bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Acts 7
Acts 7
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 8 →
1
পরে মহাযাজক বললেন, এসব কথা কি সত্য? তিনি বললেন,
2
প্রিয় ভাইয়েরা ও পিতারা, শুনুন। আমাদের পিতা অব্রাহাম হারণে বাস করার আগে যেসময়ে মিসপটেমিয়ায় ছিলেন, সেসময় প্রতাপের ঈশ্বর তাঁকে দর্শন দিয়েছিলেন, আর বলেছিলেন,
3
“তুমি নিজের দেশ থেকে ও সমস্ত আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে বাইরে বের হও, এবং আমি যেদেশ তোমাকে দেখাই, সেদেশে চল।”
4
তখন তিনি কলদীয়দের দেশ থেকে বের হয়ে এসে হারনে বসবাস করলেন; আর তাঁর পিতার মৃত্যুর পর (ঈশ্বর) তাঁকে সেখান থেকে এদেশে আনলেন, যেদেশে আপনারা এখন বাস করছেন।
5
কিন্তু এদেশে তাঁকে অধিকার দিলেন না, এক টুকরো জমিও না; আব্রাহাম প্রতিজ্ঞা করলেন যে, তিনি তাঁকে ও তাঁর পরে তাঁর বংশকে অধিকার দেবেন, যদিও তখন তাঁর কোনও সন্তান হয়নি।
6
আর ঈশ্বর এমন বললেন যে, “তাঁর বংশ বিদেশে বাস করবে, এবং লোকে তাদের দাস বানাবে ও তাদের প্রতি চারশো বছর পর্যন্ত অত্যাচার করবে;”
7
আর তারা যেজাতির দাস হবে, আমিই তাদের বিচার করব,” এটা ঈশ্বর আরও বললেন, “তারপরে তারা বাইরে বেরিয়ে আসবে, এবং এই স্থানে আমার আরাধনা করবে।”
8
আর তিনি তাঁকে ত্বকছেদের নিয়ম দিলেন, আর এভাবে অব্রাহাম ইসাহাক কে জন্ম দিলেন, এবং আটদিনের দিন তাঁর ত্বকছেদ করল: পরে ইসাহাক যাকোবের, এবং যাকোব সেই বারো জন পিতৃকুলপতির জন্ম দিলেন।
9
আর পিতৃকুলপতিরা যোষেফের উপর হিংসা করে তাঁকে বিক্রি করলে তিনি মিশরে যান।
10
কিন্তু ঈশ্বর তাঁর সাথে সাথে ছিলেন, এবং তাঁর সমস্ত দু: খকষ্ট থেকে তাঁকে উদ্ধার করলেন, আর মিশরের রাজা ফরৌনের সামনে অনুগ্রহ ও জ্ঞানীর পরিচয় দিলেন; এজন্য ফরৌণ তাঁকে মিশরের ও নিজের সমস্ত ঘরের অধ্যক্ষ পদে নিযুক্ত করলেন।
11
পরে সমস্ত মিশরে ও কনানে দুর্ভিক্ষ হল, লোকেরা খুব কষ্ট পেতে থাকল, আর আমাদের পূর্বপুরুষদের খাবারের অভাব হল।
12
কিন্তু মিশরে খাবার আছে শুনে যাকোব আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রথমবার পাঠালেন।
13
পরে দ্বিতীয়বারে যোষেফ নিজের ভাইদের সাথে পরিচিত হলেন, এবং যোষেফের বংশ সম্পর্কে ফরৌণ জানতে পারলেন।
