bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Acts 17
Acts 17
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 18 →
1
পরে তারা আম্ফিপলি ও আপল্লোনিয়া দিয়ে গিয়ে থিষলনীকীতে আসলেন l
2
সেই জায়গায় যিহূদীদের এক সমাজ গৃহ ছিল; আর পৌল তাঁর নিয়ম অনুসারে তাদের কাছে গেলেন, এবং তিনটি বিশ্রামবারে তাদের সঙ্গে শাস্ত্রের কথা নিয়ে আলোচনা করলেন, দেখালেন যে,
3
খ্রীষ্টের মৃত্যুভোগ ও মৃতদের মধ্যে থেকে পুনরুত্থান হওয়া জরুরি ছিল এবং এই যে যীশুর বিষয়ে আমি তোমাদের কাছে প্রচার করছি, তিনিই সেই খ্রীষ্ট l
4
তাতে তাদের মধ্যে কয়েকজন সম্মতি জানালো, এবং পৌলের ও সীলের সাথে যোগ দিল; আর ভক্ত গ্রীকদের মধ্যে অনেক লোক ও অনেক প্রধান মহিলা তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন l
5
কিন্তু যিহূদীরা হিংসা করে বাজারের কয়েকজন দুষ্ট লোকদের নিয়ে একটি দল তৈরী করে শহরে গোলমাল বাঁধিয়ে দিল, এবং যাসোনের বাড়িতে হানা দিয়ে লোকদের সামনে আনার জন্য প্রেরিতদের খুঁজতে লাগল l
6
কিন্তু তাদের না পাওয়ায় তারা যাসোন এবং কয়েকজন ভাইকে ধরে শহরের প্রধান এর সামনে টেনে নিয়ে গেল, চিৎকার করে বলতে লাগল, “এই যে লোকেরা সারা জগতে গোলমাল করে বেড়াচ্ছে, এরা এখানেও উপস্থিত হলো;
7
যাসোন এদের আতিথ্য করেছে; আর এরা সকলে কৈসরের আইনের বিরুদ্ধাচরণ করে বলে, যীশু নামে আরও একজন রাজা আছেন l
8
এই সব কথা শুনে তারা সাধারণ মানুষদের ও নগরের প্রধানকে উত্তেজিত করে তুলল l
9
তখন তারা যাসোনের ও আর সকলের জরিমানা নিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দিলেন l
10
পরে ভাইয়েরা পৌল ও সীলকে ওই রাত্রিতেই বিরয়াতে পাঠিয়ে দিলেন l সেখানে উপস্থিত হয়ে তাড়াতাড়ি যিহূদীদের সমাজ গৃহে গেলেন l
11
থিষলনীকীর যিহূদীদের থেকে এরা ভদ্র ছিল; কেননা এরা সম্পূর্ণ ইচ্ছার সঙ্গে বাক্য শুনছিল এবং সত্য কি-না তা জানার জন্য প্রতিদিন শাস্ত্র পরীক্ষা করতে লাগল l
12
এর ফলে তাদের মধ্যে অনেক ভদ্র এবং গ্রীকদের মধ্যেও অনেকে সম্ভ্রান্ত মহিলা ও পুরুষ বিশ্বাস করলেন
13
কিন্তু থিষীলনীর যিহূদীরা যখন জানতে পারল যে, বিরয়াতেও পৌলের মাধ্যমে ঈশ্বরের কথা প্রচার হয়েছে, তখন তারা সেখানেও এসে লোকেদের অস্থির ও উত্তেজিত করে তুলতে লাগল l
14
তখন ভাইয়েরা তাড়াতাড়ি পৌলকে সুমদ্র পর্যন্ত যাওয়ার জন্য পাঠালেন; আর সীল ও তীমথিয় সেখানে থাকলেন l
15
আর যারা পৌলকে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল, তারা আথানী পর্যন্ত্ নিয়ে গেল; পরে তোমরা সীলকে ও তীমথিয়কে অতি শীঘ্রই আমার কাছে আসতে বলবে, এই সংবাদ নিয়ে তারা চলে গেল l
16
পৌল যখন তাঁদের অপেক্ষায় আথানীতে ছিলেন, তখন শহরের নানা জায়গায় প্রতিমা মূর্তি দেখে তাঁর আত্মা উতপ্ত হয়ে উঠল l
17
এরফলে তিনি সমাজ ঘরে যিহূদী ও ভক্ত লোকদের কাছে এবং বাজারে প্রতিদিন যাদের সঙ্গে দেখা হত, তাদের কাছে যীশুর বিষয়ে কথা বলতেন
18
আবার ইপিকুরের ও স্তোয়িকীরের কয়েকজন দার্শনিক পৌলের সাথে তর্ক-বিতর্ক করতে লাগল l আবার কেউ কেউ বলল, “ এ বাচালটা কি বলতে চায়?” আবার কেউ কেউ বলল, “ওকে অন্য দেবতাদের প্রচারক বলে মনে হয়; “ কারণ তিনি যীশু ও পুনরুত্থান বিষয়ে সুসমাচার প্রচার করতেন l
19
পরে তারা তাঁর হাত ধরে আরেয়পাগে নিয়ে গিয়ে বলল, আমরা কি জানতে পারি, এই যে নতুন শিক্ষা আপনি প্রচার করছেন, এটা কি ধরনের?
