bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Acts 9
Acts 9
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
1
শৌল তখনও প্রভুর শিষ্যদের ভয় দেখাতেন ও হত্যা করছিলেন, তিনি প্রধান পুরোহিতদের কাছে গিয়েছিলেন এবং
2
দম্মেশকস্থ সমাজ সকলের জন্য চিঠি চাইলেন, যেন তিনি সেই পথে যাওয়া পুরুষ ও স্ত্রী যেসব লোককে পাবেন, তাদের বেঁধে যিরুশালামে নিয়ে আসতে পারেন l
3
যখন যাচ্ছিলেন, আর দম্মেশকের নিকটে যখন পৌঁছলেন, হঠাৎ আকাশ হতে আলো তার চারিদিকে চমকিয়ে উঠলো l
4
এবং তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন আর এমন বাণী শুনলেন “ শৌল, শৌল, কেন আমাকে কষ্ট দিচ্ছ?
5
তিনি বললেন, “ প্রভু, তুমি কে?” প্রভু বলিলেন, আমি যীশু, যাঁকে তুমি কষ্ট দিচ্ছ;
6
কিন্তু ওঠ, শহরে প্রবেশ কর, তোমাকে কীকরতে হবে, তা বলা হবে l
7
আর তাঁর সাথীরা অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইল, এবং ঐ বাণী তারা শুনল কিন্তু তারা কোনোও কিছুই দেখতে পেল না l
8
শৌল পরে মাটি হইতে উঠলেন, কিন্তু যখন চোখ খুললে তিনি কিছুই দেখতে পেলেন না; আর তার সঙ্গীরা তাঁর হাত ধরে তাঁকে দম্মেশকে নিয়ে গেল l
9
আর তিনি তিন দিন অবধি কোনোও কিছুই দেখতে পেলেন না, এবং কিছুই খেলেন না বা পান করলেন না l
10
দম্মেশকে অননিয় নামে এক জন শিষ্য ছিলেন l প্রভু তাঁকে দর্শনের মাধ্যমে বললেন, “অনণীয় “l তিনি বললেন, প্রভু, “দেখ আমি এখানে”,
11
প্রভু তখন তাঁকে বললেন “উঠ, এবং সরল নামক রাস্তায় গিয়ে যিহুদার বাড়িতে তার্স নগরের শৌল নামক এক ব্যক্তির খোঁজ কর; কারণ তিনি প্রাথর্না করছেন;
12
শৌল দর্শন দেখলেন যে, অননিয় নামে এক ব্যক্তি এসে তাঁর উপর হাত রাখলেন যেন সে পুনরায় দেখতে পায় l
13
অননিয় উত্তরে বললেন, প্রভু, আমি অনেকের কাছ থেকে এই ব্যক্তির বিষয় শুনেছি, সে যিরুশালেমে তোমার মনোনীত পবিত্র মানুষদের প্রতি কত নির্যাতন করেছে;
14
এই জায়গাতেও যত লোক তোমার নামে ডাকে, সেই সব লোককে বেঁধে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা সে প্রধান পুরোহিতদের কাছ থেকে পেয়েছে l
15
কিন্তু প্রভু তাকে বললেন, তুমি যাও, কারণ জাতিগনের, ও রাজাদের এবং ইস্রায়েল সন্তানদের মধ্যে আমার নাম বহন করার জন্য সে আমার মনোনীত ব্যক্তি;
16
কারণ আমি তাঁকে দেখাবো, আমার নামের জন্য তাঁকে কত কষ্ট ভোগ করতে হবে l
17
সুতরাং অননিয় চলে গেলেন এবং সেই বাড়িতে গিয়ে তাঁর উপর হাত রেখে বললেন, শৌল, প্রভু যীশু, যিনি তোমার আসবার পথে তোমাকে দেখা দিয়েছিলেন, তিনি আমাকে পাঠিয়েছেন, যেন তুমি আবার দৃষ্টি ফিরে পাও এবং পবিত্র আত্মায় পূর্ণ হও l
18
আর সেই মূহুর্তে তাঁর চক্ষু থেকে যেন একটা মাছের আঁশ পড়ে গেল, এবং তিনি দৃষ্টি ফিরে পেলেন, এবং উঠে বাপ্তিস্ম নিলেন;
19
পরে তিনি খেলেন এবং শক্তি পেলেন l আর তিনি দম্মেশকের শিষ্যদের সাথে কিছুদিন থাকলেন;
20
সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সমাজগৃহে গিয়ে যীশুর বাণী প্রচার করতে লাগলেন, যে তিনিই ঈশ্বরের পুত্র l
21
আর যারা তাঁর কথা শুনলো, তারা সবাই আশ্চর্য হলো, বলতে লাগল, এ কি সেই লোকটি নয়, যে, যারা যিরুশালেমে যীশুর নামে ডাকত তাদের উচ্ছেদ করে দিতো? এবং সে এখানে এসেছেন যেন তাদের বেঁধে প্রধান পুরোহিতদের কাছে নিয়ে যায় l
22
কিন্তু শৌল দিন দিন শক্তি পেলেন এবং দম্মেশকে বসবাসকারী যিহুদিদের উত্তর দেবার পথ দিলেন না এবং প্রমাণ দিতে লাগলেন যে ইনিই সেই খ্রীষ্ট l
