bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Jeremiah 51
Jeremiah 51
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 50
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 52 →
1
সদাপ্রভু বলছেন, “দেখ, লেব্-কামাই, অর্থাৎ বাবিল ও তার লোকদের বিরুদ্ধে ধ্বংসকারী বাতাসকে আমি উত্তেজিত করব।
2
বাবিলকে ঝাড়বার জন্য ও তার দেশকে ধ্বংস করবার জন্য আমি তার কাছে বিদেশীদের পাঠাব; তার বিপদের দিনে তারা সব দিক থেকে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।
3
বাবিলের ধনুকধারী তার ধনুকে টান না দিক কিম্বা সে তার বর্ম না পরুক। তার যুবকদের ছেড়ে দিয়ো না; তার সৈন্যদলকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দাও।
4
তারা বাবিলের রাস্তায় রাস্তায় ভীষণ আঘাত পেয়ে মরে পড়ে থাকবে।”
5
ইস্রায়েল ও যিহূদাকে তাদের ঈশ্বর সর্বক্ষমতার অধিকারী সদাপ্রভু ত্যাগ করেন নি, যদিও ইস্রায়েলের সেই পবিত্রজনের সামনে তাদের দেশ দোষে পূর্ণ হয়েছে।
6
তোমরা বাবিল থেকে পালাও। তোমরা প্রত্যেকে নিজের নিজের জীবন রক্ষা কর। তার পাপের জন্য তোমরা ধ্বংস হয়ে যেয়ো না। সদাপ্রভুর প্রতিশোধ নেবার সময় হয়েছে; তার যা পাওনা তাকে তিনি তা দেবেন।
7
বাবিল সদাপ্রভুর হাতে একটা সোনার পেয়ালার মত ছিল; সে গোটা পৃথিবীকে মাতাল করেছিল। জাতিরা তার আংগুর-রস খেয়েছিল, তাই এখন তারা পাগল হয়ে গেছে।
8
বাবিল হঠাৎ পড়ে গিয়ে ভেংগে গেছে। তার জন্য বিলাপ কর। তার ব্যথার জন্য মলম আন; হয়তো সে সুস্থ হবে।
9
লোকে বলে, “আমরা বাবিলকে সুস্থ করতে চেষ্টা করেছি, কিন্তু সে সুস্থ হয় নি। চল, আমরা তাকে ছেড়ে যে যার দেশে চলে যাই, কারণ তার শাস্তি আকাশ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তা মেঘ পর্যন্ত উঁচুতে উঠেছে।”
10
আমরা যে সদাপ্রভুর নিজের লোক তিনি তা দেখিয়ে দিয়েছেন; আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু যা করেছেন এস, আমরা তা সিয়োনে বলি।
11
তোমরা তীরগুলো ধারালো কর, ঢাল নাও। সদাপ্রভু মাদীয় রাজাদের উত্তেজিত করেছেন, কারণ তাঁর উদ্দেশ্যই হল বাবিলকে ধ্বংস করা। সদাপ্রভু অবশ্যই তাঁর ঘরের জন্য প্রতিশোধ নেবেন।
12
বাবিলকে আক্রমণ করবার জন্য একটা নিশান তোল। রক্ষীদলকে আরও শক্তিশালী কর, পাহারা বসাও, গোপন স্থানে সৈন্যদের প্রস্তুত রাখ। সদাপ্রভু বাবিলের লোকদের বিরুদ্ধে তাঁর উদ্দেশ্য ও আদেশ অনুসারে কাজ করবেন।
13
হে বাবিল, তুমি তো অনেক জলের ধারে বাস কর এবং অনেক ধন-সম্পদের অধিকারী; তোমার শেষ এসেছে, তোমাকে ছেঁটে ফেলবার সময় উপস্থিত হয়েছে।
14
সর্বক্ষমতার অধিকারী সদাপ্রভু তাঁর নিজের নামেই শপথ করে বলেছেন, “আমি নিশ্চয়ই এক ঝাঁক পংগপালের মত লোকজন দিয়ে তোমাকে পূর্ণ করব, আর তারা তোমার উপরে জয়ের হাঁক দেবে।”
15
সদাপ্রভু নিজের শক্তিতে পৃথিবী তৈরী করেছেন, তাঁর জ্ঞান দ্বারা জগৎ স্থাপন করেছেন ও বুদ্ধি দ্বারা আকাশ বিছিয়ে দিয়েছেন।
16
