাহাম আকাশের তারার মত এবং সাগর পারের বালুকণার মত অসংখ্য সন্তানের পিতা হয়েছিলেন।
13
এই সব লোকেরা বিশ্বাসের মধ্যে জীবন কাটিয়ে মারা গেছেন। ঈশ্বর তাঁদের যা দেবার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তা তাঁরা পান নি, কিন্তু দূর থেকে তা দেখেছিলেন এবং খুশীও হয়েছিলেন। এই পৃথিবীতে যে তাঁরা বিদেশী এবং পরদেশে বাসকারী তা তাঁরা স্বীকারও করেছিলেন।
14
যাঁরা তা স্বীকার করেন তাঁরা পরিষ্কার ভাবে বুঝান যে, তাঁরা নিজেদের জন্য একটা দেশের খোঁজ করছেন।
15
যে দেশ থেকে তাঁরা বের হয়ে এসেছিলেন যদি সেই দেশের কথা তাঁরা চিন্তা করতেন তবে তো সেই দেশে ফিরে যাবার সব সুযোগই তাঁরা পেতেন।
16
কিন্তু তাঁরা আরও ভাল একটা দেশের, অর্থাৎ স্বর্গের খোঁজ করছিলেন। সেইজন্যই ঈশ্বর নিজেকে তাঁদের ঈশ্বর বলতে লজ্জা বোধ করেন না, কারণ তিনি তাঁদেরই জন্য একটা শহর তৈরী করেছিলেন।
17
অব্রাহামকে পরীক্ষা করবার সময় তিনি ঈশ্বরের উপর বিশ্বাসের জন্যই ইস্হাককে উৎসর্গ করেছিলেন। যাঁর কাছে ঈশ্বর প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তিনিই তাঁর অদ্বিতীয় ছেলেকে উৎসর্গ করতে যাচ্ছিলেন।
18
এ সেই ছেলে যাঁর বিষয়ে ঈশ্বর বলেছিলেন, “ইস্হাকের বংশকেই তোমার বংশ বলে ধরা হবে।”
19
অব্রাহাম তাঁকে উৎসর্গ করতে রাজী হলেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন ঈশ্বর মৃতকে জীবিত করতে পারেন। আর বলতে কি, অব্রাহাম তো মৃত্যুর দুয়ার থেকেই ইস্হাককে ফিরে পেয়েছিলেন।
20
বিশ্বাস করেই ইস্হাক ভবিষ্যতের জন্য যাকোব ও এষৌকে আশীর্বাদ করেছিলেন।
21
বিশ্বাস করেই যাকোব মারা যাবার সময় যোষেফের দুই ছেলেকে আশীর্বাদ করেছিলেন আর লাঠির উপর ভর করে ঈশ্বরের উপাসনা করেছিলেন।
22
বিশ্বাস করেই যোষেফ মারা যাবার সময়ে মিসর দেশ থেকে ইস্রায়েলীয়দের চলে যাবার কথা বলেছিলেন এবং তাঁর মৃতদেহ কি করতে হবে তা-ও বলেছিলেন।
23
মোশির জন্মের পর তাঁর মা-বাবা বিশ্বাস করেই তিন মাস তাঁকে লুকিয়ে রেখেছিলেন, কারণ তাঁরা দেখেছিলেন ছেলেটি সুন্দর আর তাঁরা রাজার হুকুমের ভয় করলেন না।
24
বিশ্বাসের জন্যই মোশি বড় হবার পর চাইলেন না, কেউ তাঁকে ফরৌণের মেয়ের ছেলে বলে ডাকে।
25
তিনি পাপের অস্থায়ী আনন্দ বাদ দিয়ে ঈশ্বরের লোকদের সংগে অত্যাচার ভোগ করাই বেছে নিলেন।
26
তিনি মিসরের ধন-সম্পত্তির চেয়ে খ্রীষ্টের জন্য অপমানিত হওয়ার মূল্য অনেক বেশী মনে করলেন, কারণ তাঁর চোখ ছিল পুরস্কারের দিকে।
27