14
পরে যোষেফ নিজের পিতা যাকোবকে এবং নিজের সমস্ত বংশকে, পঁচাত্তর জনকে, নিজের কাছে ডেকে পাঠালেন।
15
তাতে যাকোব মিশরে গেলেন, পরে তাঁর ও আমাদের পূর্বপুরুষদের মৃত্যু হল।
16
আর তাঁদের শিখিমে এনে কবর দেওয়া হয়েছে, এবং যে কবর অব্রাহাম রূপো দিয়ে শিখিমে হামোর সন্তানদের কাছ থেকে কিনেছিলেন, সেখানে কবরপ্রাপ্ত হয়েছে।
17
পরে, ঈশ্বর অব্রাহামের কাছে যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, সেই প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হওয়ার সময় এগিয়ে আসলে, লোকেরা মিশরে বেড়ে সংখ্যায় অনেক হয়ে উঠল,
18
শেষে মিশরের উপরে এমন আর এক জন রাজা হলেন, যে যোষেফকে জানতেন না।
19
তিনি আমাদের জাতির সাথে চালাকি করলেন, আমাদের পূর্বপুরুষদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলেন, উদ্দেশ্য এই যে, তাঁদের শিশুদের যেন বাইরে ফেলে দেওয়া হয়, যেন তারা বেঁচে না থাকে।
20
সেই সময় মোশির জন্ম হয়। তিনি ঈশ্বরের চোখে সুন্দর ছিলেন, এবং তিনমাস পর্যন্ত পিতার বাড়িতে পালিত হন।
21
পরে তাঁকে বাইরে ফেলে দিলে ফরৌনের মেয়ে তুলে নেয়, ও নিজের ছেলে করার জন্য লালন-পালন করলেন।
22
আর মোশি মিশ্রীয়দের সমস্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হলেন, এবং তিনি বাক্যে ও কাজে বলবান ছিলেন।
23
পরে তাঁর প্রায় সম্পূর্ণ চল্লিশ বছর বয়স হওয়ার পর নিজের ভাইদের, ইস্রায়েল সন্তানদের, পরিচয় করার ইচ্ছা তার হৃদয়ে জাগলো।
24
তখন এক জনের উপর অন্যায় করা হচ্ছে দেখে, তিনি তার পক্ষ নিলেন, ঐ মিশ্রীয় লোককে মেরে অত্যাচার সহ্য করা লোকটিকে সুবিচার দিলেন।
25
তিনি মনে করলেন তার ভাইয়েরা বুঝেছে যে, তাঁর হাতের দ্বারা ঈশ্বর তাদের মুক্তি দিচ্ছেন; কিন্তু তারা বুঝল না।
26
আর পরের দিন তারা যখন মারামারি করছিল, তখন তিনি তাদের কাছে গিয়ে মিটমাট করার চেষ্টা করলেন, বললেন, হে প্রিয়, তোমরা তো ভাই, এক জন অন্য জনের সাথে অন্যায় করছ কেন?
27
কিন্তু প্রতিবেশীর প্রতি অন্যায় করেছিল যেব্যক্তি, সে তাকে ঠেলে ফেলে দিয়ে বলল, তোমাকে অধ্যক্ষ ও বিচারকর্তা করে আমাদের উপরে কে নিযুক্ত করেছে?
28
কালকে যেমন সেই মিশ্রীয়কে মেরে ফেলেছিলে, তেমনি কি আমাকেও মেরে ফেলতে চাও?
