bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Hebrews 11
Hebrews 11
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 12 →
1
বিশ্বাসের মর্ম কি? বিশ্বাস দ্বারাই প্রত্যাশিত বিষয় সম্পর্কে আমরা সুনিশ্চিত হই, অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে প্রত্যয় লাভ করি।
2
বিশ্বাসের জন্যই পুরাকালের লোকেরা স্মরণীয় হয়েছেন।
3
বিশ্বাসেই আমরা বুঝতে পারি যে এই বিশ্বভুবন ঈশ্বরের বাক্য দ্বারা সৃষ্ট হয়েছিল, কোন প্রত্যক্ষ বস্তু থেকে এই সব দৃশ্য বস্তুর উৎপত্তি হয়নি।
4
বিশ্বাস হেতুই হেবল ঈশ্বরের উদ্দেশে কয়িনের চেয়ে উৎকৃষ্ট বলি উৎসর্গ করেছিলেন এবং তার ফলেই তিনি ধার্মিক বলে পরিগণিত হয়েছিলেন। ঈশ্বর তাঁর অর্ঘ্য গ্রহণ করে তাঁকে স্বীকৃতি দান করেছিলেন। তিনি মৃত, কিন্তু বিশ্বাসের মাধ্যমে তিনি এখনও কথা বলে চলেছেন।
5
বিশ্বাসে, হনোক দ্যুলোকে নীত হলেন, তাঁকে মৃত্যুদর্শন করতে হয়নি। ঈশ্বর তাঁকে গ্রহণ করেছিলেন, তাঁর আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। লোকান্তরিত হওয়ার আগে তাঁর সম্পর্কে শাস্ত্রে এই সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে যে তিনি ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করেছিলেন।
6
কিন্তু বিশ্বাস ছাড়া ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করা অসম্ভব। কারণ ঈশ্বরের সান্নিধ্যে যে যেতে চায় তাকে বিশ্বাস করতে হবে যে ঈশ্বর আছেন, এবং যারা তাঁর অন্বেষী তাদের তিনি পুরস্কৃত করেন।
7
অনাগত ভবিষ্যতের ঘটনা সম্পর্কে ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ পেয়ে নোহ তা বিশ্বাস করলেন। সতর্ক হয়ে নিজের পরিবারের লোকজনকে রক্ষা করার জন্য একটি জাহাজ তৈরী করলেন। তাঁর বিশ্বাস দ্বারা তিনি জগতকে দোষী সাব্যস্ত করলেন এবং বিশ্বাসের জন্যই ধার্মিকতার অধিকারী হলেন।
8
উত্তরাধিকারের নির্দিষ্ট স্থানে যাওয়ার জন্য ঈশ্বর যখন অব্রাহামকে আহ্বান করলেন তখন অব্রাহাম বিশ্বাসে ঈশ্বরের আদেশ পালন করলেন। কোথায় যাচ্ছেন না তা না জেনেও তিনি বেরিয়ে পড়লেন।
9
বিশ্বাসে নির্ভর করেই তিনি প্রতিশ্রুত দেশে বিদেশীরূপে বাস করলেন। সেই প্রতিশ্রুতির শরিক ইসহাক ও যাকোবের মত তিনি তাঁবুতে বাস করলেন।
10
কারণ তাঁর দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল সেই স্থায়ী নগরের দিকে যার ভিত্তি সুদৃঢ় এবং স্বয়ং ঈশ্বর যার স্থপতি ও নির্মাতা।
11
বিশ্বাসের ফলে সারা বন্ধ্যা হয়েও গর্ভধারণ করার শক্তি পেলেন এবং বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও সন্তানের জননী হলেন। কারণ যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি যে নির্ভরযোগ্য সেকথা সারা বিশ্বাস করেছিলেন।
12
সেইজন্যই এক ব্যক্তি, বার্ধক্যে উপনীত এক ব্যক্তি থেকে আকাশের নক্ষত্ররাজির মত, সমুদ্র তটের বালুকারাশির মত সংখ্যাতীত বংশধর উৎপন্ন হল।
13
এঁরা সকলেই বিশ্বাসে নির্ভর করে গত হলেন। এঁরা কেউ প্রতিশ্রুত বিষয় লাভ করেননি, কিন্তু সুদূরবর্তী সেই সম্ভাবনা দেখে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং তাঁরা যে এই পৃথিবীতে বিদেশী ও প্রবাসী মাত্র তা স্বীকার করেছিলেন।
14
এ কথা যাঁরা স্বীকার করেন, স্পষ্টই বোঝা যায় যে তাঁরা স্বদেশের অন্বেষণ করেছেন।
15
যে দেশ ছেড়ে চলে এসেছিলেন সেই দেশের কথা যদি তাঁরা ভাবতেন তাহলে সেখানে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তাঁরা পেতেন।
16
কিন্তু তাঁরা তার চেয়েও সুন্দর এক দেশ অর্থাৎ স্বর্গলোকে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করেছিলেন, তাই ঈশ্বর তাঁদের আরাধ্য ঈশ্বর বলে পরিচিত হতে লজ্জিত হননি। তিনিই তাঁদের জন্য এক নগর প্রতিষ্ঠা করেছেন।
17