ঈশ্বরের উপর তাঁর বিশ্বাসের জন্যই তিনি রাজার রাগের ভয় না করে মিসর দেশ ছেড়েছিলেন, কারণ যাঁকে দেখা যায় না তাঁকে যেন দেখতে পাচ্ছেন সেইভাবে তিনি ধৈর্য ধরেছিলেন।
28
তিনি বিশ্বাস করেই উদ্ধার-পর্ব এবং রক্ত ছিটাবার নিয়ম পালন করেছিলেন, যাতে যে ধ্বংসকারী স্বর্গদূত প্রথম সন্তানদের মেরে ফেলবেন তিনি ইস্রায়েলীয়দের না ধরেন।
29
বিশ্বাস করেই ইস্রায়েলীয়েরা শুকনা মাটির উপর দিয়ে হেঁটে যাবার মত করে লোহিত সাগর পার হয়েছিল কিন্তু মিসরীয়েরা তা করতে গিয়ে ডুবে মরল।
30
বিশ্বাস করেই ইস্রায়েলীয়েরা সাত দিন ধরে যিরীহো শহরের দেয়ালের চারদিকে ঘুরলে পর তা পড়ে গেল।
31
বিশ্বাসের জন্যই রাহব বেশ্যা যিরীহো শহরে বাসকারী অবাধ্য লোকদের সংগে ধ্বংস হন নি, কারণ তিনি সেই গুপ্তচরদের বন্ধুর মত গ্রহণ করেছিলেন।
32
এর বেশী আমি আর কি বলব? গিদিয়োন, বারক, শিম্শোন, যিপ্তহ, দায়ূদ, শমূয়েল আর নবীদের কথা বলবার সময় আমার নেই।
33
বিশ্বাসের দ্বারাই তাঁরা রাজ্য জয় করেছিলেন, ন্যায়বিচার করেছিলেন, ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞার পূর্ণতা লাভ করেছিলেন, সিংহদের মুখ বন্ধ করেছিলেন,
34
ভীষণ আগুনের তেজ কমিয়ে দিয়েছিলেন, ছোরার আঘাত থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন, দুর্বল হয়েও শক্তিশালী হয়েছিলেন, যুদ্ধে শক্তি দেখিয়েছিলেন এবং বিদেশী সৈন্যদলগুলোকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন।
35
স্ত্রীলোকেরা তাঁদের মৃত লোকদের আবার জীবিত অবস্থায় ফিরে পেয়েছিলেন। অন্যেরা নিজের ইচ্ছায় জেল থেকে খালাস না নিয়ে নির্যাতন ভোগ করেছিলেন, যেন তাঁরা মৃত্যু থেকে জীবিত হয়ে আরও ভাল জীবনের অধিকারী হন।
36
আবার অন্যেরা ঠাট্টা-তামাশা ও ভীষণ মারধর, এমন কি, হাতকড়া ও জেল খাটা পর্যন্ত সহ্য করেছিলেন।
37
লোকে তাঁদের পাথর মেরেছিল, করাত দিয়ে দু’টুকরা করে কেটেছিল এবং ছোরা দিয়ে খুন করেছিল। তাঁরা অত্যাচার ও খারাপ ব্যবহার পেয়েছিলেন, আর অভাবে পড়ে ভেড়া ও ছাগলের চামড়া পরে ঘুরে বেড়াতেন।
38
তাঁরা মরুভূমিতে মরুভূমিতে, পাহাড়ে পাহাড়ে, গুহায় গুহায় এবং গর্তে গর্তে পালিয়ে বেড়াতেন। এই লোকদের স্থান দেবার যোগ্যতা জগতের ছিল না।
39
বিশ্বাসের জন্যই তাঁরা সবাই প্রশংসা পেয়েছিলেন, কিন্তু ঈশ্বর যা দেবার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তা তাঁরা পান নি;
40
কারণ ঈশ্বর আমাদের জন্য আরও ভাল কিছু ঠিক করে রেখেছিলেন। তিনি ঠিক করেছিলেন যে, আমাদের বাদ দিয়ে তাঁদের পূর্ণতা দান করা হবে না।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13