bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Hebrews 12
Hebrews 12
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 13 →
1
সুতরাং যেহেতু বিশ্বাস সংক্রান্ত এই সমস্ত সাক্ষ্য সুবিশাল মেঘের মতই আমাদের চারিদিকে পরিব্যাপ্ত, সেইহেতু এস, আমরাও সমস্ত বোঝা এবং যেসব পাপ আমাদের আঁকড়ে ধরে রেখেছে সেগুলি পরিহার করে ধৈর্য সহকারে আমাদের সম্মুখের নির্দিষ্ট পথে দৌড়াতে থাকি এবং
2
আমাদের বিশ্বাসের অগ্রনায়ক ও সিদ্ধিদাতা যীশুর দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখি। তিনি বাবী আনন্দ লাভের জন্য ক্রুশে মৃত্যুর চরম অপমান উপেক্ষা করেছেন এবং ঈশ্বরের সিংহাসনের দক্ষিণে আসন গ্রহণ করেছেন।
3
যিনি পাপিষ্ঠদের এত বিরোধিতা সহ্য করেছিলেন, তাঁর কথা বিবেচনা কর, তাহলে তোমরা হতাশ বা অবসন্ন হবে না।
4
পাপের বিরুদ্ধে তোমাদের সংগ্রাম এখনও এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যাতে তোমাদের রক্তপাত হতে পারে।
5
তোমরা কি ভুলে গেছ সেই আশ্বাসবাণী যাতে তোমাদের পুত্র সম্বোধন করে বলা হয়েছে, বৎস, প্রভুর শাসন তুচ্ছ করো না, তিনি অনুযোগ করলে হতাশ হয়ো না।
6
কারণ প্রভু যাকে ভালবাসেন তাকে শাসন করেন। যাকে পুত্ররূপে গ্রহণ করেন তাকে প্রহার করেন।
7
সংশোধনের জন্যই তোমরা কষ্ট সহ্য করছ। ঈশ্বর তাঁর সন্তানদের মতই তোমাদের সঙ্গে ব্যবহার করছেন। এমন পুত্র কে আছে যাকে তার পিতা শাসন করেন না?
8
সকলকে যেভাবে সংশোধন করা হয়েছে তোমাদের যদি সেভাবে সংশোধন করা না হয় তাহলে তোমরা পুত্র নও, জারজ সন্তান।
9
তাছাড়াও আমাদের পার্থিব পিতা, যাঁরা মাদের শাসন করেন, তাঁদের যদি আমরা সম্মান করি, তাহলে যিনি আধ্যাত্মিক পিতা, আমরা কি আরও বেশী মর্যাদায় তাঁকে মান্য করে জীবন লাভ করব না?
10
ঐহিক পিতারা অল্প কিছুকাল তাঁদের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী শাসন করেন, কিন্তু ঈশ্বর আমাদের প্রকৃত মঙ্গলের জন্য শাসন করেন যেন আমরা তাঁর পবিত্রতার অংশীদার হতে পারি।
11
যে কোন প্রকার শাসন আপাতদৃষ্টিতে সুখকর নয় বরং বেদনাদায়ক বলেই মনে হয় কিন্তু যারা তার দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়েছে তাদের পক্ষে তা পরবর্তীকালে শান্তিপূর্ণ ও ধর্মময় জীবন যাপন করতে সাহায্য করে।
12
সুতরাং তেআমরা তোমাদের শিথিল বাহু তুলে ধর, অবসন্ন চরণ দুখানি সবল কর, দৃঢ় পদে উঠে দাঁড়াও।
13
সরল কর তোমাদের চলার পথ যেন খঞ্জ লোকেরা চরণে আঘাত না পায় বরং সুস্থ হয়।
14
সকলের সঙ্গে শান্তিতে থাকার চেষ্টা কর এবং পবিত্রতা লাভের চেষ্টা কর অন্যথায় কেউ প্রভুর দর্শন পাবে না।