ঈশ্বর যখন অব্রাহামকে পরীক্ষা করছিলেন তখন অব্রাহাম বিশ্বাসে নির্ভর করেই ইসহাককে উৎসর্গ করলেন। তাঁকে বলা হয়েছিল, ‘ইসহাকের মাধ্যমেই তোমার বংশ পরিচিত হবে’ —এই প্রতিশ্রুতি লাভ করা সত্ত্বেও তিনি তাঁর একমাত্র পুত্রকে বলিদান করতে প্রস্তুত ছিলেন।
19
কারণ তিনি বিবেচনা করেছিলেন যে, ঈশ্বর মৃতলোক থেকে মানুষকে পুনর্জীবিত করতে সক্ষম, প্রকারান্তরে বলা চলে, তিনি সেখানে থেকেই তাকে ফিরে পেয়েছিলেন।
20
বিশ্বাসে নির্ভর করেই ইসহাক যাকোব এবং এষৌকে ভবিষ্যতের আশিস দান করেছিলেন।
21
বিশ্বাসে নির্ভর করে যাকোব মৃত্যুকালে যোষেফের দুই পুত্রকে আশীর্বাদ করেছিলেন এবং লাঠির উপর ভর দিয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশে প্রণাম নিবেদন করেছিলেন।
22
বিশ্বাসে নির্ভর করে যোষেফ জীবনের শেষভাগে ইসরায়েলীদর যাত্রাভিযানের কথা উল্লেখ করেছিলেন এবং তাঁর দেহাবশেষ সমাহিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
23
বিশ্বাসে নির্ভর করে মোশির জন্মের পর তাঁর পিতামাতা তাঁকে তিন মাস লুকিয়ে রেখেছিলেন কারণ তাঁরা দেখেছিলেন, শিশুটি সুন্দর —তাঁরা রাজাদেশে ভীত হলেন না।
24
বিশ্বাসে নির্ভর করে মোশি বয়ঃপ্রাপ্তির পর ফারাও দুহিতার পুত্র বলে নিজের পরিচয় দিতে অস্বীকার করলেন।
25
পাপকলুষিত পরিবেশে ক্ষণস্থায়ী সুখভোগ করার চেয়ে তিনি ঈশ্বরের প্রজাবৃন্দের সুখভোগ করার চেয়ে তিনি ঈশ্বরের প্রজাবৃন্দের সঙ্গে নির্যাতন সহ্য করা শ্রেয় মনে করলেন।
26
মিশরের ধনসম্পদ ও ঐশ্বর্যের চেয়ে তিনি ঈশ্বরের অভিষিক্ত জনের জন্য দুঃখ বরণ করা মহত্তর সম্পদ বিবেচনা করলেন। কারণ তিনি ভাবী পুরস্কারের প্রত্যাশী ছিলেন।
27
বিশ্বাসে নির্ভর করে তিনি মিশর পরিত্যাগ করলেন। রাজরোষের ভয় করলেন না। যিনি অদৃশ্য তাঁকে প্রত্যক্ষ করেই তিনি সবকিছু সহ্য করলেন।
28
বিশ্বাসে নির্ভর করে তিনি ‘তারণোৎসব’ পালন করলেন এবং রক্ত সিঞ্চন করলেন যেন সংহারক দূত ইসরায়েলীদের জ্যেষ্ঠ সন্তানদের স্পর্শ না করেন।
29
বিশ্বাসে নির্ভর করে ইসরায়েলীরা শুষ্ক ভূমির মত লোহিত সমুদ্র পার হয়ে গেল। কিন্তু মিশরীরা তা করতে গিয়ে সাগরে তলিয়ে গেল।
30
বিশ্বাসের ফলেই সাতদিন প্রদক্ষিণ করার পর জেরিকো নগরীর প্রাচীর ধসে পড়ল।
31
বারাঙ্গনা রাহাব বিশ্বাস করে ইসরায়েলী গুপ্তচরদের বন্ধুভাবে আশ্রয় দিয়েছিল, তাই বিদ্রোহীদের সঙ্গে সে বিনষ্ট হল না।
32
আর কত বলব? গিদিয়োন, বারাক, শিম্শোন, যিপ্তহ, দাউদ, শমুয়েল এবং নবীদের কথা বলতে গেলে সময়ের সঙ্কুলান হবে না।
33
এঁরা বিশ্বাসে নির্ভর করে রাজ্য জয় করেছেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন, প্রতিশ্রুত আশীর্বাদ লাভ করেছেন, সিংহের মুখ বন্ধ করেছেন।
34
লেলিহান অগ্নি নির্বাপিত করেছেন, তরবারির কবল থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছেন, দুর্বলতারর মাঝেই শক্তি লাভ করেছেন, যুদ্ধে বিক্রম প্রদর্শন করেছেন, বিদেশী সেনাবাহিনীকে বিতাড়িত করেছেন।
35
বিশ্বাসে রমণীরা তাদের মৃত প্রিয়জনদের জীবিত ফিরে পেয়েছেন। অন্যেরা প্রহার জর্জরিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, মহত্তর জীবনের আশায় মুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
36
কেউ কেউ বিদ্রূপ, কশাঘাত, এমন কি শৃঙ্খলিত হয়ে কারাবরণ করেছেন।
37
এঁরা প্রস্তরাঘাতে হত, করাত দ্বারা দ্বিখণ্ডিত ও তরবারির আঘাতে নিহত হয়েছেন। নিঃস্ব, ক্লিষ্ট, উৎপীড়িত অবস্থায় এঁরা মেষ ও ছাগচর্ম পরিহিত হয়ে ঘুরে বেড়াতেন।
38
এঁদের পক্ষে জগত উপযুক্ত স্থান ছিল না। পৃথিবীর পাহাড়ে, প্রান্তরে, গুহায় গহ্বরে এঁরা বিচরণ করতেন।
39
এঁদের সকলের বিশ্বাসের কথা দৃঢ় প্রমাণিত হলেও এঁরা কিন্তু প্রতিশ্রুত ফল লাভ করেননি,
40
কারণ ঈশ্বর আগে থেকেই আমাদের জন্য এই উত্তম ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন যে আমাদের বাদ দিয়ে তাঁরা পূর্ণতা লাভ করবেন না।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13