23
আর অনেক দিন পার হয়ে গেলে, যিহুদিরা তাঁকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করলো;
24
কিন্তু শৌল তাদের চালাকি জানতে পারলেন l আর তারা যেন তাঁকে মেরে ফেলতে পারে সেজন্য দিনরাত নগরের দরজায় পাহারা দিতে লাগল l
25
কিন্তু তাঁর শিষ্যরা রাতে তাঁকে নিয়ে একটি ঝুড়িতে করে পাঁচিলের উপর দিয়ে বাইরে নামিয়ে দিল l
26
পরে তিনি যখন যিরুশালেমে পৌঁছে শিষ্যদের সঙ্গে যোগ দিতে চেষ্টা করলেন, সকলে তাঁকে ভয় করলো, তিনি যে শিষ্য তা বিশ্বাস করল না l
27
তখন বার্ণবা তার হাত ধরে প্রেরিতদের কাছে নিয়ে গেলেন, এবং পথের মধ্যে কীভাবে প্রভুকে দেখতে পেয়েছিলেন, ও প্রভু যে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলেন, এবং কিভাবে তিনি দম্মেশকে যীশুর নাম সাহসের সঙ্গে প্রচার করেছিলেন, এসব তাঁদের কাছে বললেন l
28
আর শৌল যিরুসালেমে তাঁদের সঙ্গে থাকতেন, এবং ভিতরে ও বাইরে যাওয়া আসা করতেন, প্রভুর নামে সাহসের এর সঙ্গে প্রচার করলেন,
29
আর তিনি গ্রীক ভাষাবাদী যিহুদীদের সঙ্গে কথাবার্তা ও তর্ক করতেন; কিন্তু তারা তাঁকে মেরে ফেলার জন্য চেষ্টা করতে লাগল l
30
যখন ভাইয়েরা এটা জানতে পারল, তাঁকে কৈসরিয়াতে নিয়ে গেলেন এবং সেখান থেকে তার্স নগরে পাঠিয়ে দিলেন l
31
সুতরাং তখন যিহুদিয়া, গালীল ও শমরিয়ার সব জায়গায় মন্ডলী শান্তি ভোগ ও বৃদ্ধি পেতে লাগল, এবং প্রভুর ভয়ে ও পবিত্র আত্মার সান্ত্বনায় চলতে চলতে মন্ডলী সংখ্যায় অনেক হয়ে উঠলো l
32
আর পিতর সব স্থানে ঘুরতে ঘুরতে লুদ্দায় বসবাসকারী ঈশ্বরের মানুষদের কাছে গেলেন l
33
সেখানে তিনি ঐনিয় নামে এক ব্যক্তির দেখা পান, সে আট বছর বিছানায় ছিলো, কারণ তার পক্ষাঘাত (অবসাঙ্গতা) হয়েছিল l
34
পিতর তাকে বললেন, ইনিয়, যীশু খ্রীষ্ট তোমাকে সুস্থ করলেন, ওঠ, এবং তোমার বিছানা পাত l তাতে সে তখনই উঠল l
35
তখন লুদ্দা ও শারণে বসবাসকারী সব লোক তাকে দেখতে পেল এবং তারা প্রভুর প্রতি ফিরল l
36
আর যোফাতে এক শিষ্যা ছিল তার নাম টাবিথা, অনুবাদ করিলে এই নামের অর্থ দর্কা (হরিণী); তিনি গরীবদের জন্য নানান সৎ কাজ ও দান করতেন l
37
সেই সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মারা যান; সেখানকার লোকেরা তাঁকে স্নান করালেন এবং ওপরের ঘরে সশুইয়ে রাখলেন l
38
আর লুদ্দা যাফোর কাছাকাছি হওয়াতে এবং পিতর লুদ্দায় আছেন শুনে, শিষ্যরা তাঁর কাছে দুইজন লোক পাঠিয়ে এই বলে অনুরোধ করলেন, “কোনোও দেরি না করে আমাদের এখানে আসুন”l
39
আর পিতর উঠে তাদের সঙ্গে চললেন l যখন তিনি পৌঁছোলেন, তারা তাঁকে উপরের ঘরে নিয়ে গেল l আর সব বিধবারা তাঁর চারিদিকে দাঁড়িয়ে কাঁদতে থাকলো এবং দর্কা তাদের সঙ্গে থাকার সময় যে সমস্ত আঙরাখা ও বস্ত্র তৈরি করেছিলেন, সেই সমস্ত দেখাতে লাগলো l
40
তখন পিতর সবাইকে ঘরের বাইরে বের করে দিয়ে, হাঁটু পেতে প্রার্থনা করলেন, তারপর সেই দেহের দিকে ফিরে বললেন, “টাবিথা ওঠ” l তাতে তিনি চোখ খুললেন এবং পিতরকে দেখে উঠে বসলেন l
41
তখন পিতর হাত দিয়ে তাকে ওঠালেন এবং বিশ্বাসীদের ও বিধবাদের ডেকে তাকে জীবিত দেখালেন l
42
এই ঘটনা যাফোর সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ল, এবং অনেক লোক প্রভুকে বিশ্বাস করলো l
43
আর পিতর অনেকদিন যাবৎ যাফোতে শিমন নামে এক জন চর্ম শিল্পীর বাড়িতে ছিলেন l
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28