29
এই কথায় মোশি পালিয়ে গেল, আর মিদিয়ণ দেশে বিদেশী হয়ে বসবাস করতে লাগল; সেখানে তার দুই ছেলের জন্ম হয়।
30
পরে চল্লিশ বছর পূর্ণ হলে সীনয় পর্বতের মরুভূমিতে এক দূত একটা ঝোপে অগ্নিশিখায় তাকে দেখা দিল।
31
মোশী সে দৃশ্য দেখে আশ্চর্য হয়ে উঠল, আরও ভালো করে দেখার জন্য কাছে যাচ্ছিল, এমন সময়ে প্রভুর এক আওয়াজ শোনা গেল, বললেন,
32
“ আমি তোমার পূর্বপুরুষদের ঈশ্বর, অব্রাহামের, ইসহাকের ও যাকোবের ঈশ্বর।” তখন মোশী ভয় পেয়ে ভাল করে আর দেখার সাহস করলেন না।
33
পরে প্রভু তাঁকে বললেন, “তোমার পা থেকে জুতো খুলে ফেল; কেননা যে জায়গাতে তুমি দাঁড়িয়ে আছ, ওটা পবিত্র জায়গা।
34
আমি মিশরের মধ্যে আমার প্রজাদের দুঃখ ভাল করে দেখেছি, তাদের কান্না শুনেছি, আর তাদের উদ্ধার করতে নেমে এসেছি, এখন এসো, আমি তোমাকে মিশরে পাঠাই।”
35
এই যে মোশীকে তারা অস্বীকার করেছিল, বলেছিল, তোমাকে অধ্যক্ষ ও বিচারকর্তা করে কে নিযুক্ত করেছে? তাঁকেই ঈশ্বর, যেদূত ঝোপে তাঁকে দেখা দিয়েছিল, সেই দূতের হাতের দ্বারা অধ্যক্ষ ও মুক্তিদাতা করে পাঠালেন।
36
তিনি মিশরে, লোহিত সমুদ্রে ও মরুভূমিতে চল্লিশ বছর পর্যন্ত্য নানারকম অদ্ভুত লক্ষণ ও চিহ্ন কাজ করে তাদের বের করে আনলেন।
37
ইনি সেই মোশি, যে ইস্রায়েল সন্তানদের এ কথা বলেছিলেন, “ঈশ্বর তোমাদের জন্য তোমাদের ভাইদের মধ্যে থেকে আমার মতো একজন ভাববাদীকে উৎপন্ন করবে।”
38
তিনিই মরুভূমিতে যিহূদীদের সাথে ছিলেন; যেদূত সীনয় পর্বতে তাঁর সাথে কথা বলেছিলেন,। তিনিই তাঁর এবং আমাদের পূর্বপুরুষদের সাথে ছিলেন। তিনি আমাদের দেওয়ার জন্য জীবনদায়ী বাক্য-সকল পেয়েছিলেন।
39
আমাদের পূর্বপুরুষেরা তাঁর কথা মানতে চাইল না, বরং তাঁকে ঠেলে ফেলে দিলেন, আর মনে মনে আবার মিশরের দিকে ফিরলেন,
40
হারোণকে বললেন, “আমাদের জন্য দেবতা তৈরি কর, তাঁরাই আমাদের আগে আগে যাবেন, কেননা এই যে মোশি মিশর দেশ থেকে আমাদের বের করে আনলেন, তাঁর কী হল, আমরা জানি না।”
41
আর সেই সময় তারা একটা বাছুর তৈরি করলেন, এবং সেই মূর্তির উদ্দেশে বলি উৎসর্গ করলেন, ও নিজেদের হাতের তৈরি জিনিসে আনন্দ করতে লাগলেন।
42
কিন্তু ঈশ্বর খুশি হলেন না, তাঁদের আকাশের বাহিনী পূজো করার জন্য সমর্পণ করলেন; যেমন ভাববাদী গ্রন্থে লেখা আছে,“প্রিয় ইস্রায়েল লোকেরা, মরুভূমিতে চল্লিশ বছর পর্যন্ত তোমরা কি আমার উদ্দেশে পশুবলি ও উপহার উৎসর্গ করেছিলে?