তাঁর আদেশে আকাশের জল গর্জন করে; তিনি পৃথিবীর শেষ সীমা থেকে মেঘ উঠিয়ে আনেন। তিনি বৃষ্টির জন্য বিদ্যুৎ তৈরী করেন এবং তাঁর ভাণ্ডার থেকে বাতাস বের করে আনেন।
17
সব মানুষই জ্ঞানহীন ও বোকা; প্রত্যেক স্বর্ণকার তার প্রতিমাগুলোর জন্য লজ্জা পায়। তার ছাঁচে ঢালা মূর্তিগুলো মিথ্যা, সেগুলোর মধ্যে নিঃশ্বাস নেই।
18
সেগুলো অপদার্থ, ঠাট্টা-বিদ্রূপের জিনিস; বিচারের সময় আসলে সেগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে।
19
যিনি যাকোবের পাওনা অংশ তিনি এগুলোর মত নন, কারণ তিনিই সমস্ত জিনিসের সৃষ্টিকর্তা আর ইস্রায়েল তাঁর বিশেষ সম্পত্তি। তাঁর নাম সর্বক্ষমতার অধিকারী সদাপ্রভু।
20
সদাপ্রভু বলছেন, “হে বাবিল, তুমি আমার যুদ্ধের গদা, আমার যুদ্ধের অস্ত্র; তোমাকে দিয়ে আমি জাতিদের চুরমার করেছি, তোমাকে দিয়ে রাজ্যগুলোকে ধ্বংস করেছি;
21
তোমাকে দিয়ে আমি ঘোড়া ও ঘোড়সওয়ারকে চুরমার করেছি, তোমাকে দিয়ে রথ ও রথচালকদের চুরমার করেছি;
22
তোমাকে দিয়ে আমি পুরুষ ও স্ত্রীলোককে চুরমার করেছি, তোমাকে দিয়ে বুড়ো ও শিশুকে চুরমার করেছি, তোমাকে দিয়ে যুবক ও যুবতীকে চুরমার করেছি;
23
তোমাকে দিয়ে আমি রাখাল ও ভেড়ার পাল চুরমার করেছি, তোমাকে দিয়ে চাষী ও বলদদের চুরমার করেছি, তোমাকে দিয়ে শাসনকর্তাদের ও রাজকর্মচারীদের চুরমার করেছি।”
24
সদাপ্রভু বলছেন, “বাবিল ও বাবিলে বাসকারী সকলে সিয়োনে যে সব অন্যায় কাজ করেছে তোমাদের চোখের সামনে আমি তার ফল দেব।”
25
সদাপ্রভু বলছেন, “হে ধ্বংসকারী পাহাড়, তুমি সমস্ত পৃথিবীর ধ্বংসকারী; আমি তোমার বিরুদ্ধে। আমার হাত আমি তোমার বিরুদ্ধে বাড়িয়ে খাড়া পাহাড় থেকে তোমাকে গড়িয়ে ফেলে দেব ও তোমাকে করব একটা পুড়ে যাওয়া পাহাড়।
26
লোকে কোণার পাথরের জন্য তোমার মধ্য থেকে কোন পাথর নেবে না, ভিত্তির জন্যও নেবে না; তুমি চিরকাল জনশূন্য হয়ে থাকবে।
27
“তোমরা দেশের মধ্যে নিশান তোল। জাতিদের মধ্যে তূরী বাজাও। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য জাতিদের প্রস্তুত কর; তার বিরুদ্ধে অরারট, মিন্নি ও অস্কিনস রাজ্যকে ডাক দাও। তার বিরুদ্ধে একজন সেনাপতিকে নিযুক্ত কর; পংগপালের মত অনেক ঘোড়া পাঠিয়ে দাও।
28
তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবার জন্য জাতিদের, মাদীয় রাজাদের, তাদের শাসনকর্তাদের ও সব রাজকর্মচারীদের এবং তাদের শাসনের অধীন সমস্ত রাজ্যগুলোকে প্রস্তুত কর।
29
দেশ কাঁপছে ও মোচড় খাচ্ছে, কারণ বাবিলকে জনশূন্য ও পতিত জমি করে রাখবার সদাপ্রভুর যে উদ্দেশ্য তা ঠিক রয়েছে।
30
বাবিলের যোদ্ধারা যুদ্ধ করা থামিয়েছে; তারা তাদের দুর্গের মধ্যে রয়েছে। তাদের শক্তি ফুরিয়ে গেছে; তারা স্ত্রীলোকদের মত দুর্বল হয়ে গেছে। তাদের বাসস্থানগুলোতে আগুন লাগানো হয়েছে; বাবিলের সব ফটকের আগলগুলো ভেংগে ফেলা হয়েছে।
31
সংবাদদাতার পর সংবাদদাতা এবং দূতের পর দূত চলেছে বাবিলের রাজার কাছে ঘোষণা করতে যে, তার গোটা শহরটাই অধিকার করা হয়েছে,
