bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
2 Kings 9
2 Kings 9
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 10 →
1
আল-ইয়াসা শাগরেদ-নবীদের মধ্য থেকে একজনকে ডেকে বললেন, “তোমার কাপড় তোমার কোমর-বাঁধনিতে গুঁজে নাও এবং এই তেলের শিশিটা নিয়ে তুমি রামোৎ-গিলিয়দে যাও।
2
সেখানে গিয়ে নিম্শির নাতি, অর্থাৎ যিহোশাফটের ছেলে যেহূর তালাশ কর। তার কাছে গিয়ে তাকে তার সংগীদের কাছ থেকে সরিয়ে একটা ভিতরের কামরায় নিয়ে যাবে।
3
তারপর সেই শিশিটা থেকে তার মাথায় তেল ঢেলে দিয়ে বলবে যে, মাবুদ বলছেন, ‘ইসরাইলের বাদশাহ্ হিসাবে আমি তোমাকে অভিষেক করলাম।’ তারপর দরজা খুলে দৌড় দেবে, দেরি করবে না।”
4
এতে সেই যুবক নবী রামোৎ-গিলিয়দে গেলেন।
5
সেখানে পৌঁছে তিনি দেখলেন সেনাপতিরা এক জায়গায় বসে আছেন। তিনি বললেন, “হে সেনাপতি, আপনার জন্য একটা খবর নিয়ে এসেছি।” যেহূ জিজ্ঞাসা করলেন, “আমাদের মধ্যে সেই খবর কার জন্য?” তিনি বললেন, “সেনাপতি, আপনারই জন্য।”
6
এতে যেহূ উঠে ঘরের মধ্যে গেলেন। তখন সেই নবী যেহূর মাথায় সেই তেল ঢেলে দিয়ে বললেন, “ইসরাইলের মাবুদ আল্লাহ্ এই কথা বলছেন, ‘মাবুদের বান্দাদের উপরে, অর্থাৎ ইসরাইলের উপরে বাদশাহ্ হিসাবে আমি তোমাকে অভিষেক করলাম।
7
তোমার মালিক আহাবের বংশকে তুমি ধ্বংস করবে। ঈষেবল আমার গোলামদের, অর্থাৎ নবীদের এবং মাবুদের অন্য সব গোলামদের যে রক্তপাত করেছে তার প্রতিশোধ আমি নেব।
8
আহাবের বংশের সবাই ধ্বংস হবে। গোলাম হোক বা স্বাধীন হোক, আহাবের বংশের প্রত্যেকটি পুরুষকে আমি হত্যা করব।
9
আমি তার বংশকে করব নবাটের ছেলে ইয়ারাবিমের বংশের মত ও অহিয়ের ছেলে বাশার বংশের মত।
10
কুকুরেরা ঈষেবলকে যিষ্রিয়েল এলাকায় খেয়ে ফেলবে, তাকে কেউ কবর দেবে না।’ ” এই কথা বলে সেই নবী দরজা খুলে দৌড়ে পালালেন।
11
যেহূ বেরিয়ে যখন তাঁর সংগী সেনাপতিদের কাছে গেলেন তখন তাঁদের মধ্যে একজন তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “সব কিছু ভাল তো? ঐ পাগলটা তোমার কাছে কেন এসেছিল?” জবাবে যেহূ বললেন, “তোমরা তো লোকটিকে চেন এবং সে কি ধরনের কথা বলে তা-ও তোমাদের জানা আছে।”
12
তাঁরা বললেন, “এই কথা ঠিক নয়, আমাদের খুলে বল।” তখন যেহূ বললেন, “সে আমাকে বলল যে, মাবুদ বলছেন, ‘ইসরাইলের বাদশাহ্ হিসাবে আমি তোমাকে অভিষেক করছি।’ ”
13
তখন সেই সেনাপতিরা তাড়াতাড়ি করে তাঁদের গায়ের কাপড় নিয়ে সিঁড়ির উপর যেহূর পায়ের নীচে পেতে দিলেন। তারপর শিংগা বাজিয়ে তাঁরা চিৎকার করে বললেন, “যেহূই বাদশাহ্।”
14