43
তোমরা বরং মোলকের তাঁবু ও রিফন দেবতার তারা তুলে নিয়ে বহন করেছ, সেই মূর্তিগুলো, যা তোমরা পূজো করার জন্য গড়েছিলে;আর আমি তোমাদের বাবিলের ওদিকে নির্বাসিত করব।”
44
যেমন তিনি আদেশ করেছিলেন, সাক্ষ্য তাঁবু মরুভুমিতে আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছে ছিল, যিনি মোশিকে বলেছিলেন, তুমি যেমন নমুনা দেখলে, সেরকম ওটা তৈরি কর।
45
আর আমাদের পূর্বপুরুষেরা তাদের সময়ে ওটা পেয়ে যিহোশুয়ের কাছে আনলেন, যখন সেই জাতিগনের অধিকারে প্রবেশ করল, যাদের ঈশ্বর আমাদের পূর্বপুরুষের সামনে থেকে তাড়িয়ে দিলেন। সেই তাঁবু দায়ূদের সময় পর্যন্ত ছিল।
46
ইনি ঈশ্বরের চোখে অনুগ্রহ পেলেন, এবং যাকোবের ঈশ্বরের জন্য একটি গৃহ নির্ম্মাল করার জন্য অনুমতি চাইলেন;
47
কিন্তু শলোমন তাঁর জন্য একটি গৃহ নির্ম্মাণ করলেন।
48
অথচ ঈশ্বর হাতের তৈরি গৃহে বাস করেন না; যেমন ভাববাদী বলেন
49
“স্বর্গ আমার সিংহাসন, পৃথিবী আমার পা রাখার স্থান; প্রভু বলেন, তোমরা আমার জন্য কেমন বাসস্থান বানাবে?
50
অথবা আমার বিশ্রামের স্থান কোথায়? আমার হাতই কি এ সমস্ত তৈরী করেনি?”
51
হে ঘাড়শক্ত লোকেরা এবং হৃদয়ে ও কানে অচ্ছিন্নত্বকেরা, তোমরা সবসময় পবিত্র আত্মার প্রতিরোধ করে থাক; তোমাদের পূর্বপুরুষেরা যেমন, তোমরাও ঠিক তেমন।
52
তোমাদের পূর্বপুরুষেরা কোন ভাববাদীকে তাড়না না করেছে? তারা তাঁদের মেরে ফেলেছিল, যাঁরা আগেই সেই ধার্মিকের আসার কথা জানত, যাকে কিছু দিন আগে তোমরা শত্রুর হাতে তুলে দিলে ও মেরে ফেলেছিলে;
53
তোমরা সকলে দূতগনের দ্বারা মোশির ব্যবস্থা পেয়েছিলে, কিন্তু পালন করনি।
54
এই কথা শুনে মহাসভার সদস্যরা আঘাতগ্রস্ত হলো, স্তিফানের দিকে চেয়ে দাঁতে দাঁত ঘষতে লাগল।
55
কিন্তু তিনি পবিত্র আত্মায় পূর্ণ হয়ে স্বর্গের দিকে একনজরে চেয়ে দেখলেন যে, ঈশ্বরের মহিমা রয়েছে, এবং যীশু ঈশ্বরের ডানদিকে দাঁড়িয়ে আছেন,
56
আর তিনি বললেন, দেখ, আমি দেখছি, স্বর্গ খোলা রয়েছে, মানবপুত্র ঈশ্বরের ডানদিকে দাঁড়িয়ে আছেন।
57
কিন্তু তারা খুব জোরে চিৎকার করে উঠল, নিজে নিজের কান চেপে ধরল, এবং একসাথে তাঁর উপরে গিয়ে পড়ল;
58
আর তাঁকে শহর থেকে বের করে পাথর মারতে লাগল; এবং সাক্ষীরা নিজে নিজের কাপড় খুলে শৌল নামের একজন যুবকের পায়ের কাছে রাখল।
59
এদিকে তারা স্তিফানকে পাথর মারছিল, আর তিনি তাঁর নাম ডেকে প্রার্থনা করলেন, হে প্রভু যীশু আমার আত্মাকে গ্রহণ করো l
60
পরে তিনি হাঁটু পেতে জোরে জোরে বললেন, প্রভু, এদের বিরুদ্ধে এই পাপ ধর না। এই বলে তিনি মারা গেলেন। আর শৌল তার হত্যার আদেশ দিচ্ছিলেন।
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 8 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28