32
তার নদীর হেঁটে পার হওয়ার জায়গাগুলো দখল করা হয়েছে, নলবনে আগুন লাগানো হয়েছে ও সৈন্যেরা ভীষণ ভয় পেয়েছে।”
33
আমি ইস্রায়েলের ঈশ্বর সর্বক্ষমতার অধিকারী সদাপ্রভু বলছি, “বাবিল-কন্যা শস্য মাড়াই করবার সময়কার খামারের মত হয়েছে; ফসল কাটবার মত তাকে কেটে ফেলবার সময় শীঘ্রই আসবে।”
34
যিরূশালেমের লোকেরা বলছে, “বাবিলের রাজা নবূখদ্নিৎসর আমাদের গ্রাস করেছেন, আমাদের চুরমার করেছেন, আমাদের খালি কলসীর মত করেছেন। দানবের মত তিনি আমাদের গিলে ফেলেছেন এবং আমাদের ভাল ভাল খাবার দিয়ে তাঁর পেট ভরেছেন, আর তার পরে আমাদের এঁটোকাঁটার মত দূর করে দিয়েছেন।”
35
সিয়োনের বাসিন্দারা বলছে, “আমাদের দেহের উপর যে অত্যাচার করা হয়েছে তা বাবিলের উপর করা হোক। যারা বাবিলে বাস করে আমাদের রক্তের জন্য তারা দায়ী থাকুক।”
36
সেইজন্য সদাপ্রভু বলছেন, “হে যিরূশালেম, আমি তোমার পক্ষ হব এবং তোমার হয়ে প্রতিশোধ নেব; আমি তার সাগর শুকিয়ে ফেলব এবং সব ফোয়ারা শুকনা করব।
37
বাবিল হবে একটা ধ্বংসের ঢিবি, শিয়ালদের বাসস্থান এবং ঠাট্টা-বিদ্রূপের পাত্র। সেখানে কেউ বাস করবে না; তার অবস্থা দেখে লোকেরা হতভম্ব হবে।
38
তার লোকেরা সবাই সিংহের মত গর্জন করবে, সিংহের বাচ্চাদের মত গোঁ গোঁ করবে।
39
তারা উত্তেজিত হলে পর আমি তাদের জন্য একটা ভোজের ব্যবস্থা করব। আমি তাদের মাতাল করব যেন তারা আনন্দে মেতে ওঠে, তারপর চিরকালের জন্য ঘুমায়, কখনও না জাগে।
40
বাচ্চা-ভেড়াগুলোর মত করে, ভেড়া ও পাঁঠার মত করে আমি তাদের জবাই করবার জায়গায় নিয়ে যাব।
41
“শেশককে, অর্থাৎ বাবিলকে কেমন বেদখল করা হবে! গোটা পৃথিবীর প্রশংসার পাত্রকে কেমন অধিকার করা হবে! বাবিলকে দেখে জাতিরা হতভম্ব হবে।
42
বাবিলের উপরে সমুদ্র উঠে আসবে, তার গর্জন-করা ঢেউ তাকে ঢেকে ফেলবে।
43
তার শহরগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে। সেগুলো হবে শুকনা ও মরুভূমির দেশ; সেই দেশে কেউ বাস করবে না, তার মধ্য দিয়ে কেউ যাওয়া-আসা করবে না।
44
আমি বাবিলের বেল দেবতাকে শাস্তি দেব এবং সে যা গিলেছে তা তাকে দিয়ে বমি করাব। জাতিরা আর তার কাছে স্রোতের মত যাবে না। বাবিলের দেয়ালও পড়ে যাবে।
45
“হে আমার লোকেরা, বাবিলের মধ্য থেকে বের হয়ে এস। তোমরা প্রত্যেকে নিজের নিজের জীবন রক্ষা কর। সদাপ্রভুর জ্বলন্ত ক্রোধ থেকে দৌড়ে পালাও।
46
যখন নানা গুজব শোনা যাবে তখন হতাশ হোয়ো না বা ভয় পেয়ো না; এক বছরে একটা গুজব উঠবে আর অন্য বছরে আর একটা গুজব উঠবে। সেই গুজব হল, বাবিলে অত্যাচার হচ্ছে এবং এক শাসনকর্তা আর এক শাসনকর্তার বিরুদ্ধে উঠছে।
47
এমন সময় নিশ্চয়ই আসছে যখন আমি বাবিলের প্রতিমাগুলোকে শাস্তি দেব; তার গোটা দেশটাই অসম্মানিত হবে আর তার নিহত লোকেরা সবাই তার মধ্যে পড়ে থাকবে।
48
মহাকাশ, পৃথিবী ও সেগুলোর মধ্যেকার সব কিছু বাবিলের বিষয় নিয়ে আনন্দে চিৎকার করবে, কারণ উত্তর দিক থেকে ধ্বংসকারীরা এসে তাকে আক্রমণ করবে। আমি সদাপ্রভু এই কথা বলছি।