তারপর যিহোশাফটের ছেলে, অর্থাৎ নিম্শির নাতি যেহূ যোরামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলেন। সেই সময় যোরাম ও সমস্ত বনি-ইসরাইল রামোৎ-গিলিয়দ রক্ষা করবার জন্য সিরিয়ার বাদশাহ্ হসায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন।
15
কিন্তু সিরিয়ার বাদশাহ্ হসায়েলের সংগে যুদ্ধ করবার সময় সিরীয়রা যোরামের গায়ে যে আঘাত করেছিল তা থেকে সুস্থ হয়ে উঠবার জন্য তিনি যিষ্রিয়েলে ফিরে গিয়েছিলেন। যেহূ তাঁর সংগী সেনাপতিদের বললেন, “আপনারা যদি আমার পক্ষে থাকেন তবে দেখবেন খবরটা যিষ্রিয়েলে দেবার জন্য যেন কোন লোক শহর থেকে চুপি চুপি বেরিয়ে না যায়।”
16
তারপর যেহূ তাঁর রথে চড়ে যিষ্রিয়েলে গেলেন, কারণ যোরাম সেখানে বিছানায় শুয়ে ছিলেন এবং এহুদার বাদশাহ্ অহসিয় সেখানে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন।
17
যেহূর সৈন্যদলকে আসতে দেখে যিষ্রিয়েলের কেল্লার উপর দাঁড়ানো পাহারাদার চিৎকার করে বলল, “আমি একদল সৈন্য আসতে দেখছি।” তখন যোরাম হুকুম দিলেন, “একজন ঘোড়সওয়ারকে তাদের কাছে পাঠিয়ে দাও। সে তাদের জিজ্ঞাসা করুক, ‘আপনাদের আসবার উদ্দেশ্য ভাল তো?’ ”
18
সেই ঘোড়সওয়ারটি যেহূর সংগে দেখা করতে চলে গেল এবং তাঁকে বলল, “বাদশাহ্ বলছেন, ‘আপনাদের আসবার উদ্দেশ্য ভাল তো?’ ” জবাবে যেহূ বললেন, “আমার আসবার উদ্দেশ্য দিয়ে তোমার দরকার কি? তুমি আমার পিছনে পিছনে এস।” সেই পাহারাদার তখন খবর দিল, “সংবাদ নিয়ে লোকটি তাদের কাছে পৌঁছেছে, কিন্তু সে তো ফিরে আসছে না।”
19
তখন বাদশাহ্ দ্বিতীয় আর একজন ঘোড়সওয়ারকে পাঠালেন। সে সেই সৈন্যদলের কাছে গিয়ে বলল, “বাদশাহ্ বলছেন, ‘আপনাদের আসবার উদ্দেশ্য ভাল তো?’ ” জবাবে যেহূ বললেন, “আমার আসবার উদ্দেশ্য দিয়ে তোমার দরকার কি? তুমি আমার পিছনে পিছনে এস।”
20
সেই পাহারাদারটি খবর দিল, “সে তাদের কাছে গিয়ে পৌঁছেছে, কিন্তু সে-ও তো ফিরে আসছে না। রথ চালানো দেখে মনে হচ্ছে নিম্শির নাতি যেহূ রথ চালাচ্ছে। সে পাগলের মতই রথ চালাচ্ছে।”
21
তখন যোরাম হুকুম দিলেন, “আমার রথে ঘোড়া লাগাও।” ঘোড়া লাগানো হলে পর ইসরাইলের বাদশাহ্ যোরাম ও এহুদার বাদশাহ্ অহসিয় নিজের নিজের রথে চড়ে যেহূর সংগে দেখা করবার জন্য বের হলেন। যিষ্রিয়েলীয় নাবোতের জমিতে যেহূর সংগে তাঁদের দেখা হল।
22
যোরাম যেহূকে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, “যেহূ, তোমার আসবার উদ্দেশ্য ভাল তো?” জবাবে যেহূ বললেন, “আপনার মা ঈষেবলের প্রতিমাপূজা ও জাদুবিদ্যার কাজ যখন এত বেশী করে চলছে তখন আমার আসবার উদ্দেশ্য কেমন করে ভাল হতে পারে?”