20
কারণ আপনি কিছু অদ্ভুত কথা আমাদের বলেছেন; এর ফলে আমরা জানতে চাই, এ সব কথার মানে কি l
21
কারণ আথানীর সকল লোক ও সেখানকার বসবাসকারী বিদেশীরা শুধু নতুন কোনো কথা বলা বা শোনা ছাড়া অন্য কিছুতে সময় নষ্ট করত না l
22
তখন পৌল আরেয়পাগের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বললেন, “হে আথানীয় লোকেরা দেখছি, তোমরা সব বিষয়ে বড়ই দেবতাভক্ত l”
23
কেননা বেড়ানোর সময় তোমাদের উপাসনার জিনিস দেখতে দেখতে একটি বেদি দেখলাম, যার উপর লেখা আছে, “অজানা দেবতার উদ্দেশ্যে “ অতএব তোমরা যে অজানা দেবতার আরাধনা করছ,
24
তাঁকে আমি তোমাদের কাছে প্রচার করছি l ঈশ্বর যিনি জগৎ ও তাঁর মধ্যেকার সব বস্তুু তৈরী করেছেন l তিনিই স্বর্গের ও পৃথিবীর প্রভু, সুতরাং মানুষের হাত দিয়ে তৈরী মন্দিরে বাস করেন না;
25
কোনো কিছু অভাবের কারণে মানুষের সাহায্যও নেন না, তিনিই সবাইকে জীবন ও শ্বাস সবকিছুই দিয়েছেন l
26
আর তিনি এক জন মানুষ থেকে মানুষের সকল জারটি উত্পন্ন, তিনি বসবাসের জন্য এই পৃথিবী দিয়েছেন; তিনি বসবাসের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন;
27
যেন তারা ঈশ্বররের খোঁজ করে, যদি কোনোও খুঁজে খুঁজে তাঁর দেখা পায়; অথচ তিনি আমাদের কারও নন থেকে দূরে নয় l
28
কেননা ঈশ্বরেতেই আমাদের জীবন, গতি ও সত্তা; যেমন তোমাদের কয়েকজন কবিও বলেছেন, “কারণ আমরাও তাঁর বংশধর l”
29
এর ফলে আমরা যখন ঈশ্বরের সন্তান, তখন ঈশ্বররের স্বরূপকে মানুষের শিল্প ও কল্পনা অনুসারে তৈরী সোনার কি রুপার কি পাথরের সঙ্গে তুলনা করা আমাদের উচিত নয় l
30
ঈশ্বর সেই অজ্ঞানতার সময়কে উপেক্ষা করেছেন, কিন্তু এখন সব জায়গার সব মানুষ কে মন পরিবর্তন করতে আদেশ দিলেন l
31
কেননা তিনি একটি দিন ঠিক করেছেন, যে দিনে নিজের মনোনীত ব্যক্তির দ্বারা পৃথিবীর লোককে বিচার করবেন; আর এইসবের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিয়েছেন; ফলে মৃতদের মধ্যে থেকে তাঁকে উঠিয়েছেন l
32
তখন মৃতদের পুনরুত্থানের কথা শুনে কেউ কেউ উপহাস করতে লাগল; কিন্তু কেউ কেউ বলল, আপনার কাছে এই বিষয়ে আরও একবার শুনব l
33
এইভাবে পৌল তাদের কাছ থেকে চলে গেলেন l
34
কিন্তু কিছু ব্যক্তি তাঁর সঙ্গ নিয়ে যীশুকে বিশ্বাস করল; তাদের মধ্যে আরেয়পাগীর দিয়নুষিয় এবং দামারি নামে আরোও কয়েকজন ছিলেন l
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 18 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28