49
বাবিলের দরুন যেমন সমস্ত পৃথিবীতে লোকেরা মরে পড়ে ছিল তেমনি ইস্রায়েলীয়দের মেরে ফেলবার দরুন বাবিলীয়দেরও মরে পড়ে থাকতে হবে।
50
তোমরা যারা মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছ তোমরা চলে এস, দেরি কোরো না। দূর দেশে থাকবার সময় সদাপ্রভুকে মনে কর এবং যিরূশালেমের বিষয়ে চিন্তা কর।
51
“তোমরা বলেছ, ‘আমাদের বিষয়ে টিট্কারির কথা শুনেছি বলে আমরা অসম্মানিত হয়েছি। লজ্জা আমাদের মুখ ঢেকে ফেলেছে, কারণ সদাপ্রভুর ঘরের পবিত্র জায়গাগুলোতে বিদেশীরা ঢুকেছিল।’
52
কিন্তু আমি বলছি, দিন আসছে যখন আমি বাবিলের প্রতিমাগুলোকে শাস্তি দেব এবং বাবিলের সব জায়গায় ভীষণভাবে আহত লোকেরা কাত্রাতে থাকবে।
53
বাবিল যদি আকাশ পর্যন্তও পৌঁছায় আর সেখানে শক্ত দুর্গ গড়ে তোলে, তবুও আমি তার বিরুদ্ধে ধ্বংসকারীদের পাঠিয়ে দেব।”
54
বাবিল থেকে কান্নার শব্দ উঠছে, বাবিলীয়দের দেশ থেকে উঠছে মহা ধ্বংসের শব্দ,
55
কারণ সদাপ্রভু বাবিলকে ধ্বংস করবেন; তিনি তার ভীষণ শব্দকে থামিয়ে দেবেন। শত্রুরা বড় বড় ঢেউয়ের মত গর্জন করতে করতে আসবে; তারা জোরে জোরে চিৎকার করবে।
56
বাবিলের বিরুদ্ধে আসবে ধ্বংসকারী; তার যোদ্ধারা ধরা পড়বে এবং তাদের ধনুকগুলো ভেংগে যাবে; কারণ সদাপ্রভু প্রতিশোধ দাতা ঈশ্বর; বাবিলের পাওনা তিনি পুরোপুরিই দেবেন।
57
যাঁর নাম সর্বক্ষমতার অধিকারী সদাপ্রভু সেই রাজা বলছেন, “আমি তার রাজকর্মচারী, জ্ঞানী লোক, শাসনকর্তা, উঁচু পদের কর্মচারী ও যোদ্ধাদের মাতাল করব। তারা চিরকালের জন্য ঘুমাবে; তারা আর জাগবে না।
58
বাবিলের মোটা দেয়াল ভেংগে সমান করে ফেলা হবে এবং তার উঁচু ফটকগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। লোকেরা মিথ্যাই নিজেদের ক্লান্ত করবে, জাতিদের পরিশ্রমের ফল আগুনে পুড়ে যাবে।”
59
যিহূদার রাজা সিদিকিয়ের রাজত্বের চতুর্থ বছরে মহসেয়ের নাতি, অর্থাৎ নেরিয়ের ছেলে সরায় যিনি রাজার একজন ব্যক্তিগত কর্মচারী ছিলেন, তিনি যখন রাজার সংগে বাবিলে গিয়েছিলেন তখন যিরমিয় তাঁকে কিছু আদেশ দিয়েছিলেন।
60
বাবিলের উপর যে সব বিপদ আসবে, অর্থাৎ বাবিল সম্বন্ধে যে সব কথা লেখা হয়েছিল তা যিরমিয় একটা গুটিয়ে রাখা বইয়ে লিখেছিলেন।
61
যিরমিয় সরায়কে বললেন, “আপনি যখন বাবিলে পৌঁছাবেন তখন খেয়াল রাখবেন যেন এই সব কথা আপনি লোকদের পড়ে শোনান।
62
তারপর বলবেন, ‘হে সদাপ্রভু, তুমি এই জায়গা ধ্বংস করবার কথা বলেছ, তাতে মানুষ বা পশু কেউই তার মধ্যে বাস করবে না; এটা চিরদিনের জন্য জনশূন্য হয়ে থাকবে।’
63
এই বইটা পড়া শেষ করে তাতে একটা পাথর বেঁধে ইউফ্রেটিস নদীতে ফেলে দেবেন।
64
তারপর বলবেন, ‘এইভাবে বাবিল ডুবে যাবে, আর উঠবে না, কারণ সদাপ্রভু তার উপর বিপদ আনবেন। সে একেবারেই শেষ হয়ে যাবে।’ ” যিরমিয়ের কথা এখানেই শেষ।
← Chapter 50
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 52 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52