15
সতর্ক দৃষ্টি রেখ যেন তোমাদের মধ্যে কেউ ঈশ্বরের অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত না হয়। দেখ, যেন তোমাদের মধ্যে ‘তিক্ত ও বিষাক্ত’ কোন ‘আগাছা’ উৎপন্ন হয়ে বিঘ্ন সৃষ্টি করে অনেককে কলুষিত না করে।
16
তোমাদের মধ্যে কেউ যেন এষৌর মত জাগতিক মনোভাবাপন্ন ঈশ্বরবিহীন না হয়। কারণ তিনি মাত্র একবেলার খাওয়ার বিনিময়ে নিজের জ্যেষ্ঠাধিকার বিক্রয় করে দিয়েছিলেন।
17
তোমরা জান যে পরে তিনি অনেক অশ্রুপাত করে আশীর্বাদের দাবীদার হতে চাইলেও তাঁর আবেদন গ্রাহ্য হয়নি, কারণ তিনি হৃদয় পরিবর্তনের সুযোগ আর পাননি।
18
তোমরা সিনাই পর্বতে দৃশ্যমান কোন প্রজ্বলিত অগ্নি, ঘোর অন্ধকার, প্রবল ঘূর্ণিঝড়,
19
তূর্যনিনাদ অথবা কোন বজ্রকণ্ঠের সম্মুখীন হওনি। সেই কণ্ঠস্বর যারা শুনেছিল তারা অনুরোধ করেছিল যেন তাদের কাছে আর কিছু বলা না হয়,
20
কারণ ‘এমন কি কোন পশু যদি পর্ব স্পর্শ করে তবে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করতে হবে’ —এই আদেশের তীব্রতা তারা সহ্য করতে পারেনি।
21
বস্তুতঃ সেই দৃশ্য এমনই ভয়ঙ্কর ছিল যে মোশিও বলেছিলেন, ‘আমি আতঙ্কে কাঁপছি।’
22
তোমরা এখন সিয়োন পর্বতে জাগ্রত ঈশ্বরের নগরী স্বর্গীয় জেরুশালেমে এসেছ। অসংখ্য দূতবাহিনীর উৎসব-সমাবেশে,
23
স্বর্গীয় তালিকাভুক্ত অগ্রজদের মণ্ডলী, সকলের বিচারক ঈশ্বর ও ধার্মিক ব্যক্তিদের সিদ্ধিপ্রাপ্ত আত্মাসমূহের সম্মুখীন হয়েছ।
24
ঈশ্বরের সঙ্গে নতুন সন্ধিচুক্তি স্থাপনের মধ্যস্থরূপে যীশুর সিঞ্চিত রক্তের সম্মুখীন হয়েছে যা হেবলের রক্তের চেয়ে উৎকৃষ্ট এবং কল্যাণকর বাণী ঘোষণায় সরব।
25
সুতরাং সতর্ক হও, তাঁর ঘোষিত এই বাণী অগ্রাহ্য করো না। কারণ পৃথিবীতে যখন তিনি সাবধান বাণী উচ্চারণ করেছিলেন সেই সময় তাঁর কথা যারা অমান্য করেছিল তারা রক্ষা পায়নি। তাহলে স্বর্গ থেকে যিনি কথা বলেন তাঁকে অগ্রাহ্য করলে আমাদের রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা আরও কম।
26
তাঁর কণ্ঠস্বর তখন শুধু পৃথিবীকে প্রকম্পিত করেছেন যে, আমি আর একবার শুধু পৃথিবী নয়, আকাশমণ্ডলও প্রকম্পিত করব।
27
‘আর একবার’ কথাটিতে বোঝা যায় যে, যে সমস্ত বস্তু কম্পিত হবে সেগুলি অপসারিত হবে এবং যেগুলি প্রকম্পিত হবে না শুধু সেইগুলিই স্থায়ী হবে।
28
আমাদের জন্য যে রাজ্য দেওয়া হয়েছে, তা অটল। তাই এস, আমরা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিই এবং শ্রদ্ধা ও সম্ভ্রম সহকারে তাঁর আরাধনা করি যাতে তিনি তুষ্ট হন।
29
কারণ আমাদের ঈশ্বর বিধ্বংসী অগ্নিস্বরূপ।
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13