23
এই কথা শুনে যোরাম ঘুরে পালাবার সময় অহসিয়কে ডেকে বললেন, “অহসিয়, এ বেঈমানী।”
24
তখন যেহূ সমস্ত শক্তি দিয়ে নিজের ধনুকে টান দিয়ে যোরামের দুই কাঁধের মাঝখানে তীর ছুঁড়লেন। তীর গিয়ে তাঁর হৃদপিণ্ডে বিঁধল এবং তিনি রথের মধ্যে পড়ে গেলেন।
25
তখন যেহূ তাঁর সংগের সেনাপতি বিদ্করকে বললেন, “ওকে তুলে নিয়ে যিষ্রিয়েলীয় নাবোতের জমিতে ফেলে দাও। মনে করে দেখ, আমি আর তুমি তাঁর পিতা আহাবের পিছনে রথে করে যখন যাচ্ছিলাম তখন মাবুদ আহাবের বিরুদ্ধে এই কথা বলেছিলেন,
26
‘আমি মাবুদ বলছি, গতকাল আমি নাবোত ও তার ছেলেদের রক্ত দেখেছি, আর এই জমির উপরেই তোমার কাছ থেকে নিশ্চয়ই আমি তার প্রতিশোধ নেব।’ তাহলে তুমি এখন মাবুদের কথা অনুসারে ওকে তুলে নিয়ে ঐ জমিতে ফেলে দাও।”
27
যা ঘটেছে তা দেখে এহুদার বাদশাহ্ অহসিয় বৈৎ-হাগ্গানের পথ ধরে পালিয়ে গেলেন। যেহূ তাঁর পিছনে তাড়া করে যেতে যেতে চিৎকার করে বললেন, “ওকেও মেরে ফেল।” তখন লোকেরা যিব্লিয়মের কাছে গূর নামে উঠবার পথে অহসিয়কে তাঁর রথের মধ্যে আঘাত করল, কিন্তু তিনি মগিদ্দোতে পালিয়ে গেলেন আর সেখানেই মারা গেলেন।
28
তাঁর কর্মচারীরা তাঁকে রথে করে জেরুজালেমে নিয়ে গেল এবং দাউদ-শহরে তাঁর পূর্বপুরুষদের সংগে তাঁর জন্য ঠিক করা কবরে তাঁকে দাফন করল।
29
আহাবের ছেলে যোরামের রাজত্বের এগারো বছরের সময় অহসিয় এহুদার বাদশাহ্ হয়েছিলেন।
30
এর পর যেহূ যিষ্রিয়েলে গেলেন। ঈষেবল সেই কথা শুনে চোখে কাজল দিয়ে ও সুন্দর করে চুল বেঁধে জানালা দিয়ে চেয়ে দেখলেন।
31
যেহূ যখন দরজা দিয়ে ঢুকছিলেন তখন ঈষেবল তাঁকে বললেন, “ওহে সিম্রির মত খুনী, নিজের মালিকের হত্যাকারী! তোমার আসবার উদ্দেশ্য কি ভাল?”
32
যেহূ তখন উপরে জানালার দিকে চেয়ে বললেন, “আমার পক্ষে কে আছে? কে আছে?” তখন দুই-তিনজন খোজা উপর থেকে তাঁর দিকে চেয়ে দেখল।
33
যেহূ বললেন, “ওকে নীচে ফেলে দাও।” তখন তারা ঈষেবলকে নীচে ফেলে দিল আর যেহূর রথের ঘোড়াগুলো তাঁকে পায়ে মাড়িয়ে গেল। তাতে তাঁর রক্ত ছিট্কে গিয়ে দেয়ালে আর ঘোড়ার গায়ে লাগল।
34
তারপর যেহূ ভিতরে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করলেন। পরে তিনি বললেন, “তোমরা ঐ বদদোয়াপ্রাপ্ত স্ত্রীলোকটিকে দাফন করবার ব্যবস্থা কর, কারণ সে একজন রাজকন্যা ছিল।”
35
কিন্তু লোকেরা যখন তাঁকে দাফন করবার জন্য বাইরে গেল তখন তাঁর মাথার খুলি, হাত ও পা ছাড়া আর কিছুই পেল না।
36
এই কথা তারা ফিরে গিয়ে যেহূকে জানালে পর তিনি বললেন, “মাবুদ নিজের গোলাম তিশ্বীয় ইলিয়াসের মধ্য দিয়ে ঠিক এই কথাই বলেছিলেন, ‘যিষ্রিয়েলের জমিতে কুকুরেরা ঈষেবলের গোশ্ত খাবে।
37
সেই জমির মাটিতে ঈষেবলের লাশ এমন গোবর-সারের মত পড়ে থাকবে যে, কেউ চিনতে পারবে না ওটা ঈষেবলের লাশ।’ ”
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25